'নিজের সবটুকু সম্বল বিক্রি করে ধুলু মিয়া মেয়ের বিয়ে দিলেন। কিন্তু শ্বশুরবাড়িটা তার জন্য সুখের হলো না। এমন অত্যাচারের শিকার হয়েছে যে শ্বশুরবাড়ির নাম শুনলেই আঁতকে ওঠে।'
উদ্দীপক ও 'মাসি-পিসি' গল্পের মূল উপজীব্য হলো-
A.
জীবিকার ধরন
B.
নির্যাতনের স্বরূপ
C.
মমত্ববোধ
D.
অসহায়তা
সঠিক উত্তরঃ
B.
নির্যাতনের স্বরূপ
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- মানিক বন্দোপাধ্যায়ের পিতৃদত্ত নাম কী?
- 'মাসি-পিসি' গল্পটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- 'রেডিওগ্রাম'-এর বাংলা প্রতিশব্দ কী?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথম গল্প অতসীমামী' লিখেছিলেনতাঁর বাড়ির গৃহকর্মীকে চরিত্র করে। এরপর থেকে তাঁরসাহিত্যে সমাজের সকল স্তরের মানুষের উপস্থাপন দেখাযায়। জেলে, শ্রমিক, যেমনি তাঁর সাহিত্যের চরিত্র,তেমনি সমাজের উঁচু শ্রেণির চরিত্রও রয়েছে। 'ঐকতান'-এর কবি উদ্দীপকের মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়েরমতো সাহিত্যিকের প্রত্যাশায় অপেক্ষমাণ। কারণ এঁরা—জনবান্ধবজীবনবাদী কর্মে ও মর্মে একনিচের কোনটি সঠিক?
- আহ্লাদিকে দেখে বুড়ো রহমানের চোখ ছলছল করে ওঠে কেন?
- বাবা-মা হারা রাইনার শেষ আশ্রয় বুড়ো দাদু। কিন্তু সমস্যা হয় বাবার রেখে যাওয়া সম্পদের কারণে, তার প্রতি শকুনের চোখ পড়ে। সম্পত্তির সবটুকু গ্রাস করেও তৃপ্তি হয় না গ্রামের মাতব্বরের ছেলের। তার লোভ জাগে রাইনার উপর। কিন্তু রাইনার দাদু এই বৃদ্ধ বয়সেই রুখে দাঁড়ায় সমস্ত অন্যায়ের বিরুদ্ধে।উদ্দীপকের মাতব্বরের ছেলে ও 'মাসি-পিসি' গল্পের গোকুল একই চরিত্রের অধিকারী- বিশ্লেষণ করো।
- দীপ শিখা গার্মেন্টসের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত হয় গার্মেন্টস কর্মী দম্পতি জলিল ও রাবেয়া। তাদের একমাত্র মেয়ে জোবাইদা অনাথ হয়ে আশ্রয় নেয় বৃদ্ধ নানা-নানির সংসারে। গরিব নানা-নানি তাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করে তাকে বিয়ে দেয় পাশের গ্রামের আকিবের সাথে। কিন্তু সুখের মুখ দেখা হলো না জোবাইদার। আকিব তাকে মারধর করে এবং সারাদিন কিছু না' খেতে দিয়ে ঘরে আটকে রাখে। স্বামীর এই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে সে আবার ফিরে আসে নানা-নানির কাছে। নানা-নানি এতে ভীষণ কষ্ট পায় তবু পরম যত্নে আগলে রাখে অসহায় জোবাইদাকে।উদ্দীপকের আকিব চরিত্রটি মাসি-পিসি' গল্পে কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- ছুটি রাণী বিধবা ও নিঃসন্তান। এ বিধবার নিকট-সম্পর্কের কেউ নেই। একদিন বাড়ির আঙিনার মন্দিরের পাশে বিশ-ঊর্ধ্ব একটি মেয়েকে কাঁদতে দেখেন। সমস্ত ঘটনা শুনে মেয়েটিকে ঘরে নিয়ে আসেন। স্বামীর নির্দয়তায় ক্ষত-বিক্ষত মেয়েটিকে মায়ের স্নেহে আশ্রয় দেন। মেয়েটির শ্বশুরবাড়ির লোক সংবাদ পেয়ে মেয়েটিকে নিয়ে যেতে চান। মেয়েটি কোনোভাবেই ফিরে যেতে রাজি নয়। ছুটি রাণীও মেয়েটিকে যেতে দেননি। এজন্য ছুটি রাণীকে সামাজিক নেতিবাচকতার মুখোমুখি হতে হয়। ছুটি রাণী মেয়েটিকে তার স্থাবর-অস্থাবর সমস্ত ধন-সম্পত্তি উইল করে দেন।উদ্দীপকে উল্লিখিত মেয়েটি 'মাসি-পিসি' গল্পের 'আহ্লাদি'র সাথে কীভাবে সংগতিপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- 'মাসি-পিসি' গল্পটির লেখক কে?
