আমি, তুমি ও সে - আমরা ---- এটি কোন সমাসের উদাহরণ?
A. সাধারণ দ্বন্দ্ব
B. অলুক দ্বন্দ্ব
C. মিলনার্থক দ্বন্দ্ব
D. একশেষ দ্বন্দ্ব
সঠিক উত্তরঃ
D.
একশেষ দ্বন্দ্ব
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- গার্ড: রেলের প্ল্যাটফর্মে ঘুমিয়ে পরিবেশ নোংরা করছকেন? সরে যাও, না হয় জেলে পাঠাব।সবুরা: 'জেলেরে ভয়ে পাই না, ছেলেমেয়ে সবসহ নিয়েযাও। ওখানে দুমুঠ খেতে দিবা। আগে বাঁচি, তারপর দেখব সুন্দর।উদ্দীপকের সুবরার উক্তির সঙ্গে 'মাসি-পিসি' গল্পেরকোন বাক্যের মিল আছে?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'মাসি-পিসি' গল্পটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- বিধবা শেফালীর সংসারে পনেরো বছরের একটি মেয়ে ছাড়া আর কেউ নেই। নিজের ও মেয়ের ভরণপোষণের দায়িত্ব শেফালীকেই নিতে হয়। স্বামীর রেখে যাওয়া সামান্য জমিটুকুর দেখাশোনাও সে করে। পাড়ার বখাটেরা প্রায়ই তার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করে। শেফালী গ্রামের মোড়লের কাছে বিচার দাবি করলেও সে ন্যায়বিচার পায়নি। রক্ষকের নামে ভক্ষকদের কারণে শেফালীর মতো নারীদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে।'রক্ষকের নামে ভক্ষকদের কারণে শেফালীর মতো নারীদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে।'- মন্তব্যটি 'মাসি-পিসি' গল্পের আলোকে মূল্যায়ন করো।
- 'মাসি-পিসি' গল্পটির লেখক কে?
- মিনার বাবা হঠাৎ মারা যাওয়ায় তার মা রানু তাকে নিয়ে অসহায় হয়ে পড়ে। সে তার স্বামীর রেখে যাওয়া সামান্য কৃষিজমিতে উৎপন্ন ফসল বিক্রি করে যা আয় করে তাতে মিনার লেখাপড়ার খরচ চালাতে পারে না। তাই অন্যের বাড়িতে ধান ভানা, মাড়াই দেওয়া ও গৃহপরিচারিকার কাজ করে মিনার লেখাপড়া ও সংসারের খরচ চালিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ বাধা হয়ে দাঁড়াল মিনার বয়স। ষোড়শী মিনাকে গ্রাম্য মোড়লের কুদৃষ্টি থেকে রক্ষার জন্য সে তাকে বিয়ে দিলো। কিন্তু অর্থলোভী ও স্বার্থান্ধ পরিবারে মিনার ঠাঁই হলো না। সে মায়ের কাছে চলে এলো। শুরু হলো মা-মেয়ের নতুন করে বেঁচে থাকার লড়াই। 'বেঁচে থাকার লড়াই'- কথাটি উদ্দীপক ও 'মাসি-পিসি' গল্পের আঙ্গিকে ব্যাখ্যা করো।
- শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত 'সারেং বৌ' উপন্যাসের নায়িকা নবিতুন। গ্রামের বধূ নবিতুন যার স্বামী কদম সারেং ও মেয়ে আককিকে নিয়ে তার সংসার। জীবিকার তাগিদে কদম সারেংকে বছরের পর বছর জাহাজে কাটিয়ে দিতে হয়। প্রতি তিন মাস অন্তর সারেং টাকা ও চিঠি পাঠায়। হঠাৎ এই টাকা ও চিঠি আসা বন্ধ হয়ে যায়। এরপর চারপাশের অশুভ ইঙ্গিত তাকে তখন তাড়া করে বেড়ায়। আছে দারিদ্র্য ও দুর্যোগ। আত্মবিশ্বাস, সাহস, বুদ্ধিমত্তা আর দৃঢ়তা দিয়ে সবকিছু জয় করে সে। স্বামীর প্রতি ভালোবাসা আর সুন্দর জীবনের স্বপ্ন তাকে বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা জোগায়। উদ্দীপকের নবিতুনের সঙ্গে 'মাসি-পিসি' গল্পের কোন দিকটির সাদৃশ্য লক্ষ করা যায় তার বর্ণনা দাও।
- 'যাবজ্জীবন' কোন সমাস?
- জহির রায়হানের 'হাজার বছর ধরে' উপন্যাসের গ্রামীণযুবক আবুল বউ পিটিয়ে আনন্দ উপভোগ করে‘মাসি-পিসি' গল্পের উক্ত চরিত্রের সাথে উদ্দীপকেরআবুলের সাদৃশ্য কোথায়?
- 'মাসি-পিসি' কার রচনা?
