শোষকেরা জনমতের বিরুদ্ধে যেতে ভয় পায় কেন?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ‘মাসি-পিসি’ গল্পটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- 'বেঁধে নিয়ে যাবার হুকুম আছে।'- 'মাসি-পিসি' গল্পে উক্তিটি কার?
- ‘কথায় পটু' কোন ধরনের সমাস ?
- মানিক বন্দোপাধ্যায়ের পিতৃদত্ত নাম কী?
- "মাসি-পিসি" গল্পে আহ্লাদি নামক তরুণীটি কার নির্যাতনের শিকার?
- ‘দুজনে মিলে কাজ করছে যেন একজন করছে।' -- উক্তিটি দিয়ে বোঝানো হয়েছে মাসি-পিসির-
- ‘দিবারাত্রির কাব্য’ কার লেখা উপন্যাস?
- চায়ের দোকান না কীসের দোকান তা বুঝিছি কৈলাশ' কথাটি দ্বারা যা বোঝানো হয়েছে-দোকানটি আসলে চায়ের দোকান ছিল নাদোকানটি ছিল নেশাজাতীয় দ্রব্যেরদোকানটি ছিল মনোহর জিনিসেরনিচের কোনটি সঠিক?
- কোন শব্দে বাংলা উপসর্গের প্রয়োগ ঘটেছে?
- 'অনু' উপসর্গ বা আদ্য প্রত্যয় কোন শব্দে 'পরে' অর্থ প্রকাশ করে?
- আহ্লাদি কত মাসের গর্ভবতী ছিল?
- মানিক বন্দোপাধ্যায়ের পিতৃ প্রদত্ত নাম কি
- আহ্লাদিকে রক্ষার জন্য মাসি-পিসির প্রচেষ্টায় তাদেরচরিত্রের যে দিকটি প্রকাশ পেয়েছে তা হলো-
- হিরন্ময়ীর স্বামী যখন মারা যায় তখন তার মেয়ে লতার বয়স মাত্র দুই বছর। একদিকে অর্থকষ্ট, অপরদিকে বদলোকের কুদৃষ্টি। তবু দমে যায়নি হিরন্ময়ী। মানুষের বাড়িতে কাজ। করে, খেয়ে না খেয়ে মেয়েটাকে বড় করে সে। একসময় মেয়ের বিয়েও দেয়। কিন্তু বছর না যেতেই অত্যাচারী স্বামীর সাথে তার সম্পর্ক ছিন্ন হয়। লতা তার মায়ের কাছে ফিরে আসে। এবার পুরু হয় মা-মেয়ের বেঁচে থাকার সংগ্রাম। বাড়ির আশেপাশে শাক-সবজি চাষ করে, বাড়িতে হাঁস-মুরগি পালন করে, পরের বাড়িতে ধান ভেনে, কাঁথা সেলাই করে তারা স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করে। তারা মনে করে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকার মধ্যে গৌরব আছে, কাজ করে জীবন নির্বাহ করার মধ্যে সম্মান আছে। তারা যেকোনো অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য প্রস্তুত থাকে।উদ্দীপকের লতা এবং 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির জীবন-সংগ্রামের বৈপরীত্য নির্ণয় কর।
- শৈশবে বাবা-মাকে হারিয়ে এক চাচার আশ্রয়ে থাকা আসমার জীবনে ঘটে যায় বাল্যবিবাহ। স্বামীর ঘরে অত্যাচার-নির্যাতন, পরে তালাক। চাচার সহযোগিতা না পেলেও দমে যায়নি সে। টিউশন করে লেখাপড়া চালিয়ে যায় সে। অদম্য ইচ্ছাশক্তির জোরে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় লাভ করে ভালো ফল। আসমা এখন মেডিকেল কলেজের শেষ বর্ষের ছাত্রী।উদ্দীপকের চাচা ও ও 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসি চরিত্রের তুলনামূলক চিত্র উপস্থাপন করো।
- 'মাসি-পিসি' গল্পে 'জগু আর সেই জগু নেই'—কথাটি দ্বারা বোঝানো হয়েছে?
- প্রাগৈতিহাসিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি-----
- নাপিত' শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ কোনটি?
- 'মাঝখানে গুটিসুটি হয়ে বসে আছে অল্পবয়সি একটিবৌ'– বৌটি কে?
- ‘আজও’ শব্দের 'ও' প্রত্যয় কোন অর্থে ব্যবহৃত?
