লাবণীর বিয়ে। তার বাবা বলল, 'ছেলে পক্ষ এত ভালো যে, তারা কিছুই চায় না। কিন্তু আমার মন মানে না। এতবড়ো বাড়িতে তোকে খালি হাতে পাঠাই কী করে। তাই ভাবছি- যত ইলেকট্রনিক্স লাগে, সব তোর সঙ্গে পাঠাব।' লাবণী দৃঢ় কণ্ঠে বলল, 'না। আমার বিয়েটা দৃষ্টান্ত হয়ে থাক, বাবা।'
উদ্দীপকের লাবণী 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর সম্পূর্ণ প্রতিনিধিত্ব করে কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দেখাও।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ’গবেষণা’ শব্দের ঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
- হরিশ কোথায় কাজ করে?
- আসর জমাতে অদ্বিতীয় কে?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত বয়সে ছোটগল্পকার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন?
- ‘তবে চলুন আপনাদের গাড়ি বলিয়া দিই'— উক্তিটিতেপ্রকাশ পেয়েছে শম্ভুনাথ বাবুর-
- আমাদের সমাজে ছেলে সন্তানের জন্ম হলে সবাই খুশি হয়। এর নেপথ্যে কারণ কন্যাসন্তানের বিয়ে দিতে দতে অনেক অনেক অর্থ সংকুলন করতে হয়। সামাজিক, ধর্মীয় এবং আইনগত কুপ্রথার কারণে প্রতিনিয়ত অনেক নারী স্ত্রী নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। মানুষ যত দিন ভোগবাদী চিন্তার চূড়ান্ত স্তর থেকে বেরিয়ে আসতে না পারবে, ততদিন এ ব্যাধি থেকে মুক্তি সম্ভব নয়। মানুষের চিন্তার চিকিৎসা করাতে পারলে মানবতার জয়গান প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব হবে।উদ্দীপকের মানবতার জয়গানের বিষয়টি 'অপরিচিতা' গল্পের আলোকে মূল্যায়ন করো।
- অতুলনীয় মাতৃস্নেহের উত্তাপে সন্তানের পরিপুষ্টি, তাহারই আধিক্যে সে অসহায় হইয়া পড়ে। মাতৃস্নেহের প্রাবাল্যে মানুষ আপনাকে হারাইয়া আসল শক্তির মর্যাদা বুঝিতে পারে না। নিয়ত মাতৃস্নেহের অন্তরালে অবস্থান করিয়া আত্মশক্তির সন্ধান সে পায় না- দুর্বল অসহায় পক্ষীশাবকের মতো চিরদিন স্নেহাতিশয্যে আপনাকে সে একান্ত নির্ভরশীল মনে করে। ক্রমে জননীর পরম সম্পদ সন্তান অলস, ভীরু, দুর্বল ও পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়া যায়।"উদ্দীপকের ইতিবাচক মর্মার্থ উপলব্ধির মানসিকতাই 'অপরিচিতা' গল্পে অনুপমের পরিবর্তিত জীবনভাবনার উপায় হিসেবে কাজ করেছে।"- মন্তব্যটির সার্থকতা বিচার করো।
- ‘অপরিচিতা’ গল্পের চরিত্র কোনগুলো?
- 'মেয়ের চেয়ে মেয়ের বাপের খবরটাই, তাঁহার কাছে গুরুত্বর।'-ব্যাখ্যা করো।
- সাধিত ষ-বিশিষ্ট নয় এমন শব্দ --
- 'অনাবৃষ্টির দিনে ফুলের কুঁড়িটির মতো মেয়ের বিমর্ষ মুখ।' -কোন রচনার বাক্য?
- 'অপরিচিতা' গল্পটি কার জবানীতে লেখা?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শ্বশুরবাড়ি বাংলাদেশের-
- মাতৃস্নেহের তুলনা নাই, কিন্তু অতিস্নেহ অনেক সময় অমঙ্গল আনয়ন করে। যে স্নেহের উত্তাপে সন্তানের পরিপুষ্টি, তাহারই আধিক্যে সে অসহায় হইয়া পড়ে। মাতৃহৃদয়ে মমতার প্রাবল্য, মানুষ আপনাকে হারাইয়া আপন শক্তির মর্যাদা বুঝিতে পারে না।.... দুর্বল অসহায় পক্ষী শাবকের মতো চিরদিন স্নেহাতিশয্যে আপনাকে সে একান্ত নির্ভরশীল মনে করে। ক্রমে জননীর পরম সম্পদ সন্তান অলস, ভীরু, দুর্বল ও পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়া যায়। অন্ধ মাতৃস্নেহ সে কথা বুঝে না।"উদ্দীপকের ভাবার্থের মতো সীমাবদ্ধতাই অনুপম চরিত্রের একমাত্র দিক নয়, বৃত্তভাঙার আনন্দও তার আছে"- 'অপরিচিতা' গল্পের আলোকে তোমার মতামতসহ মন্তব্যটি যাচাই কর।
- রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন সমকালীন ভারতবর্ষে পুরুষশাসিত সমাজজীবনের সবক্ষেত্রে তৎকালীন নারীসমাজের পশ্চাৎপদতা, দুর্বিষহ জীবন এবং অধিকারহীনভাবে দেখেছেন পুরুষের নিদারুণ স্বার্থপরতা, আধিপত্যকামী মানসিকতার প্রেক্ষাপটে। তাঁর বিভিন্ন রচনায় তিনি নারী সমাজকে জ্ঞানচর্চা ও কর্মব্রতী, অধিকার সচেতন ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষায় প্রলুব্ধ করতে চেয়েছেন। পরিবার ও সমাজের অপরিহার্য অর্ধেক শক্তি নারীসমাজের দুর্বল ও অবনত অবস্থার জন্য পুরুষ সমাজের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন আশা করেছেন।কল্যাণীর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন-এর সঙ্গে কোন দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- রবীন্দ্রনাথের সর্বশেষ গল্পের নাম কী?
