"বিষহরির দোহাই বুঝি বা আর খাটে না ।"---- এটি বোঝা গেল কখন?
A. মৃত্যুঞ্জয়কে যখন সাপে কামড় দিল
B. যখন মৃত্যুঞ্জয়কে শিকড়-বাকড় খাওয়ানো হল
C. যখন মৃত্যুঞ্জয়ের হাতে মাদুলি বেঁধে দেওয়া হল
D. যখন মৃত্যুঞ্জয় বমি করল
সঠিক উত্তরঃ
D.
যখন মৃত্যুঞ্জয় বমি করল
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- মহত্ত্বের কাহিনি আমাদের অনেক আছে'— 'বিলাসী'গল্পে ‘মহত্ত্ব' শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- 'তাহার হাতের উল্টা পিঠ দিয়ে ঝর ঝর করিয়া রক্ত পড়িতেছিল।'-এখানে কার কথা বলা হয়েছে?
- 'ঠিক যেন ফুলদানিতে জল দিয়া ভিজাইয়া রাখা বাসি ফুলের মতো।'- ব্যাখ্যা করো।
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক কে?
- 'বিলাসী' গল্পের কামাখ্যা কী?
- কে নবাব সিরাজউদ্দৌলার আত্মীয় ছিলেন?
- 'স্বদেশের মঙ্গলের জন্য সমস্ত অকাতরে সহ্য করিয়া তাহাকে হিড়হিড় করিয়া টানিয়া লইয়া চলিলাম।'- ব্যাখ্যা করো।
- মৃত্যুঞ্জয়ের জ???ত কী ছিল?
- নার্গিস বিদেশে গৃহকর্মীর কাজ করে। বিদেশে কাজকরার বিষয়টি তার এলাকার মানুষ পছন্দ করে না। তিনবছর পর নার্গিস বাড়ি ফিরে এলে গ্রামবাসী তার নামেবিচার বসায় এবং তাকে গ্রামছাড়া করার সিদ্ধান্ত নেয়।নার্গিস প্রতিবাদী কণ্ঠে বলে ‘অসুস্থ মাকে রেখে কিছুতেইআমি কোথাও যাব না ।'উদ্দীপকের বিষয়টি বিবেচনায় নার্গিস ও বিলাসী উভয়েকেমন প্রকৃতির নারী?
- মাইকেল মধুসুদন দত্তের ‘বঙ্গভাষা' কবিতাটি মূলত কী ভাব প্রকাশ, করে?
- 'সাইবেরিয়া' এশিয়ার কোন অঞ্চলে অবস্থিত?
- ভারতের অভিজাত এলাকায় অবস্থিত গ্লোরি ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের প্রায় সব ছাত্রছাত্রীই ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের। হঠাৎ একদিন বেশ কয়েকজন অভিভাবক স্কুলে এসে চিৎকার করে বলা শুরু করল যে তাদের জাত চলে গেছে, কারণ স্কুলের রান্নার মাসি নিম্ন সম্প্রদায়ের। তার হাতের রান্না খেয়ে তাদের সন্তানদের পাশাপাশি, তাদেরও মহাপাপ হয়েছে। তাই তাদের দাবি অবিলম্বে রান্নার মাসিকে চাকরিচ্যুত করতে হবে। কিন্তু স্কুলের প্রধান শিক্ষক অভিভাবকদের পক্ষ না নিয়ে তাদের বোঝানোর চেষ্টা করলেন সকল সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে মানুষকে ভালোবাসা?? প্রকৃত ধর্ম।'সকল সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে মানুষকে ভালোবাসাই প্রকৃত ধর্ম'- উক্তিটির তাৎপর্য 'বিলাসী' গল্পের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- শরৎচন্দ্রের 'শ্রীকান্ত' উপন্যাসটি কয় পর্বে বিভক্ত ?
- জীবনান??্দ দাশের প্রবন্ধ কোনটি?
- 'ঠিক যেন ফুলদানিতে জল দিয়া ভিজাইয়া রাখা বাসি ফুলের মতো।' বলতে কী বুঝানো হয়েছে?