- ছুটি রাণী বিধবা ও নিঃসন্তান। এ বিধবার নিকট-সম্পর্কের কেউ নেই। একদিন বাড়ির আঙিনার মন্দিরের পাশে বিশ-ঊর্ধ্ব একটি মেয়েকে কাঁদতে দেখেন। সমস্ত ঘটনা শুনে মেয়েটিকে ঘরে নিয়ে আসেন। স্বামীর নির্দয়তায় ক্ষত-বিক্ষত মেয়েটিকে মায়ের স্নেহে আশ্রয় দেন। মেয়েটির শ্বশুরবাড়ির লোক সংবাদ পেয়ে মেয়েটিকে নিয়ে যেতে চান। মেয়েটি কোনোভাবেই ফিরে যেতে রাজি নয়। ছুটি রাণীও মেয়েটিকে যেতে দেননি। এজন্য ছুটি রাণীকে সামাজিক নেতিবাচকতার মুখোমুখি হতে হয়। ছুটি রাণী মেয়েটিকে তার স্থাবর-অস্থাবর সমস্ত ধন-সম্পত্তি উইল করে দেন।উদ্দীপকে উল্লিখিত মেয়েটি 'মাসি-পিসি' গল্পের 'আহ্লাদি'র সাথে কীভাবে সংগতিপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- 'বুড়ো রহমান ছলছল চোখে তাকায় আহ্লাদির দিকে।'- কেন?
- নাসির সাহেব তাঁর যাবতীয় সম্পদ বন্ধক রেখে একমাত্র মেয়েকে বিয়ে দেন। টাকার লোভে জামাই মেয়েটির উপর অমানবিক নির্যাতন চালায়।উদ্দীপকে 'মাসি-পিসি' গল্পের যে দিকটি দৃশ্যমান-
- সাহস মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে। ভয় মানুষকে মৃত্যুর আগেই মৃত্যুপথযাত্রী করে তোলে।উদ্দীপক ও 'মাসি-পিসি' গল্পের আলোকে বলা যায়-বিপদে সাহস প্রয়োজনভয় বিপদ বাড়ায়মাসি-পিসি দুজনেই সাহসীনিচের কোনটি সঠিক?
- 'মাসি-পিসি' গল্পে অল্পদিন আগে কার মেয়েটা শ্বশুরবাড়িতে মরেছে?
- 'নিজের সবটুকু সম্বল বিক্রি করে ধুলু মিয়া মেয়ের বিয়ে দিলেন। কিন্তু শ্বশুরবাড়িটা তার জন্য সুখের হলো না। এমন অত্যাচারের শিকার হয়েছে যে শ্বশুরবাড়ির নাম শুনলেই আঁতকে ওঠে।'উদ্দীপক ও 'মাসি-পিসি' গল্পের মূল উপজীব্য হলো-
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃদত্ত নাম কোনটি?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
- আহ্লাদিকে দেখে বুড়ো রহমানের চোখ ছল-ছল করে ওঠে কেন?
- কার শাশুড়ী ননদ বাঘের মত ছিল?
- 'বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে বাংলাদেশের নারীরা ব্যাপক ভূমিকারাখলেও ঘরের মধ্যে নারীর অবস্থা ভালো নয়। নারীসমাজের একটা অংশ স্বামীর দ্বারা নির্যাতনের শিকার।'তোমার পঠিত কোন গল্পের সঙ্গে উদ্দীপকটি সাদৃশ্যপূর্ণ?
- মাসি-পিসি গল্পে ‘বজ্জাত হোক, খুনে হোক, জামাইতো-বাক্যটিতে প্রকাশ পেয়েছে—
- 'মাসি-পিসি' গল্পে মাসি-পিসি দুজনেরই একমন, একপ্রাণ হওয়ার কারণ কী?
- কোন শব্দটির প্রয়োগ শুদ্ধ?
- হঠাৎ দাওয়া থেকে ছুটে এসে মুহূর্তে হালিমার চুলের গোছাটা ধরলআবুল। তারপর কোনো চিন্তা না করে সজোরে একটা লাথি বসিয়েদিল ওর তলপেটে। উহ্! মাগো বলে পেটটা চেপে ধরে মাটিতেবসে পড়ল হালিমা।উদ্দীপকের সঙ্গে 'মাসি-পিসি' গল্পের যে দিকটি সংগতিপূর্ণ—
- বজ্জাত হোক, খুনে হোক, জামাই তো।'- উক্তিটি কার?
- রূপক কর্মধারয় সমাস ???োনটি?
- 'খবরটা কী তাই কও'- কার উক্তি?
- আহ্লাদি স্বামীর বাড়ি যেতে চায় না কেন?
- ১৯৭১ সাল। পাকিস্তানি বাহিনীর অত্যাচারে দিশেহারা, পর্যুদস্ত দেশ। মাঠ-ঘাট পেরিয়ে মিলিটারি-রাজাকারের চোখ এড়িয়ে ভারতের আশ্রয় শিবিরের উদ্দেশ্যে ছুটে চলার প্রাণান্ত চেষ্টা বৃদ্ধা আদুরির। হঠাৎ খেতের মধ্যে গুলিবিদ্ধ মায়ের লাশের পাশে কান্নারত এক শিশুকে দেখে থমকে যায় আদুরি। নিঃস্ব কোলে তুলে নেয় অসহায় শিশুটিকে। আবারও ছুটতে থাকে আদুরি। শিশুটিকে যে বাঁচাতেই হবে-ভাবতে ভাবতে সুদৃঢ় হয় বৃদ্ধার পদক্ষেপ।'ভাবতে ভাবতে সুদৃঢ় হয় বৃদ্ধার পদক্ষেপ।'-এ উক্তিটি দ্বারা 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসির চারিত্রিক দৃঢ়তা ব্যাখ্যা করো।