সেই শৈশবের সুরবালা তোমার যত কাছেই থাকুক, তাহার চুড়ির শব্দ শুনিতে পাও, তাহার মাথা ঘষার গন্ধ অনুভব করো, কিন্তু মাঝখান বরাবর একখানি করিয়া দেয়াল থাকিবে। আমি বলিলাম থাক-না, সুরবালা আমার কে? উত্তর শুনিলাম; সুরবালা আজ তোমার কেহই নয়; কিন্তু সুরবালা তোমার কী না হইতে পারিত।। সে কথা সত্য। সুরবালা আমার এর কী কী না হইতে পারিত। আমার সবচেয়ে অন্তরঙ্গ, আমার সবচেয়ে নিকটবতী, আমার জীবনের সমস্ত সুখ-দুঃখভাগিনী হইতে পারিত- সে আজ এত দূর এত পর, আজ তাহাকে দেখা নিষেধ, তাহার সঙ্গে কথা কওয়া দোষ, তাহার বিষয়ে চিন্তা করা পাপ।
"প্রিয়জনকে না পাওয়ার হাহাকারই উদ্দীপকের বাহক ও 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপমকে একই সূত্রে গেঁথেছে।"- বিশ্লেষণ করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:


Related Questions (Any University/Year)
- অবশেষে বিবাহের দিন উপস্থিত হইল। নিতান্ত অতিরিক্ত সুদে একজন বাকি টাকাটা ধার দিতে স্বীকার করিয়াছিল, কিন্তু সময়কালে সে উপস্থিত হইল না। বিবাহ। সভায় একটা তুমুল গোলযোগ বাধিয়া গেল। রামসুন্দর আমাদের রায় বাহাদুরের হাতে-পায়ে ধরিয়া বলিলেন, 'শুভকার্য সম্পন্ন হইয়া যাক। আমি নিশ্চয় টাকাটা শোধ করিয়া দেবো।' রায় বাহাদুর বলিলেন, 'টাকা হাতে না পাইলে বর সভাস্থ করা যাইবে না।'উদ্দীপকের 'রামসুন্দর' চরিত্রটি 'অপরিচিতা' গল্পের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যাখ্যা করো।
- "ঠাট্টা করিতেছেন নাকি?" উদ্ধৃতিটি 'অপরিচিতা' গল্পের কোন চরিত্রের?
- "আমার ভাগ্যে প্রজাপতির সঙ্গে পঞ্চশরের কোনো বিরোধ নেই।"- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'আমার পথ দেখাবে আমার সত্য'— এই বাক্যে ফুটেউঠেছে—
- "তবে আপনাদের গাড়ি বলিয়া দেই?"- ব্যাখ্যা কর।
- অনুপমের বাবার পেশা কী ছিল?
- অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল পিতার শ্যামলা মেয়ে খাদিজা বহু কষ্টে বড় হয়েছে। বিয়েতে বাবা বড় আয়োজন করতে পারেনি। পরবর্তীতে সে নিজ চেষ্টায় অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জন করলেও গায়ের রং ও বাবার অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে এখনও শ্বশুরবাড়িতে কথা প্রসঙ্গে নানা কটু কথার সম্মুখীন হতে হয়।উদ্দীপকের খাদিজার সঙ্গে 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য আলোচনা কর।
- ছাত্রছাত্রীরা জেলগেটে এসে কী করছিল?
- 'সিলেটে বহু চা-বাগান আছে।' এ বাক্যের নেতিবাচক রূপ কোনটি?
- ‘আমি অন্নপূর্ণার কোলে গজাননের ছোট ভাইটি ।’ কোন রচনার অংশ?
- ইসমাইলের বাবা অনাথ সিহাবকে লালনপালন করেন।ইসমাইলের সঙ্গে তার চাচা তায়েবের বিরোধ বাধলে অর্থেরলোভে তায়েবের নির্দেশে সিহাব ইসমাইলকে হত্যা করে।সাদৃশ্যের কারণ হলো, উভয়েই— কৃতঘ্ন ক্ষমতালোভীঅর্থলোভীনিচের কোনটি সঠিক?
