সৌদামিনী মালোর পালিত পুত্র হরিদাসকে নিয়ে মনোরঞ্জন মালো গ্রামময় প্রচার করে দিলো। যে সৌদামিনী ভয়ানক শাস্ত্রবিরুদ্ধ পাপ কর্ম করেছে। ব্রাহ্মণের জাত মেরেছে সে। সৌদামিনী মালোর সাথে মনোরঞ্জন মালোর শত্রুতা আগে ছিল ব্যক্তিগত এখন তা সমাজগত ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু একা মনোরঞ্জন মালো নয় সমস্ত গ্রাম সৌদামিনী মালোর বিরুদ্ধে জুলুম শুরু করল।
উদ্দীপকের সৌদামিনী মালোর, সাথে 'বিলাসী' গল্পের বিলাসী চরিত্রের কী মিল খুঁজে পাওয়া যায়? আলোচনা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'একদিন এই মন্ত্রের সত্য-মিথ্যার চরম মীমাংসা হইয়া গেল।'- উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
- প্রত্নতাত্ত্বিকদের গবেষণার বিষয় কী?
- 'বিলাসী' গল্পে কে মৃত্যুঞ্জয়ের চিকিৎসা করে ?
- হুমরাবেদের মেয়ে মহুয়ার প্রেমে পড়ে জমিদারপুত্র নদের চাঁদ। জমিদার বিষয়টি জানতে পেরে রাতের আঁধারে হুমরাবেদের দলকে গ্রামছাড়া করে। নীচু জাত বেদের মেয়ের সাথে তাঁর পুত্র নদের চাঁদের প্রেম তিনি মেনে নিতে পারেননি। কিন্তু নদের চাঁদ মহুয়াকে পাওয়ার আশায় বাবা-মাকে ছেড়ে যায়। হুমরাবেদে নদের চাঁদকে হত্যার জন্য মহুয়ার হাতে বিষলক্ষার ছুরি তুলে দেয়।"উদ্দীপকটি যেন 'বিলাসী' গল্পের মৃত্যুঞ্জয় বিলাসীর অমর প্রেমের উপাখ্যান।" মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- শরৎচন্দ্রের প্রথম মুদ্রিত রচনা কোনটি?
- “অতিকায় হস্তি ললাপ পাইয়াছে কিন্তু তেলাপােকা টিকিয়া আছে”---কোন গল্পে এই উক্তি আছে?
- বলিলাম, 'পৌঁছে দিতে হবে না, শুধু আলোটা'দাও।'- উক্তিটিতে ন্যাড়ার যে মনোভাব প্রকাশপেয়েছে—
- কে নবাব সিরাজউদ্দৌলার আত্মীয় ছিলেন?
- কোনটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচনা নয়?
- শরৎচন্দ্রের 'মহেশ' গল্পে গফুরের প্রিয় গরুটির নাম মহেশ। দরিদ্র গফুর নিরীহ পশুটিকে ঠিকমতো খাবারের জোগান দিতে পারে না। ফসল নষ্ট করার জন্য তাকে জমিদারের শাস্তিও পেতে হয়েছে। একদিন তৃষ্ণার্ত মহেশ পানির জন্য গফুরের মেয়ে আমিনার মাটির পাত্র ভেঙে ফেলে। রাগান্বিত গফুর লাঙলের ফলা দিয়ে মাথায় আঘাত করলে মহেশ মারা যায়। গোহত্যার প্রায়শ্চিত্ত করতে গফুর রাতের আঁধারে মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।গফুরের জীবনবাস্তবতার সাথে 'বিলাসী' গল্পের কোন ঘটনার সাদৃশ্য বিদ্যমান?
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যয় 'বিলাসী' গল্পে যে বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে- কুসাংস্কারাচ্ছন্ন সমাজব্যবস্থা নারী নির্যাতনের চিত্রগ্রামীণ বিচার-ব্যবস্থানিচের কোনটি সঠিক?
