আলেয়া খাতুন রাতের বেলা এক হাতে লণ্ঠন আর অন্য হাতে রশি নিয়ে মনের দুঃখে কাঁদতে কাঁদতে পাশের বাড়ির সালেহা বেগমকে এসে বললেন, 'আম্মা আমার আর বাঁচার এতটুকু ইচ্ছা নেই। যাকে মন-প্রাণ দিয়ে ভালোবাসলাম সেই যখন আমাকে ছেড়ে চলে গেল তখন আমি বাঁচতে চাই না। আমিও মরতে চাই।' সালেহা বেগম বললেন, 'দেখো বউমা, এমন কথা বলো না। তোমার শ্বশুরের সাথে ত্রিশ বছর ধরে সংসার করো করেছি। তিনি মারা যাওয়ার পরে আজও এই ঘর, এই সংসারকে আঁকড়ে পড়ে আছি। কোনোদিন এই সংসার ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা চিন্তাও করি নাই। তিনি যেদিন মারা গেলেন, বুকে পাথর বেঁধে সারাটি রাত তার পাশেই বসেছিলাম। যাও বাড়ি যাও। সব ঠিক হয়ে যাবে।' পাশেই বসে থাকা সালেহা বেগমের ছোটো সন্তান সোহাগ আলেয়া খাতুনকে জিজ্ঞাসা করে, 'ভাবী তোমার হাতে লণ্ঠন কেন?' আলেয়া খাতুন চট করে উত্তর দেয়- 'যদি সাপে কামড়ায়।'
"উদ্দীপকের সালেহা বেগমের ক্ষেত্রে 'বিলাসী' গল্পে 'ইহা আর এক শক্তি' উক্তিটি প্রযোজ্য হয়নি।"- বিশ্লেষণ করো।

- 'অতিকায় হস্তী লোপ পাইয়াছে, কিন্তু তেলাপোকা টিকিয়া আছে'- ব্যাখ্যা কর।
- প্রত্নতাত্ত্বিকদের গবেষণার বিষয় কী?
- ভারতের অভিজাত এলাকায় অবস্থিত গ্লোরি ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের প্রায় সব ছাত্রছাত্রীই ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের। হঠাৎ একদিন বেশ কয়েকজন অভিভাবক স্কুলে এসে চিৎকার করে বলা শুরু করল যে তাদের জাত চলে গেছে, কারণ স্কুলের রান্নার মাসি নিম্ন সম্প্রদায়ের। তার হাতের রান্না খেয়ে তাদের সন্তানদের পাশাপাশি, তাদেরও মহাপাপ হয়েছে। তাই তাদের দাবি অবিলম্বে রান্নার মাসিকে চাকরিচ্যুত করতে হবে। কিন্তু স্কুলের প্রধান শিক্ষক অভিভাবকদের পক্ষ না নিয়ে তাদের বোঝানোর চেষ্টা করলেন সকল সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে মানুষকে ভালোবাসাই প্রকৃত ধর্ম।উদ্দীপকের অভিভাবকদের ভাবনার মধ্য দিয়ে 'বিলাসী' গল্পের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে?- আলোচনা করো।
- করোনাকালীন দুর্যোগে জনাব শিমুল চাকরি হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন। চরম আর্থিক সংকট এবং মানসিক চাপে তিনি শারীরিকভাবেও ভেঙে পড়েন। ফলে দুই সন্তানের লেখাপড়াসহ সংসারের খরচ চালানো তাঁর জন্য কঠিন-হয়ে যায়। এই সময়ে তাঁর স্ত্রী পারুল আক্তার সেলাইয়ের কাজ করে সংসারের হাল ধরেন। পাশাপাশি অসুস্থ স্বামীর সেবা করেন পরম মমতায়।"উদ্দীপকের ভাববস্তুর সঙ্গে 'বিলাসী' গল্পের সাদৃশ্য থাকলেও প্রেক্ষাপট ভিন্ন।"- উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- শরৎচন্দ্র দেশ ছেড়ে বার্মা গিয়েছিলেন কীসের তাগিদে?
