কবি শামসুর রাহমান বাংলাদেশের বিখ্যাত কবি। তাঁর পুত্র পুকুরে ডুবে মারা যান শিশুকালে। ঘটনাটি কবিকে ব্যথিত করে। অনেক বছর পর দেয়ালে ঝুলানো ছেলের ফটোগ্রাফটির দিকে তাকিয়ে দেখেন ধূলির স্তর জমে উঠেছে। তিনি ফটোগ্রাফটি আলতো হাতে মুছে দেন, চোখের জল আপনিই গড়িয়ে পড়ে। সেই রাতেই তিনি পুত্র স্মরণে লিখেন 'একটি ফটোগ্রাফ' নামক কবিতা।
উদ্দীপকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন বিশেষ দিকটি ধারণ করেছে? আলোচনা কর।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার মূল সুর কি?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি নাটকীয় গুণসম্পন্ন।"- ব্যাখ্যা কর।
- পুনর্মিলন অনুষ্ঠানের প্রস্তাবনা, পরিকল্পনা, প্রযোজনা ও কর্মপন্থা নির্ধারণে পাঁচ মাস ধরে নিরলসভাবে কাজ করে আয়োজন প্রায় সম্পন্ন করে রেখেছে রতন। বন্ধুদের মিলনমেলা আয়োজন তার জন্য যেমন কষ্টসাধ্য কাজ ছিল, তেমনি এতে স্বপ্নপূরণের আনন্দও ছিল অফুরান। অনুষ্ঠান নিয়ে কোনো ভাবনা, উত্তেজনা বা উচ্ছ্বাস নেই আজ তার মনে। কারণ, অনুষ্ঠানের আগেই তার মা পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। মা যেন দূর আকাশে মুখ রেখে বাতাসে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।"প্রিয়জনের বিয়োগব্যথা আমাদের আনন্দ-আয়োজনের গতি ভিন্ন পথে ধাবিত করতে পারে।"- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতা ও উদ্দীপকের আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- মনে পড়ে বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারি,লাখো বাঙালির কাতর চিত্তে করুণ আহাজারি,একুশ তুমি বাংলার মানুষের হৃদয়ভরা আশা,তোমার কারণে পেয়েছি আজ কাঙ্ক্ষিত মাতৃভাষা,রক্ত ঝরাল, সালাম, বরকত, রফিক, শফিক জব্বার,বায়ান্নর সেই করুণ কাহিনি মনে পড়ে বরাবর,স্মৃতির পাতায় ভেসে ওঠে সে বিষণ্ণ দিনের কথা,যত ভাবি ততই যেন মনে পাই বড়ো ব্যথা।"উদ্দীপকটি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার মর্মবাণীকে পুরোপুরি ধারণ না করলেও আত্মত্যাগ ও অধিকার আদায়ের কথাই বলে।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- ‘তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় 'নীরব কেন' বলতেবোঝায়—কবি উদাসীন হয়ে আছেন কেন?কবি কেন বসন্তকে সম্বোধন করছেন না?কবি কেন কাব্য রচনায় সক্রিয় হচ্ছেন না?নিচের কোনটি সঠিক?
- 'রহেনি, সে ভুলেনি তো, এসেছে তা ফাগুনে স্মরিয়া।'- উক্তিটি দিয়ে কী বোঝানো হয়েছে?
- কোন কবিতায় বাতাবি লেবুর উল্লেখ আছে?
