তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি মাসিক মোহাম্মদী পত্রিকায় কত সালে প্রকাশিত হয়?
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ঋতুরাজ বসন্তে প্রকৃতি এক নতুন সাজে সজ্জিত হয়। শীতের শুষ্কতা কাটিয়ে প্রকৃতি তখন নব যৌবন লাভ করে। গাছে গাছে নতুন পাতা গজায়, ফুলে ফুলে ভরে যায় অবারিত মাঠ-ঘাট ও বাগান। আমের মুকুল মৌ মৌ গন্ধে তখন চারদিক মুখরিত মুখারিত হয়ে ওঠে। এই ঋতুতে বিরহীদের মন প্রিয়জনের সান্নিধ্য খোঁজে। তাদের কথা বেশি বেশি মনে পড়ে। কারণ, প্রকৃতির সঙ্গে মানব মনের একটা ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। প্রকৃতির সৌন্দর্যের প্রভাব তখন মানব মনে পড়ে। কবি-সাহিত্যিকগণ তখন নতুন নতুন সাহিত্য চর্চায় আত্মনিয়োগ করার অনুপ্রেরণা লাভ করেন।'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় বর্ণিত বসন্তের রূপচিত্র এবং উদ্দীপকের ঋতুরাজের রূপচিত্র একই অর্থে সমার্থক- উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি প্রকাশিত হয়—
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি কোন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়?
- (i) তোমাকে যে ভালোবাসি এ কথা বাতাসেও জেনেছেএই বার্তা মুখে করে প্রভাময়ী আলো নিয়ে যায়আমাদের প্রেমের রূপে নীলবর্ণ আকাশ টাঙ্গায়দিকে দিকে জাগে ভোর, বনভূমে পাখিরা সেজেছে।(ii) তুমি চলে গেছ কত যুগ কত বছর?এইমাত্র সমুখে ছিলে, পাত্রে জল কাঁপছে এখনোযেন কোনো এক স্বপ্নঘেরা বাগানে লুকানোতোমার প্রেমের রূপ, প্রতিশ্রুতি, মিথ্যের শব্দবহর।"উদ্দীপক দুটি যেন 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার মূলকথা।"- মন্তব্যটি উদ্দীপক ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতা অবলম্বনে বিচার করো।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় ব্যবহৃত 'কুহেলি উত্তরী' শব্দটি কী অর্থ বহন করে?
- কলেজ থেকে শিক্ষা সফরের উদ্দেশ্যে কক্সবাজার গেল গালিবসহ তার বন্ধুরা। সাগরের পানিতে নেমেছে সবাই, খুবখুব হৈচৈ আর লাফালাফি করে গোসল করছে তারা। হিমছড়ি পাহাড়ে উঠে আনন্দে আত্মহারা সবাই। কিন্তু গালিব এক কোণে বসে আছে, তার মনে কোনো-আনন্দ নেই, কারণ পাঁচ বছর আগে সে তার বাবার সাথে এখানে এসেছিল, অনেক আনন্দ করেছিল সবাই মিলে। এখন তার বাবা নেই, কিন্তু বাবার রেখে যাওয়া সেই স্মৃতি তাকে এতটাই আচ্ছন্ন করে রেখেছে যে সমস্ত আনন্দই তার কাছে ম্লান হয়ে আসে।"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও গালিব ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবি উভয়ের অন্তরে রয়েছে তীব্র বেদনা।"-মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো
- হে কবি, নীরব কেন? ফাগুন যে এসেছে ধরায়।চরণটিতে নীরব কেন বলতে কবির কোন মানসিকতাকে বোঝায়?
- সুফিয়া কামালের পৈতৃক নিবাস কোথায়?
- 'দক্ষিণ দুয়ার গেছে খুলি?'- উক্তিটি কার?
- কোন কবিতা জুড়ে রয়েছে বিষাদময় রিক্ততার সুর ?
- “কুহেলি উত্তরী তলে -- সন্ন্যাসী", শূন্যস্থানে কোন শব্দ বসবে?
- 'ডেকেছে কি সে আমারে? শুনি নাই রাখিনি সন্ধান।'এখানে 'সে' কে?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটিকে নাটকীয় গুণসম্পন্ন কবিতা বলা হয় কেন?
- জীবনের সব ক্ষেত্রে সফল আকাশ কিন্তু তার সাফল্য তারমাকে আলোড়িত করে না। মায়ের সমস্ত অন্তরজুড়েঅকালে হারিয়ে যাওয়া আবির। উদ্দীপকের আবির 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায়কীসের প্রতিনিধিত্ব করে?
