বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় পেশায় ছিলেন-
A. কলেজের অধ্যাপক
B. স্কুল শিক্ষক
C. ডাক্তার
D. পত্রিকা সপাদক
সঠিক উত্তরঃ
B.
স্কুল শিক্ষক
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ‘কতকাল পরে বাবা মনে পড়ল দেশের কথা' - 'আহ্বান' গল্পে এ উক্তি কে করেছিলেন ?
- 'আহ্বান' গল্পের গল্পকথকের সহপাঠীর নাম-
- বুড়িকে মা বলে ডাকে কে?
- 'পথের পঁচালি' উপন্যাসের লেখক-
- নিচের কোনটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্পগ্রন্থ নয়?
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
- বিপত্নীক রহমান সাহেবের প্রতিষ্ঠিত পুত্র কন্যারা সকলেই প্রবাসীহওয়ায় বিপদে-আপদে প্রতিবেশীদের উপরই তার নির্ভরশীলতা।স্ত্রী-সন্তানসহ যৌবনের আনন্দময় দিনগুলো মনে পড়লে বৃদ্ধআবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।উদ্দীপকের রহমান সাহেব এবং 'আহ্বান' গল্পের বুড়ির সাদৃশ্য-
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?
- "আমার মন হয়তো ওর ডাক এবার আর তাচ্ছিল্য করতে পারেনি"- ব্যাখ্যা করো।
- 'আহ্বান' গল্পে বুড়ির বাড়ি থেকে ফিরে আসার সময় গল্পকথকবুড়ির পাতানো মেয়েটির হাতে কিছু দিয়ে এসেছিল, কী জন্য?
- " আহ্বান" গল্পে বৃদ্ধার কবর প্রসঙ্গে উল্লেখিত 'শরতের কটুতিক্ত গন্ধ ওঠা বনঝোপ' পদবন্ধটি সঞ্চার করে -
- লেখিকা রত্না চৌধুরীর স্বামী সমর ও একমাত্র সন্তান দীপঙ্কর মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হন। মুক্তিযুদ্ধে মা-বাবা হারানো এতিম সুজাউদ্দিনকে রত্না চৌধুরী পুত্র বাৎসল্যে বড়ো করেন। মৃত্যুর আগে রত্না চৌধুরী তার প্রকাশিত ১৮টি বইয়ের স্বত্ব সুজাউদ্দিনকে দান করেন। সুজাউদ্দিন তার মায়ের গ্রামের বাড়িতে শহিদ সন্তান দীপঙ্করের নামে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করেন।উদ্দীপকের স্নেহাতুর সম্পর্কের সাথে 'আহ্বান' গল্পের বুড়ি ও গোপালের সম্পর্কের তুলনা করো।
- 'আহ্বান' গল্পে লেখক বুড়িকে প্রথম কোথায় দেখেছিলেন?
- 'আহ্বান' গল্পে লেখক বুড়িকে প্রথম কোথায় দেখেছিলেন?
- 'আহ্বান' গল্পে কে গল্পকথককে বুড়ির কবরে মাটিদিতে অনুরোধ করে বলে 'দ্যাও বাবা- তুমি দ্যাও।'
- 'আমার বড্ড কষ্ট, ভাত জোটে না সবদিন'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- দুই বন্ধু উত্তম চক্রবর্তী ও রতন মুখার্জি অচিন গাঁয়ে এক মরাবৃদ্ধকে দেখতে পেল। উত্তম মৃত মানুষটিকে সৎকারেরউদ্দেশ্যে কাঁধে তুলে নিতেই রতন জাত-পাতের প্রশ্ন তুলেবাদ সাধল। উত্তম বলল, “মরার আবার জাত কী?”উত্তম চক্রবর্তীর সঙ্গে 'আহ্বান' গল্পের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্র-
- সমাজপতিদের চাপে পড়ে শেষ পর্যন্ত সৌদামিনী প্রকাশ করতে বাধ্য হয় যে, তার পালিতপুত্র হরিদাস নমশূদ্র নয়, সে মুসলমানের ঔরসজাত। হরিদাসও নিশ্চিত হয় সৌদামিনী মালো তার মা নয়। আর এ কথা জেনেই সে নিরুদ্দিষ্ট হয়। ফলে অচিরেই তার মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটে। সমাজের চাপে সৌদামিনীর মাতৃহৃদয়ের বলি ঘটে বটে, তবে তার হৃদয়ের হাহাকার আকাশে বাতাসে ধ্বনিত হতে থাকে। তার দীর্ঘশ্বাসে উচ্চকিত হয়- মাতৃহৃদয়ের কাছে ধর্ম, অর্থ সকলই তুচ্ছ। এভাবেই জয় হয় মানবিক সম্পর্কের।উদ্দীপকের সৌদামিনী মালো 'আহ্বান' গল্পের কার সঙ্গে তুলনীয়? আলোচনা কর।
- ''পথের পাঁচালী" উপন্যাসের লেখক কে?
- সেই বাংলাদেশে ছিল সহস্রের একটি কাহিনিকোরানে-পূরাণে, শিল্পে, পালা-পার্বণে ঢাকে-ঢোলে,আউল-বাউল নাচে; পুণ্যাহের সানাই রঞ্জিতরোদ্দুরে আকাশতলে দেখ কারা হাটে যায়, মাঝিপাল তোলে, তাঁতি বোনে, খড় ছাওয়া ঘরের আগুনেমাঠে ঘাটে-শ্রমসঙ্গী নানা জাতি ধর্মের বসতিচিরদিন বাংলাদেশ-"উদ্দীপকের অসাম্প্রদায়িক মনোভাব 'আহ্বান' গল্পের গল্প কথকের মনোজগতে ধরা পড়েছে"- উক্তিটির যথার্থতা প্রতিপন্ন করো।