বৃত্তাকারে দাঁড়ানো মিলিটারির মাঝখানে হাত-পা বাঁধা কালামকে টানতে টানতে এনে দাঁড় করানো হলো। কালামের নাক-মুখ থেকে রক্ত ঝরছে। তাকে জিজ্ঞেস করা হচ্ছে, মুক্তিবাহিনী কোথায় পালিয়ে গেছে? তিনি ঠিক করলেন, কিছুই বলবেন না। বন্দুকের নলটা কপালের ঠিক মাঝখানটায় ধরা হলো। তিনি বললেন, 'আমার মতো সাধারণ কালামের মৃত্যুতে কিছু এসে যায় না। কিন্তু মুক্তিফৌজদের জীবনের দাম আছে। মুক্তিফৌজ না বাঁচলে তোমাদের মারবে কে?' গুলিটা কপাল ভেদ করে বেরিয়ে যায়।
"উদ্দীপকের কালাম ও 'রেইনকোট' গল্পের নুরুল হুদার মতো সাধারণ ব্যক্তিরাই আমাদের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রেরণা।"- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:


Related Questions (Any University/Year)
- কলেজের স্টাফরুমে একজন ফিসফিস করে 'জেনারেল মনসুন' বলতে কী বুঝিয়েছিলেন ?
- মিসক্রিয়ান্ট শব্দের অর্থ কী?
- কলিমদ্দি দফাদারের বোর্ড অফিস শীতলক্ষ্যার তীরের বাজারে। । নদীর এপারে-ওপারে বেশ কিছু বড়ো বড়ো কল-কারখানা। এগুলো শাসনের সুবিধার্থে একদল খান সেনা বাজারসংলগ্ন হাই স্কুলটিকে ছাউনি করে নিয়েছে। কোনো কোনো রাত্রে গুলিবিনিময় হয়। কোথা হতে কোন পথে কেমন করে মুক্তিফৌজ আসে, আক্রমণ করে এবং প্রতি আক্রমণ করলে কোথায় হাওয়া হয়ে যায়, খান সেনারা তার রহস্য ভেদ করতে পারে না।উদ্দীপকটির শেষাংশের বক্তব্য 'রেইনকোট' গল্পের কোন বিষয়টি নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
- উর্দুর প্রফেসর আকবর সাজিদকে প্রিনসিপাল আজকাল তোয়াজ করে কেন? ব্যাখ্যা করো।
- কবির দৃষ্টিতে আমাদের চেতনার রং কী?
- 'রেইনকোট' গল্পের নুরুল হুদা মিলিটারি লাগার পর থেকে মোট কয়বার বাড়ি পাল্টেছে?
- দুবার জন্ম যার-
- যে কর্ষণ করে তাকে কি বলে?
- নুরুল হুদা কোন বিষয়ের লেকচারার ছিলেন?
- জেলে বন্দি থাকাকালে ভগৎ সিং ভারতীয় বন্দিদের সমানাধিকারের দাবিতে ৬৩ দিন অনশন করেন। ভগৎ সিং ও বটুকেশ্বর দত্ত দুজনই ছিলেন অনশন ধর্মঘটে। তাদের স্ট্রেচারে করে যখন আদালতে আনা হয়, অন্য কারাবন্দিরা অনশনের কথা জানতে পেরে যোগ দেন। ৬৩ দিন অনশনের পর ব্রিটিশশক্তি নতি স্বীকার করে। নিজের দেশকে মুক্ত করার জন্য জীবন বাজি রেখে ভগৎ সিং নানা সংগ্রামে অংশ নেন ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে। পরে হাসিমুখে ব্রিটিশদের দেওয়া ফাঁসির দড়ি তিনি বরণ করে নেন।"উদ্দীপকে বর্ণিত অনশন ধর্মঘটের সঙ্গে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় প্রতিফলিত অনশন ধর্মঘটের সাদৃশ্য কোথায়? আলোচনা করো।
- 'রেইনকোট' গল্পটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
- 'মিলিটারি যাদের ধরে, মিছিমিছি ধরে না।' উক্তিটি করেছিল
- ১০ মার্চ, ১৯৭১। রাস্তায় রাস্তায় পাকিস্তানি মিলিটারি। গুয়াতলী গ্রামের হিন্দু জনগোষ্ঠী ভয়ে ভারতে পাড়ি জমায়। শুধু ভিটে আঁকড়ে পড়ে থাকে কেষ্টবাবু। পাশের গ্রামে, ছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ক্যাম্প। স্থানীয় রাজাকার কাশেম মোড়ল কেষ্টবাবুকে সন্দেহের চোখে দেখে। সে মনে করে কেষ্টবাবু মুক্তি বাহিনীর লোক। এক বৃষ্টিমুখর দিনে গুয়াতলী গ্রামে মিলিটারি প্রবেশ করে এবং কাশেম মোড়লের ইশারায় হানাদার বাহিনী তাকে ধরে নিয়ে পার্শ্ববর্তী রাস্তার পাশে জীবন্ত পুঁতে রেখে চলে যায়।"উদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পের একটি খণ্ডচিত্র মাত্র।"-উক্তিটির সত্যতা যাচাই করো।
- রেইনকোট' গল্পের মূল প্রতিপাদ্য কী?
