কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কোন পত্রিকার কিশোর সভার সদস্য ছিলেন?
A. দৈনিক স্বাধীনতা
B. পূর্বাশা
C. আজাদ
D. সওগাত
সঠিক উত্তরঃ
A.
দৈনিক স্বাধীনতা
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- প্রযুক্তির অবাধ ব্যবহারের আর নিছক কৌতূহলের বশে 'ব্লু হোয়েল' নামক অনলাইন গেমের মরণজালে জড়িয়ে সোনালি তার জীবন বিপন্ন করে তোলে। অথচ শমী হাসান মায়ের মৃত্যুর পর শোককে শক্তিতে পরিণত করে দরিদ্র হরিজন পল্লিতে সেবামূলক কাজ শুরু করে। পানিবাহিত রোগের কারণে যেন কারো মৃত্যু না ঘটে সেই বিষয়ে কাজ করে শমী আন্তর্জাতিক সেবা সংস্থা গ্লোবাল সিটিজেনের নিরাপদ পানি, সুস্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক তরুণ মুখপাত্র হিসেবে নির্বাচিত হয়ে বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করেছে।'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আলোকে শমী হাসানের কার্যক্রমকে মূল্যায়ন করো।
- ‘এ বয়স জেনো ভীরু কাপুরুষ নয় - পঙক্তিতে কত বছরবয়সের কথা বলা হয়েছে?
- তোমরা এসেছ, ভেঙেছ অন্ধকার- তোমরা এসেছ ভয় করি নাকো আর পায়ের স্পর্শে মেঘ কেটে যাবে, উজ্জ্বল রোদ্দুরছড়িয়ে পড়বে বহুদূর বহুদূর।উদ্দীপকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? বর্ণনা কর।
- 'এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য'- ব্যাখ্যা কর।
- সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?
- তমাল ও পিয়াল দুই বন্ধু মেধাবী ছাত্র হিসেবে প্রশংসিত হয়েছিল পরিচিতজনের কাছে। কৃতিত্বের সাথে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পাশের পর তমাল ঢাকা মেডিকেল কলেজে আর পিয়াল রাজধানীর একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে। লেখাপড়ার পাশাপাশি তমাল খেলাধুলা, বিতর্ক ইত্যাদিতেও অংশগ্রহণ করে বেশ সুনাম অর্জন করেছে। অন্যদিকে পিয়াল খারাপ বন্ধুদের সংস্পর্শে পড়ে মাদকসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েছে। দুই বন্ধুর জীবন আজ দুটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত।উদ্দীপকের আঠারো বছর বয়সের কোন কোন প্রবণতা ফুটে উঠেছে তা বুঝিয়ে লেখ।
- ওরে নবীন ওরে আমার কাঁচাওরে সবুজ, ওরে অবুঝআধ-মরাদের ঘা মেরে তুই বাঁচারক্ত আলোর মদে মাতাল ভোরেআজকে যে যা বলে বলুক তোরে,সকল তর্ক হেলায় তুচ্ছ করেপুচ্ছটি তোর উচ্চে তুলে নাচা।আয় দুরন্ত, আয়রে আমার কাঁচা।'আঠারো বছর বয়স" কবিতায় এবং উদ্দীপকে মূলত তারুণ্যেরই জয়গান গাওয়া হয়েছে- এ বিষয়ে তোমার যৌক্তিক মতামত দাও।
- আঠারো বছর বয়স' কোন ছন্দে রচিত?