- হঠাৎ দাওয়া থেকে ছুটে এসে মুহূর্তে হালিমার চুলের গোছাটা ধরলআবুল। তারপর কোনো চিন্তা না করে সজোরে একটা লাথি বসিয়েদিল ওর তলপেটে। উহ্! মাগো বলে পেটটা চেপে ধরে মাটিতেবসে পড়ল হালিমা।উদ্দীপকের সঙ্গে 'মাসি-পিসি' গল্পের যে দিকটি সংগতিপূর্ণ—
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃপ্রদত্ত নাম কী?
- নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি?
- 'মাসি-পিসি' গল্পটি কোন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিতহয়?
- যে শক্তির দ্বারা মাসি-পিসি আহ্লাদিকে প্রতিকূলপরিবেশ থেকে বাঁচাতে সক্ষম হয়েছিল তা হচ্ছে—সাহসঐক্যগায়ের জোরনিচের কোনটি সঠিক?
- কোনটির অর্থবাচকতা নাই কিন্তু অর্থদ্যোতকতা আছে?
- 'নিজেকে তার ছ্যাচড়া, নোংরা, নর্দমার মতোলাগে।'- কার সম্পর্কে বলা হয়েছে?
- 'মাসি-পিসি' গল্পে মাসি ও পিসির একদেহ একমনহয়ে যাওয়ার কারণ কোনটি?দুজনই বিধবাআহ্লাদিকে দেখাশোনানিজেদের বেঁচে থাকার সংগ্রাম নিচের কোনটি সঠিক?
- কোন শব্দটির পুরুষবাচক রূপ নেই?
- হিরন্ময়ীর স্বামী যখন মারা যায় তখন তার মেয়ে লতার বয়স মাত্র দুই বছর। একদিকে অর্থকষ্ট, অপরদিকে বদলোকের কুদৃষ্টি। তবু দমে যায়নি হিরন্ময়ী। মানুষের বাড়িতে কাজ। করে, খেয়ে না খেয়ে মেয়েটাকে বড় করে সে। একসময় মেয়ের বিয়েও দেয়। কিন্তু বছর না যেতেই অত্যাচারী স্বামীর সাথে তার সম্পর্ক ছিন্ন হয়। লতা তার মায়ের কাছে ফিরে আসে। এবার পুরু হয় মা-মেয়ের বেঁচে থাকার সংগ্রাম। বাড়ির আশেপাশে শাক-সবজি চাষ করে, বাড়িতে হাঁস-মুরগি পালন করে, পরের বাড়িতে ধান ভেনে, কাঁথা সেলাই করে তারা স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করে। তারা মনে করে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকার মধ্যে গৌরব আছে, কাজ করে জীবন নির্বাহ করার মধ্যে সম্মান আছে। তারা যেকোনো অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য প্রস্তুত থাকে।"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসি এবং উদ্দীপকের হিরন্ময়ী ও লতা- তারা সবাই জীবন-সংগ্রামের বলিষ্ঠ চেতনায় উদ্বুদ্ধ।"- বিশ্লেষণ কর।
- তারাপুর গ্রামের মেয়ে রাবেয়া। শ্বশুরবাড়ির নির্যাতন সইতেনা পেরে ফুফু সলিমা বেগমের কাছে পালিয়ে আসে । গ্রামেরমাতব্বর নারীলোভী জয়নালের কুদৃষ্টি পড়ে রাবেয়ার ওপর।কিন্তু সলিমা বেগম জননী সাহসিকা। তিনি দৃঢ়প্রত্যয়ী মা-পাখির মতো আগলে রাখেন অনাথ ভাইঝি রাবেয়াকে। উদ্দীপকে 'মাসি-পিসি' গল্পের কোন দিকটির প্রতিফলনঘটেছে?