সমাজপতিদের চাপে পড়ে শেষ পর্যন্ত সৌদামিনী প্রকাশ করতে বাধ্য হয় যে, তার পালিতপুত্র হরিদাস নমশূদ্র নয়, সে মুসলমানের ঔরসজাত। হরিদাসও নিশ্চিত হয় সৌদামিনী মালো তার মা নয়। আর এ কথা জেনেই সে নিরুদ্দিষ্ট হয়। সৌদামিনীর মাতৃত্বের অবসান হয়। ফলে অচিরেই তার মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটে। সমাজের চাপে সৌদামিনীর মাতৃহৃদয়ের বলি ঘটে বটে, তবে তার হৃদয়ের হাহাকার আকাশে বাতাসে ধ্বনিত হতে থাকে। তার দীর্ঘশ্বাসে উচ্চকিত হয়- মাতৃহৃদয়ের কাছে ধর্ম, অর্থ সকলই তুচ্ছ। এভাবেই জয় হয় মানবিক সম্পর্কের।
উদ্দীপকের সৌদামিনী মালো 'আহ্বান' গল্পের কার সঙ্গে তুলনীয়? আলোচনা কর।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- নীরব ভাষার বৃক্ষ আমাদের কী গান শোনায়?
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'আহ্বান' কী ধরনের গল্প?
- বুড়ি কাকে তার কাফনের কাপড় কিনতে অনুরোধকরেছিল?
- 'বিচলিত স্নেহ' কী অর্থ প্রকাশ করে?
- “গ্রামের ছেলে গ্রামে বাস করবে” – 'আহ্বান' গল্পেরএ বাক্যে প্রকাশ পেয়েছে গ্রামের প্রতি/উপর—
- নিচের কোনটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্পগ্রন্থ নয়?
- ‘আহবান' গল্পে বৃদ্ধা কোথায় দাঁড়িয়ে ছিল ?
- সমাজপতিদের চাপে পড়ে শেষ পর্যন্ত সৌদামিনী প্রকাশ করতে বাধ্য হয় যে, তার পালিতপুত্র হরিদাস নমশূদ্র নয়, সে মুসলমানের ঔরসজাত। হরিদাসও নিশ্চিত হয় সৌদামিনী মালো তার মা নয়। আর এ কথা জেনেই সে নিরুদ্দিষ্ট হয়। ফলে অচিরেই তার মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটে। সমাজের চাপে সৌদামিনীর মাতৃহৃদয়ের বলি ঘটে বটে, তবে তার হৃদয়ের হাহাকার আকাশে বাতাসে ধ্বনিত হতে থাকে। তার দীর্ঘশ্বাসে উচ্চকিত হয়- মাতৃহৃদয়ের কাছে ধর্ম, অর্থ সকলই তুচ্ছ। এভাবেই জয় হয় মানবিক সম্পর্কের।উদ্দীপকের সৌদামিনী মালো 'আহ্বান' গল্পের কার সঙ্গে তুলনীয়? আলোচনা কর।
- মন্বন্তরের সময় নিঃসন্তান হরিদাসী আত্মীয়ের বাড়ি থেকে ফেরার পথে ধানক্ষেতের পাশে পরিত্যক্ত একটি শিশু দেখতে পায়। পরম স্নেহে অসহায় শিশুকে কোলে তুলে নেয় সে এবং মাতৃত্বের মমতায় তাকে বড় করে তোলে। কিন্তু বাদ সাধে সমাজ। তাদের মতে হরিদাসীর কুড়িয়ে পাওয়া ছেলেটি মুসলমানের ছেলে, তাকে কাছে রাখলে ব্রাহ্মণ সমাজের অশুচি হবে। কিন্তু হরিদাসী এত কিছু ভাবতে চায় না। তার কাছে মাতৃত্বের দাবিদারই বড় বিষয়।প্রেক্ষাপট আলাদা হলেও বুড়ি ও হরিদাসীর মধ্যে প্রাধান্য পেয়েছে মাতৃত্বের হাহাকার- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- কোন উপন্যাসটি বিভূতিভূষণের লেখা নয়?