- আলেয়া খাতুন রাতের বেলা এক হাতে লণ্ঠন আর অন্য হাতে রশি নিয়ে মনের দুঃখে কাঁদতে কাঁদতে পাশের বাড়ির সালেহা বেগমকে এসে বললেন, 'আম্মা আমার আর বাঁচার এতটুকু ইচ্ছা নেই। যাকে মন-প্রাণ দিয়ে ভালোবাসলাম সেই যখন আমাকে ছেড়ে চলে গেল তখন আমি বাঁচতে চাই না। আমিও মরতে চাই।' সালেহা বেগম বললেন, 'দেখো বউমা, এমন কথা বলো না। তোমার শ্বশুরের সাথে ত্রিশ বছর ধরে সংসার করো করেছি। তিনি মারা যাওয়ার পরে আজও এই ঘর, এই সংসারকে আঁকড়ে পড়ে আছি। কোনোদিন এই সংসার ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা চিন্তাও করি নাই। তিনি যেদিন মারা গেলেন, বুকে পাথর বেঁধে সারাটি রাত তার পাশেই বসেছিলাম। যাও বাড়ি যাও। সব ঠিক হয়ে যাবে।' পাশেই বসে থাকা সালেহা বেগমের ছোটো সন্তান সোহাগ আলেয়া খাতুনকে জিজ্ঞাসা করে, 'ভাবী তোমার হাতে লণ্ঠন কেন?' আলেয়া খাতুন চট করে উত্তর দেয়- 'যদি সাপে কামড়ায়।'"উদ্দীপকের সালেহা বেগমের ক্ষেত্রে 'বিলাসী' গল্পে 'ইহা আর এক শক্তি' উক্তিটি প্রযোজ্য হয়নি।"- বিশ্লেষণ করো।
- মুখে দেয় জল, সুধায় কুশল, শিরে দেয় মোর হাত,দাঁড়ায়ে নিঝুম, চোখে নাই ঘুম, মুখে নাই তার ভাত।বলে বার বার, 'কর্তা, তোমার কোনো ভয় নাই, শুন-যাবে দেশে ফিরে, মা ঠাকুরাণীরে দেখিতে পাইবে পুন।'লভিয়া আরাম আমি উঠিলাম, তাহারে ধরিল জ্বরে,নিল সে আমার কালব্যাধিভার আপনার দেহ'পরে।"উদ্দীপকের পরিণতি থেকে 'বিলাসী' গল্পের পরিণতি ভয়াবহ।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- শরৎচন্দ্রের 'মহেশ' গল্পে গফুরের প্রিয় গরুটির নাম মহেশ। দরিদ্র গফুর নিরীহ পশুটিকে ঠিকমতো খাবারের জোগান দিতে পারে না। ফসল নষ্ট করার জন্য তাকে জমিদারের শাস্তিও পেতে হয়েছে। একদিন তৃষ্ণার্ত মহেশ পানির জন্য গফুরের মেয়ে আমিনার মাটির পাত্র ভেঙে ফেলে। রাগান্বিত গফুর লাঙলের ফলা দিয়ে মাথায় আঘাত করলে মহেশ মারা যায়। গোহত্যার প্রায়শ্চিত্ত করতে গফুর রাতের আঁধারে মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।উদ্দীপকের 'গোহত্যা' এবং গল্পের 'অন্নপাপ' একই সূত্রে গাঁথা"-তোমার মতামত' আলোচনা করো।
- কোনটি শরৎচন্দ্রের রচনা ?
- স্বামীর মৃত্যুর কতদিন পর বিলাসী আত্মহত্যা করে?
- ' গ্রামের মধ্যে মৃত্যুন্জ্ঞয়ের ছিল এমনি সুনাম।' এখানে 'সুনাম' কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- 'সব লোকে কয় কী জাত সংসারে' এ গানে লালন ফকির মানুষের। জাত পরিচয় নিয়ে প্রশ্নউত্থাপন করেছেন। নিজে কোন ধর্মের বা জাতের, লালন সম্পর্কে এমন প্রশ্ন আগেও ছিল, এখনো আছে। জাতকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেননি। জন্ম-মৃত্যুর সময় সব মানুষ তো একইভাবে আসে কিংবা যায়। তাই মানুষ জাত ও ধর্ম ভেদে যে। ডিন্নতার কথা বলে, লালন তা বিশ্বাস করেন না। লালনের মতে, ধর্মই তথ্য তথা মনুষত্ববে সুবোধই মানুষের প্রকৃত পরিচয়। সেজন্য জাতপাত নিয়ে বাড়াবাড়ি করা উচিত নয়।উদ্দীপকের বিষয়টি 'বিলাসী' গল্পের সাম??্রিক প্রতিচ্ছবি কি না তা বিচার করো।
- মৃত্যুঞ্জয়ের আমবাগানের আয়তন -
- 'বিলাসী' গল্পে কোন পশুর নাম নেই?
