মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

 সর্বপ্রথম নিষেকবিহীন ভ্রুণ উৎপাদন প্রক্রিয়া কে লক্ষ্য করেন?

A.   Linnaeus 
B. Winkler 
C. Mendel 
D. Hooker
Poster Download
RUUnit-CSet-4জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রউদ্ভিদ প্রজননঅপুংজনি বা পার্থেনোজেনেসিস (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ B. Winkler 
Explanation:

Another Explanation (5):

সর্বপ্রথম নিষেকবিহীন ভ্রূণ উৎপাদন প্রক্রিয়া: উইঙ্কলার 🧐

নিষেকবিহীন ভ্রূণ উৎপাদন (Parthenogenesis) একটি জটিল প্রক্রিয়া। Karl Winkler নামক একজন বিজ্ঞানী সর্বপ্রথম এই প্রক্রিয়াটি লক্ষ্য করেন। নিচে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

উইঙ্কলার কে ছিলেন? 🤔

কার্ল উইঙ্কলার ছিলেন একজন জার্মান উদ্ভিদবিজ্ঞানী। তিনি প্রধানত বিভিন্ন উদ্ভিদের বংশগতি এবং কোষবিদ্যা নিয়ে গবেষণা করতেন।

নিষেকবিহীন ভ্রূণ উৎপাদন কী? 😮

নিষেকবিহীন ভ্রূণ উৎপাদন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে ডিম্বাণু (ovum) শুক্রাণু (sperm) দ্বারা নিষিক্ত না হয়েই ভ্রূণে পরিণত হয়। এটি সাধারণত নিম্নশ্রেণীর জীব যেমন কীট, পতঙ্গ ইত্যাদিতে দেখা যায়। তবে কিছু উদ্ভিদেও এটি পরিলক্ষিত হয়।

উইঙ্লারের পর্যবেক্ষণ 🤓

উইঙ্কলার উদ্ভিদের মধ্যে এই প্রক্রিয়াটি প্রথম লক্ষ্য করেন। তিনি বিভিন্ন উদ্ভিদের জনন প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করার সময় কিছু উদ্ভিদে নিষেক ছাড়াই ভ্রূণ তৈরি হতে দেখেন।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ℹ️

  • উইঙ্কলার ছিলেন একজন অগ্রণী উদ্ভিদবিজ্ঞানী। 👨‍🔬
  • তিনি উদ্ভিদের বংশগতি নিয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন। 🌱
  • নিষেকবিহীন ভ্রূণ উৎপাদন আবিষ্কারের মাধ্যমে তিনি জীববিজ্ঞানে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেন। 🌠

নিষেকবিহীন ভ্রূণ উৎপাদনের প্রকারভেদ 📊

  1. স্বতঃস্ফূর্ত (Spontaneous): কোনো বাহ্যিক উদ্দীপক ছাড়াই ডিম্বাণু ভ্রূণে পরিণত হয়।
  2. কৃত্রিম (Artificial): রাসায়নিক বা অন্য কোনো উপায়ে ডিম্বাণুকে উদ্দীপিত করে ভ্রূণ তৈরি করা হয়।

বিভিন্ন জীবের নিষেকবিহীন ভ্রূণ উৎপাদন 🐞🦋

জীবের নাম বৈশিষ্ট্য উদাহরণ
পতঙ্গ পুরুষ মৌমাছি উৎপাদন মৌমাছি 🐝
উদ্ভিদ কিছু উদ্ভিদের বীজ উৎপাদন আলু 🥔
সরীসৃপ কিছু টিকটিকি প্রজাতি কমোডো ড্রাগন 🐉

শেষ কথা 💬

উইঙ্কলার এর পর্যবেক্ষণ নিষেকবিহীন ভ্রূণ উৎপাদন সম্পর্কে আমাদের জ্ঞানকে অনেক এগিয়ে নিয়ে গেছে। এটি জীববিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার। 👍