- শহরের গৃহকর্মী মায়ের সন্তান আরিফ দুজনের বন্ধুত্ব অত্যন্ত সুদৃঢ় হলেও আসিফের বাবা আরিফের মেলামেশা, বাসায় আসা এবং ড্রয়িং রুমে আপ্যায়ন মেনে নিতে পারেন না। আরিফকে বাসায় আসতে তিনি নিষেধ করেছেন। এমনকি অকথ্য ভাষায় বকাবকি করে বাড়ি থেকে তাড়িয়েও দিয়েছেন। সম্প্রতি ডেঙ্গু আক্রান্ত সংকটাপন্ন বন্ধু আসিফকে আরিফই রক্ত দিয়েছে, জীবন বাঁচিয়ে মানবিক দৃষ্টান্ত রেখেছে।উদ্দীপকের বাবা চরিত্রটি 'বিলাসী' গল্পের কোন চরিত্রের মানসিকতার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ?
- কোনটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি গল্প?
- ন্যাড়া সন্ন্যাসী অবস্থায় কোথায় গিয়ে সিদ্ধি লাভ করে এসেছে?
- 'বিলাসী' গল্পের ন্যাড়া কত ক্রোশ পথ হেঁটে স্কুলে যেত?
- 'ঘন জঙ্গলের পথ। একটু দেখে পা ফেলে যেয়ো' উক্তিটি কার?
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যে ডিগ্রি প্রদান করে তার নাম-
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যয় 'বিলাসী' গল্পে যে বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে- কুসাংস্কারাচ্ছন্ন সমাজব্যবস্থা নারী নির্যাতনের চিত্রগ্রামীণ বিচার-ব্যবস্থানিচের কোনটি সঠিক?
- প্রেমিক আশিকুরের ভালোবাসার টানে মালয়েশিয়া থেকেছুটে এসেছেন অভিজাত বংশের কন্যা ফাতেমা বিনতে আব্দুররহমান। তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। বিয়ের পর স্ত্রীকেবাড়িতে সসম্মানে নিয়ে গেছেন তিনি। এখন তারা আটপৌরেজীবন-যাপন করছেন।উদ্দীপকে 'বিলাসী' গল্পের কোন সমাজ বাস্তবতা প্রতিফলিতহয়েছে?
- 'বিলাসী' গল্পটি কার জবানিতে বিবৃত হয়েছে?
- 'একদিন এই মন্ত্রের সত্য-মিথ্যার চরম মীমাংসা হইয়া গেল।'- উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
- 'বিলাসী' গল্পটি প্রথমে কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- 'স্বদেশের মঙ্গলের জন্য সমস্ত অকাতরে সহ্য করিয়া টানিয়া লইয়া চলিলাম'- উক্তিটি বাখ্যা করো।
- ভূদেব বাবু হলেন-
- শহরে জরুরি কাজে এসেছে প্রীতিময় চাকমা। সকালথেকে ঘোরাঘুরি করে ক্ষুধার্ত হয়ে খাবার চাইলে হোটেলমালিক বলল, 'আদিবাসীদের জন্য দুই নম্বর বাসন আমার‘হোটেলে রাখি না।'প্রীতিময় চাকমার প্রতি হোটেল মালিকের মনোভাব'বিলাসী' গল্পের যে প্রসঙ্গের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ, তাহলো—সংকীর্ণতাব্রাহ্মণ্যবাদঅস্পৃশ্যতানিচের কোনটি সঠিক?
- 'যে বস্তুটি এই অসাধ্য সাধন করিয়া তুলিয়াছিল তাহারপরিচয় যদিও সেদিন পাই নাই, কিন্তু আর একদিন-পাইয়াছিলাম।'— এখানে 'বস্তুটি' বলতে 'বিলাসী'গল্পে কী বোঝানো হয়েছে?