প্রেমিক আশিকুরের ভালোবাসার টানে মালয়েশিয়া থেকে
ছুটে এসেছেন অভিজাত বংশের কন্যা ফাতেমা বিনতে আব্দুর
রহমান। তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। বিয়ের পর স্ত্রীকে
বাড়িতে সসম্মানে নিয়ে গেছেন তিনি। এখন তারা আটপৌরে
জীবন-যাপন করছেন।
উদ্দীপকে 'বিলাসী' গল্পের কোন সমাজ বাস্তবতা প্রতিফলিত
হয়েছে?
A.
বর্ণবৈষম্য
B.
রক্ষণশীলতা
C.
জাতিভেদ
D.
কুসংস্কার
সঠিক উত্তরঃ
B.
রক্ষণশীলতা
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- রহিমাকে প্রথম দেখে জমিলা কী ভেবেছিল?
- করোনাকালীন দুর্যোগে জনাব শিমুল চাকরি হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন। চরম আর্থিক সংকট এবং মানসিক চাপে তিনি শারীরিকভাবেও ভেঙে পড়েন। ফলে দুই সন্তানের লেখাপড়াসহ সংসারের খরচ চালানো তাঁর জন্য কঠিন-হয়ে যায়। এই সময়ে তাঁর স্ত্রী পারুল আক্তার সেলাইয়ের কাজ করে সংসারের হাল ধরেন। পাশাপাশি অসুস্থ স্বামীর সেবা করেন পরম মমতায়।পারুল আক্তারের সঙ্গে বিলাসী চরিত্রের কোন দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- বাংলা উপন্যাসের উদ্ভব ঘটে-
- বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র শোভন গাঙ্গুলী তারগ্রামের মানুষের কল্যাণের জন্য তৈরি করেছে বিভিন্নসামাজিক সংগঠন। কিন্তু নিচু জাতের মেয়েকে বিয়েকরেছে বলে এখন সে নিজেই সমাজচ্যুত । উদ্দীপকে 'বিলাসী' গল্পের কোন সামাজিক দিকলক্ষণীয়?
- টিকিয়া থাকাই চরম সার্থকতা নয়।'- মন্তব্যটি কোন্ রচনা থেকে নেওয়া?
- আলেয়া খাতুন রাতের বেলা এক হাতে লণ্ঠন আর অন্য হাতে রশি নিয়ে মনের দুঃখে কাঁদতে কাঁদতে পাশের বাড়ির সালেহা বেগমকে এসে বললেন, 'আম্মা আমার আর বাঁচার এতটুকু ইচ্ছা নেই। যাকে মন-প্রাণ দিয়ে ভালোবাসলাম সেই যখন আমাকে ছেড়ে চলে গেল তখন আমি বাঁচতে চাই না। আমিও মরতে চাই।' সালেহা বেগম বললেন, 'দেখো বউমা, এমন কথা বলো না। তোমার শ্বশুরের সাথে ত্রিশ বছর ধরে সংসার করো করেছি। তিনি মারা যাওয়ার পরে আজও এই ঘর, এই সংসারকে আঁকড়ে পড়ে আছি। কোনোদিন এই সংসার ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা চিন্তাও করি নাই। তিনি যেদিন মারা গেলেন, বুকে পাথর বেঁধে সারাটি রাত তার পাশেই বসেছিলাম। যাও বাড়ি যাও। সব ঠিক হয়ে যাবে।' পাশেই বসে থাকা সালেহা বেগমের ছোটো সন্তান সোহাগ আলেয়া খাতুনকে জিজ্ঞাসা করে, 'ভাবী তোমার হাতে লণ্ঠন কেন?' আলেয়া খাতুন চট করে উত্তর দেয়- 'যদি সাপে কামড়ায়।'উদ্দীপকের আলেয়া খাতুনের সাথে 'বিলাসী' গল্পের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়? আলোচনা করো।
- কন্যার বাপ সবুর করিতে পারিতেন কিন্তু বরের বাপ সবুর করিতে চাহিলেন, না। তিনি দেখিলেন, মেয়েটির বিবাহের বয়স পার হইয়া গিয়াছে, কিন্তু আর কিছুদিন গেলে সেটাকে ভদ্র বা অভদ্র কোনো রকমে চাপা দিবার সময়টাও পার হইয়া যাইবে। মেয়ের বয়স অবৈধ রকমে বাড়িয়া গেছে বটে, কিন্তু পণ্যের টাকার আপেক্ষিক গুরুত্ব এখনো তাহার চেয়ে কিঞ্চিত উপরে আছে, সেই জন্যই তাড়া।উদ্দীপকের বরের বাপ তোমার পঠিত গল্পের কোন চরিত্রকে ইঙ্গিত করে? আলোচনা করো।
- 'ঠিক যেন ফুলদানিতে জল দিয়া ভিজাইয়া রাখা বাসি ফুলের মতো।'- ব্যাখ্যা করো।
- কোনটি শরৎচন্দ্রের রচনা নয়?
- 'বিলাসী’ গল্পে উনিশ শতকের যে সমাজ-সংস্কারকের কথা আছে তাঁর নাম-
- 'বিলাসী' গল্পে বর্ণিত যাদের বাড়ি পল্লিগ্রামে তাদের শতকরা কতভাগকে বিদ্যার্জনের জন্য দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রম করতে হয়?
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত কেন বিখ্যাত?
- ন্যাড়া ও তার সহপাঠীরা দুই ক্রোশ পথ হেঁটে স্কুলে যাওয়ার কারণ কী?
