বেগম সুফিয়া কামালের 'তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতা প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
A. মাসিক সওগাত
B. মাসিক মোহাম্মদী
C. বেগম
D. মাহে - নও
সঠিক উত্তরঃ
B.
মাসিক মোহাম্মদী
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- বাইক্কা বিলের বর্ষার সৌন্দর্য কতই না চমৎকার। কাকের চোখের মতো টলটলে জ??, রঙিন শাপলা-শালুক , কলমি লতার মতো নানাবিধ ফুল, পানকৌড়ি বুনো হাঁসের মতো বিপুলসংখ্যক দেশি-বিদেশি পাখি কার না ভালো লাগে। কিন্তু এমন মনোলোভা সৌন্দর্যের কাছে এসেও সেঁজুতি জামান আজ বিষা। কারণ, কয়েক বছর আগে নৌকা করে এ বিল পার হতে গিয়েই তার দশ বছরের ছেলে আবির মারা যায়।উদ্দীপকের সেঁজুতি জামানের মনোভাব 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাথে কতটা সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কে গন্ধে অধীরআকুল হয়েছে কিনা জানতে চাওয়া হয়েছে?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবি কাকে ব্যথা দিয়েছেন?
- 'আজি এ অবলোয় মনে পড়ে তোমায়হারানো দিনগুলি বারেবারে কাঁদায়।তুমি ছাড়া এজীবন শূন্য মনে হয়ভালোলাগা অনুভূতি আঁধারে ডুবে রয়।'“উদ্দীপক ও 'তাহা???েই পড়ে মনে' কবিতায় বর্ণিত দুঃখবোধের অনুভূতি একসূত্রে গাঁথা"- যুক্তি দিয়ে বুঝিয়ে দাও।
- 'হে কবি, নীরব কেন ফাগুন যে এসেছে ধরায়'— এচরণটিতে ‘নীরব কেন' বলতে কবির কেমন অবস্থাবোঝায়?
- সুচিত্রা স্বামী ও দুবছর বয়সি ছেলে হারু দাসকে নিয়ে ভালোই চলছিল জীবন। হঠাৎ তার স্বামী মারা যায়। তার বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন হয়ে পড়ে, তার ছেলে। ছেলে কর্মক্ষম হলো, বিয়ে করল এবং এক সন্তানের জনক হলো। সবাইকে রেখে হঠাৎ একদিন সেও পৃথিবী থেকে বিদায় নেয়। সন্তানহারা বিধবা নারী সুচিত্রার দুঃখের অন্ত নেই; তবুও বেঁচে থাকতে হবে এই সংসারে একমাত্র নাতি সম্রাট ও বৌমাকে নিয়ে সুচিত্রা আবার খেলার পৃথিবীতে নতুন জীবনের সন্ধান করে।"উদ্দীপক ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাদৃশ্য থাকলেও বৈপরীত্য কম নয়।"- মন্তব্যটি যাচাই করো।
- এই আমার ছোট ছেলে, যে নেই এখন,পাথরের টুকরার মতনডুবে গেছে আমাদের গ্রামের পুকুরে...অতিথি বিদায় নিলে আবারো দাঁড়াই এসে ফটোগ্রাফটির মুখোমুখি প্রশ্নাকুলচোখে, ক্ষীয়মান শোকে।ফ্রেমের ভেতর থেকে আমার সন্তানচেয়ে থাকে নিষ্পলক, তার চোখে নেই রাগ কিংবা অভিমান।"উদ্দীপকের দুঃখবোধ আর 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার অনুভূতি একইসূত্রে গাঁথা।"- মন্তব্যটি যাচাই কর।
- কবি শামসুর রাহমান বাংলাদেশের বিখ্যাত কবি। তাঁর পুত্র পুকুরে ডুবে মারা যান শিশুকালে। ঘটনাটি কবিকে ব্যথিত করে। অনেক বছর পর দেয়ালে ঝুলানো ছেলের ফটোগ্রাফটির দিকে তাকিয়ে দেখেন ধূলির স্তর জমে উঠেছে। তিনি ফটোগ্রাফটি আলতো হাতে মুছে দেন, চোখের জল আপনিই গড়িয়ে পড়ে। সেই রাতেই তিনি পুত্র স্মরণে লিখেন 'একটি ফটোগ্রাফ' নামক কবিতা।উদ্দীপকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন বিশেষ দিকটি ধারণ করেছে? আলোচনা কর।
- সুফিয়া কামালের পৈতৃক নিবাস কোথায়?