- ‘অপরিচিতা' গল্পে কোন বয়সটা না দৈর্ঘ্যে না গুণে বড়?
- ছোটবেলায় অনুপম পন্ডিতমশাইয়ের বিদ্রুপের পাত্র হয়েছিল কেন?
- বিয়ের সময় অনুপমের বয়স কত ছিল?
- ’আথাল’ এবং ‘ মাথাল’ শব্দ দুটি কোন কবিতায় ব্যবহৃত হয়েছে?
- Write a paragraph within 200 words on "City Life and Country Life".
- কোনটি সঙ্গতিপূর্ণ জোড় নয়?
- Write a paragraph comparing and contrasting between 'City Life and Rural Life' within 200 words.
- ’অপরিচিতা’ গল্পটি কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- কল্যাণী কোন স্টেশনে নেমেছিল?
- Change the narrative style by using direct speeches."Stop. Didn't I tell you to stop? You cannot go there," said the sergeant. "Oh! very well, it is hard thing to be very poor. All the world is against the poor," said the man.
- কোনগুলো উষ্মবর্ণ?
- অসহায় বিধবা শুভারাণী, তার মেয়ে তমালিকার বিয়ের বয়স পার হয়ে যাওয়া সত্ত্বেও তাকে পাত্রস্থ করতে পারেনি। কারণ, পাত্রপক্ষের দাবি মেটাতে সে অক্ষম। অবশেষে নিজের সামান্য জমিটুকু বিক্রি করে মেয়ের বিয়ের ব্যবস্থা করে সে। কিন্তু বরের বাবা নলীন বাবুর আকাশ ছোঁয়া চাওয়ার কাছে পরাজিত হতে হয় তাকে। মায়ের এহেন অবস্থা দেখে তমালিকা নিজেই বিয়ের পিঁড়ি থেকে উঠে আসে এবং সবাইকে সাফ জানিয়ে দেয়, এ বিয়ে সে করতে পারবে না। অতঃপর স্বাবলম্বী হয়ে একাকী পথ চলার দৃঢ়প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যায় সে।উদ্দীপকের তমালিকা চরিত্রটি 'অপরিচিতা' গল্পের কোন চরিত্রের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ? আলোচনা করো।
- ’ধোপদুরস্ত’ বাগ্ধারাটি কী বোঝায়?
- ডাক্তার অপূর্ব রংপুর বাসস্টপেজে দাঁড়িয়ে দেখতে পেলেন একটি স্কুল বাসে একজন শিক্ষিকা শিক্ষার্থীদের ছড়া গান শেখাতে শেখাতে নিয়ে যাচ্ছেন। শিক্ষিকাকে তার চেনা চেনা মনে হলো। তার সঙ্গেই কি অপূর্বের বিয়ে হবার কথা ছিল? অপূর্বের কৌতূহল আর কোলাহলের মধ্যেই বাসটি চলে গেল। শিক্ষিকাকে দেখে মনে হলো স্বাধীনচেতা ও ব্যক্তিত্বময়ী। ডাক্তার অপূর্বের মনে পড়ল সেই বিখ্যাত গানের কলি: আমার বলার কিছু ছিল না...........।উদ্দীপকের শিক্ষিকার মধ্যে 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর চারিত্রিক প্রবণতাসমূহ যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়েছে বলে তুমি মনে করো কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- ‘কালের যাত্রা’ নাটকটির রচয়িতা-
- ‘অপরিচিতা' গল্পের নায়কের নাম কী ?
- ঞ্চ বিশ্লষণ করলে পাওয়া যায়
- 'অপরিচিতা' গল্পে কল্যাণীর বিয়ে না করার সিদ্ধান্তেরকারণ কী ছিল?
- রবীন্দ্রনাথের 'মুক্তধারা':
- “তিনি কোনোমতেই কারো কাছে ঠকিবেন না।”-'তিনি' বলতে 'অপরিচিতা' গল্পে কাকে বোঝানো হয়েছে?