- 'রেইনকোট' গল্পটি কোন গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
- 'রেইনকোট' গল্পের কলেজের পিওনের নাম কী?
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে রতনপুর গ্রামের মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ক্যাম্পে পরিণত হয়। স্কুলের প্রধান শিক্ষক হাতেম আলী হয়ে ওঠেন হানাদার বাহিনীর আশ্রয়দাঁতা ও সাহায্যকারী। তিনি এ কাজে সহকর্মীদেরও বাধ্য করেন এবং কেউ সম্মত না হলে তার সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করেন। অধিকাংশ শিক্ষক প্রধান শিক্ষকের এ ধরনের কাজকে ঘৃণার দৃষ্টিতে দেখেন কিন্তু ভয়ে প্রতিবাদ করার সাহস পান না। সহকারী প্রধান শিক্ষক বাছেদ মিয়া ভীরু প্রকৃতির মানুষ হলেও তিনি ছিলেন মনে-প্রাণে একজন দেশপ্রেমিক মানুষ। তিনি গোপনে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করতেন। তাঁর পরামর্শে মুক্তিযোদ্ধারা রাতের অন্ধকারে হাতেম আলীকে ধরে নিয়ে বিচারের মুখোমুখি করেন।উদ্দীপকের হাতেম আলী 'রেইনকোট' গল্পের কোন চরিত্রের কথা স্মরণ করিয়ে দেয় এবং কেন?
- তাম্রশাসন' বোঝায় -
- রুমী চাপা আনন্দ আর উত্তেজনায় ফিসফিস করে বলল, "আম্মা আমরা একটা অ্যাকশন করে এলাম, এই মাত্র সাত আটটা খান সেনা মেরে এসেছি।" আম্মার মুখ হাঁ হয়ে গেল, বলিস কী রে? আনন্দ ডগমগ গলায় কাজী বলল, হা চাচি ১৮ নম্বর রোডে......... মিলিটারির জিপ পিছু নিয়েছিল, তাই দেখে রুমী গাড়ির পেছনের কাছ থেকে গুলি চালায়...... জিপ উল্টে সবগুলো মরেছে।উদ্দীপকের 'রুমী' গল্পের কোন চরিত্রের প্রতিনিধি? ব্যাখ্যা কর।
- ”রেইনকোট” গল্পের বিষয়বস্তু কোনটি ?
- মার্সিয়া' শব্দের অর্থ কি?
- 'আব্বুকে ছোটো মামার মতে দেখাচ্ছে'-উক্তিটি কার?
- 'রেইনকোট' গল্পটি পড়ে শিক্ষার্??ীরা জানতে পারবে- পাকিস্তানি বাহিনীর রর্বরতামুক্তিযোদ্ধাদের স্বরূপমুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আত্মজাগরণনিচের কোনটি সঠিক?
- ‘রেইনকোট' মুক্তিযুদ্ধের কোন পর্যায়ের গল্প ?
- ‘রেইনকোট' গল্পে রেইনকোট কীসের তাৎপর্যবহন করে?
- ‘রেইনকোট' গল্পের প্রেক্ষাপটে নিম্নোক্ত কোনবিষয়টির প্রতি লেখক বেশি সচেষ্ট ছিলেন?