আরও জানতে চোখ রাখুন! 👀

Option A Explanation: ক্যারোলাস লিনিয়াস (Carl Linnaeus), যিনি ল্যাটিন নাম 'Carolus Linnaeus' এবং সুইডেনের নাম 'Carl von Linné' হিসেবেও পরিচিত, একজন সুইডিশ বোটানিস্ট, ফিজিশিয়ান এবং জুলজিস্ট ছিলেন। তিনি ১৭০৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৭৭৮ সালে মারা যান। লিনিয়াস বৈজ্ঞানিক নামকরণের বিন্যাসের জন্য বিখ্যাত, এবং তিনি বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভিদ এবং প্রাণীদের বর্গীকরণের জন্য দ্বৈত নামকরণ পদ্ধতি (binomial nomenclature) প্রবর্তন করেন, যা এখনো আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক নামকরণের মানদণ্ড হিসেবে গ্রহণ করা হয়। তাঁর বৈজ্ঞানিক কাজের অন্যতম সাফল্য হল "Systema Naturae" গ্রন্থের প্রকাশনা, যেখানে তিনি প্রাণী ও উদ্ভিদের একটি বৃহত্তর বর্গীকরণ সিস্টেম তৈরি করেন। তিনি এই সিস্টেমে প্রাণী ও উদ্ভিদের প্রজাতি, গণ, পরিবার, বর্গ ইত্যাদির মধ্যে স্থান নির্ধারণ করেন এবং একটি সুসংগঠিত ও ব্যবহারিক নামকরণ পদ্ধতি প্রতিষ্ঠা করেন। লিনিয়াসের কাজ বৈজ্ঞানিক বিশ্বের জ্ঞানের ভিত্তি স্থাপন করেছে এবং প্রাণীবিজ্ঞান এবং উদ্ভিদবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে তাঁর অবদান আজও মূল্যবান। তাঁর বিজ্ঞানের প্রতি অবদানের জন্য তাকে "বর্গীকরণের জনক" হিসেবেও অভিহিত করা হয়।
Option B Explanation: হেরম্যান ভিঙ্কলার (Hermann Vöchting) ছিলেন একজন জার্মান উদ্ভিদবিজ্ঞানী যিনি ১৮৭০ সালের ৪ ডিসেম্বরে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৪৫ সালের ১৩ এপ্রিলে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি বিশেষত উদ্ভিদ জীববিজ্ঞান এবং উদ্ভিদ প্রজননের ক্ষেত্রে গবেষণা করেছিলেন। তার প্রধান অবদান হল উদ্ভিদের প্রজনন বিজ্ঞানে, যেখানে তিনি সমলৈঙ্গিক প্রজনন বা অ্যাপোমিক্সিস (apomixis) নামে পরিচিত একটি প্রজনন প্রক্রিয়ার উপর গবেষণা করেছিলেন। অ্যাপোমিক্সিস হল এক ধরনের অলৈঙ্গিক প্রজনন প্রক্রিয়া যা মাধ্যমে উদ্ভিদ নিষেকবিহীন ভাবে বীজ উৎপন্ন করে। ভিঙ্কলার এই প্রক্রিয়ার উপর ১৯০৩ সালে গবেষণা করেন এবং এটিকে 'অ্যাপোমিক্সিস' নামে পরিচিত করেন। তার এই গবেষণা উদ্ভিদ প্রজনন বিজ্ঞানের এক নতুন দিগন্ত খুলে দেয় এবং পরবর্তীতে অনেক উদ্ভিদবিজ্ঞানী এই প্রক্রিয়ার উপর নির্ভর করে উদ্ভিদ প্রজননের বিভিন্ন দিক নিয়ে গবেষণা করেন।
