'আহ্বান' গল্পে বুড়ির বাড়ি থেকে ফিরে আসার সময় গল্পকথক
বুড়ির পাতানো মেয়েটির হাতে কিছু দিয়ে এসেছিল, কী জন্য?
A.
চিকিৎসার
B.
পথ্য ও ফলের
C.
খাদ্য ও ফলের
D.
পথ্য ও ওষুধের
সঠিক উত্তরঃ
B.
পথ্য ও ফলের
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- লেখিকা শামীমা আখতারের স্বামী ফারুক চৌধুরী ও তাঁর একমাত্র সন্তান বিজয় মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হন। এরপর শামীমা আখতার স্বাধীনতা যুদ্ধে বাবা-মা হারানো এতিম প্রশান্তকে পুত্রবাৎসল্যে লালনপালন করে বড়ো করে তোলেন। মৃত্যুর আগে শামীমা আখতার তাঁর ১৮টি প্রকাশিত গ্রন্থের স্বত্ব প্রশান্তকে দান করেন। প্রশান্ত তার মায়ের গ্রামের বাড়িতে শহিদ সন্তানবিজয়ের নামে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করেন।উদ্দীপকের শামীমা আখতার ও প্রশান্তের স্নেহের সম্পর্কের সাথে 'আহ্বান' গল্পের বুড়ি ও গোপালের সম্পর্কের তুলনা করো।
- 'আহ্বান' গল্পের বুড়িকে কে মা বলে ডাকে?
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র হিমেল। লেখাপড়ার ব্যস্ততায় তার গ্রামের বাড়িতে আসার খুব একটি সুযোগ হয় না। তবে ঈদের ছুটি, পূজার ছুটিতে যখন নিজ গ্রামে আসে, গরিব-দুঃখী মানুষের খোঁজ-খবর নেয়; সেবা-যত্ন করে। নিজের নাস্তার খরচ, হাত খরচ থেকে বাঁচানো টাকায় গ্রামের হতদরিদ্র অসুস্থ মানুষদের চিকিৎসার জন্য অর্থ সাহায্য করে। এমনকি দুস্থদের কেউ মৃত্যুবরণ করলে সে কাফনের কাপড় পর্যন্ত কিনে দেয়। গ্রামের সবাই তাকে পছন্দ করে এবং ভালোবাসে।'গ্রামের সবাই তাকে পছন্দ করে এবং ভালোবাসে- গোপালের ক্ষেত্রেও একথা সমভাবে প্রযোজ্য'-উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- লেখিকা রত্না চৌধুরীর স্বামী সমর ও একমাত্র সন্তান দীপঙ্কর মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হন। মুক্তিযুদ্ধে মা-বাবা হারানো এতিম সুজাউদ্দিনকে রত্না চৌধুরী পুত্র বাৎসল্যে বড়ো করেন। মৃত্যুর আগে রত্না চৌধুরী তার প্রকাশিত ১৮টি বইয়ের স্বত্ব সুজাউদ্দিনকে দান করেন। সুজাউদ্দিন তার মায়ের গ্রামের বাড়িতে শহিদ সন্তান দীপঙ্করের নামে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করেন।উদ্দীপকের স্নেহাতুর সম্পর্কের সাথে 'আহ্বান' গল্পের বুড়ি ও গোপালের সম্পর্কের তুলনা করো।
- 'আহ্বান' গল্পে কে গল্পকথককে বুড়ির কবরে মাটিদিতে অনুরোধ করে বলে 'দ্যাও বাবা- তুমি দ্যাও।'
- 'পুতুল নাচের ইতিকথা' উপন্যাসটি কার লেখা?
- "আমার বড্ড কষ্ট, ভাত জোটে না সবদিন" উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- মন্বন্তরের সময় নিঃসন্তান হরিদাসী আত্মীয়ের বাড়ি থেকে ফেরার পথে ধানক্ষেতের পাশে পরিত্যক্ত একটি শিশু দেখতে পায়। পরম স্নেহে অসহায় শিশুকে কোলে তুলে নেয় সে এবং মাতৃত্বের মমতায় তাকে বড় করে তোলে। কিন্তু বাদ সাধে সমাজ। তাদের মতে হরিদাসীর কুড়িয়ে পাওয়া ছেলেটি মুসলমানের ছেলে, তাকে কাছে রাখলে ব্রাহ্মণ সমাজের অশুচি হবে। কিন্তু হরিদাসী এত কিছু ভাবতে চায় না। তার কাছে মাতৃত্বের দাবিদারই বড় বিষয়।প্রেক্ষাপট আলাদা হলেও বুড়ি ও হরিদাসীর মধ্যে প্রাধান্য পেয়েছে মাতৃত্বের হাহাকার- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত ‘পথের পাঁচালী’ একটি–
- ‘কতকাল পরে বাবা মনে পড়ল দেশের কথা' - 'আহ্বান' গল্পে এ উক্তি কে করেছিলেন ?
- “গ্রামের ছেলে গ্রামে বাস করবে” – 'আহ্বান' গল্পেরএ বাক্যে প্রকাশ পেয়েছে গ্রামের প্রতি/উপর—
- 'আহ্বান' গল্পের মূল ভাববস্তু কী?
- ‘পুতুলনাচের ইতিকথা' কার লেখা?