- কারো ঘর ভাঙে ঝড়েকারো সংসার পুড়ে যায় যৌতুকের আগুনে।কেউ করে হায় হায়, বাপ-মা কাঁদেমেয়েকে বিয়ে দিতে হয়-পড়ে যৌতুকের ফাঁদে।করবে না বিয়ে সোনালি নিজেকে করে পণ্যএটা তার পণ সোনালি জীবনের জন্য।'উদ্দীপকের 'সোনালি' 'অপরিচিতা' গল্পের কোন চরিত্রকে ইঙ্গিত করে? বর্ণনা করো।
- বলিলেন, 'সে কী কথা। লগ্ন'- কে, কেন বলেছিল? প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বুঝিয়ে দাও।
- অনুপমকে 'মাকাল ফলের' সাথে তুলনা করে বিদ্রূপ করেছিল কে?
- অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল পিতার শ্যামলা মেয়ে খাদিজা বহু কষ্টে বড় হয়েছে। বিয়েতে বাবা বড় আয়োজন করতে পারেনি। পরবর্তীতে সে নিজ চেষ্টায় অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জন করলেও গায়ের রং ও বাবার অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে এখনও শ্বশুরবাড়িতে কথা প্রসঙ্গে নানা কটু কথার সম্মুখীন হতে হয়।উদ্দীপকটিতে 'অপরিচিতা' গল্পের মূল বক্তব্য কতটা প্রতিফলিত হয়েছে বিশ্লেষণ কর।
- প্রজাপতির দুই পক্ষ। বরপক্ষ এবং কন্যাপক্ষ। বরপক্ষ কন্যাপক্ষের কাছে নগদ পঞ্চাশ হাজার। টাকা ও পাঁচ ভরি স্বর্ণালংকার চেয়ে বসল। নিত্যানন্দ রায় কোনো কিছু বিবেচনা না না করে তাতেই মেয়ের বিয়ে দিতে সম্মত হয়ে গেল। তার মতে, এমন শিক্ষিত। ছেলে আর বনেদি পরিবার কিছুতেই হাতছাড়া করা যায় না। তার ইচ্ছায় যথারীতি আশীর্বাদ পর্ব শেষে শুভ বিবাহের দিন ধার্য হয়ে গেল। নিত্যানন্দ অনেক কষ্ট স্বীকার করে বিয়ের যাবতীয় আয়োজন সম্পন্ন করার পরও নিতান্ত এক তুচ্ছ কারণে বিয়ের আসরেই এই বিয়ে ভেঙে যায়।উদ্দীপকের নিত্যানন্দ রায়ের সঙ্গে 'অপরিচিতা' গল্পের শুম্ভুনাথের সাদৃশ্য নির্ণয় করো।
- 'চির উন্নত মম শির'- কথাটি কীসের পরিচায়ক?
- নিরপরাধীকে শাস্তি দিও না বাক্যটির শুদ্ধ রূপ -
- বাংলায় টি.এস. এলিয়টের কবিতার প্রথম অনুবাদক–
- অপাদমস্তক স্বার্থন্ধ মানুষ সমীরণ বাবু। নিজের স্বার্থ আদায়ে তিনি সিদ্ধহস্ত। একমাত্র ছেলের বিয়েতে তাঁর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তিনি তার শিক্ষিত ও যোগ্য ছেলের বিয়েতে কন্যাপক্ষের কাছে থেকে মোটা অঙ্কের যৌতুক চান। সবকিছুই ঠিক ছিল- সুন্দরী কনে, কনের গহনা, পণের টাকা, নিমন্ত্রণ করা। কিন্তু গোল বাধল বিয়ের সভাতে। অর্থলোভী সমীরণ বাবু যৌতুক নিয়ে বাড়াবাড়ি এবং আপত্তিকর কিছু আচরণ করে বিয়ে ভেঙে দিতে চায়। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতে তাঁর আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত ছেলে টিটন বেঁকে বসে। আজন্ম বাধ্যগত ছেলে টিটন তখন বাবার হীনমানসিকতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে বলে, সে কেনাবেচা করতে আসেনি; কাউকে অপমান করতেও আসেনি; একজনকে জীবনসঙ্গী করতে এসেছে। তাই বিয়ে করে তাকে নিয়েই বাড়ি ফিরবে।উদ্দীপকটি 'অপরিচিতা' গল্পের বক্তব্যকে কতটা ধারণ করতে পেরেছে? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।