- মাসি-পিসি' গল্পের বৈচিত্র্যময় দিক হলো -দুর্ভিক্ষের মর্মস্পশী স্মৃতিপ্রকৃতির প্রতি নিবিড়তামানবিক জীবনসংগ্রাম নিচের কোনটি সঠিক?
- ১৯৭১ সাল। পাকিস্তানি বাহিনীর অত্যাচারে দিশেহারা, পর্যুদস্ত দেশ। মাঠ-ঘাট পেরিয়ে মিলিটারি-রাজাকারের চোখ এড়িয়ে ভারতের আশ্রয় শিবিরের উদ্দেশ্যে ছুটে চলার প্রাণান্ত চেষ্টা বৃদ্ধা আদুরির। হঠাৎ খেতের মধ্যে গুলিবিদ্ধ মায়ের লাশের পাশে কান্নারত এক শিশুকে দেখে থমকে যায় আদুরি। নিঃস্ব কোলে তুলে নেয় অসহায় শিশুটিকে। আবারও ছুটতে থাকে আদুরি। শিশুটিকে যে বাঁচাতেই হবে-ভাবতে ভাবতে সুদৃঢ় হয় বৃদ্ধার পদক্ষেপ।উদ্দীপকে বর্ণিত শিশুটির সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির মিল কোন দিক থেকে? বুঝিয়ে দাও।
- , ফুল" উপসর্গ কোন অর্থে ব্যবহৃত হয় ?
- সালমার বাবা হঠাৎ মারা যাওয়ায় তার মা অসহায় হয়ে পড়ে। একদিকে অর্থকষ্ট,অন্যদিকে ষোলো বছর বয়সী সালমার সামাজিক নিরাপত্তা, সব মিলিয়ে সালমার মা দিশেহারা হয়ে পড়ে। এই অবস্থায় সালমার বিধবা খালা তাদের বাড়িতে এসে সালমার দেখাশুনার ভার নেয়। সালমার মা-খালা অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে নিজেদের খাওয়া পরা চালায়। এভাবেই তারা জীবনের সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকার চেষ্টা করে।উদ্দীপকের উপার্জনের পথ 'মাসি-পিসি' গল্পে মাসি-পিসির উপার্জনের পথ থেকে ভিন্নতর কেন?
- আহ্লাদির দিকে তাকিয়ে বৃদ্ধ রহমানের চোখে জল আসে কেন? বুঝিয়ে দাও।
- নিজের সহায়সম্পদ না থাকলেও অকালপ্রয়াত বড়ো বোনের মেয়ে মিনাকে সযত্নে আগলে রাখে রাহেলা। অন্যের বাসায় কাজ করে রাহেলা মিনার ভরণপোষণের ব্যবস্থা করে। মিনার নিরাপত্তার কথা ভেবে রাহেলা মিনাকে সঙ্গে নিয়ে অন্যের বাসায় কাজ করতে যায়।উদ্দীপকে 'মাসি-পিসি' গল্পের কোন প্রসঙ্গটি উঠে এসেছে? আলোচনা করো।
- "নিজেকে তার ছ্যাঁচড়া, নোংরা, নর্দমার মতো লাগে।"- ব্যাখ্যা কর।
- 'বুড়ো রহমান ছলছল চোখে তাকায় আহ্লাদির দিকে।'- কেন? বুঝিয়ে দাও।
- আহ্লাদিকে দেখে বুড়ো রহমানের চোখ ছল-ছল করে ওঠে কেন?
- হিরন্ময়ীর স্বামী যখন মারা যায় তখন তার মেয়ে লতার বয়স মাত্র দুই বছর। একদিকে অর্থকষ্ট, অপরদিকে বদলোকের কুদৃষ্টি। তবু দমে যায়নি হিরন্ময়ী। মানুষের বাড়িতে কাজ। করে, খেয়ে না খেয়ে মেয়েটাকে বড় করে সে। একসময় মেয়ের বিয়েও দেয়। কিন্তু বছর না যেতেই অত্যাচারী স্বামীর সাথে তার সম্পর্ক ছিন্ন হয়। লতা তার মায়ের কাছে ফিরে আসে। এবার পুরু হয় মা-মেয়ের বেঁচে থাকার সংগ্রাম। বাড়ির আশেপাশে শাক-সবজি চাষ করে, বাড়িতে হাঁস-মুরগি পালন করে, পরের বাড়িতে ধান ভেনে, কাঁথা সেলাই করে তারা স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করে। তারা মনে করে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকার মধ্যে গৌরব আছে, কাজ করে জীবন নির্বাহ করার মধ্যে সম্মান আছে। তারা যেকোনো অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য প্রস্তুত থাকে।উদ্দীপকের লতা এবং 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির জীবন-সংগ্রামের বৈপরীত্য নির্ণয় কর।
- 'মাসি-পিসি' গল্পটি নিচের কোন গ্রন্থে সংকলিতহয়েছে?