- সমাজপতিদের চাপে পড়ে শেষ পর্যন্ত সৌদামিনী প্রকাশ করতে বাধ্য হয় যে, তার পালিতপুত্র হরিদাস নমশূদ্র নয়, সে মুসলমানের ঔরসজাত। হরিদাসও নিশ্চিত হয় সৌদামিনী মালো তার মা নয়। আর এ কথা জেনেই সে নিরুদ্দিষ্ট হয়। সৌদামিনীর মাতৃত্বের অবসান হয়। ফলে অচিরেই তার মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটে। সমাজের চাপে সৌদামিনীর মাতৃহৃদয়ের বলি ঘটে বটে, তবে তার হৃদয়ের হাহাকার আকাশে বাতাসে ধ্বনিত হতে থাকে। তার দীর্ঘশ্বাসে উচ্চকিত হয়- মাতৃহৃদয়ের কাছে ধর্ম, অর্থ সকলই তুচ্ছ। এভাবেই জয় হয় মানবিক সম্পর্কের।"উদ্দীপক ও 'আহ্বান' গল্পে অপত্য স্নেহের নিকট সাম্প্রদায়িক চেতনা পরাজিত হয়েছে।”- বিচার কর।
- বিপত্নীক রহমান সাহেবের প্রতিষ্ঠিত পুত্র কন্যারা সকলেই প্রবাসীহওয়ায় বিপদে-আপদে প্রতিবেশীদের উপরই তার নির্ভরশীলতা।স্ত্রী-সন্তানসহ যৌবনের আনন্দময় দিনগুলো মনে পড়লে বৃদ্ধআবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।উদ্দীপকটিতে এবং 'আহ্বান' গল্পে যুগপৎ প্রকাশ পেয়েছে— স্মৃতিকাতরতাবার্ধক্যজনিত নিঃসঙ্গতা বৃহত্তর জীবনের আহ্বানে সম্পর্কের শৈথিল্যনিচের কোনটি সঠিক?
- আহ্বান' গল্পের স্নেহময়ী বৃদ্ধার স্বামীর নাম কী?
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র হিমেল। লেখাপড়ার ব্যস্ততায় তার গ্রামের বাড়িতে আসার খুব একটি সুযোগ হয় না। তবে ঈদের ছুটি, পূজার ছুটিতে যখন নিজ গ্রামে আসে, গরিব-দুঃখী মানুষের খোঁজ-খবর নেয়; সেবা-যত্ন করে। নিজের নাস্তার খরচ, হাত খরচ থেকে বাঁচানো টাকায় গ্রামের হতদরিদ্র অসুস্থ মানুষদের চিকিৎসার জন্য অর্থ সাহায্য করে। এমনকি দুস্থদের কেউ মৃত্যুবরণ করলে সে কাফনের কাপড় পর্যন্ত কিনে দেয়। গ্রামের সবাই তাকে পছন্দ করে এবং ভালোবাসে।উদ্দীপকের হিমেলের সাথে 'আহ্বান' গল্পের কোন চরিদ্রের সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় পেশায় ছিলেন-
- সমাজপতিদের চাপে পড়ে শেষ পর্যন্ত সৌদামিনী প্রকাশ করতে বাধ্য হয় যে, তার পালিতপুত্র হরিদাস নমশূদ্র নয়, সে মুসলমানের ঔরসজাত। হরিদাসও নিশ্চিত হয় সৌদামিনী মালো তার মা নয়। আর এ কথা জেনেই সে নিরুদ্দিষ্ট হয়। ফলে অচিরেই তার মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটে। সমাজের চাপে সৌদামিনীর মাতৃহৃদয়ের বলি ঘটে বটে, তবে তার হৃদয়ের হাহাকার আকাশে বাতাসে ধ্বনিত হতে থাকে। তার দীর্ঘশ্বাসে উচ্চকিত হয়- মাতৃহৃদয়ের কাছে ধর্ম, অর্থ সকলই তুচ্ছ। এভাবেই জয় হয় মানবিক সম্পর্কের।"উদ্দীপক ও 'আহ্বান' গল্পে অপত্য স্নেহের নিকট সাম্প্রদায়িক চেতনা পরাজিত হয়েছে।"- আলোচনা কর।
- সমাজপতিদের চাপে পড়ে শেষ পর্যন্ত সৌদামিনী প্রকাশ করতে বাধ্য হয় যে, তার পালিতপুত্র হরিদাস নমশূদ্র নয়, সে মুসলমানের ঔরসজাত। হরিদাসও নিশ্চিত হয় সৌদামিনী মালো তার মা নয়। আর এ কথা জেনেই সে নিরুদ্দিষ্ট হয়। সৌদামিনীর মাতৃত্বের অবসান হয়। ফলে অচিরেই তার মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটে। সমাজের চাপে সৌদামিনীর মাতৃহৃদয়ের বলি ঘটে বটে, তবে তার হৃদয়ের হাহাকার আকাশে বাতাসে ধ্বনিত হতে থাকে। তার দীর্ঘশ্বাসে উচ্চকিত হয়- মাতৃহৃদয়ের কাছে ধর্ম, অর্থ সকলই তুচ্ছ। এভাবেই জয় হয় মানবিক সম্পর্কের।উদ্দীপকের সৌদামিনী মালো 'আহ্বান' গল্পের কার সঙ্গে তুলনীয়? আলোচনা কর।