স্পষ্ট কথা বলায় নিশ্চিতভাবে যা থাকে তা হলো-
A.
বিনয়
B.
অহংকার
C.
আত্মবিশ্বাস
D.
স্পর্ধা
সঠিক উত্তরঃ
A.
বিনয়
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- শোভনা গ্রামের শিক্ষিত পরোপকারী সন্তান সুভাষ। সদ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের লেখাপড়া শেষ করে গ্রামের সাধারণ মানুষের জীবন মান পরিবর্তন, শিক্ষা বিস্তার ও বাল্যবিবাহ রোধে গড়ে তুলেছে 'যুব সংঘ' নামক একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। প্রতিদিন সে গ্রামের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে তাদের জীবন মান উন্নয়নের চেষ্টা করে। এলাকার অনেকেই এ কাজকে প্রশংসা করলেও নিন্দুকেরা নিন্দা করতে ছাড়েনি। কিন্তু সুভাষ নিন্দুকদের কথায় কান না দিয়ে তার কাজে অটল থেকেছে। কারণ, সে জানে জাতি শিক্ষিত হলে সমাজের কুসংস্কার দূর হবে।উদ্দীপকের সুভাষ চরিত্রের সঙ্গে 'আমার পথ' প্রবন্ধের সংগতিপূর্ণ বিষয়ের যৌক্তিক রূপ তুলে ধরো।
- "অন্তরে যাদের এক গোলামির ভাব, তারা বাইরের গোলামি থেকে রেহাই পাবে কী করে? " - কার রচনার অংশ?
- গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিস নিজেকে চেনার কথা বলেছিলেন; বলেছিলেন, সত্য প্রকাশের কথা- যত কঠিনই হোক সে সত্য। সক্রেটিস ও তাঁর অনুসারীরা সত্য প্রকাশে যে অসংকোচ দৃঢ়তা দেখিয়েছিলেন, প্রথাগত সমাজ ও রাষ্ট্রের চোখে তা চিহ্নিত হয়েছিল ঔদ্ধত্য ও বিশৃঙ্খলার নিয়ামক হিসেবে। পরিণামে তাঁদের ওপর নেমে এসেছিল রাজদণ্ড। প্রবল পরাক্রমশালী রাজার ভয়ে না পালিয়ে যে অল্পসংখ্যক অনুসারী শেষ পর্যন্ত সক্রেটিসের অনুগামী হলেন, তাঁরাই ছিলেন প্রকৃত সত্যনিষ্ঠ। আর তাঁরা যেহেতু আত্মপ্রবঞ্চক ছিলেন না; তাই জেনেশুনেই বেছে নিয়েছিলেন রাজার দেওয়া 'সত্য বলার শাস্তি'। শাস্তিদাতা রাজাদের নাম-নিশানা মুছে গেলেও সক্রেটিসকে মহাকাল দিয়েছে 'মহাজ্ঞানী' অভিধা।উদ্দীপকের প্রকাশিত 'সত্য' 'আমার পথ' প্রবন্ধে কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে?
- ‘গৃহদাহ’ উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্রের নাম কী?
- একসাথে আছি একসাথে বাঁচিআরও একসাথে থাকবই।সব বিভেদের রেখা মুছে দিয়েসাম্যের ছবি আঁকবই।উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধে কবি যে ধর্মের কথাবলেছেন, তা হলো-
- সুন্দরগঞ্জ, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রায়হান চৌধুরী সত্যের পথে থেকে সারা জীবন অতিবাহিত করেছেন। তিনি মিথ্যা, ভণ্ডামি পছন্দ করতেন না। তিনি মনে করতেন, মিথ্যা ক্ষণিকের লুকোচুরি খেলা যা মানুষের আত্মবিশ্বাসকে দুর্বল করে দেয়। শিক্ষার্থীদেরও তিনি মিথ্যাকে পরিহার করে সত্যের সুকঠিন পথে চলার উপদেশ দিতেন। তিনি শিক্ষার্থীদের বলতেন, "সত্যই একমাত্র নিজেকে পুরোপুরি আত্মবিশ্বাসের সাথে দাঁড়াতে সাহায্য করে।'''সত্যের সুকঠিন পথ বর্তমান সমাজ, পরিবর্তনের আলোর পথ নির্দেশক' উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
- যাকে অপদার্থ, অকর্মণ্য বলে উপহাস করা হচ্ছে, তাকে যদি কেউ সাহস দেয়, এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ এবং সহযোগিতার হাত বাড়ায়, তবে সেই মানুষটির মানসিক ও আত্মিক বিবর্তন ঘটবে। এতে অলস পরিশ্রমী হতে পারে, অপ্রতিভ সপ্রতিভ হবে, ভীরু সাহসী হবে, মূর্খ বিদ্বান হবে, দুর্বল বলবান হতে পারে। এর অন্যতম কারণ, সেই মানুষটির অন্তর্নিহিত সত্যের বিকাশ।উদ্দীপকের ভাবনা 'আমার পথ' প্রবন্ধের সঙ্গে কীভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ?