- কিন্তু মৃত্যঞ্জয় তো পল্লীগ্রামেরই ছেলে পাড়াগাঁয়ের তো- মানুষ বিলাসী গল্পের এ বাক্যের শূন্যস্থান আছে-
- 'বিলাসী' গল্পে 'বাঙালির বিষ' কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- সৌদামিনী মালো স্বামীর মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে ধানী জমি, বসতবাড়ি, পুকুরসহ ক??েক একর সম্পত্তির মালিক ।এই সম্পত্তির উপর নজর পড়ে সৌদামিনীর জ্যাতি দেবর মনোরঞ্জনের। সৌদামিনীর সম্পত্তি দখলের জন্য সে নানা কৌশল অবলম্বন করে। একদিন এক শিশুকে দুর্ভিক্ষের কবল থেকে প্রাণে বাঁচিয়ে তুলে এনে লালনপালন করতে থাকে নিজ সন্তানের মতো। শিশুটি বড়ো হতে থাকে কিন্তু সম্পত্তির লোভে সৌদামিনীয় দেখর। দবর অভিযোগ তোলে রাস্তা। থেকে একটা অস্পৃশ্য সন্তানকে তুলে এনে নিজ ঘরে আশ্রয় নিয়েছে সৌদামিনী। সে জাতের দ্বিধান লঙ্ঘন করেছে। উপরন্তু মনোরঞ্জন সৌদামিনীকে সমাজচ্যুত করতে প্রচার করে। যে- সে যা করছে তা মহাপাপ, হিন্দু সমাজের জাত ধর্ম শেষ হলে গেল।(কাহিনি সূত্র: সৌদামিনী মালো- শওকত ওসমান)"মনোরঞ্জন যেন 'বিলাসী' গল্পের খুড়ারই প্রতিচ্ছবি।"- বিষয়টি মূল্যায়ন করো।
- 'একদিন এই মন্ত্রের সত্য-মিথ্যার চরম মীমাংসা হইয়া গেল।'- উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
- ন্যাড়ার সন্নাসীগিরি ইস্তফার কারণ কী?
- ‘ভুজ্যি উচ্ছুগা’ শব্দদ্বয় কোন গল্পে ব্যবহৃত হয়েছে?
- 'স্বদেশের মঙ্গলের জন্য সমস্ত অকাতরে সহ্য করিয়া টানিয়া লইয়া চলিলাম'- উক্তিটি বাখ্যা করো।
- ‘শ্রীকান্ত’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি-
- ‘নিকষা’ কে ছিলেন ?
- কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়তাইতে কী জাত ভিন্ন বলায়,যাওয়া কিংবা আসার বেলায়জাতের চিহ্ন রয় কার রে।উদ্দীপকটিতে 'বিলাসী' গল্পের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? বুঝিয়ে লেখো।
- 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কোন ছন্দে লেখা?
- 'গ্রামের মধ্যে মৃত্যুঞ্জয়ের ছিল এমনি সুনাম'-ব্যাখ্যা করো।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ রচনা কোনটি?
- সৌদামিনী মালো স্বামীর মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে ধানি জমি, বসত-বাড়ি, পুকুরসহ কয়েক একর সম্পত্তির মালিক হয়। এই সম্পত্তির ওপর নজর পড়ে সৌদামিনীর জ্ঞাতি দেওর মনোরঞ্জনের। সৌদামিনীর সম্পত্তি দখলের জন্য সে নানা কৌশল অবলম্বন করে। একবার সৌদামিনী দুর্ভিক্ষের সময় ধানখেতের পাশে একটি মানব শিশু খুঁজে পায়। অসহায় অসুস্থ শিশুটিকে সে তুলে এনে পরম যত্নে সন্তানের মতো লালন-পালন করে। মনোরঞ্জন সৌদামিনীকে সমাজচ্যুত করতে প্রচার করে যে নমঃশূদ্রের ঘরে ব্রাহ্মণ সন্তান পালিত হচ্ছে। এ যে মহাপাপ। সমাজের জাত-ধর্ম সব শেষ হয়ে গেল।"উদ্দীপকের মূলভাব 'বিলাসী' গল্পের আংশিক প্রতিচ্ছবি।"- মূল্যায়ন করো।
- সৌদামিনী মালো স্বামীর মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে ধানী জমি, বসতবাড়ি, পুকুরসহ কয়েক একর সম্পত্তির মালিক ।এই সম্পত্তির উপর নজর পড়ে সৌদামিনীর জ্যাতি দেবর মনোরঞ্জনের। সৌদামিনীর সম্পত্তি দখলের জন্য সে নানা কৌশল অবলম্বন করে। একদিন এক শিশুকে দুর্ভিক্ষের কবল থেকে প্রাণে বাঁচিয়ে তুলে এনে লালনপালন করতে থাকে নিজ সন্তানের মতো। শিশুটি বড়ো হতে থাকে কিন্তু সম্পত্তির লোভে সৌদামিনীয় দেখর। দবর অভিযোগ তোলে রাস্তা। থেকে একটা অস্পৃশ্য সন্তানকে তুলে এনে নিজ ঘরে আশ্রয় নিয়েছে সৌদামিনী। সে জাতের দ্বিধান লঙ্ঘন করেছে। উপরন্তু মনোরঞ্জন সৌদামিনীকে সমাজচ্যুত করতে প্রচার করে। যে- সে যা করছে তা মহাপাপ, হিন্দু সমাজের জাত ধর্ম শেষ হলে গেল। (কাহিনি সূত্র: সৌদামিনী মালো- শওকত ওসমান)সৌদামিনী চরিত্রের কোন বৈশিষ্ট্যটি বিলাসীর চরিত্রের সাথে মিলে যায়? আলোচনা করো।
- নিচের কোনটি “কপালকুন্ডলা” উপন্যাসের চরিত্র ?