নিষেক ক্রিয়া ছাড়া কর্মক্ষম বীজ উৎপাদন করার প্রক্রিয়াকে কী বলে?
MEDICALজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রউদ্ভিদ প্রজননঅপুংজনি বা পার্থেনোজেনেসিস (Topic Practice)MEDICAL - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
অ্যাপোস্পার্মি
Explanation: নিষেক ক্রিয়া ছাড়া কর্মক্ষম বীজ উৎপাদন করার প্রক্রিয়া অ্যাপোস্পার্মি বলা হয়। নোট: এই প্রক্রিয়ায় নিষেক ছাড়াই বীজ গঠিত হয় যা উদ্ভিদের একটি বিশেষ অভিযোজন।
Another Explanation (5):
নিষেক ক্রিয়া ছাড়া কর্মক্ষম বীজ উৎপাদন করার প্রক্রিয়া
প্রাকৃতিক ও কৃষি বিজ্ঞান ক্ষেত্রে, কিছু বিশেষ প্রক্রিয়া রয়েছে যার মাধ্যমে নিষেক ক্রিয়া (সিমেন বা অঙ্কুরের মাধ্যমে নিষেক) ছাড়া বীজ সৃষ্টি সম্ভব। এই প্রক্রিয়াগুলিকে সাধারণত অ্যাপোস্পার্মি (Apospory) বলা হয়।
অ্যাপোস্পার্মি কি?
অ্যাপোস্পার্মি হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে বীজ বা বীজাণু নিষেক ক্রিয়া ছাড়াই সৃষ্টি হয়। অর্থাৎ, এই পদ্ধতিতে বীজ উৎপাদন হয় বিন্যাস বা অর্ধ-অটোমেটিক প্রক্রিয়ায়, যেখানে পুরুষাঙ্গ বা শুক্রাণু সংক্রান্ত কোনো ক্রিয়া প্রয়োজন হয় না।
অ্যাপোস্পার্মির বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- নিষেকের প্রয়োজন হয় না।
- বীজের জীনগুণাবলী মূল বীজের মতোই থাকে।
- প্রাকৃতিকভাবে বা কলম বা উদ্ভিদপ্রজননের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া ঘটে।
- উদ্ভিদে এটি মূলত অ্যাপোস্পার্মি নামে পরিচিত।
অ্যাপোস্পার্মির উদাহরণ ও প্রকার
| প্রকার | বর্ণনা | উদাহরণ |
|---|---|---|
| ভূমি অ্যাপোস্পার্মি | অভ্যন্তরীণ অঙ্কুর দ্বারা বীজ সৃষ্টি | পেঁপে, আনারস |
| সাধারণ অ্যাপোস্পার্মি | অঙ্কুর বা ডিম্বাণু ছাড়া বীজ তৈরি | অ্যালো, কিছু ধরণের ঘাস |
উপসংহার
অ্যাপোস্পার্মি বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া, যা প্রাকৃতিক ও কলমের মাধ্যমে বীজের উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত এমন পরিস্থিতিতে ব্যবহার হয় যেখানে নিষেক বা পুরুষাঙ্গের প্রয়োজন পড়ে না।
সুতরাং,
নিষেক ক্রিয়া ছাড়া কর্মক্ষম বীজ উৎপাদনের প্রক্রিয়াকে অ্যাপোস্পার্মি বলা হয়।
Option A Explanation:
- অ্যাগ্যামোস্পার্মি (Agamospermy): এটি এমন এক প্রকার বিকল্প প্রজনন পদ্ধতি যেখানে নিষেক বা পুরুষ জনকের সৃষ্ট শুক্রাণু বা জীবাণু ছাড়া বীজ উৎপন্ন হয়।
- প্রাকৃতিক বা কৃত্রিমভাবে এই প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ বা অন্যান্য অর্গানিজমের বংশবৃদ্ধি ঘটে যা সাধারণ প্রজনন প্রক্রিয়া থেকে পৃথক।
- এটি সাধারণত গুণগত বৈশিষ্ট্য বজায় রেখে একই জাতের নতুন উদ্ভিদ তৈরি করে থাকে।
- উদাহরণস্বরূপ, কিছু ফলের গাছে অ্যাগামোস্পার্মি দ্বারা বীজ সৃষ্টি হয়।
Option B Explanation:
- অ্যাপোগ্যামি: এটি একটি প্রজনন প্রক্রিয়া যেখানে দুটি ভিন্ন প্রজাতির বা প্রকারের উদ্ভিদ বা প্রাণীর মধ্যে যৌনসংযোগের মাধ্যমে গর্ভধারার জন্য প্রস্তুত হয়।
- উদাহরণস্বরূপ, কিছু প্রজাতির মাছ বা পতঙ্গের মধ্যে এ প্রক্রিয়া দেখা যায়।
- এই পদ্ধতিতে, যৌনসংযোগের মাধ্যমে একটি নতুন জেনেটিক বৈচিত্র্য সৃষ্টি হয়, যা প্রজনন প্রক্রিয়াকে অধিক কার্যকর করে তোলে।
Option C Explanation:
অ্যাপোস্পোরি (Apospory) এর ব্যাখ্যা:
- অ্যাপোস্পোরি হলো এক ধরনের পুনরাবৃত্তির প্রক্রিয়া যেখানে গাছপালা বা কিছু অঙ্গপ্রতিওষ্ঠের মধ্যে স্বাভাবিক নিষেকের ছাড়াই ভ্রূণ গঠন হয়।
- এটি মূলত একটি অপ্রচলিত বা বিকল্প প্রজনন পদ্ধতি, যেখানে যৌন প্রজনন ছাড়াই নতুন প্রজন্ম সৃষ্টি হয়।
- অ্যাপোস্পোরি সাধারণত অজৈব বা অসম্পূর্ণ পরিবেশে ঘটে এবং এর মাধ্যমে উদ্ভিদ বা জীবের প্রজনন কার্য সম্পন্ন হয়।
- এটি বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে দেখা যায় এবং উদ্ভিদের জেনেটিক বৈচিত্র্য বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে।
- অ্যাপোস্পোরি প্রক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন ভ্রূণ সাধারণত মূল উদ্ভিদের জেনেটিক উপাদান সমান বা খুব কাছাকাছি হয়।
Option D Explanation:
- অর্থ: অ্যাপোস্পার্মি হলো একটি প্রাকৃতিক প্রজনন প্রক্রিয়া যেখানে নিষেকক্রিয়া ছাড়া পোকামাকড় বা উদ্ভিদ নিজস্বভাবে বীজ উৎপাদন করে।
- প্রকার: এটি মূলত অজৈব বা অপ্রজনন পদ্ধতি, যেখানে কোনো প্রাণীর বা উদ্ভিদের মধ্যে সরাসরি নিষেকের প্রয়োজন হয় না।
- উদাহরণ: কিছু উদ্ভিদ যেমন গ্লাইডেনিয়া, অ্যানাফেলেসিস প্রভৃতি এই প্রক্রিয়ায় বীজ উৎপাদন করে।
- গুণাবলী: অ্যাপোস্পার্মি দ্রুত এবং সহজে বীজ উৎপাদনে সক্ষম, যা প্রকৃতি ও কৃষিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।