কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?
A. ১৩৮৩
B. ১৩৮২
C. ১৩৮৫
D. ১৩০৬
সঠিক উত্তরঃ
A.
১৩৮৩
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- নিজেকে জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সক্রেটিস বলেছেন, 'নিজেকে জানো।' এ কথা সকলেই জানে যে, আত্মোপলব্ধির মধ্য দিয়ে নির্মিত হয় ব্যক্তিত্ববোধ। আর প্রবল ইচ্ছাশক্তিই পরাধীনতার জাল থেকে বের করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সাহায্য করে। সুতরাং, ইচ্ছাশক্তি ও সত্য পথকে ধারণ করে স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে। উদ্দীপকের সাথে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- নেতৃত্ব দানে সামর্থ্য আছে এমন ব্যক্তিকে কী বলে?
- ইশতিয়াক সাহেব তাঁর সমগ্র জীবন ধরেই সমাজ সচেতনতামূলক ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক কাজ করে চলেছেন। তাঁর আন্তরিক চেষ্টা ও নিরলস পরিশ্রমের কারণে সমাজের বহু অসংগতি দূর হয়েছে এবং বৃক্ষরোপণের প্রতিও মানুষের মনোযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন অনেক প্রতিষ্ঠিত মানুষ আছে, যারা ছাত্র অবস্থায় তার সাহায্য নিয়ে বড়ো হয়েছেন। এরপরেও সমাজে এক শ্রেণির মানুষ আছে, যারা তাঁর কটূক্তি ও সমালোচনা করে। এসব শুনে ইশতিয়াক সাহেব বলেন, 'সমালোচনাকে ভয় করলে মহৎ কাজ সাধন করা যায় না।'সমালোচনাকে যারা উপেক্ষা করতে পারে, তারাই সমানে এগিয়ে যেতে পারে।" উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে এ মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- অমিত বাবু ভূমি অফিসের একজন নায়েব। তিনি সৎ, দক্ষ, এবং স্বনামে এলাকায় পরিচিত। শুধু তার কারণে তার অফিসে কোনো ঘুষের লেনদেন হয় না। তিনি নিজ উদ্যোগে একদিন একটি সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিলেন ভূমি অফিসে। তাতে লেখা "এই অফিসে কোনো ঘুষের লেনদেন হয় না।" বিষয়টি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে, কিন্তু তার সহকর্মীরা বিষয়টি সহজভাবে নেননি। কেবল অমিত বাবুর কারণে তাদের বাড়তি আয় কমে গেছে। তারা ষড়যন্ত্র করে তাকে অফিস হতে বিতাড়নের চেষ্টা করেন। তার বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ উত্থাপন করলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে, কিন্তু অভিযোগের সত্যতা খুঁজে পায় না। অমিত বাবু সত্যের পথে ছিলেন অবিচল, তিনি অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি কোনো দিন।উদ্দীপকে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন বিশেষ দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? বিশ্লেষণ করো।
- কাজী নজরুল ইসলাম কত নম্বর বাঙালি পল্টনে সৈনিক হিসেবে যোগদান করেছিলেন?
- কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয় কোনটি?
- আলম একজন সংগঠক। এলাকার ছেলেমেয়েদের নিয়ে তিনি 'কবি সুকান্ত পাঠাগার ও সংগীত বিদ্যালয়' নামে সংগঠন গড়ে তোলেন। তিনি মিথ্যাকে উড়িয়ে দিয়ে, সামাজিক প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে সংগঠনের 'রজত জয়ন্তী'র আয়োজন করেছেন। তিনি দমে যাওয়ার মানুষ নন। তার সংগঠনের ছেলেমেয়েরা আজ গুণী শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, প্রশাসনের কর্মকর্তা, চিকিৎসাবিদ আরও কত সফল মানুষ। তিনি আলোকিত মানুষ হিসেবে সকলের মন আনন্দে ভরিয়ে দিয়েছেন।'মনুষ্যত্ব মানুষকে আলোর পথ দেখাতে পারে' উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে উক্তির যথার্থতা বিচার করো।
- প্রাবন্ধিক কাজী নজরুল ইসলামের মতে ভয় তাদের মধ্যে ।যারা শত্রুকে ভয় পায়যাদের ভেতরে ভয় আছেযারা আপন সত্যকে চিনতে ব্যর্থনিচের কোনটি সঠিক?
- নিজের সত্যকেই নিজের কর্ণধার মনে জানলে নিজের শক্তির ওপর কী আসে?
- 'মানুষ-ধর্মই সবচেয়ে বড় ধর্ম' কোন লেখকের রচনার অংশ?
- কে অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না?
