মিজান সাহেব একজন সাদা মনের মানুষ। সারাটা জীবন আলোকিত মানুষ গড়েছেন। চাকুরি থেকে অবসর গ্রহণের পর নিজের নেতৃত্বে পরিচালনা করেছেন সেবামূলক প্রতিষ্ঠান 'সেবাসংঘ'। বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কাজের পাশাপাশি শিক্ষা বিস্তার, বাল্যবিবাহরোধ, দুর্নীতি দমন অভিযান, নৈতিকতা ও মূল্যবোধ বিষয়ক সেমিনারের আয়োজন করে তিনি এলাকার মাতবরদের ভন্ডামির প্রতিবাদ করেন। মিথ্যা ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ছিলেন সদা সোচ্চার। অনেকেই তাঁর কাজের প্রশংসা করলেও কেউ কেউ নিন্দা ও কটূক্তি করতেও ছাড়ে না। তাই বলে তিনি সমালোচনাকারীদের ভয়ে দমে যান না। কারণ তিনি বিশ্বাস করেন 'সত্য ও ন্যায়ের পথই সহজ ও সঠিক পথ।' তিনি তরুণদের উদ্দেশে বলেন-
'মনেরে আজ কহ যে
ভালো মন্দ যাহাই আসুক
সত্যরে লও সহজে।'
'উদ্দীপকের কবিতাংশের বক্তব্য চেতনায় ধারণ করে অলোকিত পৃথিবী গড়ে তোলা সম্ভব'- প্রবন্ধের ভাববস্তুর আলোকে মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।
- আত্মবিশ্বাসী মানুষই সাফল্যের পথে এগিয়ে যান। তিনি অন্যের মত ও পথের প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রেখেও নিজের সত্যকে প্রতিষ্ঠা করতে পারেন। অন্যের উপর নির্ভরতা তার লক্ষ্য নয়। নিজেকে চিনে এবং নিজের বিশ্বাসকে বড় মনে করার মধ্য দিয়েই তিনি কল্যাণকর কিছু করতে পারেন।'আত্মনির্ভরশীলতার মধ্য দিয়েই একজন ব্যক্তি বা একটি জাতি উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছতে পারে। উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধ অবলম্বনে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- নজরুলের মতে গান্ধীজি শিখিয়েছিলেন-
- "যে নিজের ধর্মের সত্যকে চিনেছে, সে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না।"- ব্যাখ্যা কর।
- 'ভুলের মধ্য দিয়ে গিয়েই তবে সত্যকে পাওয়া যায়।' -কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।
- আত্মবিশ্বাসী মানুষই সাফল্যের পথে এগিয়ে যান। তিনি অন্যের মত ও পথের প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রেখেও নিজের সত্যকে প্রতিষ্ঠা করতে পারেন। অন্যের উপর নির্ভরতা তার লক্ষ্য নয়। নিজেকে চিনে এবং নিজের বিশ্বাসকে বড় মনে করার মধ্য দিয়েই তিনি কল্যাণকর কিছু করতে পারেন।উদ্দীপকের ভাবনা 'আমার পথ' প্রবন্ধের কীভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- মিজান সাহেব একজন সাদা মনের মানুষ। সারাটা জীবন আলোকিত মানুষ গড়েছেন। চাকুরি থেকে অবসর গ্রহণের পর নিজের নেতৃত্বে পরিচালনা করেছেন সেবামূলক প্রতিষ্ঠান 'সেবাসংঘ'। বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কাজের পাশাপাশি শিক্ষা বিস্তার, বাল্যবিবাহরোধ, দুর্নীতি দমন অভিযান, নৈতিকতা ও মূল্যবোধ বিষয়ক সেমিনারের আয়োজন করে তিনি এলাকার মাতবরদের ভন্ডামির প্রতিবাদ করেন। মিথ্যা ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ছিলেন সদা সোচ্চার। অনেকেই তাঁর কাজের প্রশংসা করলেও কেউ কেউ নিন্দা ও কটূক্তি করতেও ছাড়ে না। তাই বলে তিনি সমালোচনাকারীদের ভয়ে দমে যান না। কারণ তিনি বিশ্বাস করেন 'সত্য ও ন্যায়ের পথই সহজ ও সঠিক পথ।' তিনি তরুণদের উদ্দেশে বলেন-'মনেরে আজ কহ যেভালো মন্দ যাহাই আসুকসত্যরে লও সহজে।'