- নিষ্ঠাবান ব্রাহ্মণ রাজিব চক্রবর্তীর পুত্র রাতুল চাকুরি নিয়ে শহরে আসে। কিছুদিন পর রাতুল করোনায় আক্রান্ত হয়ে অচেতন হয়ে পড়ে। পাশের বাড়ির নিম্নবর্ণের মেয়ে স্কুল শিক্ষিকা রমা দাস তাকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ডাক্তার দেখায় এবং সেবাযত্নের জন্য গ্রামের এক দরিদ্র মসিকে নিয়োগ করে। রমার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে উপযুক্ত সেবা ও 'চিকিৎসা পেয়ে রাতুল সুস্থ হয়ে ওঠে। রমার মার্জিত রুচি, ব্যক্তিত্ব, মানবতাবোধে মুগ্ধ হয়ে জাতভেদ ভুলে যাবার অমতে তাকে বিয়ে করে রাতুল। প্রথাগত সংস্কারের বিপরীতে জয় হয় মনুষ্যত্বের।'বিলাসী' গল্পের বিলাসী চরিত্রের সাথে উদ্দীপকের রমা দাস চরিত্রের বৈসাদৃশ্য আলোচনা কর।
- শরৎচন্দ্রের 'শ্রীকান্ত' উপন্যাসটি কয় পর্বে বিভক্ত ?
- মুখে দেয় জল, সুধায় কুশল, শিরে দেয় মোর হাত,দাঁড়ায়ে নিঝুম, চোখে নাই ঘুম, মুখে নাই তার ভাত।বলে বার বার, 'কর্তা, তোমার কোনো ভয় নাই, শুন-যাবে দেশে ফিরে, মা ঠাকুরাণীরে দেখিতে পাইবে পুন।'লভিয়া আরাম আমি উঠিলাম, তাহারে ধরিল জ্বরে,নিল সে আমার কালব্যাধিভার আপনার দেহ'পরে।"উদ্দীপকের পরিণতি থেকে 'বিলাসী' গল্পের পরিণতি ভয়াবহ।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- মতিগঞ্জের সড়কের কাছে এসে পড়ে কাদের নৌকা?
- 'বিলাসী' গল্পের গল্পকথকের নাম কী?
- 'বিলাসী' গল্পে উল্লিখিত ভূদেব বাবু কে ?
- মৃত্যুঞ্জয়ের জাত-বিসর্জনের কারণ ব্যাখ্যা করো।
- বিশ্বনাথ একজন সাপুড়ে। তার স্ত্রী কল্পনাও সাপুড়ে। সাপ খেলা দেখিয়ে তাবিজ বিক্রি করে তাদের সংসার চলে। কিন্তু কল্পনা এখন আর সাপুড়ে পেশা পছন্দ করে না। সে বিশ্বনাথকে সাপুড়ে পেশা ছেড়ে অন্য কিছু করতে বলে। কারণ, 'প্রথমত, সাপের কামড়ে স্বামীর মৃত্যুর আশঙ্কা, দ্বিতীয়ত, শিকড়-বাকড় বিক্রির মাধ্যমে টাকা অর্জন করা লোক ঠকানোর নামান্তর। কিন্তু বিশ্বনাথ তা আমলে নেয় না। সে বলে, আমরা লোক ঠকাই না; লোকদের খেলা দেখিয়ে আনন্দের বিনিময়ে উপার্জন করি।উদ্দীপকে কল্পনা 'বিলাসী' গল্পের বিলাসীর দৃষ্টিভঙ্গির সাথে কতটুকু সংগতিপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- 'ঠিক যেন ফুলদানিতে জল দিয়া ভিজাইয়া রাখা বাসি ফুলের মতো।'- ব্যাখ্যা করো।
- ‘দেনা-পাওনা’ উপন্যাসটি রচনা করেছেন-
- অনিলা দেবীর সাথে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পর্ক কি?