- কোনটি কাব্য নয়?
- 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণী কীসের প্রতীক?
- প্রাবন্ধিক নিজেকে 'অভিশাপ রথের সারথি' বলে অভিহিত করেছেন কেন?
- রফিকুল ইসলাম একজন সাদা মনের মানুষ। শিক্ষকতা পেশায় থেকে গড়েছেন আলোকিত মানুষ। নিজের নেতৃত্বে পরিচালনা করেছেন সেবামূলক প্রতিষ্ঠান "কালান্তর"। জনকল্যাণের পাশাপাশি তিনি এলাকার মাতব্বরদের ভণ্ডামির প্রতিবাদ করেন। মিথ্যা ও নতজানুতার বিরুদ্ধে তিনি সদা সোচ্চার। ফলে অনেকেরই শত্রুতে পরিণত হন তিনি। তবে তিনি দমে যান না, তিনি বিশ্বাস করেন 'সত্য ও ন্যায়ের পথই সহজ পথ।''আমার পথ' প্রবন্ধের যে দিকটি উদ্দীপকে প্রতিফলিত নয়, তা আলোচনা কর।
- ভুলের মধ্যে সত্যকে পাওয়ার উপায় হলো-ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়াআত্মসচেতন হওয়াবিনয়ী হওয়ানিচের কোনটি সঠিক?
- রেবেকা সুলতানা রাজধানীর স্বনামধন্য কলেজের একজন আদর্শ শিক্ষক। কলেজ ছুটির পরে তিনি অবসর সময়ে পিছিয়ে পড়া নারীদের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করেন। এ কারণে তিনি গড়ে তোলেন 'নারী অধিকার' নামের একটি সংগঠন। এ সংগঠনের মাধ্যমে নারীদের হয়রানি, নিরাপত্তাহীনতা এবং নানাবিধ অনৈতিকতার প্রতিবাদে নিজেকে সমর্পণ করেন। কিন্তু কতিপয় নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ তার বিরোধিতা করেন। তা সত্ত্বেও তিনি তার প্রতিবাদ ও সচেতনতা অব্যাহত রাখেন।উদ্দীপকের রেবেকা সুলতানার 'সাথে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন দিকটির সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- "স্বল্পপ্রাণ,স্থুলবুদ্ধি ও জবরদস্তি প্রিয় মানুষে সংসার পরিপূর্ণ।" কোন প্রবন্ধের অংশ?
- প্রাবন্ধিক নিজেকে 'অভিশাপ রথের সারথি' বলে অভিহিত করেছেন কেন?
- ‘ঝিলিমিলি’ নাটকটি কে লিখেছেন?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে প্রকাশিত হয়েছে—
- 'পৃথিবীতে এমন কেউ কেউ আছেনমিথ্যার সাথে করেন না আপসকোথাও মেকি দেখলেই ঝরেতাদের রোষকেউ কেউ বলে এটা তাদের দোষঅনেকেই, তাদের বাহবা দিয়ে বলেআছে বটে সাহস।'উদ্দীপকে বর্ণিত 'মিথ্যার সাথে করেন না আপস' উক্তিটি 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন বিষয় ইঙ্গিত করে? ব্যাখ্যা করো।
- লেখক নিজেকে 'অভিশাপ রথের সারথি' বলে অভিহিত করেছেন কেন?
- পরের মুখে শেখা বুলি পাখির মতো কেন বলিস?পরের ভঙ্গি নকল করে নটের মতো কেন চলিস?তোর নিজস্ব সর্বাঙ্গে তোরে দিলেন বিধাতা আপন হাতে,মুছে সেটুকু বাজে হলি, গৌরব কি বাড়ল তাতে?আপনারে যে ভেঙ্গে চুরে গড়তে চায় পরের ছাঁচেঅলীক, ফাঁকি মেকি সে জন নামটা তার কদিন বাঁচে?"উদ্দীপকের মূলভাব ব্যক্তিতে চর্চিত হলে 'আমার পথ' প্রবন্ধের উদ্দেশ্য বিশ্বের আদর্শ হতো।"- মন্তব্যটি বিশেষণ কর।