- 'আগুনের পরশমণি' উপন্যাসে মুক্তিযুদ্ধকালীন অবরুদ্ধ ঢাকার চিত্র ফুটে উঠেছে। ওই সময়ে পাকিস্তানি মিলিটারি ঢাকা শহরকে পুরো নিয়ন্ত্রনে রেখেছিল। সময়ে- অসময়ে কারফিউ জারি করে মানুষকে ঘরে থাকতে বাধ্য করত। কখনো মানুষকে ধরে কিংবা বাস থেকে নামিয়ে লাইনে দাঁড় করিয়ে গুলি করে মেরে ফেলত। সেই পরিস্থিতিতেই বদিউল আলম তাঁর গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা দল নিয়ে ঢাকায় ঢুকে বিভিন্ন অপারেশন চালাত। এভাবেই একদিন গুলিবিদ্ধ হন এবং মারা যান।উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্রটি 'রেইনকোট' গল্পের আরেক রূপ-ব্যাখ্যা কর।
- 'রেইনকোট' গল্পে কে মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন?
- 'সাবভার্সিভ অ্যাকটিভিটিস' কী?
- 'ক্লাক-ডাউনের রাত' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- কালরাত ঢাকা ছিল প্রেতের নগরীসবাই ফিরেছে ঘরে সাত তাড়াতাড়ি। চতুর্দিকেনিস্তব্ধতা ওঁৎ পেতে থাকে,ছায়ার ভিতরে ছায়া, আতঙ্ক একটিকৃষ্ণাজা চাদরে মুড়ে দিয়েছে শহরটিকে আপাদমস্তক"উদ্দীপকের পরিস্থিতি 'রেইনকোট' গল্পের নুরুল হুদা শ্যালকের পোশাক পরে 'অবলোকনের কারণেই তার পরিবর্তন ঘটে" মূল্যায়ন করো।
- 'রেইনকোট' গল্পের উর্দুর প্রফেসরের নাম কী?
- কলিমদ্দি দফাদার ষাটোর্ধ্ব। তিনি সরকারি চাকরি করেন; পাকিস্তানি সেনাদের পথ দেখিয়ে নিয়ে যাওয়া তাঁর ডিউটি। তাই মানুষ তাঁকে রাজাকার ভাবে। মুক্তিসংগ্রামে যেতে না পারায় তাঁর মনে দুঃখ। কিন্তু সুযোগ পেয়ে একবার একদল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে ভুল। পথ দেখিয়ে বিপদে ফেলেছিলেন। এটাও তাঁর মুক্তিসংগ্রামে অংশগ্রহণ, কলিমদ্দি স্বস্তি পায় দেশের পক্ষে কাজ করতে পেরে।"ঘটনার বৈপরীত্য থাকলেও উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পের চরিত্রগুলোর মধ্যে প্রবল দেশপ্রেম উজ্জীবিত ছিল?"- সপক্ষে যুক্তি দাও।
- 'রেইনকোট' গল্পে নুরুল হুদা কোন বিষয়ের লেকচারার?
- 'ক্রাক-ডাউনের রাত' বলতে কী বোঝায়?
- প্রিনসিপ্যাল কেন দিনরাত দোয়া দরুদ পড়ত?
- 'নুরুল হুদার চোখের চাউনি ভোঁতা কিন্তু গরম।'-এ কথার মানে কী?
- 'রেইনকোট' গল্পে অফিসের জন্য কয়টি আলমারি আনা হয়েছিল?
- ‘কিংবদন্তি’ শব্দের অর্থ -
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে রতনপুর গ্রামের মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ক্যাম্পে পরিণত হয়। স্কুলের প্রধান শিক্ষক হাতেম আলী হয়ে ওঠেন হানাদার বাহিনীর আশ্রয়দাঁতা ও সাহায্যকারী। তিনি এ কাজে সহকর্মীদেরও বাধ্য করেন এবং কেউ সম্মত না হলে তার সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করেন। অধিকাংশ শিক্ষক প্রধান শিক্ষকের এ ধরনের কাজকে ঘৃণার দৃষ্টিতে দেখেন কিন্তু ভয়ে প্রতিবাদ করার সাহস পান না। সহকারী প্রধান শিক্ষক বাছেদ মিয়া ভীরু প্রকৃতির মানুষ হলেও তিনি ছিলেন মনে-প্রাণে একজন দেশপ্রেমিক মানুষ। তিনি গোপনে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করতেন। তাঁর পরামর্শে মুক্তিযোদ্ধারা রাতের অন্ধকারে হাতেম আলীকে ধরে নিয়ে বিচারের মুখোমুখি করেন।উদ্দীপকের ঘটনার পরিণতি প্রত্যাশিত কিন্তু 'রেইনকোট' গল্পের পরিণতি থেকে ভিন্ন।"- উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।