নাসির সাহেব তাঁর যাবতীয় সম্পদ বন্ধক রেখে একমাত্র মেয়েকে বিয়ে দেন। টাকার লোভে জামাই মেয়েটির উপর অমানবিক নির্যাতন চালায়।
উদ্দীপকের মেয়েটি ও 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির উক্ত দিকটির মূলে রয়েছে-
- পুরুষতান্ত্রিকতা
- সামাজিক অনাচার
- প্রথা
নিচের কোনটি সঠিক?
A.
i ও ii
B.
i ও iii
C.
ii ও iii
D.
i, ii ও iii
সঠিক উত্তরঃ
A.
i ও ii
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'বুড়ো রহমান ছলছল চোখে তাকায় আহ্লাদির দিকে।' ব্যাখ্যা করো।
- 'মাসি-পিসি' গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয় কোন পত্রিকায়?
- সালমার বাবা হঠাৎ মারা যাওয়ায় তার মা অসহায় হয়ে পড়ে। একদিকে অর্থকষ্ট,অন্যদিকে ষোলো বছর বয়সী সালমার সামাজিক নিরাপত্তা, সব মিলিয়ে সালমার মা দিশেহারা হয়ে পড়ে। এই অবস্থায় সালমার বিধবা খালা তাদের বাড়িতে এসে সালমার দেখাশুনার ভার নেয়। সালমার মা-খালা অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে নিজেদের খাওয়া পরা চালায়। এভাবেই তারা জীবনের সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকার চেষ্টা করে।উদ্দীপকের নারীর যে সংগ্রামী চিত্র তুলে ধরা হয়েছে, তা যেন 'মাসি-পিসি গল্পের মূল ভাবকে ইঙ্গিত করে।- মূল্যায়ন করো।
- রহিমার স্বামীর নির্যাতন সইতে না পেরে বিধবা ফুফু রাহেলাবেগমের নিকট চলে আসে। গ্রামের মাতব্বরের ছেলেজগলুর কুদৃষ্টি পড়ে তার ওপর। দৃঢ় প্রত্যয়ী রাহেলা বেগমমা-পাখির মতো আগলে রাখে অনাথ রহিমাকে।রাহেলা বেগম 'মাসি-পিসি' গল্পের কার প্রতিনিধিত্বকরছেন?
- মাসি-পিসি সন্তর্পণে বিছানা ছাড়ে কেন?
- সাফিয়ার বাবা একজন দরিদ্র দিনমজুর। অনেক ধার-দেনা করে তিনি মেয়েকে বিয়ে দেন। ভাগ্যের নির্মমতায় বিয়ের পরেই সাফিয়ার জীবনে নেমে আসে ঘোর অন্ধকার। পাঁচ লক্ষ টাকা যৌতুকের দাবিতে সাফিয়াকে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন নির্যাতন করে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। অসহায় সাফিয়ার পরিবার শ্বশুরবাড়িতে সাফিয়া মিলেমিশে থাকতে না পারার দরুন তাকে উলটা ভর্ৎসনা করে। মনের কষ্টে সাফিয়া সব কিছু ছেড়ে ঢাকায় গিয়ে গার্মেন্টসে চাকরি নেয়।উদ্দীপকের সাফিয়া 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির সাথে কোন দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- 'মাসি-পিসি' গল্পে আহ্লাদির বাবা কী রোগে মারাগিয়েছিল?
- 'জেলে নয় গেলাম কৈলেশ'- উক্তিটি কার?
- সালমার বাবা হঠাৎ মারা যাওয়ায় তার মা অসহায় হয়ে পড়ে। একদিকে অর্থকষ্ট,অন্যদিকে ষোলো বছর বয়সী সালমার সামাজিক নিরাপত্তা, সব মিলিয়ে সালমার মা দিশেহারা হয়ে পড়ে। এই অবস্থায় সালমার বিধবা খালা তাদের বাড়িতে এসে সালমার দেখাশুনার ভার নেয়। সালমার মা-খালা অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে নিজেদের খাওয়া পরা চালায়। এভাবেই তারা জীবনের সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকার চেষ্টা করে।উদ্দীপকের উপার্জনের পথ 'মাসি-পিসি' গল্পে মাসি-পিসির উপার্জনের পথ থেকে ভিন্নতর কেন?
