কে কবি নন?
A. সুফিয়া কামাল
B. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
C. শামসুর রাহমান
D. কামিনী রায়
সঠিক উত্তরঃ
B.
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- কোনটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি গল্প?
- ‘পথের দাবী’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি-
- নিষ্ঠাবান ব্রাহ্মণ রাজিব চক্রবর্তীর পুত্র রাতুল চাকুরি নিয়ে শহরে আসে। কিছুদিন পর রাতুল করোনায় আক্রান্ত হয়ে অচেতন হয়ে পড়ে। পাশের বাড়ির নিম্নবর্ণের মেয়ে স্কুল শিক্ষিকা রমা দাস তাকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ডাক্তার দেখায় এবং সেবাযত্নের জন্য গ্রামের এক দরিদ্র মসিকে নিয়োগ করে। রমার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে উপযুক্ত সেবা ও 'চিকিৎসা পেয়ে রাতুল সুস্থ হয়ে ওঠে। রমার মার্জিত রুচি, ব্যক্তিত্ব, মানবতাবোধে মুগ্ধ হয়ে জাতভেদ ভুলে যাবার অমতে তাকে বিয়ে করে রাতুল। প্রথাগত সংস্কারের বিপরীতে জয় হয় মনুষ্যত্বের।'বিলাসী' গল্পের বিলাসী চরিত্রের সাথে উদ্দীপকের রমা দাস চরিত্রের বৈসাদৃশ্য আলোচনা কর।
- "বিলাসী” গল্পে কাকে গালিগালাজ করে দেশ উদ্ধারেরকথা বলা হয়েছে?
- বলিলাম, 'পৌঁছে দিতে হবে না, শুধু আলোটা দাও।'উক্তিটিতে ন্যাড়ার কোন মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে?
- ‘নিকষা’ কে ছিলেন ?
- শরৎচন্দ্রের 'মহেশ' গল্পে গফুরের প্রিয় গরুটির নাম মহেশ। দরিদ্র গফুর নিরীহ পশুটিকে ঠিকমতো খাবারের জোগান দিতে পারে না। ফসল নষ্ট করার জন্য তাকে জমিদারের শাস্তিও পেতে হয়েছে। একদিন তৃষ্ণার্ত মহেশ পানির জন্য গফুরের মেয়ে আমিনার মাটির পাত্র ভেঙে ফেলে। রাগান্বিত গফুর লাঙলের ফলা দিয়ে মাথায় আঘাত করলে মহেশ মারা যায়। গোহত্যার প্রায়শ্চিত্ত করতে গফুর রাতের আঁধারে মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।গফুরের জীবনবাস্তবতার সাথে 'বিলাসী' গল্পের কোন ঘটনার সাদৃশ্য বিদ্যমান?
- ’শেষ প্রশ্ন’ উপন্যাসটি কার লেখা?
- জগৎশেঠের প্রকৃত নাম কী?
- বিলাসিতার সঙ্গে কোন ভূত কৃষকদের কাঁধে চেপে বসেছে বলে বেগম রোকেয়া মনে করেছিলেন?
- ভারতের অভিজাত এলাকায় অবস্থিত গ্লোরি ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের প্রায় সব ছাত্রছাত্রীই ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের। হঠাৎ একদিন বেশ কয়েকজন অভিভাবক স্কুলে এসে চিৎকার করে বলা শুরু করল যে তাদের জাত চলে গেছে, কারণ স্কুলের রান্নার মাসি নিম্ন সম্প্রদায়ের। তার হাতের রান্না খেয়ে তাদের সন্তানদের পাশাপাশি, তাদেরও মহাপাপ হয়েছে। তাই তাদের দাবি অবিলম্বে রান্নার মাসিকে চাকরিচ্যুত করতে হবে। কিন্তু স্কুলের প্রধান শিক্ষক অভিভাবকদের পক্ষ না নিয়ে তাদের বোঝানোর চেষ্টা করলেন সকল সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে মানুষকে ভালোবাসা?? প্রকৃত ধর্ম।'সকল সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে মানুষকে ভালোবাসাই প্রকৃত ধর্ম'- উক্তিটির তাৎপর্য 'বিলাসী' গল্পের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- মহুয়া শহরে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করে। তার শহরে কাজ করার বিষয়টি গ্রামের কিছু মানুষ পছন্দ করে না। উপরন্তু তার নামে দুর্নাম রটনা করে। ঈদের ছুটিতে বাড়ি এলে গ্রামের মানুষগুলো মহুয়ার নামে বিচার বসায়। তারা মহুয়াকে জোর করে গ্রাম থেকে বের করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু মহুয়া তাতে প্রতিবাদ করে। অসুস্থ মাকে রেখে সে কিছুতেই কোথাও যাবে না।বিলাসী চরিত্রের কোন দিকটি মহুয়ার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ তা বর্ণনা করো।
- 'বিলাসী' গল্পে মৃত্যুঞ্জয় কোন ক্লাসে পড়ত?
- মৃত্যুঞ্জয়ের আমবাগানের আয়তন -
- 'বিলাসী' গল্পে বর্ণিত যাদের বাড়ি পল্লিগ্রামে তাদের শতকরা কতভাগকে বিদ্যার্জনের জন্য দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রম করতে হয়?
- কোন লেখক মাত্র চব্বিশ বছর বয়সে ঘর ছেড়ে সন্ন্যাসী হয়েছিলেন?
- শরৎচন্দ্রের 'শ্রীকান্ত' উপন্যাসটি কয় পর্বে বিভক্ত?
- বিলাসী' গল্পে 'মহত্ত্বের কাহিনি' কথাটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- ব্রাহ্মণ বংশের শিক্ষিত ছেলে বিশ্বনাথ ভালোবেসে বিয়ে করে গ্রামের বেদে সম্প্রদায়ের শিক্ষিত মেয়ে সানন্দাকে। রাশভারী বাবা হরিকান্ত তাতে রাজি না হয়ে বিশ্বনাথকে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করে। বিশ্বনাথ ও সানন্দা আত্মনির্ভরশীল হয়ে এখন সুখে আছে।উদ্দীপকের হরিকান্ত চরিত্রের মধ্যে 'বিলাসী' গল্পের যে সামাজিক সমস্যাটি নিহিত তা হলো-
- অসুস্থ সুমন মিয়ার দুর্দিনে তার সব আত্মীয়স্বজন দূরে চলে যায়। তার স্ত্রী নিজের গয়না বিক্রি করে এবং সমস্ত সঞ্চয় নষ্ট করে সুমন মিয়ার ভালো চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। স্ত্রী সেবা ও ডাক্তারদের প্রচেষ্টায় সুমন মিয়া সুস্থ হয়ে তার সব সম্পত্তি স্ত্রীর নামে লিখে দেয়। এতে তার আত্মীয়স্বজনেরা সুমন মিয়াকে কটাক্ষ করে বিভিন্ন অপবাদ প্রচার করতে থাকলে সুমন মিয়া তার স্ত্রীর ত্যাগ আর দয়ার্দ্র আচরণের কথা মনে করিয়ে দেয়।উদ্দীপকের সুমন মিয়ার স্ত্রীর সাথে 'বিলাসী' গল্পের বিলাসীর সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।