বুড়ি কেন বারবার গোপালের কাছে যেতেন?
A.
পয়সা পাওয়ার লোভে
B.
স্নেহ-ভালোবাসার টানে
C.
নিঃসঙ্গতা দূর করতে
D.
অতিথিপরায়ণ বলে
সঠিক উত্তরঃ
B.
স্নেহ-ভালোবাসার টানে
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- বিভূুতভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্পগ্রন্থ কোনটি?
- বিভুতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস 'পথের পাঁচালী' - অবলম্বনে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন কে?
- 'আহ্বান' গল্পের নামকরণের ক্ষেত্রে কোন বিষয়টি অধিকগুরুত্ব পেয়েছে?
- 'আহ্বান' গল্পে বুড়িকে কে মা বলে সম্বোধন করে?
- লেখিকা রত্না চৌধুরীর স্বামী সমর ও একমাত্র সন্তান দীপঙ্কর মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হন। মুক্তিযুদ্ধে মা-বাবা হারানো এতিম সুজাউদ্দিনকে রত্না চৌধুরী পুত্র বাৎসল্যে বড়ো করেন। মৃত্যুর আগে রত্না চৌধুরী তার প্রকাশিত ১৮টি বইয়ের স্বত্ব সুজাউদ্দিনকে দান করেন। সুজাউদ্দিন তার মায়ের গ্রামের বাড়িতে শহিদ সন্তান দীপঙ্করের নামে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করেন।"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপক ও 'আহ্বান' গল্পে ভাবগত ঐক্য রয়েছে।"- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- 'আহ্বান' গল্পের মূল ভাববস্তু কী?
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র হিমেল। লেখাপড়ার ব্যস্ততায় তার গ্রামের বাড়িতে আসার খুব একটি সুযোগ হয় না। তবে ঈদের ছুটি, পূজার ছুটিতে যখন নিজ গ্রামে আসে, গরিব-দুঃখী মানুষের খোঁজ-খবর নেয়; সেবা-যত্ন করে। নিজের নাস্তার খরচ, হাত খরচ থেকে বাঁচানো টাকায় গ্রামের হতদরিদ্র অসুস্থ মানুষদের চিকিৎসার জন্য অর্থ সাহায্য করে। এমনকি দুস্থদের কেউ মৃত্যুবরণ করলে সে কাফনের কাপড় পর্যন্ত কিনে দেয়। গ্রামের সবাই তাকে পছন্দ করে এবং ভালোবাসে।'গ্রামের সবাই তাকে পছন্দ করে এবং ভালোবাসে- গোপালের ক্ষেত্রেও একথা সমভাবে প্রযোজ্য'-উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- “পরদিন কলকাতা চলে গেলাম।" “আহ্বান’' গল্পভুক্ত এই বাক্যে কার সম্পর্কে বলা হচ্ছে?
- 'আহবান' গল্পের বুড়িকে কোন গাছের নিচে কবর দেওয়া হয়েছে?
- ‘আহবান' গল্পে বৃদ্ধা কোথায় দাঁড়িয়ে ছিল ?
- 'আহ্বান' গল্পে লেখক বুড়িকে প্রথম কোথায় দেখেছিলেন?
- গ্রামীণ লোকায়ত জীবনধারা শাস্ত্রীয় কঠোরতা থেকে যে অনেকটা মুক্ত তা কোন গল্পে প্রতীয়মান?
- 'কেন বাবা, পয়সা কেন?' বুড়ির এ বক্তব্যে কোনবিষয়টি ফুটে উঠেছে?
- ‘কতকাল পরে বাবা মনে পড়ল দেশের কথা' - 'আহ্বান' গল্পে এ উক্তি কে করেছিলেন ?
- বিপত্নীক রহমান সাহেবের প্রতিষ্ঠিত পুত্র কন্যারা সকলেই প্রবাসীহওয়ায় বিপদে-আপদে প্রতিবেশীদের উপরই তার নির্ভরশীলতা।স্ত্রী-সন্তানসহ যৌবনের আনন্দময় দিনগুলো মনে পড়লে বৃদ্ধআবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।উদ্দীপকটিতে এবং 'আহ্বান' গল্পে যুগপৎ প্রকাশ পেয়েছে— স্মৃতিকাতরতাবার্ধক্যজনিত নিঃসঙ্গতা বৃহত্তর জীবনের আহ্বানে সম্পর্কের শৈথিল্যনিচের কোনটি সঠিক?
- দুই বন্ধু উত্তম চক্রবর্তী ও রতন মুখার্জি অচিন গাঁয়ে এক মরাবৃদ্ধকে দেখতে পেল। উত্তম মৃত মানুষটিকে সৎকারেরউদ্দেশ্যে কাঁধে তুলে নিতেই রতন জাত-পাতের প্রশ্ন তুলেবাদ সাধল। উত্তম বলল, “মরার আবার জাত কী?” উদ্দীপক ও 'আহ্বান' গল্পে প্রকাশিত ভাব-
- 'আহ্বান' গল্পের বুড়িকে কে মা বলে ডাকে?
- ‘ওর স্নেহাতুর আত্মা বহুদূর থেকে আমায় আহ্বানকরে এনেছে। আমার মন হয়ত ওর ডাক এবারআর তাচ্ছিল্য করতে পারেনি।'- উক্তিটিতে কোনপ্রসঙ্গের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে?গভীর মানবিক সম্পর্কেরবুড়ির কাফনের কাপড় কিনে দেবার আবদার অহংকারীর আত্মদম্ভনিচের কোনটি সঠিক?