- শ্রমিক নেতা রহমান সাহেব একজন প্রতিবাদী ব্যক্তি। শ্রমিকদের স্বার্থ আদায়ে তিনি বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর। সত্য কথা বলতে তিনি কখনো পিছপা হন না। তার এই স্পষ্টবাদিতার কারণে মালিকপক্ষের কাছে তিনি চক্ষুশূল। জীবনে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি সত্যপথ থেকে বিচ্যুত হননি। তাই শ্রমিক সমাজের মাঝে তিনি বেশ আস্থাভাজন মানুষ হিসেবে পরিচিত।উদ্দীপকে সত্যের যে চিত্র ফুটে উঠেছে তা 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে ব্যাখ্যা করো।।
- অত্যন্ত খিটখিটে মেজাজের মানুষ মামুন। ন্যায়-অন্যায়, 'ভালোমন্দ সব বিষয়েই তিনি রেগে যান। এজন্য পরিবারের লোকজন ছাড়াও এলাকাবাসীও তার উপর বিরক্ত। কিন্তু মামুনের বক্তব্য তিনি কোনো ভুল বা অন্যায় করছেন না বরং অন্যায়ের প্রতিবাদ করেন এবং এ কারণে প্রয়োজনেই চিৎকার করেন, রাগ হয়ে যান। তবে একদিন তাকে এই রাগের খেসারত দিতে হয়। মামুনের সন্তান বাবার ভয়ে দ্রুত বাড়ি ফিরতে গিয়ে দুর্ঘটনায় নিহত হয়। এরপর থেকে মামুন সম্পূর্ণ বদলে যায়। তিনি বুঝতে পারেন সব সময় রেগে থাকার মাধ্যমে কোনো সমাধান হয় না। তিনি তার ভুল শুধরে নতুনভাবে জীবন যাপন করেন।উদ্দীপকের মামুনের মনোভাবনার মধ্য দিয়ে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে তা আলোচনা করো।
- অত্যন্ত খিটখিটে মেজাজের মানুষ মামুন। ন্যায়-অন্যায়, 'ভালোমন্দ সব বিষয়েই তিনি রেগে যান। এজন্য পরিবারের লোকজন ছাড়াও এলাকাবাসীও তার উপর বিরক্ত। কিন্তু মামুনের বক্তব্য তিনি কোনো ভুল বা অন্যায় করছেন না বরং অন্যায়ের প্রতিবাদ করেন এবং এ কারণে প্রয়োজনেই চিৎকার করেন, রাগ হয়ে যান। তবে একদিন তাকে এই রাগের খেসারত দিতে হয়। মামুনের সন্তান বাবার ভয়ে দ্রুত বাড়ি ফিরতে গিয়ে দুর্ঘটনায় নিহত হয়। এরপর থেকে মামুন সম্পূর্ণ বদলে যায়। তিনি বুঝতে পারেন সব সময় রেগে থাকার মাধ্যমে কোনো সমাধান হয় না। তিনি তার ভুল শুধরে নতুনভাবে জীবন যাপন করেন।"উদ্দীপকটি 'আমার পথ' প্রবন্ধের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবিম্ব নয়।"- উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- মানুষের মর্যাদা হয় কীসে?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধ্যে লেখক নিজেকে 'অভিশাপ রথের সারথি' বলে অভিহিত করেছেন কেন?
- নজরুলের মতে, নিজের সত্যকে বড় করার দন্ড-মাথা উঁচু করে পুরুষ করে ডোন্ট কেয়ার ভাব আনেনিচের কোনটি সঠিক?
- আবরার সাহেব ছোটোবেলা থেকেই নিজের কাজ নিজে করে অভ্যস্ত নন। ছাত্রজীবনে বন্ধুদের উপর নির্ভর করে পার হয়েছেন। এ অভ্যাসটি আজ তাঁর কর্মজীবনেও বহমান। অফিসে নিজের কাজ অন্যকে দিয়ে করিয়ে নিতে গিয়ে তাকে অনেক ছোটো হতে হয়। কর্তার কাছে নিজেকে উপস্থাপন করতে গিয়ে ব্যক্তিত্ব হারিয়ে ফেলেন। অথচ তার বাল্যবন্দু লেনিন সাহেব সৎ এবং ব্যক্তিত্বসম্পন্ন। অর্থাৎ ঘনিষ্ঠ বন্ধু হলেও তারা উভয়ই পরস্পর বিপরীত বৈশিষ্ট্যের। লেনিন সাহেব বাল্যবন্ধুকে অন্যায্য কাজ থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করেন এবং তিনি তাকে এটাও বোঝাতে চেষ্টা করেন আত্মবিশ্বাস, দৃঢ়তা এবং কঠোর পরিশ্রমই মানুষকে সাফল্য এনে দেয়। উদ্দীপকের আরমান সাহেবের বৈশিষ্ট্যে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে উঠেছে তা বর্ণনা করো।
- কোন্ দুটি রচনা একই শ্রেণির?
- কোন গুচ্ছটি ঠিক?