- নিজের সহায়সম্পদ না থাকলেও অকালপ্রয়াত বড়ো বোনের মেয়ে মিনাকে সযত্নে আগলে রাখে রাহেলা। অন্যের বাসায় কাজ করে রাহেলা মিনার ভরণপোষণের ব্যবস্থা করে। মিনার নিরাপত্তার কথা ভেবে রাহেলা মিনাকে সঙ্গে নিয়ে অন্যের বাসায় কাজ করতে যায়।উদ্দীপকটি 'মাসি-পিসি' গল্পের সমগ্র ভাবা ধারণ করতে পেরেছে কি? তোমার মতামতসহ আলোচনা করো।
- 'চায়ের দোকান না কীসের দোকান তা বুঝিছি কৈলাশ'- কথাটি দ্বারা যা বোঝানো হয়েছে-দোকানটি আসলে চায়ের দোকান ছিল নাদোকানটি ছিল নেশাজাতীয় দ্রব্যেরদোকানটি ছিল মনোহর জিনিসেরনিচের কোনটি সঠিক?
- 'সালতি' কী?
- 'ওসব একরকম ছেড়ে দিয়েছে জগু '– এখানে 'ওসব’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'জগু আর সেই জগু নেই'— বলতে জগু চরিত্রেরকোনটিকে বোঝানো হয়েছে?
- বিপদে পড়লে ঘাবরে না গিয়ে বুদ্ধিমত্তার সাথে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা উচিত। 'মাসি-পিসি' গল্পের কোন উক্তিটিতে এ বিষয়টি ফুটে ওঠে?
- মিনার বাবা হঠাৎ মারা যাওয়ায় তার মা রানু তাকে নিয়ে অসহায় হয়ে পড়ে। সে তার স্বামীর রেখে যাওয়া সামান্য কৃষিজমিতে উৎপন্ন ফসল বিক্রি করে যা আয় করে তাতে মিনার লেখাপড়ার খরচ চালাতে পারে না। তাই অন্যের বাড়িতে ধান ভানা, মাড়াই দেওয়া ও গৃহপরিচারিকার কাজ করে মিনার লেখাপড়া ও সংসারের খরচ চালিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ বাধা হয়ে দাঁড়াল মিনার বয়স। ষোড়শী মিনাকে গ্রাম্য মোড়লের কুদৃষ্টি থেকে রক্ষার জন্য সে তাকে বিয়ে দিলো। কিন্তু অর্থলোভী ও স্বার্থান্ধ পরিবারে মিনার ঠাঁই হলো না। সে মায়ের কাছে চলে এলো। শুরু হলো মা-মেয়ের নতুন করে বেঁচে থাকার লড়াই। 'বেঁচে থাকার লড়াই'- কথাটি উদ্দীপক ও 'মাসি-পিসি' গল্পের আঙ্গিকে ব্যাখ্যা করো।
- ‘দুজনে মিলে কাজ করছে যেন একজন করছে।' -- উক্তিটি দিয়ে বোঝানো হয়েছে মাসি-পিসির-
- নিজের সহায়সম্পদ না থাকলেও অকালপ্রয়াত বড়ো বোনের মেয়ে মিনাকে সযত্নে আগলে রাখে রাহেলা। অন্যের বাসায় কাজ করে রাহেলা মিনার ভরণপোষণের ব্যবস্থা করে। মিনার নিরাপত্তার কথা ভেবে রাহেলা মিনাকে সঙ্গে নিয়ে অন্যের বাসায় কাজ করতে যায়।উদ্দীপকে 'মাসি-পিসি' গল্পের কোন প্রসঙ্গটি উঠে এসেছে? আলোচনা করো।
- কলেরায় আহ্লাদির পরিবার কতজন সদস্যকে হারিয়েছিল?
- এইখানে তোর বুজির কবর, পরীর মতন মেয়ে,বিয়ে দিয়েছিনু কাজিদের বাড়ি বনিয়াদি ঘর পেয়ে,এত আদরের বুজিরে তাহারা ভালোবাসিত না মোটে,হাতেতে যদিওনা মারিত তারে শত যে মারিত ঠোঁটে।উদ্দীপকের বুজির সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির অবস্থার তুলনা করো।