- সমাজপতিদের চাপে পড়ে শেষ পর্যন্ত সৌদামিনী প্রকাশ করতে বাধ্য হয় যে, তার পালিতপুত্র হরিদাস নমশূদ্র নয়, সে মুসলমানের ঔরসজাত। হরিদাসও নিশ্চিত হয় সৌদামিনী মালো তার মা নয়। আর এ কথা জেনেই সে নিরুদ্দিষ্ট হয়। ফলে অচিরেই তার মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটে। সমাজের চাপে সৌদামিনীর মাতৃহৃদয়ের বলি ঘটে বটে, তবে তার হৃদয়ের হাহাকার আকাশে বাতাসে ধ্বনিত হতে থাকে। তার দীর্ঘশ্বাসে উচ্চকিত হয়- মাতৃহৃদয়ের কাছে ধর্ম, অর্থ সকলই তুচ্ছ। এভাবেই জয় হয় মানবিক সম্পর্কের।উদ্দীপকের সৌদামিনী মালো 'আহ্বান' গল্পের কার সঙ্গে তুলনীয়? আলোচনা কর।
- ‘আহবান’ গল্পের বুড়ি গল্পকথককে কি নামে ডাকত?
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'আহ্বান' কী ধরনের গল্প?
- আহ্বান ছোট গল্পে ‘তিত্তিরাজ’ কী?
- উদার মানবিক সম্পর্কের গল্প কোনটি?
- কোন উপন্যাসটি বিভূতিভূষণের লেখা নয়?
- বিভুতিভূষণের কোন উপন্যাসটির চলচ্চিত্রায়ন এখনও হয়নি?
- 'বিচলিত স্নেহ' কী অর্থ প্রকাশ করে?
- 'আহ্বান' গল্পে কথককে কে প্রথম বুড়ির মৃত্যুসংবাদজানিয়েছিল?
- কোনটি জীবনানন্দ দাশের কাব্য নয়?
- 'আহ্বান গল্পের বৃদ্ধা মারা গেছেন কোন ঋতুতে?
- বিভূতিভূষণের 'আহবান' গল্পে লেখকের সহপাঠি ছিল-
- লেখিকা রত্না চৌধুরীর স্বামী সমর ও একমাত্র সন্তান দীপঙ্কর মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হন। মুক্তিযুদ্ধে মা-বাবা হারানো এতিম সুজাউদ্দিনকে রত্না চৌধুরী পুত্র বাৎসল্যে বড়ো করেন। মৃত্যুর আগে রত্না চৌধুরী তার প্রকাশিত ১৮টি বইয়ের স্বত্ব সুজাউদ্দিনকে দান করেন। সুজাউদ্দিন তার মায়ের গ্রামের বাড়িতে শহিদ সন্তান দীপঙ্করের নামে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করেন।উদ্দীপকের স্নেহাতুর সম্পর্কের সাথে 'আহ্বান' গল্পের বুড়ি ও গোপালের সম্পর্কের তুলনা করো।
- বিভূতিভূষণ রচিত গ্রন্থ নয় কোনটি?
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'আহ্বান' গল্পে যে বিষয়টিফুটে উঠেছে—
- কোন দিক বিবেচনা করে 'আহ্বান' গল্পের নামকরণকরা হয়েছে?
- 'আহ্বান' গল্পের বুড়ি কে?
- লেখিকা শামীমা আখতারের স্বামী ফারুক চৌধুরী ও তাঁর একমাত্র সন্তান বিজয় মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হন। এরপর শামীমা আখতার স্বাধীনতা যুদ্ধে বাবা-মা হারানো এতিম প্রশান্তকে পুত্রবাৎসল্যে লালনপালন করে বড়ো করে তোলেন। মৃত্যুর আগে শামীমা আখতার তাঁর ১৮টি প্রকাশিত গ্রন্থের স্বত্ব প্রশান্তকে দান করেন। প্রশান্ত তার মায়ের গ্রামের বাড়িতে শহিদ সন্তানবিজয়ের নামে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করেন।উদ্দীপকের শামীমা আখতার ও প্রশান্তের স্নেহের সম্পর্কের সাথে 'আহ্বান' গল্পের বুড়ি ও গোপালের সম্পর্কের তুলনা করো।
- মোবারক নিঃসন্তান দরিদ্র কৃষক। সে শীতের কোনো এক সন্ধ্যায় কাজ শেষে ব্যস্তভাবে বাড়ি ফিরছিলো। হঠাৎ বড় আম বাগানের ভিতর থেকে এক শিশুর কান্নার শব্দ তার কানে এলো। সে একটু এগিয়ে দেখলো, এক রুগ্ন শিশু শুকনো পাতার ভিতর নড়ছে। শিশুটিকে মোবারক বাড়ি নিয়ে এলো এবং স্ত্রী ফরিদাকে ডেকে বললো, "এই নাও, আমাদের শূন্য ঘরের আনন্দ।" দুজনে মিলে শিশুটির নাম রাখল রহমত। শিশুটিকে মোবারক ও ফরিদা সন্তান স্নেহে লালন-পালন করতে লাগলো।উদ্দীপকের মোবারক দম্পতির মাধ্যমে 'আহ্বান' গল্পের কোন দিকটির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে? আলোচনা করো।
- নিচের কোনটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্পগ্রন্থ নয়?
- "আমার মন হয়তো ওর ডাক এবার আর তাচ্ছিল্য করতে পারেনি"- ব্যাখ্যা করো।
- "আমার বড্ড কষ্ট, ভাত জোটে না সবদিন" উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।