- আমরা নূতন যৌবনের দূতআমরা চঞ্চল আমরা অদ্ভুত।আমরা বেড়াভাঙি।আমরা অশোকবনেররাঙা নেশায় রাঙি।ঝঞ্ঝার বন্ধন ছিন্ন করে দেই-আমরা বিদ্যুৎ।আমরা করি ভুলঅগাধ জলে ঝাঁপ দিয়েযুঝিয়ে পাই কূল।যেখানে ডাক পড়েজীবন মরণ ঝড়েআমরা প্রস্তুত।উদ্দীপকের 'আমরা করি ভুল' পংক্তির সাথে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন বিষয়ের সঙ্গতি রয়েছে? বর্ণনা কর।
- করোনা মহামারিতে মানুষ যখন খুব ভীত ও আত্মকেন্দ্রিক জীবন যাপন করছিল বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া তিশা তখন ভয়ভীতি ত্যাগ করে অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। করোনা আক্রান্ত মানুষের বাড়িতে ওষুধ ও খাবার নিয়ে গেছে দিন রাত। তিশাকে অনেকেই এসব থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিলেও তিশার কাছে মনে হয়েছে তারুণ্যই মানুষের পাশে দাঁড়ানোর উপযুক্ত সময়। আর এ জন্যই সে সমস্ত সমালোচনা অগ্রাহ্য করে মানবতার সেবায় অংশগ্রহণ করেছে সানন্দে।উদ্দীপকের তিশার সাথে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।
- সূর্যকে হৃৎপিন্ডে ধরে রাখার অর্থ হলো-মুক্তির অনিবার্যতা সর্বশক্তিকে ধারণ সামর্থ্য অর্জন নিচের কোনটি সঠিক?
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?
- কবি কেন যৌবনশক্তির জয়গান করেছেন?
- নিচের কোন কবিতা অক্ষরবৃত্ত ছন্দে রচিত নয়?
- 'আপদ আছে, জানি আঘাত আছেতাই জেনে তো বক্ষে পরান নাচে।'উদ্দীপকটির আঠারো বছর বয়স' কবিতার নিচেরকোন চরণের সাথে মিল রয়েছে?
- 'রক্তদানের পুণ্য' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- সুকান্ত ভট্টাচার্য আমৃত্যু কোন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন?
- 'এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়'-নিচের কোন চরণের সাথে উদ্দীপকের ভাবগত মিলরয়েছে?
- সুকান্ত ভট্টাচার্য কোন সংঘের পক্ষে 'আকাল' কাব্যগ্রন্থ সম্পাদনা করেন?
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন রবিন স্বৈরাচারী শাসকের নিপীড়ন ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে জীবন যেতে পারে জেনেও সুন্দর আগামীর ভবিষ্যতে এগিয়ে যায়.।উদ্দীপকের রবিনের মনোভাবটি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন চরণের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- 'আঠারো বছর বয়স'- কবির এই চরণটি যাদের জন্য প্রযোজ্য- জমিলা-ঢেঙাবুড়ো আক্কাস-জমিলা কালু-মতিনিচের কোনটি সঠিক?
- 'বিপুল যাহার আশা, ক্লান্তিহীন যাহার উৎসাহ, বিরাটযাহার ঔদার্য, অফুরন্ত যাহার প্রাণ, অটল যাহারসাধনা, মৃত্যু যাহার মুঠিতলে’– তারুণ্যের এবৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে—
- 'আসমানীদের দেখতে যদি তোমরা সবে চাও' লাইনটির কোন কবির লেখা?
- সুকান্ত ভট্টাচার্য কোন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন?
- বিপদের মুখে 'আঠারো বছর বয়স' কেমন?
- তরুণ নামের জয়মুকুট শুধু তাহারই যাহার শক্তি অপরমাণ, গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়, তেজ নির্মেঘ আষাঢ় মধ্যাহ্নের মার্তণ্ড প্রায়; বিপুল যাহার আশা, ক্লান্তিহীন যাহার উৎসাহ, বিরাট যাহার ঔদার্য, অফুরন্ত যাহার প্রাণ, অটল যাহার সাধনা, মৃত্যু যাহার মুঠিতলে।"এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে'-পাঠ্য কবিতায় এ সুর থাকলেও উদ্দীপকে তা প্রতিধ্বনিত হয়নি।"- যুক্তি দিয়ে বিচার করো।
- দুরন্ত পথিক দুর্বার তারুণ্যের প্রতীক। সে বিপ্লবের অগ্নিমন্ত্রে দীক্ষিত মুক্তি সৈনিক। মৃত্যুভয়কে তুচ্ছ করে সে দুর্গম পথে এগিয়ে চলে। তার শক্তি অবিনশ্বর। পথ চলতে সে কখনো থেমে যায় না। তার চেতনা দুর্বারকে জয় করে।উদ্দীপকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকটি অনুপস্থিত- নির্ণয় কর।
- 'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।'-উক্তিটির অর্থ কী? ব্যাখ্যা করো।
- আমি গাই তারি গান-
- "আঠারো বছর বয়স" কবিতা কোন ছন্দে রচিত?
