‘দিবারাত্রির কাব্য’ কার লেখা?
A. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
B. বন্দে আলী মিয়া
C. গোলাম মোস্তফা
D. সুফিয়া কামাল
সঠিক উত্তরঃ
A.
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
Explanation: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস: দিবারাত্রির কাব্য, পুতুলনাচের ইতিকথা, পদ্মানদীর মাঝি, শহরবাসের ইতিকথা, স্বাধীনতার স্বাদ, ইতিকথার পরের কথা।
Related Questions (Any University/Year)
- 'ছেলের মুখ দেখে পাষাণ নরম হয়'- উক্তিটি কার?
- 'মাসি-পিসি' গল্পে উল্লিখিত বাবুর নাম কী?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'মাসি-পিসি' গল্পটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- সাহস মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে। ভয় মানুষকে মৃত্যুর আগেই মৃত্যুপথযাত্রী করে তোলেউদ্দীপকের মূলভাব প্রকাশ পেয়েছে 'মাসি- পিসি' গল্পের কোন চরিত্রে?
- বকুল যখন স্বামীহারা হয় তখন তার মেয়ে পারুলের বয়স দুই বছর। একদিকে অর্থকষ্ট, অপরদিকে বদলোকের কুদৃষ্টি। লোকের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে, খেয়ে না খেয়ে মেয়েটাকে বড় করে বকুল। একসময় মেয়ের বিয়েও দেয়। কিন্তু বছর না ঘুরতেই অত্যাচারী স্বামীর সাথে সম্পর্ক ছেধ করে মায়ের কাছে ফিরে আসে পারুল। সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার জন্য মেয়ে পারুল হয় বকুলের অবলম্বন। মায়ের জীবন-সংগ্রাম দেখে বড় হওয়া পারুল মায়ের চেয়ে সাহসী এবং আত্মমর্যাদাশীল। বাড়ির পাশে শাক-সবজি চাষ করে, ঘরে হাস-মুরগি পালন করে, ধান ভেনে, কাঁথা সেলাই করে স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করে মা ও মেয়ে। যে কোনো অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে জীবন বলি রাখার দৃঢ় প্রত্যয় বকুল ও পারুলের চাল চলনে।উদ্দীপকের পারুলের সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের বৈপরীত্য দেখাও।
- ধ্বন্যাত্বক শব্দ কোন গুলো?
- কার জন্য নুরুলহুদাকে এক্সট্রা তটস্থ থাকতে হয়?
- বাবা-মা হারা রাইনার শেষ আশ্রয় বুড়ো দাদু। কিন্তু সমস্যা হয় বাবার রেখে যাওয়া সম্পদের কারণে, তার প্রতি শকুনের চোখ পড়ে। সম্পত্তির সবটুকু গ্রাস করেও তৃপ্তি হয় না গ্রামের মাতব্বরের ছেলের। তার লোভ জাগে রাইনার উপর। কিন্তু রাইনার দাদু এই বৃদ্ধ বয়সেই রুখে দাঁড়ায় সমস্ত অন্যায়ের বিরুদ্ধে।উদ্দীপকের রাইনার দাদুর সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসির দায়িত্ববোধের সাদৃশ্যতা দেখাও।
- ‘পদ্মানদীর মাঝি’ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি-
- “মরণ ঠেকাতেই ফুরিয়ে আসছে তাদের জীবনীশক্তি”- কাদের জীবনীশক্তি?
- এইখানে তোর বুজির কবর, পরীর মতন মেয়ে,বিয়ে দিয়েছিনু কাজিদের বাড়ি বনিয়াদি ঘর পেয়ে,এত আদরের বুজিরে তাহারা ভালোবাসিত না মোটে,হাতেতে যদিওনা মারিত তারে শত যে মারিত ঠোঁটে।উদ্দীপকে 'মাসি-পিসি' গল্পের মূলভাব কতটুকু প্রতিফলিত হয়েছে? উপযুক্ত যুক্তিসহ তোমার মতামত দাও।
- সাহস মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে। ভয় মানুষকে মৃত্যুর আগেই মৃত্যুপথযাত্রী করে তোলে।উদ্দীপক ও 'মাসি-পিসি' গল্পের আলোকে বলা যায়-বিপদে সাহস প্রয়োজনভয় বিপদ বাড়ায়মাসি-পিসি দুজনেই সাহসীনিচের কোনটি সঠিক?
- বিয়ের কয়েক বছরের মাথায় স্বামী মারা গেলে দুই সন্তান নিয়ে অকুল পাথারে পড়েন কুলসুম বিবি। তবে তিনি দিশেহারা না হয়ে সরকারি 'জয়িতা নারী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র' থেকে সেলাই মেশিন নিয়ে জীবনযুদ্ধে নেমে পড়েন।উদ্দীপকে টিকে থাকার গল্প 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসি চরিত্রের মধ্য দিয়ে যেভাবে ফুটে উঠেছে- জীবন সংগ্রামদৃঢ়তা প্রতিবাদ নিচের কোনটি সঠিক?
- 'জীবনবিমা' কোন সমাস?
- পুরুষবাচক শব্দ কোনটি?
- মাসি-পিসি গল্পে চৌকিদার কে?
- সাফিয়ার বাবা একজন দরিদ্র দিনমজুর। অনেক ধার-দেনা করে তিনি মেয়েকে বিয়ে দেন। ভাগ্যের নির্মমতায় বিয়ের পরেই সাফিয়ার জীবনে নেমে আসে ঘোর অন্ধকার। পাঁচ লক্ষ টাকা যৌতুকের দাবিতে সাফিয়াকে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন নির্যাতন করে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। অসহায় সাফিয়ার পরিবার শ্বশুরবাড়িতে সাফিয়া মিলেমিশে থাকতে না পারার দরুন তাকে উলটা ভর্ৎসনা করে। মনের কষ্টে সাফিয়া সব কিছু ছেড়ে ঢাকায় গিয়ে গার্মেন্টসে চাকরি নেয়।উদ্দীপকের সাফিয়া 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির সাথে কোন দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- 'মাসি-পিসি' গল্পটির লেখক কে?
- নাপিত' শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ কোনটি?
- আহ্লাদিকে স্বামীর ঘর ছেড়ে চলে যেতে হয় কেন?