উদ্দীপকের মিজান সাহেবের মাধ্যমে 'আমার পথ' প্রবন্ধের যে বাণী উচ্চারিত হয়েছে তা ব্যাখ্যা কর।
- সংকোচের বিহ্বলতা নিজের অপমান,সংকটের কল্পনাতে হোয়ো না ম্রিয়মাণ।মুক্ত করো ভয়, আপনা মাঝে শক্তি ধরো নিজেরে করো জয়।দুর্বলের রক্ষা করো, দুর্জনের হানো,নিজেরে দীন নিঃসহায় যেন কভু না জানো;মুক্ত করো ভয়, নিজের পরে করিতে ভর না রেখো সংশয়।উদ্দীপকে বর্ণিত সংকোচ ও সংকটের দুর্বলতাকে মুক্ত করার তাগিদের সাথে 'আমার পথ' প্রবন্ধের সাদৃশ্য বুঝিয়ে লেখো।
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলামের মতে কে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না?
- 'না বুঝে বোঝার ভন্ডামি করে পাঁচ জনের শ্রন্ধা আর প্রশংসা পাবার লোভ আমি কোন দিনই করব না'--- কে করবে না?
- কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের কাব্য সংগ্রহ?
- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে কত সালে ভারত থেকে স্থায়ীভাবে বাংলাদেশে আনা হয়?
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রবন্ধ সাহিত্যের বৈশিষ্ট্য হলো-
- কোন লেখককে ভারত সরকার পদ্মভূষণ উপাধিতে ভূষিত করেন?
- ‘আমার পথ' প্রবন্ধে কোনটিকে সবচেয়ে বড় ধর্ম বলা হয়েছে?
- আমরা দশ-পনের টাকার বিনিময়ে মনুষ্যত্ব, স্বাধীনতা অনায়াসেপ্রভুর পায়ে বিকাইয়া দিব তবু ব্যবসা-বাণিজ্যে হাত দিব না,নিজ পায়ে দাঁড়াতেই চেষ্টা করিব না। এই জঘন্য দাসত্বইআমাদিগকে এমন ছোট হীন করিয়া তুলিতেছে। উদ্দীপকের নিজ পায়ে দাঁড়ানোর জন্য 'আমার পথ'-এ কোন দিকটিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে?
- কোন গুচ্ছটি সঠিক?
- কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'রাজবন্দীর জবানবন্দী’ হল-
- বর্তমান কালের যুবক-যুবতিদের মধ্যে পরনির্ভরশীলতা বাড়ছে। নিজের শক্তি সম্পর্কেও পার্বতী ও বিলাসী চরিত্রের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো। তারা অবগত নয়। নিজের অপরিসীম শক্তি সম্পর্কে জানলে তারা অনেক সমস্যা থেকেই মুক্তি পেত। পরের দিকে চেয়ে থাকার জন্য তাদের মন আজ মানসিক দাসত্বের শৃঙ্খলে বন্দি।"যুবক-যুবতিদের মানসিক দাসত্ব থেকে মুক্তির জন্য প্রয়োজন আত্মনির্ভরতা।"- 'আমার পথ' প্রবন্ধ অনুসারে মন্তব্যটি যাচাই করো।
- কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয় কোনটি?
- মামুন, মার্টিন এবং শম্ভু তিন সহপাঠী। ঈদ উপলক্ষেমার্টিন মামুনের বাড়িতে অসঙ্কোচে যেতে পারলেও শম্ভুযেতে পারে না। তার রয়েছে পারিবারিক বাধা।উদ্দীপকের শম্ভুর সাথে আমার পথ' প্রবন্ধের লেখকেরস্বাতন্ত্র্য কীসে?