- লেখিকা রত্না চৌধুরীর স্বামী সমর ও একমাত্র সন্তান দীপঙ্কর মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হন। মুক্তিযুদ্ধে মা-বাবা হারানো এতিম সুজাউদ্দিনকে রত্না চৌধুরী পুত্র বাৎসল্যে বড়ো করেন। মৃত্যুর আগে রত্না চৌধুরী তার প্রকাশিত ১৮টি বইয়ের স্বত্ব সুজাউদ্দিনকে দান করেন। সুজাউদ্দিন তার মায়ের গ্রামের বাড়িতে শহিদ সন্তান দীপঙ্করের নামে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করেন।উদ্দীপকের স্নেহাতুর সম্পর্কের সাথে 'আহ্বান' গল্পের বুড়ি ও গোপালের সম্পর্কের তুলনা করো।
- 'গোয়ালপোরা' শব্দের অর্থ কী?
- 'আহ্বান' গল্পে বর্ণিত বুড়ির স্বামী পেশায় কী ছিলেন?
- 'আহ্বান' গল্পের বুড়ি কে?
- সমাজপতিদের চাপে পড়ে শেষ পর্যন্ত সৌদামিনী প্রকাশ করতে বাধ্য হয় যে, তার পালিতপুত্র হরিদাস নমশূদ্র নয়, সে মুসলমানের ঔরসজাত। হরিদাসও নিশ্চিত হয় সৌদামিনী মালো তার মা নয়। আর এ কথা জেনেই সে নিরুদ্দিষ্ট হয়। ফলে অচিরেই তার মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটে। সমাজের চাপে সৌদামিনীর মাতৃহৃদয়ের বলি ঘটে বটে, তবে তার হৃদয়ের হাহাকার আকাশে বাতাসে ধ্বনিত হতে থাকে। তার দীর্ঘশ্বাসে উচ্চকিত হয়- মাতৃহৃদয়ের কাছে ধর্ম, অর্থ সকলই তুচ্ছ। এভাবেই জয় হয় মানবিক সম্পর্কের।"উদ্দীপক ও 'আহ্বান' গল্পে অপত্য স্নেহের নিকট সাম্প্রদায়িক চেতনা পরাজিত হয়েছে।"- আলোচনা কর।
- সমাজপতিদের চাপে পড়ে শেষ পর্যন্ত সৌদামিনী প্রকাশ করতে বাধ্য হয় যে, তার পালিতপুত্র হরিদাস নমশূদ্র নয়, সে মুসলমানের ঔরসজাত। হরিদাসও নিশ্চিত হয় সৌদামিনী মালো তার মা নয়। আর এ কথা জেনেই সে নিরুদ্দিষ্ট হয়। ফলে অচিরেই তার মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটে। সমাজের চাপে সৌদামিনীর মাতৃহৃদয়ের বলি ঘটে বটে, তবে তার হৃদয়ের হাহাকার আকাশে বাতাসে ধ্বনিত হতে থাকে। তার দীর্ঘশ্বাসে উচ্চকিত হয়- মাতৃহৃদয়ের কাছে ধর্ম, অর্থ সকলই তুচ্ছ। এভাবেই জয় হয় মানবিক সম্পর্কের।উদ্দীপকের সৌদামিনী মালো 'আহ্বান' গল্পের কার সঙ্গে তুলনীয়? আলোচনা কর।
- 'আহ্বান' গল্পে লেখক বুড়িকে প্রথম কোথায় দেখেছিলেন?
- বুড়ি কেন বারবার গোপালের কাছে যেতেন?
- ‘অপরাজিত’ উপন্যাসের লেখক–
- পরিবারের ব্যয় নির্বাহে অমানুষিক পরিশ্রম করেওরিকশাচালক রতন প্রতিমাসে একদিন এতিমখানায় কিছুখাবার দেয় ।উদ্দীপকটি কোন বিবেচনায় 'আহ্বান' গল্পের সাথেসংগতিপূর্ণ?
- বুড়িকে মা বলে ডাকে কে?
- বুড়ি কেন প্রায়ই লেখকের জন্য এটা-সেটা নিয়ে আসত?