- এই আমার ছোট ছেলে, যে নেই এখন,পাথরের টুকরার মতনডুবে গেছে আমাদের গ্রামের পুকুরে...অতিথি বিদায় নিলে আবারো দাঁড়াই এসে ফটোগ্রাফটির মুখোমুখি প্রশ্নাকুলচোখে, ক্ষীয়মান শোকে।ফ্রেমের ভেতর থেকে আমার সন্তানচেয়ে থাকে নিষ্পলক, তার চোখে নেই রাগ কিংবা অভিমান।উদ্দীপকের বিষয়ভাবনা ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার ভাববস্তুর সাদৃশ্য বর্ণনা কর।
- ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান-তোমার হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান-আমার আপনহারা প্রাণ আমার বাঁধন-ছেড়া প্রাণ।তোমার অশোকে কিংশুকেঅলক্ষ্য রং লাগল আমার অকারণের সুখে,তোমার ঝাউয়ের দোলেমর্মরিয়া ওঠে আমার দুঃখরাতের গান।"উদ্দীপক এবং 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবিদ্বয়ের মধ্যে ঋতুর দৃষ্টিভঙ্গিগত পার্থক্য রয়েছে।"- এ উক্তির সঙ্গে তুমি কি একমত? তোমার মন্ত্রের পক্ষে যুক্তি দেখাও।
- 'পাগলে কিনা বলে' নিম্নরেখা শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
- "ঘুমিয়ে গেছে শ্রান্ত হয়ে আমার গানের বুলবুলিকরুণ চোখে চেয়ে আছে সাঁঝের ঝরা ফুলগুলি।................................…………………………………কাল হতে আর ফুটবে না হায়, লতার বুকে মঞ্জরীউঠছে পাতায় পাতায় কাহার করুণ নিশাস মর্মরীগানের পাখি' গেছে উড়ে শূন্য নীড়কণ্ঠে আমার নাই সে আগের কথার ভিড়'।উদ্দীপকের কবি এবং 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির অন্তর্বেদনাকে এক সুতায় গাঁথা যায় কি? আলোচনা করো।'
- বর্ষায় বাংলার প্রকৃতি যেন ভিন্ন এক রূপের পসরা সাজায়। বিলের বুকে কলমিলতা, শাপলার অনাবিল সৌন্দর্য, পানকৌড়ির লুকোচুরি- কার না ভালো লাগে। কিন্তু শিল্পী নাজমা বিলের ধারে বেড়াতে এসেও যেন কেন আনমনা হয়ে আছেন। এমনি এক বর্ষায় নৌকাডুবিতে চিরতরে হারিয়ে যায় তার স্নেহের দুটি ভাই-বোন। শাপলা-শালুকভরা শ??শ্বত বাংলার বর্ষা প্রকৃতি দেখেও আজ তাই কণ্ঠশিল্পী নাজমার কণ্ঠে ধ্বনিত হয় না কোনো গান। তার হৃদয় জুড়ে শুধুই বিষণ্ণতা।"উদ্দীপকের কণ্ঠশিল্পী নাজমার সাথে কবি বেগম সুফিয়া কামালের শিল্পী সত্তার তাৎপর্যপূর্ণ মিল রয়েছে"- উক্তিটির মূল্যায়ন কর।
- 'পুষ্পশূন্য দিগন্তের পথে'- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান-তোমার হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান-আমার আপনহারা প্রাণ আমার বাঁধন-ছেড়া প্রাণ।তোমার অশোকে কিংশুকেঅলক্ষ্য রং লাগল আমার অকারণের সুখে,তোমার ঝাউয়ের দোলেমর্মরিয়া ওঠে আমার দুঃখরাতের গান।উদ্দীপকে বর্ণিত বসন্তের রূপচিত্রের সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি কোন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়?
- কোন্ কবিতায় বিষাদময় রিক্ততার অনুরণন ঘটেছে?
- সগির বৈরাগীর কন্ঠ আর তার হাতের দোতারা যেন অবিচ্ছেদ্য। প্রায় একযুগ ধরে ভাওয়াইয়া গান গেয়ে উত্তরবঙ্গের মানুষের মনে তার নাম গেঁথে গেছে। এবার তিস্তা চরে নদীভাঙা মানুষদের নবান্নের উৎসবে গান গাইছেন তিনি। হঠাৎ খবর পান তার গুরু জয়ন্ত বৈরাগী মরণাপন্ন। স্তব্ধ হয়ে গেলেন সগির বৈরাগী। তারপর কিছুক্ষণ নিশ্চুপ থেকে গুরুর নামে দ্বিগুণ আবেগে আবার গাইতে শুরু করেন- কেননা 'The show must go on.''তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার 'ভুলিতে পারি না কোনো মতে' চরণটি এবং উদ্দীপকের "The show must go on' দুটি বিপরীতমুখী বোধের প্রকাশ।"- আলোচনা করো।
- "তাহারেই মনে পড়ে' কবিতায় ফাগুনে কোন দুয়ার খুলে যায়?
