'বুড়ো রহমান ছলছল চোখে তাকায় আহ্লাদির দিকে।' ব্যাখ্যা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ছুটি রাণী বিধবা ও নিঃসন্তান। এ বিধবার নিকট-সম্পর্কের কেউ নেই। একদিন বাড়ির আঙিনার মন্দিরের পাশে বিশ-ঊর্ধ্ব একটি মেয়েকে কাঁদতে দেখেন। সমস্ত ঘটনা শুনে মেয়েটিকে ঘরে নিয়ে আসেন। স্বামীর নির্দয়তায় ক্ষত-বিক্ষত মেয়েটিকে মায়ের স্নেহে আশ্রয় দেন। মেয়েটির শ্বশুরবাড়ির লোক সংবাদ পেয়ে মেয়েটিকে নিয়ে যেতে চান। মেয়েটি কোনোভাবেই ফিরে যেতে রাজি নয়। ছুটি রাণীও মেয়েটিকে যেতে দেননি। এজন্য ছুটি রাণীকে সামাজিক নেতিবাচকতার মুখোমুখি হতে হয়। ছুটি রাণী মেয়েটিকে তার স্থাবর-অস্থাবর সমস্ত ধন-সম্পত্তি উইল করে দেন।উদ্দীপকে উল্লিখিত মেয়েটি 'মাসি-পিসি' গল্পের 'আহ্লাদি'র সাথে কীভাবে সংগতিপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- 'সত্য বই মিথ্যা বলবো না' -এখানে 'বই' ?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচনায় দুজন দার্শনিকের ভাবনার প্রতিফলন আছে?
- 'যুদ্ধের আয়োজন করে তৈরি হয়ে থাকে মাসি-পিসি'- ব্যাখ্যা করো।
- 'টেকসই' শব্দের 'সই' কোন ধরনের প্রত্যয়?
- মানিক বন্দোপাধ্যায়ের পিতৃ প্রদত্ত নাম কি
- “দারোগাবাবু এসে বসে আছেন বাবুর সাথে।”"মাসি-পিসি" গল্পের এ বাক্যে প্রকাশ পায়-বাবুর সাথে দারোগাবাবুর সুসম্পর্ক রয়েছেদারোগাবাবুর হুকুম পালন করতে হবেদারোগাবাবু মাসিপিসির বিচার করতে এসেছেননিচের কোনটি সঠিক?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'মাসি-পিসি' গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয় কোন পত্রিকায়?
- বন্ধুদের সাথে বাজি ধরে খ্যাতি লাভ করেছিলেন কোন লেখক?
- মিনার বাবা হঠাৎ মারা যাওয়ায় তার মা রানু তাকে নিয়ে অসহায় হয়ে পড়ে। সে তার স্বামীর রেখে যাওয়া সামান্য কৃষিজমিতে উৎপন্ন ফসল বিক্রি করে যা আয় করে তাতে মিনার লেখাপড়ার খরচ চালাতে পারে না। তাই অন্যের বাড়িতে ধান ভানা, মাড়াই দেওয়া ও গৃহপরিচারিকার কাজ করে মিনার লেখাপড়া ও সংসারের খরচ চালিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ বাধা হয়ে দাঁড়াল মিনার বয়স। ষ???ড়শী মিনাকে গ্রাম্য মোড়লের কুদৃষ্টি থেকে রক্ষার জন্য সে তাকে বিয়ে দিলো। কিন্তু অর্থলোভী ও স্বার্থান্ধ পরিবারে মিনার ঠাঁই হলো না। সে মায়ের কাছে চলে এলো। শুরু হলো মা-মেয়ের নতুন করে বেঁচে থাকার লড়াই। উদ্দীপকের সমাজচিত্রের সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের সমাজচিত্রের সাদৃশ্য কতটুকু? আলোচনা করো।
- শেষবেলায় খালে তখন পুরো-
- আমিই সেই মেয়ে।বাসে ট্রেনে রাস্তায় আপনি যাকে রোজ দেখেন।যার শাড়ি, কপালের টিপ, কানের দুল আর পায়ের গোড়ালিআপনি রোজ দেখেন। আরআরও অনেক কিছু দেখতে পাবার স্বপ্ন দেখেন।স্বপ্নে যাকে ইচ্ছে মতন দেখেন।উদ্দীপকের বিষয়ভাবনা 'মাসি-পিসি' গল্পের যে চরিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ তার বর্ণনা দাও।
- বিধবা শেফালীর সংসারে পনেরো বছরের একটি মেয়ে ছাড়া আর কেউ নেই। নিজের ও মেয়ের ভরণপোষণের দায়িত্ব শেফালীকেই নিতে হয়। স্বামীর রেখে যাওয়া সামান্য জমিটুকুর দেখাশোনাও সে করে। পাড়ার বখাটেরা প্রায়ই তার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করে। শেফালী গ্রামের মোড়লের কাছে বিচার দাবি করলেও সে ন্যায়বিচার পায়নি। রক্ষকের নামে ভক্ষকদের কারণে শেফালীর মতো নারীদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে।'রক্ষকের নামে ভক্ষকদের কারণে শেফালীর মতো নারীদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে।'- মন্তব্যটি 'মাসি-পিসি' গল্পের আলোকে মূল্যায়ন করো।
- নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি?
- 'মাসি-পিসি' গল্পে আহ্লাদীর মুখে কে দেখতে পায় নিজ মেয়ের মুখের ছাপ?
- 'সজাগ রইতে হবে রাতটা'।- 'মাসি-পিসি' গল্পে এই উক্তিটি কার?
- ‘পদ্মানদীর মাঝি’ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি-
- বুড়ো রহমান ছলছল দৃষ্টিতে আহ্লাদির দিকে তাকায় কেন?
- দশম শ্রেণির ছাত্রী আসমা এক দরিদ্র পিতার সন্তান। গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তি গওহর মণ্ডল জোরপূর্বক আসমাকে পুত্রবধু বানাতে চায়। হুমকি দেয় তুলে নিয়ে যাওয়ার। এই, পরিস্থিতিতে আসমার বান্ধবীরা পাশে এসে দাঁড়ায়। মন্ডলের বখাটে ছেলের হাতে পড়ে মেধাবী ছাত্রী আসমার লেখাপড়া ধ্বংস হোক তারা চায় না। বান্ধবীরা বিষয়টি স্থায়ীয় সাংবাদিক ও কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তিকে জানায়। তারা দলবেধে স্কুলে যায় এবং পালা করে আসমার বাড়ি পাহারা দেয়। এতে দমে যায় গওহর মণ্ডল। জয় হয় সম্মিলিত প্রতিরোধের।"জয় হয় সম্মিলিত প্রতিরোধের'- এ কথা 'মাসি-পিসি' 'গল্পের ক্ষেত্রেও সমভাবে প্রযোজ্য"- উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- 'মাসি-পিসি' গল্পে চায়ের দোকান কোথায় অবস্থিত?