- সুকান্ত ভট্টাচার্য্যের পৈতৃক নিবাস কোথায়?
- 'এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে'-কোন বৈশিষ্ট্যের কারণে কবি আঠারোর প্রত্যাশা করেছেন?
- " জ্বলে- পুড়ে মরে ছারখার তবু মাথা নোয়াবার নয়। " কবিতাংশটি-
- আঠারো বছর বয়স কী জানে?
- 'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে' --- এ লাইনে "আঠারো" শব্দটি কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- বহুতল ভবন দয়াল টাওয়ারে আগুন লাগার পর কালো ধোঁয়ায় চারদিকে ছেয়ে যায়। উৎসুক মানুষের ভিড়ে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ও অ্যাম্বুলেন্সগুলো ঠিকমতো চলাচল করতে পারছিল না। ঠিক তখনই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় আশপাশের বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীরা। হাতে হাত ধরে যান চলাচল ও অসহায় মানুষের সাহায্যার্থে এগিয়ে এসেছিল তারা।উদ্দীপকে বর্ণিত শিক্ষার্থীদের চরিত্রে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় উল্লিখিত কোন বৈশিষ্ট্যের মিল রয়েছে? আলোচনা করো।
- বর্ণিল জগৎ সন্ধানে যারা ছুটে মেরু-অভিযানে,পক্ষ বাঁধিয়া উড়িয়া চলেছে যাহারা ঊর্ধ্বপানে।তবু থামে না যৌবন-বেগ, জীবনের উল্লাসেচলেছে চন্দ্র-মঙ্গল-গ্রহে স্বর্গে অসীমাকাশে।যারা জীবনের দাসরা বহিয়া মৃত্যুর দ্বারে দ্বারেকরিতেছে ফিরি, ভীম রণভূমে প্রাণ বাজি রেখে ছারে।আমি মরু-কবি-গাহি সেই বেদে-বেদুইনদের গান,উদ্দীপকে কবি যাদের জয়গান গেয়েছেন তাদের প্রতি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কবির মনোভাবের তুলনামূলক আলোচনা করো।
- মচমইল বাজারে প্রকাশ্যে তিনজন সন্ত্রাসী আক্রমণ করে তালেব মাস্টারকে। তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে মোটরসাইকেলযোগে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। এমন সময় ঘটনাস্থলে এসে পড়ে সাহসী এক তরুণ ফিরোজ। সে সন্ত্রাসীদের ধাওয়া করে এবং একজনকে ধরে ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যানের হাতে তুলে দেয়। ফিরে এসে দেখে মাস্টার তখনও মাটিতে লুটিয়ে পড়ে আছেন। কেউ সাহায্যে এগিয়ে আসছে না, পুলিশি ঝামেলার ভয়ে। ফিরোজ কোনো কিছু না ভেবেই মাস্টার মশাইকে নিয়ে যায় মেডিকেলে।উদ্দীপকের মূলভাব 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার মূলভাবের দ্যোতক- আলোচনা করো।
- যেন গতিহীন, প্রাণহীন, সৃজনবিরাগী ও অন্ধকারাচ্ছন্ন প্রতিটি প্রাত্যহিক আজ। এ দেশের তরুপসমাজ এক অনিবার্য স্থবিরতায় ক্রমে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। মোবাইল ও মাদক তাদের এই অধঃপাতের প্রধান দুটি কারণ বলে মনে হয়। মানবজীবনে শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য যে আত্মমর্যাদা, ব্যক্তিত্ব, স্বনির্ভরতা, দুরন্ত গতিবেগ, সৃজন, নির্ভীকতা, পরোপকার, অসাম্প্রদায়িকতা, সংস্কৃতিবোধ ও স্বদেশপ্রেম তা থেকে এ দেশের যুবসমাজ নিজেদের বিচ্ছিন্ন করে ফেলছে। পক্ষান্তরে গেমিং, টিকটক করা বা দেখা, অনলাইন আসক্তি এবং নানা রকম নেশা গ্রহণে তারা এখন ডুবে আছে। আসুন এর থেকে মুক্তির পথ খুঁজি।উদ্দীপকের বর্তমান যুবসমাজ এবং 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার বৈসাদৃশ্য নিরূপণ করো।