- মৃত্যুঞ্জয় বিলাসীর হাতে কি খেইয়ে ঘোরতর অপরাধ করেছে ?
- বলিলাম, 'পৌঁছে দিতে হবে না, শুধু আলোটা'দাও।'- উক্তিটিতে ন্যাড়ার যে মনোভাব প্রকাশপেয়েছে—
- ‘গ্রামের মধ্যে মৃত্যুঞ্জয়ের ছিল এমনি সুনাম।' 'সুনাম'কথাটা কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- শরৎচন্দ্রের কোন উপন্যাসটি সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়েছিল?
- বিলাসী’ গল্পের ন্যাড়া চরিত্রে কোন লেখকের জীবনের ছায়াপাত ঘটেছে?
- 'বিলাসী' গল্পে বর্ণিত মৃত্যুঞ্জয়ের বাড়ির পরিবেশ কেমন ছিল?
- "কিন্তু তাহার হৃদয় জয় করিয়া দখল করার আনন্দটাও তুচ্ছ নয়"- কার প্রসঙ্গে এ কথা বলা হয়েছে?
- শরৎচন্দ্র দেশ ছেড়ে বার্মা গিয়েছিলেন কীসের তাগিদে?
- ‘অন্নপাপ। বাপ রে! এর কি আর প্রায়শ্চিত্ত আছে।’ অন্নপাপ কে করেছিল?
- অনিলা দেবী ছদ্ম নাম ধারন করেন কে ?
- 'বিলাসী' গল্পের কথক কতটা পথ হেটে স্কুলে যেত?
- বিলাসী গল্পে ন্যাড়া কোথায় গিয়ে সিদ্ধ হয়ে এসেছে?
- 'ফোর্থ ক্লাস' বলতে কোন ক্লাসকে বোঝানো হয়েছে?
- শরৎচন্দ্রের প্রথম মুদ্রিত রচনা 'মন্দির' একটি -
- 'টিকিয়া থাকাই চরম সার্থকতা নয় এবং অতিকায় হস্তী লোপ পাইয়াছে কিন্তু তেলাপোকা টিকিয়া আছে।'- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- অসুস্থ সুমন মিয়ার দুর্দিনে তার সব আত্মীয়স্বজন দূরে চলে যায়। তার স্ত্রী নিজের গয়না বিক্রি করে এবং সমস্ত সঞ্চয় নষ্ট করে সুমন মিয়ার ভালো চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। স্ত্রী সেবা ও ডাক্তারদের প্রচেষ্টায় সুমন মিয়া সুস্থ হয়ে তার সব সম্পত্তি স্ত্রীর নামে লিখে দেয়। এতে তার আত্মীয়স্বজনেরা সুমন মিয়াকে কটাক্ষ করে বিভিন্ন অপবাদ প্রচার করতে থাকলে সুমন মিয়া তার স্ত্রীর ত্যাগ আর দয়ার্দ্র আচরণের কথা মনে করিয়ে দেয়।উদ্দীপকের সুমন মিয়ার স্ত্রীর সাথে 'বিলাসী' গল্পের বিলাসীর সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।
- 'স্বদেশের মঙ্গলের জন্য সমস্ত অকাতরে সহ্য করিয়া তাহাকে হিড়হিড় করিয়া টানিয়া লইয়া চলিলাম।'- ব্যাখ্যা করো।
- কে কবি নন?
- কুম্ভকর্ণ কে?
- ‘নিকষা’ কে ছিলেন ?
- ‘শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- কোনটি শরন্দ্রের রচনা নয়?
- ‘বিজয়া’ নাটকটির রচয়িতা কে?
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যে ডিগ্রি প্রদান করে তার নাম-
- 'একদিন এই মন্ত্রের সত্য-মিথ্যার চরম মীমাংসা হইয়া গেল।'- উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
- সৌদামিনী মালো স্বামীর মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে ধানি জমি, বসত-বাড়ি, পুকুরসহ কয়েক একর সম্পত্তির মালিক হয়। এই সম্পত্তির ওপর নজর পড়ে সৌদামিনীর জ্ঞাতি দেওর মনোরঞ্জনের। সৌদামিনীর সম্পত্তি দখলের জন্য সে নানা কৌশল অবলম্বন করে। একবার সৌদামিনী দুর্ভিক্ষের সময় ধানখেতের পাশে একটি মানব শিশু খুঁজে পায়। অসহায় অসুস্থ শিশুটিকে সে তুলে এনে পরম যত্নে সন্তানের মতো লালন-পালন করে। মনোরঞ্জন সৌদামিনীকে সমাজচ্যুত করতে প্রচার করে যে নমঃশূদ্রের ঘরে ব্রাহ্মণ সন্তান পালিত হচ্ছে। এ যে মহাপাপ। সমাজের জাত-ধর্ম সব শেষ হয়ে গেল।সৌদামিনী চরিত্রের সঙ্গে 'বিলাসী' গল্পে বিলাসীর সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- ব্রাহ্মণ বংশের শিক্ষিত ছেলে বিশ্বনাথ ভালোবেসে বিয়ে করে গ্রামের বেদে সম্প্রদায়ের শিক্ষিত মেয়ে সানন্দাকে। রাশভারী বাবা হরিকান্ত তাতে রাজি না হয়ে বিশ্বনাথকে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করে। বিশ্বনাথ ও সানন্দা আত্মনির্ভরশীল হয়ে এখন সুখে আছে।উদ্দীপকের বিশ্বনাথ চরিত্রের সাথে 'বিলাসী' গল্পের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে?