'মাসি-পিসি' গল্পে আহ্লাদির বাবা কী রোগে মারা
গিয়েছিল?
A.
প্লেগ
B.
যক্ষ্মা
C.
বসন্ত
D.
কলেরা
সঠিক উত্তরঃ
D.
কলেরা
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'বুড়ো রহমান ছলছল চোখে তাকায় আহ্লাদির দিকে।'- কেন? বুঝিয়ে দাও।
- 'যুদ্ধের আয়োজন করে তৈরী হয়ে থাকে মাসি-পিসি'- কাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের কথা বলা হয়েছে?
- 'প্রাগৈতিহাসিক' গল্পটির রচয়িতা কে?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম গল্প ‘অতসীমামী’ কত বছর বয়সে রচনা?
- 'দুর ছাই সয়ে আর কুড়িয়ে পেতে খেয়ে।' এর মানে-
- "মরণ ঠেকাতেই ফুরিয়ে আসছে তাদের জীবনীশক্তি"। উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
- যে শক্তির দ্বারা মাসি-পিসি আহ্লাদিকে প্রতিকূলপরিবেশ থেকে বাঁচাতে সক্ষম হয়েছিল তা হচ্ছে—সাহসঐক্যগায়ের জোরনিচের কোনটি সঠিক?
- মাসির দাম্পত্য জীবনের ক্ষেত্রে কোন তথ্যটি ঠিক?মাসির স্বামী ভালো ছিলমাসির স্বামী মদ্যপ ছিলমাসির শাশুড়ি-ননদ বাঘ ছিলনিচের কোনটি সঠিক?
- গার্ড: রেলের প্ল্যাটফর্মে ঘুমিয়ে পরিবেশ নোংরা করছকেন? সরে যাও, না হয় জেলে পাঠাব।সবুরা: 'জেলেরে ভয়ে পাই না, ছেলেমেয়ে সবসহ নিয়েযাও। ওখানে দুমুঠ খেতে দিবা। আগে বাঁচি, তারপর দেখব সুন্দর।উদ্দীপকের সবুরার মধ্যে রয়েছে মাসি-পিসি' গল্পেরমাসি-পিসির —দুঃসাহসিকতাতেজবাকপটুতানিচের কোনটি সঠিক?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃপ্রদত্ত নাম কী?
- 'জেলে নয় গেলাম কৈলেশ'- উক্তিটি কার?
- আহ্লাদিকে দেখে বুড়ো রহমানের চোখ ছলছল করে ওঠে কেন?
- হঠাৎ দাওয়া থেকে ছুটে এসে মুহূর্তে হালিমার চুলের গোছাটা ধরলআবুল। তারপর কোনো চিন্তা না করে সজোরে একটা লাথি বসিয়েদিল ওর তলপেটে। উহ্! মাগো বলে পেটটা চেপে ধরে মাটিতেবসে পড়ল হালিমা।উদ্দীপকের সঙ্গে 'মাসি-পিসি' গল্পের যে দিকটি সংগতিপূর্ণ—
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'মাসি-পিসি' গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয় কোন পত্রিকায়?
- ট্রেনে উঠেই বুড়ো লোকটাকে দেখলাম। সে আমারদিকে তাকালো করুণ দৃষ্টিতে। জানি না, আমারমতো তার একটা ছেলে ছিল কি না।উদ্দীপকের মধ্যে যে ভাবটি প্রকাশ পেয়েছে'মাসি-পিসি' গল্পের আলোকে এ ভাবকে বলাযায়—পিতার ভালোবাসাসন্তান বাৎসল্যহারানোর যন্ত্রণানিচের কোনটি সঠিক?
- উপাচার্য' শব্দটি কোন সমাসসাধিত?
- 'টেকসই' শব্দের 'সই' কোন ধরনের প্রত্যয়?
- ‘প্রেম’ শব্দটির প্রকৃতি ও প্রত্যয়-
- বকুল যখন স্বামীহারা হয় তখন তার মেয়ে পারুলের বয়স দুই বছর। একদিকে অর্থকষ্ট, অপরদিকে বদলোকের কুদৃষ্টি। লোকের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে, খেয়ে না খেয়ে মেয়েটাকে বড় করে বকুল। একসময় মেয়ের বিয়েও দেয়। কিন্তু বছর না ঘুরতেই অত্যাচারী স্বামীর সাথে সম্পর্ক ছেধ করে মায়ের কাছে ফিরে আসে পারুল। সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার জন্য মেয়ে পারুল হয় বকুলের অবলম্বন। মায়ের জীবন-সংগ্রাম দেখে বড় হওয়া পারুল মায়ের চেয়ে সাহসী এবং আত্মমর্যাদাশীল। বাড়ির পাশে শাক-সবজি চাষ করে, ঘরে হাস-মুরগি পালন করে, ধান ভেনে, কাঁথা সেলাই করে স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করে মা ও মেয়ে। যে কোনো অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে জীবন বলি রাখার দৃঢ় প্রত্যয় বকুল ও পারুলের চাল চলনে।"উদ্দীপকটি অধিকাংশ ক্ষেত্রে 'মাসি-পিসি' গল্পের বক্তব্য ধারণ করে- তোমার মতামত দাও।
- মাসি-পিসি সন্তর্পণে বিছানা ছাড়ে কেন?