- একুশের বইমেলায় প্রতিবছর সবুজ সাহেবের কবিতার নতুন বই প্রকাশিত হয়। এ বছর তা হয়নি। গত ঈদে গ্রামের বাড়ির পুকুরে ডুরে সবুজ সাহেবের একমাত্র পুত্র ফয়সাল মারা যায়। কবি পুত্রশোকে শোকগ্রস্ত। বইমেলা উপলক্ষ্যে নতুন বই প্রকাশে কয়েকজন প্রকাশক কবি সবুজ সাহেবের কাছে পাণ্ডুলিপি চেয়েছেন। কিন্তু কবি কারো কথা রাখতে পারেননি।উদ্দীপকের সবুজ সাহেবের সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির সাদৃশ্য দেখাও।
- "ঘুমিয়ে গেছে শ্রান্ত হয়ে আমার গানের বুলবুলিকরুণ চোখে চেয়ে আছে সাঁঝের ঝরা ফুলগুলি।................................…………………………………কাল হতে আর ফুটবে না হায়, লতার বুকে মঞ্জরীউঠছে পাতায় পাতায় কাহার করুণ নিশাস মর্মরীগানের পাখি' গেছে উড়ে শূন্য নীড়কণ্ঠে আমার নাই সে আগের কথার ভিড়'।উদ্দীপকের কবি এবং 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির অন্তর্বেদনাকে এক সুতায় গাঁথা যায় কি? আলোচনা করো।'
- নিচের কোন বইটি সুফিয়া কামাল রচিত?
- গঠনরীতির দিক থেকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি কোন ধরনের কবিতা?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কোন ফুলের কুঁড়ির কথা উল্লেখ আছে ?
- রত্না এবং রতনের দাম্পত্য জীবন বেশ সুখে-শান্তিতেই কাটছিল। কিন্তু বিনা মেঘে বজ্রপাতের ন্যায় মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করল রতন। কালের বিবর্তনে জীবন নামের একজন ভালো মানুষের সাথে রত্নার পুনরায় বিয়ে হলেও প্রথম স্বামীর সস্মৃতি একমুহূর্তের জন্যও ভুলতে পারেনি সে। কেননা, প্রথম স্বামী ছিল তার সকল কাজের সহযোগী ও প্রেরণাদাতা। প্রতি বসন্তে রত্না তাই প্রথম স্বামীর কথা বিশেষভাবে স্মরণ করে নীরবে কাঁদে। কারণ, তার ভালোবাসার মানুষটি বসন্তকালের পূর্বলতোই তাকে ছেড়ে চির বিদায় নিয়েছে।উদ্দীপকের রত্না আর 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির কষ্ট একসূত্রে গাঁথা"- বিশ্লেষণ করো।
- অকালে বাবাকে হারিয়ে আবিদের মন ভীষণ খারাপ। বন্ধু বাতেন এসে বলল, 'তুমি তো ঘুরতে খুব পছন্দ করো, চলো নৌকায় কোথাও ঘুরে আসি। শরতের শুভ্র জ্যোৎস্নায় দু'ধারে কাশবন, মৃদু বাতাসে নৌকার দোলা- তোমার মন ভালো হয়ে যাবে।' জবাবে আবিদ বলল, 'নির্মল জলে রূপালি চাঁদ কোনো কিছুতে আর মন নেই বন্ধু। আমার সব ভালো লাগা পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছে।'"আবিদের জবাবে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার মূলবক্তব্যই প্রতিধ্বনিত হয়েছে"- উক্তিটির যথার্থতা বিচার করো।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায়— 'কোথা তব নবপুষ্পসাজ' – উক্তিটি কার উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি কোন ঋতুকে কেন্দ্র করে রচিত?
- সুফিয়া কামালের পৈতৃক নিবাস কোথায় ?
- নববর্ষ পয়লা বৈশাখকে ঘিরে চারদিকে উৎসবের আমেজ। কিছুদিন আগে মাকে হারানো ফারিয়াকে কিছুই স্পর্শ করে না। মায়ের স্মৃতিতেই সে আচ্ছন্ন।উদ্দীপকের ফারিয়ার সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির আচরণে প্রকাশ পেয়েছে-বৈপরীত্যস্মৃতি কাতরতা মানবমনের রহস্যময়তা নিচের কোনটি সঠিক?