- সৌদামিনী মালো স্বামীর মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে ধানী জমি, বসতবাড়ি, পুকুরসহ ক??েক একর সম্পত্তির মালিক ।এই সম্পত্তির উপর নজর পড়ে সৌদামিনীর জ্যাতি দেবর মনোরঞ্জনের। সৌদামিনীর সম্পত্তি দখলের জন্য সে নানা কৌশল অবলম্বন করে। একদিন এক শিশুকে দুর্ভিক্ষের কবল থেকে প্রাণে বাঁচিয়ে তুলে এনে লালনপালন করতে থাকে নিজ সন্তানের মতো। শিশুটি বড়ো হতে থাকে কিন্তু সম্পত্তির লোভে সৌদামিনীয় দেখর। দবর অভিযোগ তোলে রাস্তা। থেকে একটা অস্পৃশ্য সন্তানকে তুলে এনে নিজ ঘরে আশ্রয় নিয়েছে সৌদামিনী। সে জাতের দ্বিধান লঙ্ঘন করেছে। উপরন্তু মনোরঞ্জন সৌদামিনীকে সমাজচ্যুত করতে প্রচার করে। যে- সে যা করছে তা মহাপাপ, হিন্দু সমাজের জাত ধর্ম শেষ হলে গেল।(কাহিনি সূত্র: সৌদামিনী মালো- শওকত ওসমান)"মনোরঞ্জন যেন 'বিলাসী' গল্পের খুড়ারই প্রতিচ্ছবি।"- বিষয়টি মূল্যায়ন করো।
- কোন সাহিত্যিক মনের ঝোঁকে সন্ন্যাসী হয়ে গৃহত্যাগ করেছিলেন?
- 'তোগলোক খাঁ'র উল্লেখ আছে যে রচনায় -
- "বিষহরির দোহাই বুঝি বা আর খাটে না ।"---- এটি বোঝা গেল কখন?
- শরৎচন্দ্রের প্রথম মুদ্রিত রচনা কোনটি?
- বিলাসীর আত্মহত্যা পরিহাসের বিষয় হলো কেন?
- ‘ঘন জঙ্গলের পথ, একটু দেখে পা ফেলে যেয়ো।' কে কাকে বলেছে?
- ন্যাড়া সন্ন্যাসী অবস্থায় কোথায় গিয়ে সিদ্ধি লাভ করে এসেছে?
- "কিন্তু তাহার হৃদয় জয় করিয়া দখল করার আনন্দটাও তুচ্ছ নয়"- কার প্রসঙ্গে এ কথা বলা হয়েছে?
- একটু দেখে পা ফেলে যেয়ো- বিলাসী কেন এ কথা বলল?
- মুখে দেয় জল, সুধায় কুশল, শিরে দেয় মোর হাত,দাঁড়ায়ে নিঝুম, চোখে নাই ঘুম, মুখে নাই তার ভাত।বলে বার বার, 'কর্তা, তোমার কোনো ভয় নাই, শুন-যাবে দেশে ফিরে, মা ঠাকুরাণীরে দেখিতে পাইবে পুন।'লভিয়া আরাম আমি উঠিলাম, তাহারে ধরিল জ্বরে,নিল সে আমার কালব্যাধিভার আপনার দেহ'পরে।উদ্দীপকের ভূত্যের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে 'বিলাসী' গল্পের কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়? বুঝিয়ে লেখো।
- নূরলদীনের ডাকে কত সালে বাংলার মানুষ জেগে উঠেছিল?
- 'সম্ভবত তাহা প্রত্নতাত্ত্বিকের গবেষণার বিষয়' উক্তিটিতে কী প্রকাশ পেয়েছে?
- 'কাব্য নয়, চিত্র নয়, প্রতিমূর্তি নয়, ধরণি চাহিছে শুধু হৃদয়-হৃদয়।'বিলাসী' গল্পে পড়ে জানা যাবে-সত্যিকার প্রেমের স্বরূপরক্ষণশীল সমাজব্যবস্থার স্বরূপমানসিক সংকীর্ণতার স্বরূপনিচের কোনটি সঠিক?
- 'পেস্টালোজ্জি' ছিলেন
- ন্যাড়া কোন বঙ্গের অনেক পল্লীতে অনেকদিন ঘুরে গৌরব করবার মতো অনেক বড় বড় ব্যাপার প্রত্যক্ষ করেছে?
- মরণরে তুঁহু মম শ্যাম সমান ।উদ্দীপকের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ চরিত্র কোনটি?
- "সে কত বড় সাহসের কাজ!" সপ্রসঙ্গ উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।