'আহ্বান' গল্পের বুড়িকে কে মা বলে ডাকে?
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- সেই বাংলাদেশে ছিল সহস্রের একটি কাহিনিকোরানে-পূরাণে, শিল্পে, পালা-পার্বণে ঢাকে-ঢোলে,আউল-বাউল নাচে; পুণ্যাহের সানাই রঞ্জিতরোদ্দুরে আকাশতলে দেখ কারা হাটে যায়, মাঝিপাল তোলে, তাঁতি বোনে, খড় ছাওয়া ঘরের আগুনেমাঠে ঘাটে-শ্রমসঙ্গী নানা জাতি ধর্মের বসতিচিরদিন বাংলাদেশ-"উদ্দীপকের অসাম্প্রদায়িক মনোভাব 'আহ্বান' গল্পের গল্প কথকের মনোজগতে ধরা পড়েছে"- উক্তিটির যথার্থতা প্রতিপন্ন করো।
- কোনটি জীবনানন্দ দাশের কাব্য নয়?
- নীরব ভাষার বৃক্ষ আমাদের কী গান শোনায়?
- 'গোয়ালপোরা' শব্দের অর্থ কী?
- দুই বন্ধু উত্তম চক্রবর্তী ও রতন মুখার্জি অচিন গাঁয়ে এক মরাবৃদ্ধকে দেখতে পেল। উত্তম মৃত মানুষটিকে সৎকারেরউদ্দেশ্যে কাঁধে তুলে নিতেই রতন জাত-পাতের প্রশ্ন তুলেবাদ সাধল। উত্তম বলল, “মরার আবার জাত কী?” উদ্দীপক ও 'আহ্বান' গল্পে প্রকাশিত ভাব-
- ‘আহ্বান’ গল্পে গল্পকথক বুড়ির কাছ থেকে পেত-
- মন্বন্তরের সময় নিঃসন্তান হরিদাসী আত্মীয়ের বাড়ি থেকে ফেরার পথে ধানক্ষেতের পাশে পরিত্যক্ত একটি শিশু দেখতে পায়। পরম স্নেহে অসহায় শিশুকে কোলে তুলে নেয় সে এবং মাতৃত্বের মমতায় তাকে বড় করে তোলে। কিন্তু বাদ সাধে সমাজ। তাদের মতে হরিদাসীর কুড়িয়ে পাওয়া ছেলেটি মুসলমানের ছেলে, তাকে কাছে রাখলে ব্রাহ্মণ সমাজের অশুচি হবে। কিন্তু হরিদাসী এত কিছু ভাবতে চায় না। তার কাছে মাতৃত্বের দাবিদারই বড় বিষয়।উদ্দীপকের হরিদাসীর মধ্যে 'আহ্বান' গল্পের কোন চরিত্রের ছায়াপাত লক্ষণীয় ব্যাখ্যা করো।
- সমাজপতিদের চাপে পড়ে শেষ পর্যন্ত সৌদামিনী প্রকাশ করতে বাধ্য হয় যে, তার পালিতপুত্র হরিদাস নমশূদ্র নয়, সে মুসলমানের ঔরসজাত। হরিদাসও নিশ্চিত হয় সৌদামিনী মালো তার মা নয়। আর এ কথা জেনেই সে নিরুদ্দিষ্ট হয়। সৌদামিনীর মাতৃত্বের অবসান হয়। ফলে অচিরেই তার মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটে। সমাজের চাপে সৌদামিনীর মাতৃহৃদয়ের বলি ঘটে বটে, তবে তার হৃদয়ের হাহাকার আকাশে বাতাসে ধ্বনিত হতে থাকে। তার দীর্ঘশ্বাসে উচ্চকিত হয়- মাতৃহৃদয়ের কাছে ধর্ম, অর্থ সকলই তুচ্ছ। এভাবেই জয় হয় মানবিক সম্পর্কের।"উদ্দীপক ও 'আহ্বান' গল্পে অপত্য স্নেহের নিকট সাম্প্রদায়িক চেতনা পরাজিত হয়েছে।”- বিচার কর।
- ‘জড়িমা' শব্দের অর্থ কী?
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
- সমাজপতিদের চাপে পড়ে শেষ পর্যন্ত সৌদামিনী প্রকাশ করতে বাধ্য হয় যে, তার পালিতপুত্র হরিদাস নমশূদ্র নয়, সে মুসলমানের ঔরসজাত। হরিদাসও নিশ্চিত হয় সৌদামিনী মালো তার মা নয়। আর এ কথা জেনেই সে নিরুদ্দিষ্ট হয়। ফলে অচিরেই তার মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটে। সমাজের চাপে সৌদামিনীর মাতৃহৃদয়ের বলি ঘটে বটে, তবে তার হৃদয়ের হাহাকার আকাশে বাতাসে ধ্বনিত হতে থাকে। তার দীর্ঘশ্বাসে উচ্চকিত হয়- মাতৃহৃদয়ের কাছে ধর্ম, অর্থ সকলই তুচ্ছ। এভাবেই জয় হয় মানবিক সম্পর্কের।উদ্দীপকের সৌদামিনী মালো 'আহ্বান' গল্পের কার সঙ্গে তুলনীয়? আলোচনা কর।
- গ্রামীণ লোকায়ত জীবনধারা শাস্ত্রীয় কঠোরতা থেকে যে অনেকটা মুক্ত তা কোন গল্পে প্রতীয়মান?
- 'পুতুল নাচের ইতিকথা' উপন্যাসটি কার লেখা?
- 'আহ্বান' গল্পে লেখক বুড়িকে প্রথম কোথায় দেখেছিলেন?
- 'আহ্বান' গল্পে বুড়িকে কে মা বলে সম্বোধন করে?
- মোবারক নিঃসন্তান দরিদ্র কৃষক। সে শীতের কোনো এক সন্ধ্যায় কাজ শেষে ব্যস্তভাবে বাড়ি ফিরছিলো। হঠাৎ বড় আম বাগানের ভিতর থেকে এক শিশুর কান্নার শব্দ তার কানে এলো। সে একটু এগিয়ে দেখলো, এক রুগ্ন শিশু শুকনো পাতার ভিতর নড়ছে। শিশুটিকে মোবারক বাড়ি নিয়ে এলো এবং স্ত্রী ফরিদাকে ডেকে বললো, "এই নাও, আমাদের শূন্য ঘরের আনন্দ।" দুজনে মিলে শিশুটির নাম রাখল রহমত। শিশুটিকে মোবারক ও ফরিদা সন্তান স্নেহে লালন-পালন করতে লাগলো।উদ্দীপকের মোবারক দম্পতির মাধ্যমে 'আহ্বান' গল্পের কোন দিকটির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে? আলোচনা করো।
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় পেশায় ছিলেন-
- "মৌরিফুল" গল্পগ্রন্থটি রচনা করেন -
- 'আহ্বান' গল্পে কে গল্পকথককে বুড়ির কবরে মাটিদিতে অনুরোধ করে বলে 'দ্যাও বাবা- তুমি দ্যাও।'
- 'আহবান' গল্পের মূখ্য বিষয়-