তারাপুর গ্রামের মেয়ে রাবেয়া। শ্বশুরবাড়ির নির্যাতন সইতে
না পেরে ফুফু সলিমা বেগমের কাছে পালিয়ে আসে । গ্রামের
মাতব্বর নারীলোভী জয়নালের কুদৃষ্টি পড়ে রাবেয়ার ওপর।
কিন্তু সলিমা বেগম জননী সাহসিকা। তিনি দৃঢ়প্রত্যয়ী মা-
পাখির মতো আগলে রাখেন অনাথ ভাইঝি রাবেয়াকে।
উদ্দীপকে 'মাসি-পিসি' গল্পের কোন দিকটির প্রতিফলন
ঘটেছে?
A.
নারীর সহনশীলতা
B.
পুরুষের লালসা
C.
পণপ্রথা
D.
জীবনসংগ্রাম
সঠিক উত্তরঃ
B.
পুরুষের লালসা
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'মাসি-পিসি' গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয় কোন পত্রিকায়?
- কোন শব্দটির প্রয়োগ শুদ্ধ?
- পুরুষবাচক শব্দ কোনটি?
- কারণে-অকারণে বউকে প্রহার করা তাহেরের অভ্যাস।নির্যাতন সইতে না পেরে তার বউ অবশেষে আত্মহত্যা করে।তাহের পুনরায় বিয়ে করে এবং আবারও স্ত্রীর ওপর অত্যাচারশুরু করে।উদ্দীপক ও 'মাসি-পিসি' গল্পের সাদৃশ্যপূর্ণ দিক হলো-
- বাংলা ভাষায় খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা :
- বিয়ের কয়েক বছরের মাথায় স্বামী মারা গেলে দুই সন্তান নিয়ে অকুল পাথারে পড়েন কুলসুম বিবি। তবে তিনি দিশেহারা না হয়ে সরকারি 'জয়িতা নারী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র' থেকে সেলাই মেশিন নিয়ে জীবনযুদ্ধে নেমে পড়েন। উদ্দীপকের কুলসুম বিবির সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের কোন চরিত্রের বৈপরীত্য রয়েছে- মাসি পিসি জগু
- আমি, তুমি ও সে - আমরা ---- এটি কোন সমাসের উদাহরণ?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কত বছর বেঁচেছিলেন?
- "নিজেকে তার ছ্যাঁচড়া, নোংরা, নর্দমার মতো লাগে"- কার, কেন?
- রূপক কর্মধারয় সমাস ???োনটি?
- সালমার বাবা হঠাৎ মারা যাওয়ায় তার মা অসহায় হয়ে পড়ে। একদিকে অর্থকষ্ট,অন্যদিকে ষোলো বছর বয়সী সালমার সামাজিক নিরাপত্তা, সব মিলিয়ে সালমার মা দিশেহারা হয়ে পড়ে। এই অবস্থায় সালমার বিধবা খালা তাদের বাড়িতে এসে সালমার দেখাশুনার ভার নেয়। সালমার মা-খালা অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে নিজেদের খাওয়া পরা চালায়। এভাবেই তারা জীবনের সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকার চেষ্টা করে।উদ্দীপকের উপার্জনের পথ 'মাসি-পিসি' গল্পে মাসি-পিসির উপার্জনের পথ থেকে ভিন্নতর কেন?
- 'মাসি-পিসি' গল্পটির লেখক কে?
- বাবা-মা হারা রাইনার শেষ আশ্রয় বুড়ো দাদু। কিন্তু সমস্যা হয় বাবার রেখে যাওয়া সম্পদের কারণে, তার প্রতি শকুনের চোখ পড়ে। সম্পত্তির সবটুকু গ্রাস করেও তৃপ্তি হয় না গ্রামের মাতব্বরের ছেলের। তার লোভ জাগে রাইনার উপর। কিন্তু রাইনার দাদু এই বৃদ্ধ বয়সেই রুখে দাঁড়ায় সমস্ত অন্যায়ের বিরুদ্ধে।উদ্দীপকের মাতব্বরের ছেলে ও 'মাসি-পিসি' গল্পের গোকুল একই চরিত্রের অধিকারী- বিশ্লেষণ করো।
- হাতে দুটো পয়সা এলে কার স্বভাব বদলে যায়?
- ’উৎ’ উপসর্গটি কোন শব্দে ভিন্নার্থে প্রযুক্ত?
- 'মাঝখানে গুটিসুটি হয়ে বসে আছে অল্পবয়সি একটিবৌ'– বৌটি কে?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
- নাসির সাহেব তাঁর যাবতীয় সম্পদ বন্ধক রেখে একমাত্র মেয়েকে বিয়ে দেন। টাকার লোভে জামাই মেয়েটির উপর অমানবিক নির্যাতন চালায়।উদ্দীপকে 'মাসি-পিসি' গল্পের যে দিকটি দৃশ্যমান-
- ক্ষ্রুদ্রার্তে 'ইকা' প্রত্যয়যোগে গঠিত?
