‘প্রাগৌতিহসিক’ গল্পটি কার রচনা?
A. তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়
B. বিভূতিভুষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
C. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
D. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
সঠিক উত্তরঃ
C.
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'জেলে নয় গেলাম কৈলেশ'- উক্তিটি কার?
- "শুনি রাজা কহে, “বাপু, জান তো হে, করেছি বাগানখানাপেলে দুই বিঘে প্রস্থে ও দীঘে সমান হইবে টানা ওটাদিতে হবে।" উদ্দীপকে 'মাসি-পিসি' গল্পের কোন দিকটি প্রকাশ পেয়েছে?
- বেতনভাতাদি বৃদ্ধির জন্য গোমতি গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের শ্রমিকরা আন্দোলন শুরু করলে পুলিশতাদের কয়েকজনকে আটক করে। আটককৃত শ্রমিকরা তাদের মুক্তির দাবিতে অনশন ধর্মঘট শুরু করে। কারা কর্তৃপক্ষ নিজেদের নির্দোষ প্রমাণের জন্য নাকে নল ঢুকিয়ে খাবার সরবরাহ করে অনশনকারীদের।"উদ্দীপক ও 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় অস্তিত্ব সংগ্রামের লড়াই।" উদ্দীপক ও তোমার পঠিত রচনা অবলম্বনে কথাটির বিচার করো।
- রহিমার স্বামীর নির্যাতন সইতে না পেরে বিধবা ফুফু রাহেলাবেগমের নিকট চলে আসে। গ্রামের মাতব্বরের ছেলেজগলুর কুদৃষ্টি পড়ে তার ওপর। দৃঢ় প্রত্যয়ী রাহেলা বেগমমা-পাখির মতো আগলে রাখে অনাথ রহিমাকে।উদ্দীপকটিতে 'মাসি-পিসি' গল্পের কোন দিকেরপ্রতিফলন ঘটেছে?
- দারিদ্র্যের সাথে সংগ্রাম করে অনেক কষ্টে ভাই-ঝিকে বিয়ে দেন কাকা। অভাগী প্রতিমা শ্বশুরবাড়িতেও সুখের নাগাল পায় না। কারণ তার কাকার কাছ থেকে যৌতুকের টাকা আনার জন্য স্বামী-শাশুড়ি প্রতিনিয়ত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায়। এমনকি অন্তঃসত্ত্বা জেনেও তার স্বামী একদিন মারধর করে তাকে অজ্ঞান করে ফেলে। যখন জ্ঞান ফিরে আসে, প্রতিমা কোনোরকমে পালিয়ে কাকা-কাকীর কাছে চলে আসে। ভাইঝি'র এমন পরিস্থিতি বিবেচনা করে কাকা-কাকী সিদ্ধান্ত নেয় অমন শ্বশুরবাড়িতে তাকে পাঠাবে না তারা। বাপ-মা মরা অভাগী মেয়ে প্রতিমা দরিদ্র কাকা-কাকীর কাছে বড় হয়েছে।"অর্থলিপ্সা মানুষকে পরিপূর্ণ পশু করে তোলে- উদ্দীপকে ও 'মাসি-পিসি' গল্পে এ সত্যটি সন্দেহাতীতভাবে প্রকাশিত হয়েছে"- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।
- শৈশবে বাবা-মাকে হারিয়ে এক চাচার আশ্রয়ে থাকা আসমার জীবনে ঘটে যায় বাল্যবিবাহ। স্বামীর ঘরে অত্যাচার-নির্যাতন, পরে তালাক। চাচার সহযোগিতা না পেলেও দমে যায়নি সে। টিউশন করে লেখাপড়া চালিয়ে যায় সে। অদম্য ইচ্ছাশক্তির জোরে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় লাভ করে ভালো ফল। আসমা এখন মেডিকেল কলেজের শেষ বর্ষের ছাত্রী।"উদ্দীপকের আসমা এবং 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদি উভয়েই নির্যাতিত নারী সমাজের প্রতিনিধি।"- আলোচনা করো।
- নিজেকে তার হ্যাঁচড়া, নোংরা, নর্দমার মতো লাগে।'- আহ্লাদির মনে এমন অনুভূতি সৃষ্টির কারণ-
- জহির রায়হানের 'হাজার বছর ধরে' উপন্যাসের গ্রামীণযুবক আবুল বউ পিটিয়ে আনন্দ উপভোগ করে‘মাসি-পিসি' গল্পের উক্ত চরিত্রের সাথে উদ্দীপকেরআবুলের সাদৃশ্য কোথায়?
- এইখানে তোর বুজির কবর, পরীর মতন মেয়ে, বিয়ে দিয়েছিনু কাজিদের বাড়ি বনিয়াদি ঘর পেয়ে।এত আদরের বুজিরে তাহারা ভালোবাসিত না মোটে,হাতেতে যদিও না মারিত তারে শত যে মারিত, ঠোঁটে।উদ্দীপকে 'মাসি-পিসি' গল্পের মূলভাব কতটুকু প্রতিফলিত হয়েছে? তোমার মতামত দাও।
- 'সালতি' কী?
- 'মাসি-পিসি' গল্পে দুই বিধবার চরিত্রে মিল কিসে?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কত বছর বেঁচেছিলেন?