- 'বিদ্রোহী' কবিতায় কবি নিজেকে কার শিষ্য বলে পরিচয় দিয়েছেন?
- অনুপমের মামা সেকরাকে বিয়েবাড়িতে এনেছিল কেন?
- 'অন্নপূর্ণার কোলে গজাননের ছোটো ভাইটি।' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- কল্যাণীর পিতার নাম কি?
- সোনার তরী' কবিতায় বর্ণিত পরপারের গ্রামের অবস্থা কেমন ছিল?
- "ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯" কবিতায় 'কৃষ্ণচূড়া ' কিসের প্রতীক?
- স্বাতী সুশিক্ষিত ও আত্মনির্ভরশীল নারী। বিয়ের পর শ্বশুরও শাশুড়ির চাপে চাকরি ছাড়তে বাধ্য হয়। শ্বশুর-শাশুড়িরধারণা চাকরিজীবী বউ অহংকারী হয়। তারা সংসারের প্রতিদায়িত্বশীল নয় । উদ্দীপকের শ্বশুর-শাশুড়ির মানসিকতার সাথে'অপরিচিতা' গল্পের কোন উক্তিটির মিল রয়েছে?
- ঘরেতে এলো না সে তো 'মনে তার নিত্য আসা যাওয়া'- পরনে ঢাকাই শাড়ি, কপালে সিঁদুর।'উক্ত সাদৃশ্যের কারণ হলো-পরিণাম একইলোভী মানসিকতাযৌতুক প্রথার বলিনিচের কোনটি সঠিক?
- মাতৃস্নেহের তুলনা নাই, কিন্তু অতিয়েহ অনেক সময় অমঙ্গল আনয়ন করে। যে মেহের উত্তাপে সন্তানের পরিপুষ্টি, তাহারই আধিক্যে সে অসহায় হইয়া পড়ে। মাতৃহূদয়ের মমতার প্রাবল্যে, মানুষ আপনাকে হারাইয়া আপন শক্তির মর্যাদা বুঝিতে পারে না। দুর্বল অসহায় পক্ষী শাবকের মতো চিরদিন যেহাতিশয্যে আপনাকে সে একান্ত নির্ভরশীল মনে করে। ক্রমে জননীর পরম সম্পদ সন্তান অলস, ভীরু, দুর্বল ও পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়া যায়। অন্ধ, মাতৃস্নেহ সে কথা বুঝে না।উদ্দীপকের বিষয়টিই অনুপম চরিত্রের একমাত্র দিক নয়, আনন্দও তার আছে। 'অপরিচিতা' গল্পের আলোকে তোমার মতামতসহ মন্তব্যটি যাচাই কর।
- কল্যাণীর 'মাতৃআজ্ঞা'র ধরন আলোচনা কর।
- 'অপরিচিতা' গল্পে খাদযুক্ত গহনার নাম কী?
- সেই শৈশবের সুরবালা তোমার যত কাছেই থাকুক, তাহার চুড়ির শব্দ শুনিতে পাও, তাহার মাথা ঘষার গন্ধ অনুভব করো, কিন্তু মাঝখান বরাবর একখানি করিয়া দেয়াল থাকিবে। আমি বলিলাম থাক-না, সুরবালা আমার কে? উত্তর শুনিলাম; সুরবালা আজ তোমার কেহই নয়; কিন্তু সুরবালা তোমার কী না হইতে পারিত।। সে কথা সত্য। সুরবালা আমার এর কী কী না হইতে পারিত। আমার সবচেয়ে অন্তরঙ্গ, আমার সবচেয়ে নিকটবতী, আমার জীবনের সমস্ত সুখ-দুঃখভাগিনী হইতে পারিত- সে আজ এত দূর এত পর, আজ তাহাকে দেখা নিষেধ, তাহার সঙ্গে কথা কওয়া দোষ, তাহার বিষয়ে চিন্তা করা পাপ।"প্রিয়জনকে না পাওয়ার হাহাকারই উদ্দীপকের বাহক ও 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপমকে একই সূত্রে গেঁথেছে।"- বিশ্লেষণ করো।
- 'ঘরেতে এলো না সে তোমনে তার নিত্য আসা যাওয়াপরনে ঢাকাই শাড়ি, কপালে সিঁদুর। ' উদ্দীপকের চরিত্রটি 'অপরিচিতা' গল্পের কাকেপ্রতিনিধিত্ব করে?
- "ঠাট্টা করিতেছেন নাকি?" উদ্ধৃতিটি 'অপরিচিতা' গল্পের কোন চরিত্রের?
- বিনুদাদা অনুপমের কেমন ভাই?
- 'কন্যার পিতা মাত্রেই স্বীকার করিবেন আমি সৎপাত্র'- কেন?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ছিন্নপত্র' কোথায় বসে লেখা?
- মামার একমাত্র লক্ষ্য কী ছিল?
- আঠারো বছর বয়সীদের তাজা প্রাণে কেমন যন্ত্রণাসৃষ্টি হয়?
- ‘রক্তকরবী’ নাটকটি কার রচনা?
- নিরপরাধীকে শাস্তি দিও না বাক্যটির শুদ্ধ রূপ -
- তিনি কোনোমতেই কারো কাছে ঠকিবেন না- তিনি বলতে অপরিচিতা গল্প?? কাকে বোঝানো হয়েছে?
- 'অপরিচিতা' গল্পের মামা অনুপমের চেয়ে কত বছরের বড়ো?