- কোনটি সুফিয়া কামাল এর কাব্য গ্রন্থ নয়?
- তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় 'অর্ঘ্য বিরচন' কথাটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- আজ তুমি নেই সাথে ভুলে থাকা ছলনাতেমনে মনে ভাবি শুধু তোমারি কথা।পাওয়া না পাওয়ার মাঝে অচেনার সুর বাজে,সুরভিত বিরহের মরম ব্যথা।"উদ্দীপকের কথকের হৃদয় বেদনা যেন 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার মূলসুর"- যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।
- সাঁঝের মায়া' কার লেখা?
- কবি পথে পথে কার জন্য ফেরেন?
- ‘তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় 'নীরব কেন' বলতেবোঝায়—কবি উদাসীন হয়ে আছেন কেন?কবি কেন বসন্তকে সম্বোধন করছেন না?কবি কেন কাব্য রচনায় সক্রিয় হচ্ছেন না?নিচের কোনটি সঠিক?
- 'পুস্প শয্যা ভেদ তুলি বিচিত্র বসন" এর পরের লাইন..
- মাঘের সন্ন্যাসী কোথায় চলে গিয়েছে?
- 'হে কবি, নীরব কেন ফাগুন যে এসেছে ধরায়'— এচরণটিতে ‘নীরব কেন' বলতে কবির কেমন অবস্থাবোঝায়?
- অকালে বাবাকে হারিয়ে আবিদের মন ভীষণ খারাপ। বন্ধু বাতেন এসে বলল, 'তুমি তো ঘুরতে খুব পছন্দ করো, চলো নৌকায় কোথাও ঘুরে আসি। শরতের শুভ্র জ্যোৎস্নায় দু'ধারে কাশবন, মৃদু বাতাসে নৌকার দোলা- তোমার মন ভালো হয়ে যাবে।' জবাবে আবিদ বলল, 'নির্মল জলে রূপালি চাঁদ কোনো কিছুতে আর মন নেই বন্ধু। আমার সব ভালো লাগা পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছে।'"আবিদের জবাবে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার মূলবক্তব্যই প্রতিধ্বনিত হয়েছে"- উক্তিটির যথার্থতা বিচার করো।
- চারদিকে উৎসবের রঙ। নতুন বছরকে বরণ করার প্রাণান্তপ্রয়াস। সপ্তাহ দুয়েক আগে মাকে হারানো মেয়েটিকে শোকভোলাতেই নিয়ে এসেছে বান্ধবীরা। মায়ের স্মৃতি বুকে নিয়েওধীরে ধীরে মেয়েটি সহজ হয়ে উঠছে; উপভোগ করছে বর্ষবরণ।উদ্দীপকে মেয়েটির সহজ হয়ে ওঠা আর 'তাহারেই পড়ে মনে'কবিতায় কবির আচরণে প্রকাশ পেয়েছে—বৈপরীত্যস্মৃতিমুগ্ধতামানব মনের রহস্যময়তানিচের কোনটি সঠিক?
- বর্ষায় বাংলার প্রকৃতি যেন ভিন্ন এক রূপের পসরা সাজায়। বিলের বুকে কলমিলতা, শাপলার অনাবিল সৌন্দর্য, পানকৌড়ির লুকোচুরি- কার না ভালো লাগে। কিন্তু শিল্পী নাজমা বিলের ধারে বেড়াতে এসেও যেন কেন আনমনা হয়ে আছেন। এমনি এক বর্ষায় নৌকাডুবিতে চিরতরে হারিয়ে যায় তার স্নেহের দুটি ভাই-বোন। শাপলা-শালুকভরা শাশ্বত বাংলার বর্ষা প্রকৃতি দেখেও আজ তাই কণ্ঠশিল্পী নাজমার কণ্ঠে ধ্বনিত হয় না কোনো গান। তার হৃদয় জুড়ে শুধুই বিষণ্ণতা।"তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাথে উদ্দীপকটির বিষয়গত প্রচুর বৈসাদৃশ্য রয়েছে"- বিশ্লেষণ কর।
- "কহিল সে স্নিগ্ধ আঁখি তুলি" কার কথা বলা হয়েছে?