Option C Explanation: গ্রেগর জোহান মেন্ডেল (Gregor Johann Mendel) ছিলেন একজন অস্ট্রিয়ান পাদ্রি, জীববিজ্ঞানী, এবং উদ্ভিদবিদ যিনি উত্তরাধিকারের আইনগুলির উপর তাঁর পায়নিয়ার কাজের জন্য বিখ্যাত। তাঁর কাজের মাধ্যমে, তিনি প্রজননের বিষয়ে আধুনিক জেনেটিক্সের ভিত্তি স্থাপন করেন। মেন্ডেল বিজ্ঞানের ইতিহাসে 'জেনেটিক্সের পিতা' হিসেবে পরিচিত। ১৮৬৫ সালে মেন্ডেল তাঁর গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করেন, যেখানে তিনি মটরশুটির বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে প্রজনন পরীক্ষা করে দেখিয়েছিলেন যে উত্তরাধিকারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। মেন্ডেলের আবিষ্কার করা উত্তরাধিকারের তিনটি প্রধান আইন হল: 1. উত্তরাধিকারের আইন অব ইউনিফর্মিটি (Law of Uniformity): পিতামাতার প্রতিটি জিন জোড়ার একটি জিন সন্তানের মধ্যে আসে। 2. উত্তরাধিকারের আইন অব সেগ্রিগেশন (Law of Segregation): প্রতিটি জিনেটিক কারণের জোড়া তাদের জিন সন্তানদের মধ্যে আলাদা হয়ে যায়। 3. উত্তরাধিকারের আইন অব ইন্ডিপেন্ডেন্ট অ্যাসর্টমেন্ট (Law of Independent Assortment): জিনের জোড়া তাদের জিনগুলি সন্তানের মধ্যে স্বাধীনভাবে বিতরণ করে। মেন্ডেলের এই আইনগুলি বিজ্ঞানে তাঁর অবদানকে অনন্য করে তোলে এবং জেনেটিক্সের গবেষণায় একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। তাঁর কাজ প্রাথমিকভাবে বিজ্ঞানী সম্প্রদায়ে অবহেলিত ছিল, কিন্তু ২০শ শতাব্দীর শুরুতে তাঁর গবেষণার পুনরাবিষ্কার হওয়ার পর তার গুরুত্ব স্বীকৃত হয়।
Option D Explanation: জোসেফ ডাল্টন হুকার (Joseph Dalton Hooker) ছিলেন একজন প্রখ্যাত ব্রিটিশ উদ্ভিদবিদ এবং পর্যটক। তিনি ১৮১৭ সালের ৩০ জুন জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯১১ সালের ১০ ডিসেম্বর প্রয়াত হন। হুকার তাঁর পিতা, উইলিয়াম জ্যাকসন হুকারের পাদপ্রদীপে চলেন, যিনি একজন বিশিষ্ট উদ্ভিদবিজ্ঞানী ছিলেন। জোসেফ হুকার বিভিন্ন ভৌগোলিক অঞ্চলে তাঁর গবেষণামূলক অভিযানের জন্য পরিচিত ছিলেন। তিনি হিমালয়, ভারত, নিউ জিল্যান্ড, টাসমানিয়া এবং অ্যান্টার্কটিকায় অভিযান চালিয়েছেন। তাঁর গবেষণা এবং সংগ্রহশালা অনেক নতুন উদ্ভিদ প্রজাতির আবিষ্কার এবং উদ্ভিদবিজ্ঞানের জ্ঞানে অবদান রাখে। হুকার বিশেষ করে সিস্টেম্যাটিক বোটানি এবং ভূতাত্ত্বিক বিতরণের ক্ষেত্রে গবেষণা করেন। তিনি চার্লস ডারউইনের একজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং সমর্থক ছিলেন, এবং প্রজাতির উদ্ভব তত্ত্বের প্রসারে অবদান রেখেছিলেন। হুকার রয়্যাল বোটানিক গার্ডেন, কিউ এর পরিচালক হিসেবেও কাজ করেন, এবং তাঁর সময়ে সেটি বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম উদ্ভিদ গবেষণা ও সংগ্রহশালায় পরিণত হয়। হুকারের গবেষণা এবং প্রকাশনাসমূহ বোটানির বিভিন্ন দিক এবং উদ্ভিদ বিজ্ঞানের বিকাশে অবদান রাখে, এবং তিনি উদ্ভিদবিজ্ঞানের ইতিহাসে একজন প্রমুখ ব্যক্তি হিসেবে স্মরণীয় থাকবেন।