- দশম শ্রেণির ছাত্রী আসমা এক দরিদ্র পিতার সন্তান। গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তি গওহর মণ্ডল জোরপূর্বক আসমাকে পুত্রবধু বানাতে চায়। হুমকি দেয় তুলে নিয়ে যাওয়ার। এই, পরিস্থিতিতে আসমার বান্ধবীরা পাশে এসে দাঁড়ায়। মন্ডলের বখাটে ছেলের হাতে পড়ে মেধাবী ছাত্রী আসমার লেখাপড়া ধ্বংস হোক তারা চায় না। বান্ধবীরা বিষয়টি স্থায়ীয় সাংবাদিক ও কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তিকে জানায়। তারা দলবেধে স্কুলে যায় এবং পালা করে আসমার বাড়ি পাহারা দেয়। এতে দমে যায় গওহর মণ্ডল। জয় হয় সম্মিলিত প্রতিরোধের।উদ্দীপকের গওহর মণ্ডল 'মাসি-পিসি' গল্পের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দেখাও।
- ‘পদ্মানদীর মাঝি’ কার লেখা?
- মাসি-পিসি' গল্পের বৈচিত্র্যময় দিক হলো-দুর্ভিক্ষের মর্মস্পর্শী স্মৃতিপ্রকৃতির প্রতি নিবিড়তা মানবিক জীবনসংগ্রাম নিচের কোনটি সঠিক?
- গার্ড: রেলের প্ল্যাটফর্মে ঘুমিয়ে পরিবেশ নোংরা করছকেন? সরে যাও, না হয় জেলে পাঠাব।সবুরা: 'জেলেরে ভয়ে পাই না, ছেলেমেয়ে সবসহ নিয়েযাও। ওখানে দুমুঠ খেতে দিবা। আগে বাঁচি, তারপর দেখব সুন্দর।উদ্দীপকের সবুরার মধ্যে রয়েছে মাসি-পিসি' গল্পেরমাসি-পিসির —দুঃসাহসিকতাতেজবাকপটুতানিচের কোনটি সঠিক?
- ‘কাগজ’ এর বহুবচন -
- বিয়ের কয়েক বছরের মাথায় স্বামী মারা গেলে দুই সন্তান নিয়ে অকুল পাথারে পড়েন কুলসুম বিবি। তবে তিনি দিশেহারা না হয়ে সরকারি 'জয়িতা নারী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র' থেকে সেলাই মেশিন নিয়ে জীবনযুদ্ধে নেমে পড়েন।উদ্দীপকে টিকে থাকার গল্প 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসি চরিত্রের মধ্য দিয়ে যেভাবে ফুটে উঠেছে- জীবন সংগ্রামদৃঢ়তা প্রতিবাদ নিচের কোনটি সঠিক?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃদত্ত নাম কী?
- "মরণ ঠেকাতেই ফুরিয়ে আসছে তাদের জীবনীশক্তি"। উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
- 'সজাগ রইতে হবে রাতটা'।- 'মাসি-পিসি' গল্পে এই উক্তিটি কার?
- 'প্রাগৈতিহাসিক' মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোন ধরনের রচনা?
- সাদৃশ্য বিবেচনায় কোনটি সঠিক নয়?
- 'মাসি-পিসি' গল্পটি কোন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিতহয়?
- বিদেশী ধাতু কোনটি?
- 'মাসি-পিসি' গল্পে অল্পদিন আগে কার মেয়েটা শ্বশুরবাড়িতে মরেছে?
- 'নিজেকে তার ছ্যাচড়া, নোংরা, নর্দমার মতোলাগে।'- কার সম্পর্কে বলা হয়েছে?
- আহ্লাদি কত মাসের গর্ভবতী ছিল?
- 'প্রাগৈতিহাসিক' গল্পটির রচয়িতা কে?
- সাফিয়ার বাবা একজন দরিদ্র দিনমজুর। অনেক ধার-দেনা করে তিনি মেয়েকে বিয়ে দেন। ভাগ্যের নির্মমতায় বিয়ের পরেই সাফিয়ার জীবনে নেমে আসে ঘোর অন্ধকার। পাঁচ লক্ষ টাকা যৌতুকের দাবিতে সাফিয়াকে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন নির্যাতন করে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। অসহায় সাফিয়ার পরিবার শ্বশুরবাড়িতে সাফিয়া মিলেমিশে থাকতে না পারার দরুন তাকে উলটা ভর্ৎসনা করে। মনের কষ্টে সাফিয়া সব কিছু ছেড়ে ঢাকায় গিয়ে গার্মেন্টসে চাকরি নেয়।উদ্দীপকের সাফিয়া 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির সাথে কোন দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- 'মাসি-পিসি' গল্পে আহ্লাদির বাবা কী রোগে মারাগিয়েছিল?
- বজ্জাত হোক খুনে হোক জামাই তো'। 'মাসি-পিসি' গল্পে এ বাক্যটিতে প্রকাশ পেয়েছে-
- ট্রেনে উঠেই বুড়ো লোকটাকে দেখলাম। সে আমারদিকে তাকালো করুণ দৃষ্টিতে। জানি না, আমারমতো তার একটা ছেলে ছিল কি না।উদ্দীপকের বুড়ো লোকটার সাথে 'মাসি-পিসি'গল্পের কোন চরিত্রটি সমতা সৃষ্টি করে?
- সাম্যের গান গাই-আমার চক্ষে পুরুষ রমণী কোন ভেদাভেদ নাই।বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি চিরকল্যাণকর,অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।উদ্দীপকের সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের সাদৃশ্য দেখাও।
- 'বুড়ো রহমান ছলছল চোখে তাকায় আহ্লাদির দিকে।'- কেন? বুঝিয়ে দাও।
- 'যুদ্ধের আয়োজন করে তৈরি হয়ে থাকে মাসি-পিসি- কেন?
- 'প্রাগৈতিহাসিক' গল্পটির রচয়িতা কে?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃপ্রদত্ত নাম-
- 'অতি সন্তর্পণে তারা বিছানা ছেড়ে ওঠে।' কাদের সম্পর্কে এবং কেন বলা হয়েছে?
- 'রেডিওগ্রাম'-এর বাংলা প্রতিশব্দ কী?