‘দিবারাত্রির কাব্য’ কার লেখা উপন্যাস?
A. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
B. শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়
C. ঈশানচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
D. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
সঠিক উত্তরঃ
D.
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
Explanation: ‘দিবারাত্রির কাব্য’ (১৯৩৫) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা উপন্যাস। উল্লেখযোগ্য চরিত্র: হেরম্ব, সুপ্রিয়া, অনাথ, মালতী ইত্যাদি। তার রচিত অন্যান্য উপন্যাস হলো: জননী (১৯৩৫), পদ্মানদীর মাঝি (১৯৩৬), পুতুলনাচের ইতিকথা (১৯৩৬) ইত্যাদি।
Related Questions (Any University/Year)
- 'উপ' উপসর্গযোগে গঠিত কোন শব্দটি ক্ষুদ্রার্থে ব্যবহৃত হয়?
- কোন শব্দটির প্রয়োগ শুদ্ধ?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
- ট্রেনে উঠেই বুড়ো লোকটাকে দেখলাম। সে আমারদিকে তাকালো করুণ দৃষ্টিতে। জানি না, আমারমতো তার একটা ছেলে ছিল কি না।উদ্দীপকের মধ্যে যে ভাবটি প্রকাশ পেয়েছে'মাসি-পিসি' গল্পের আলোকে এ ভাবকে বলাযায়—পিতার ভালোবাসাসন্তান বাৎসল্যহারানোর যন্ত্রণানিচের কোনটি সঠিক?
- "নিজেকে তার ছ্যাচড়া,নোংরা নর্দমার মত লাগে" -কে বলছে?
- পুরুষতন্ত্রের অমানবিকতার স্ফুরণ ঘটেছে কোন গল্পে?
- নিচের কোন রচনায় কলেরা মহামারির প্রসঙ্গ আছে?
- দীপ শিখা গার্মেন্টসের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত হয় গার্মেন্টস কর্মী দম্পতি জলিল ও রাবেয়া। তাদের একমাত্র মেয়ে জোবাইদা অনাথ হয়ে আশ্রয় নেয় বৃদ্ধ নানা-নানির সংসারে। গরিব নানা-নানি তাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করে তাকে বিয়ে দেয় পাশের গ্রামের আকিবের সাথে। কিন্তু সুখের মুখ দেখা হলো না জোবাইদার। আকিব তাকে মারধর করে এবং সারাদিন কিছু না' খেতে দিয়ে ঘরে আটকে রাখে। স্বামীর এই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে সে আবার ফিরে আসে নানা-নানির কাছে। নানা-নানি এতে ভীষণ কষ্ট পায় তবু পরম যত্নে আগলে রাখে অসহায় জোবাইদাকে।উদ্দীপকের আকিব চরিত্রটি মাসি-পিসি' গল্পে কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- "নিজেকে তার ছ্যাঁচড়া, নোংরা, নর্দমার মতো লাগে"- কার, কেন?
- আহ্লাদির বাবা-মা মারা গিয়েছিল কীভাবে?
- মাসি-পিসি' গল্পের বৈচিত্র্যময় দিক হলো-দুর্ভিক্ষের মর্মস্পর্শী স্মৃতিপ্রকৃতির প্রতি নিবিড়তা মানবিক জীবনসংগ্রাম নিচের কোনটি সঠিক?
- 'পাতাশূন্য শুকনো গাছটায়' কারা বসেছে?
- 'জীবনবিমা' কোন সমাস?
- ‘প্রাগৌতিহসিক’ গল্পটি কার রচনা?
- বিধবা মরিয়ম সারাদিন কঠোর পরিশ্রম করে। পনেরো বছরের একমাত্র সন্তান শাহানাকে নিয়ে তার ছোট সংসার। মরিয়মের এখন একটাই সংগ্রাম- মেয়েকে লেখাপড়া শিখিয়ে স্বাবলম্বী করানো। কিন্তু চতুর্দিকে বখাটেদের উৎপাত লেগেই আছে। তাইতো কাপড়ের আড়ালে ধারালো ছোট ছুরিটা নিতে 'কখনো ভুলে না সে। এতে বখাটেরা আজকাল আর সামনে এগুচ্ছে নাএবং অন্য নারীরাও এখন অনেক বেশি সচেতন। সংঘবদ্ধ মরিয়মরা এখন লাঞ্ছিত নারীদের এগিয়ে যাওয়ার সাহস।
- 'আয় না হারামজাদা, এগিয়ে আয় না? কাটারির কোপে গলা কাটি দু-একটার।'- উক্তিটি কার?
- 'মাসি-পিসি' গল্পে চৌকিদার কানাইয়ের সাথে কয়জন পেয়াদা এসেছিল?
- নাসির সাহেব তাঁর যাবতীয় সম্পদ বন্ধক রেখে একমাত্র মেয়েকে বিয়ে দেন। টাকার লোভে জামাই মেয়েটির উপর অমানবিক নির্যাতন চালায়।উদ্দীপকে 'মাসি-পিসি' গল্পের যে দিকটি দৃশ্যমান-
- 'খবরটা কী তাই কও'- কার উক্তি?
- বিয়ের কয়েক বছরের মাথায় স্বামী মারা গেলে দুই সন্তান নিয়ে অকুল পাথারে পড়েন কুলসুম বিবি। তবে তিনি দিশেহারা না হয়ে সরকারি 'জয়িতা নারী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র' থেকে সেলাই মেশিন নিয়ে জীবনযুদ্ধে নেমে পড়েন। উদ্দীপকের কুলসুম বিবির সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের কোন চরিত্রের বৈপরীত্য রয়েছে- মাসি পিসি জগু