- মিনার বাবা হঠাৎ মারা যাওয়ায় তার মা রানু তাকে নিয়ে অসহায় হয়ে পড়ে। সে তার স্বামীর রেখে যাওয়া সামান্য কৃষিজমিতে উৎপন্ন ফসল বিক্রি করে যা আয় করে তাতে মিনার লেখাপড়ার খরচ চালাতে পারে না। তাই অন্যের বাড়িতে ধান ভানা, মাড়াই দেওয়া ও গৃহপরিচারিকার কাজ করে মিনার লেখাপড়া ও সংসারের খরচ চালিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ বাধা হয়ে দাঁড়াল মিনার বয়স। ষোড়শী মিনাকে গ্রাম্য মোড়লের কুদৃষ্টি থেকে রক্ষার জন্য সে তাকে বিয়ে দিলো। কিন্তু অর্থলোভী ও স্বার্থান্ধ পরিবারে মিনার ঠাঁই হলো না। সে মায়ের কাছে চলে এলো। শুরু হলো মা-মেয়ের নতুন করে বেঁচে থাকার লড়াই। 'বেঁচে থাকার লড়াই'- কথাটি উদ্দীপক ও 'মাসি-পিসি' গল্পের আঙ্গিকে ব্যাখ্যা করো।
- বেতনভাতাদি বৃদ্ধির জন্য গোমতি গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের শ্রমিকরা আন্দোলন শুরু করলে পুলিশতাদের কয়েকজনকে আটক করে। আটককৃত শ্রমিকরা তাদের মুক্তির দাবিতে অনশন ধর্মঘট শুরু করে। কারা কর্তৃপক্ষ নিজেদের নির্দোষ প্রমাণের জন্য নাকে নল ঢুকিয়ে খাবার সরবরাহ করে অনশনকারীদের।উদ্দীপকের সঙ্গে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় কোন কোন দিক সাদৃশ্যপূর্ণ?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচনায় দুজন দার্শনিকের ভাবনার প্রতিফলন আছে?
- 'চায়ের দোকান না কীসের দোকান তা বুঝিছি কৈলাশ'- কথাটি দ্বারা যা বোঝানো হয়েছে-দোকানটি আসলে চায়ের দোকান ছিল নাদোকানটি ছিল নেশাজাতীয় দ্রব্যেরদোকানটি ছিল মনোহর জিনিসেরনিচের কোনটি সঠিক?
- হিরন্ময়ীর স্বামী যখন মারা যায় তখন তার মেয়ে লতার বয়স মাত্র দুই বছর। একদিকে অর্থকষ্ট, অপরদিকে বদলোকের কুদৃষ্টি। তবু দমে যায়নি হিরন্ময়ী। মানুষের বাড়িতে কাজ। করে, খেয়ে না খেয়ে মেয়েটাকে বড় করে সে। একসময় মেয়ের বিয়েও দেয়। কিন্তু বছর না যেতেই অত্যাচারী স্বামীর সাথে তার সম্পর্ক ছিন্ন হয়। লতা তার মায়ের কাছে ফিরে আসে। এবার পুরু হয় মা-মেয়ের বেঁচে থাকার সংগ্রাম। বাড়ির আশেপাশে শাক-সবজি চাষ করে, বাড়িতে হাঁস-মুরগি পালন করে, পরের বাড়িতে ধান ভেনে, কাঁথা সেলাই করে তারা স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করে। তারা মনে করে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকার মধ্যে গৌরব আছে, কাজ করে জীবন নির্বাহ করার মধ্যে সম্মান আছে। তারা যেকোনো অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য প্রস্তুত থাকে।"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসি এবং উদ্দীপকের হিরন্ময়ী ও লতা- তারা সবাই জীবন-সংগ্রামের বলিষ্ঠ চেতনায় উদ্বুদ্ধ।"- বিশ্লেষণ কর।
- আহ্লাদিকে জণ্ডর কাছে পাঠাতে মাসি-পিসি কেন চায়নি?
- 'সজাগ রইতে হবে রাতটা'।- 'মাসি-পিসি' গল্পে এই উক্তিটি কার?
- আমিই সেই মেয়ে।বাসে ট্রেনে রাস্তায় আপনি যাকে রোজ দেখেন।যার শাড়ি, কপালের টিপ, কানের দুল আর পায়ের গোড়ালিআপনি রোজ দেখেন। আরআরও অনেক কিছু দেখতে পাবার স্বপ্ন দেখেন।স্বপ্নে যাকে ইচ্ছে মতন দেখেন।"উদ্দীপকটি 'মাসি-পিসি' গল্পের আংশিক রূপায়ণ।"- উক্তিটির যথার্থতা বর্ণনা কর।
- 'বন্য' কোন ধরনের শব্দ।,,
- মাসি ও পিসি কেন কাছারি যেতে রাজি হয়নি?
- 'সব বিরোধ সব পার্থক্য উড়ে গিয়ে দুজনের হয়ে গেল একমন, একপ্রাণ'- ব্যাখ্যা করো।
- মাসি-পিসি কাঁথা-কম্বল ভিজিয়ে রাখে—
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃদত্ত নাম কী?
- শব্দ ও পদের মধ্যে পার্থক্য কীসে
- 'মাসি-পিসি' গল্পে কার মাথায় ফেটিবাঁধা বাবরি চুল ছিল?
- 'নিজের সবটুকু সম্বল বিক্রি করে ধুলু মিয়া মেয়ের বিয়ে দিলেন। কিন্তু শ্বশুরবাড়িটা তার জন্য সুখের হলো না। এমন অত্যাচারের শিকার হয়েছে যে শ্বশুরবাড়ির নাম শুনলেই আঁতকে ওঠে।'উদ্দীপক ও 'মাসি-পিসি' গল্পের মূল উপজীব্য হলো-
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?
- আহ্লাদি স্বামীর বাড়ি যেতে চায় না কেন?
- ট্রেনে উঠেই বুড়ো লোকটাকে দেখলাম। সে আমারদিকে তাকালো করুণ দৃষ্টিতে। জানি না, আমারমতো তার একটা ছেলে ছিল কি না।উদ্দীপকের মধ্যে যে ভাবটি প্রকাশ পেয়েছে'মাসি-পিসি' গল্পের আলোকে এ ভাবকে বলাযায়—পিতার ভালোবাসাসন্তান বাৎসল্যহারানোর যন্ত্রণানিচের কোনটি সঠিক?
- প্রাগৈতিহাসিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি-----