- 'আজি এ অবলোয় মনে পড়ে তোমায়হারানো দিনগুলি বারেবারে কাঁদায়।তুমি ছাড়া এজীবন শূন্য মনে হয়ভালোলাগা অনুভূতি আঁধারে ডুবে রয়।'উদ্দীপকের সঙ্গে কবি সুফিয়া কামালের ব্যক্তি জীবনের মিল রয়েছে কীভাবে? উপস্থাপন করো।
- দরিদ্র রিকশাচালক রাশেদুলের মেয়ে রেবেকা এইচ.এস.সি পরীক্ষার্থী। সে মেধাবী ছাত্রী। রাশেদুলের স্বপ্ন রেবেকা বড় ডাক্তার হবে। মেয়ের পড়াশুনার খরচ চালানোর জন্য সে দিনের পর দিন কঠোর পরিশ্রম করে। রেবেকাও স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে দিনরাত এক করে নিজেকে প্রস্তুত করছে। কিন্তু হঠাৎ আসা কালবৈশাখী ঝড়ের মতো বাবার মৃত্যু রেবেকার জীবনকে এলোমেলো করে দেয়। রেবেকা তার লক্ষ্য থেকে ছিটতে পড়ে। বাবার মৃত্যুশোক তাকে আচ্ছন্ন করে রাখে। অতঃপর ধীরে ধীরে নিজেকে সামলে নিয়ে বাবার স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে এগিয়ে চলে ইট-পাথরের যান্ত্রিক জীবনের পথে।উদ্দীপকের সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য আলোচনা কর।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কোন ফুলের কুঁড়ির কথা উল্লেখ আছে ?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবি 'মাঘের সন্ন্যাসী ' বলতে বুঝিয়েছেন?
- তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার প্রধান গুণ কী?
- 'পুষ্পশূন্য দিগন্তে??? পথে'- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় ব্যবহৃত 'উত্??রী' শব্দের অর্থ কী?
- তোমার পঠিত কোন কবিতাটি সংলাপনির্ভর?
- 'বসন্ত বন্দনা তব কণ্ঠে শুনি, এ মোর মিনতি।' কোন কবিতা থেকে নেয়া?
- ‘কুহেলী উত্তরী তলে-সন্ন্যাসী’ উদ্ধৃতির শূন্যস্থানে বসবে-
- গঠনরীতির দিক থেকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কী ধরনের রচনা?
- কোন কবিতায় কবির ব্যক্তি জীবনের দুঃখময় ঘটনার ছায়াপাত ঘটেছে?
- 'বসন্ত-বন্দনা তব কণ্ঠে শুনি-এ মোর মিনতি'— এ মিনতি করে—
- "চলে যায় মরি হায় বসন্তের দিন।দূর শাখে পিক ডাকে বিরাম বিহীন।অধীর সমীর- ভরে উচ্ছ্বসি বকুল ঝরে,গন্ধ সনে হল মন সুদূরে বিলীন।পুলকিত আম্রবীথি ফাল্গুনেরই তাপে,মধুকর গুঞ্জরণে ছায়াতল কাঁপে।কেন আজি অকারণে সারা বেলা আনমনেপরানে বাজায় বীণা কে গো উদাসীন।"উদ্দীপকের মূলসূর 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- এ আমার ছোটো ছেলে, যে নেই এখন,পাথরের টুকরোর মতনডুবে গেছে আমাদের গ্রামের পুকুরেবছর তিনেক আগে কাক ডাকা গ্রীষ্মের দুপুরে।উদ্দীপকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন ভাবের প্রতিফলন ঘটেছে বিশ্লেষণ কর।
- তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি মাসিক মোহাম্মদী পত্রিকায় কত সালে প্রকাশিত হয়?
- ‘হিম কুহেলির অন্তর তলে আজিকে পুলক জাগে,রাঙিয়া উঠেছে পলাশ কলিকা মধুর রঙিন রাগে।'অনুচ্ছেদটি 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোনঘটনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- কোনটি সুফিয়া কামাল এর কাব্য গ্রন্থ নয়?
- এ বসন্তে কবির পুষ্পসাজ না থাকার কারণ কী?
- চারদিকে ভীষণ কুয়াশা। অমিতের 'আজ লেখার ইচ্ছে নেই।উদ্দীপকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার' কোন দিকটি তুলে ধরা হয়েছে?
- মুন্না বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। হঠাৎ তার শিশুপুত্র সড়ক দুর্ঘটনায়নিহত হয়। পুত্রশোকে সে ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছে।এমনকি ঈদের নামা?? পড়তেও যেতে পারেনি।উদ্দীপকে ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায়যুগপৎভাবে ফুটে উঠেছে—নির্লিপ্ততাস্মৃতিকাতরতাপ্রিয়জন হারানোর বেদনানিচের কোনটি সঠিক?
- প্রকৃতির সঙ্গে মানব মনের সম্পর্কের দিকটি কোন কবিতায় স্পষ্ট?