- 'কেন বাবা, পয়সা কেন?' বুড়ির এ বক্তব্যে কোনবিষয়টি ফুটে উঠেছে?
- ‘আহবান’ গল্পের বুড়ি গল্পকথককে কি নামে ডাকত?
- 'আহ্বান' গল্পে গোপালকে দেওয়ার জন্য হাজরা ব্যাটারবউ বুড়িকে কী দিয়েছিল?
- "মৌরিফুল" গল্পগ্রন্থটি রচনা করেন -
- 'আহ্বান' গল্পের লেখকের নামের শুদ্ধ বানান কোনটি ?
- কোনটি জীবনানন্দ দাশের কাব্য নয়?
- দুই বন্ধু উত্তম চক্রবর্তী ও রতন মুখার্জি অচিন গাঁয়ে এক মরাবৃদ্ধকে দেখতে পেল। উত্তম মৃত মানুষটিকে সৎকারেরউদ্দেশ্যে কাঁধে তুলে নিতেই রতন জাত-পাতের প্রশ্ন তুলেবাদ সাধল। উত্তম বলল, “মরার আবার জাত কী?” উদ্দীপক ও 'আহ্বান' গল্পে প্রকাশিত ভাব-
- বিভুতিভূষণের কোন উপন্যাসটির চলচ্চিত্রায়ন এখনও হয়নি?
- 'পুতুল নাচের ইতিকথা' উপন্যাসটি কার লেখা?
- গোপাল কোন মাসে বুড়ির সঙ্গে হাজরার বউকেদেখেছিলেন?
- " আহ্বান" গল্পে বৃদ্ধার কবর প্রসঙ্গে উল্লেখিত 'শরতের কটুতিক্ত গন্ধ ওঠা বনঝোপ' পদবন্ধটি সঞ্চার করে -
- নিঃসন্তান সৌদামিনী মালো দুর্ভিক্ষে মৃত এক মুসলমান কৃষক পরিবারের অসহায় শিশু পুত্রকে মাতৃস্নেহে বুকে তুলে নেয়। শিশুর নাম দেয় হরিদাস। বড় হয়ে হরিদাস যখন ???ানতে পারে সে মুসলমানের ছেলে তখন সে সৌদামিনীকে ছেড়ে পালিয়ে যায়। হরিদাসকে হারিয়ে সৌদামিনীর মাতৃহৃদয় হাহাকার করে ওঠে। ধর্ম, বর্ণ, অর্থ এসব কিছুর ঊর্ধ্বে মাতৃত্ব। শওকত ওসমানের' সৌদামিনী মালো' ছোটগল্পটিতে এভাবে মানবতার জয়গান ধ্বনিত হয়েছে।'সৌদামিনী মালো' গল্পটির সাথে 'আহ্বান' গল্পের সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য আলোচনা করো।
- 'আহ্বান' গল্পে বুড়িকে কে মা বলে সম্বোধন করে?
- লেখিকা শামীমা আখতারের স্বামী ফারুক চৌধুরী ও তাঁর একমাত্র সন্তান বিজয় মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হন। এরপর শামীমা আখতার স্বাধীনতা যুদ্ধে বাবা-মা হারানো এতিম প্রশান্তকে পুত্রবাৎসল্যে লালনপালন করে বড়ো করে তোলেন। মৃত্যুর আগে শামীমা আখতার তাঁর ১৮টি প্রকাশিত গ্রন্থের স্বত্ব প্রশান্তকে দান করেন। প্রশান্ত তার মায়ের গ্রামের বাড়িতে শহিদ সন্তানবিজয়ের নামে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করেন।উদ্দীপকের শামীমা আখতার ও প্রশান্তের স্নেহের সম্পর্কের সাথে 'আহ্বান' গল্পের বুড়ি ও গোপালের সম্পর্কের তুলনা করো।
- 'গোয়ালপোরা' শব্দের অর্থ কী?
- কোন বাক্যটি ভুল?
- 'স্নেহের দান এমন করা ঠিক হয়নি'- কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- 'আমার বড্ড কষ্ট, ভাত জোটে না সবদিন'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।