- সে বসন্ত একদিন করেছিল শত কোলাহল- সে আজ নিঃশব্দে আসে আমার নির্জনে' - উদ্দীপকের ভাবানুষজ্ঞ 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন চরণের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- 'কুহেলী' উত্তরীতলে মাঘের সন্ন্যাসী'- পঙক্তির তাৎপর্য আলোচনা কর।
- সংলাপনির্ভর রচনা-
- বাইক্কা বিলের বর্ষার সৌন্দর্য কতই না চমৎকার। কাকের চোখের মতো টলটলে জল, রঙিন শাপলা-শালুক , কলমি লতার মতো নানাবিধ ফুল, পানকৌড়ি বুনো হাঁসের মতো বিপুলসংখ্যক দেশি-বিদেশি পাখি কার না ভালো লাগে। কিন্তু এমন মনোলোভা সৌন্দর্যের কাছে এসেও সেঁজুতি জামান আজ বিষা। কারণ, কয়েক বছর আগে নৌকা করে এ বিল পার হতে গিয়েই তার দশ বছরের ছেলে আবির মারা যায়।উদ্দীপকটিতে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সামগ্রিক ভাবনার সবটুকু ধরা পড়েছে বলে তুমি মনে করো কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- ভেতরে আমার বাঁশিটি বাজে না আর,ওড়ে না পাখি আঁকাবাঁকা সাদা ঝাঁকনদী জলের ঢেউগুলো নির্বাকভেতরে আমার ভেঙে পড়ে শধু পাড়।উদ্দীপকের কবিতাংশটুকু সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় কোন ঋতুর আগমনের কথা বলা হয়েছে?
- প্রকৃতির সঙ্গে মানব মনের সম্পর্কের দিকটি কোন কবিতায় স্পষ্ট?
- সুচিত্রা স্বামী ও দুবছর বয়সি ছেলে হারু দাসকে নিয়ে ভালোই চলছিল জীবন। হঠাৎ তার স্বামী মারা যায়। তার বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন হয়ে পড়ে, তার ছেলে। ছেলে কর্মক্ষম হলো, বিয়ে করল এবং এক সন্তানের জনক হলো। সবাইকে রেখে হঠাৎ একদিন সেও পৃথিবী থেকে বিদায় নেয়। সন্তানহারা বিধবা নারী সুচিত্রার দুঃখের অন্ত নেই; তবুও বেঁচে থাকতে হবে এই সংসারে একমাত্র নাতি সম্রাট ও বৌমাকে নিয়ে সুচিত্রা আবার খেলার পৃথিবীতে নতুন জীবনের সন্ধান করে।উদ্দীপকের সুচিত্রা ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- তাহারেই পড়ে মনে কবিতায় কার আগমনী গাণের কথা বলা হয়েছে?
- 'ফুটেছে কী আমের মুকুল'? উক্তিটি কার?
- কবি শামসুর রাহমান বাংলাদেশের বিখ্যাত কবি। তাঁর পুত্র পুকুরে ডুবে মারা যান শিশুকালে। ঘটনাটি কবিকে ব্যথিত করে। অনেক বছর পর দেয়ালে ঝুলানো ছেলের ফটোগ্রাফটির দিকে তাকিয়ে দেখেন ধূলির স্তর জমে উঠেছে। তিনি ফটোগ্রাফটি আলতো হাতে মুছে দেন, চোখের জল আপনিই গড়িয়ে পড়ে। সেই রাতেই তিনি পুত্র স্মরণে লিখেন 'একটি ফটোগ্রাফ' নামক কবিতা।উদ্দীপকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন বিশেষ দিকটি ধারণ করেছে? আলোচনা কর।
- 'কহিল সে কাছে সরে আসি'- পঙক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- অকালে বাবাকে হারিয়ে আবিদের মন ভীষণ খারাপ। বন্ধু বাতেন এসে বলল, 'তুমি তো ঘুরতে খুব পছন্দ করো, চলো নৌকায় কোথাও ঘুরে আসি। শরতের শুভ্র জ্যোৎস্নায় সুধারে কাশবন, মৃদু বাতাসে নৌকার দোলা তোমার মন আলো হয়ে যাবে।' জবাবে আবিদ বলল, 'নির্মল জলে রূপালি চাঁদ কোনো কিছুতে আর মন নেই। আমার সব ভালো লাগা পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছে।'আবিদের জবাবে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার মূল বক্তব্যই প্রতিফলিত হয়েছে।"- উক্তিটির যথার্থতা বিচার কিরো।