পারিবার???ক ব্যবসা প্রতিষ্ঠা একাই ভোগ দখল করার লক্ষে অতি আদরের ভাতিজা নাজমুলের বিরুদ্ধে ভয়াবহ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয় চাচা বদরুল।
উদ্দীপকে চাচা বদরুল 'সিরাজদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের অনুরূপ?
A.
ঘসেটি বেগম
B.
মিরজাফর
C.
মোহাম্মদি বেগ
D.
শওকতজঙ্গ
সঠিক উত্তরঃ
A.
ঘসেটি বেগম
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- স্বাধীনতা স্পর্শমণি সবাই ভালোবাসে,সুখের আলো জ্বালে বুকে দুঃখের ছায়া নাশে।স্বাধীনতা সোনার কাঠি খোদার স???ধা-দান,স্পর্শে তাহার নেচে উঠে শূন্য দেহে প্রাণ।মনুষ্যত্বের বান ডেকে যায় পশুর হৃদয় তলে,বুক ফুলিয়ে দাঁড়ায় ভীরু স্বাধীনতার বলে।দর্প করে পদানত উচ্চ করে শির,শক্তিহীনেও স্বাধীনতা আখ্যাদানে বীর।উদ্দীপকের স্বাধীনতার আস্বাদন 'সিরাজউদ্দৌলা" নাটকে কীভাবে দেখানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- কোলকাতা থেকে তাড়া খেয়ে ড্রেক দলবলসহ কোন জাহাজে আশ্রয় গ্রহণ করে?
- সিরাজের কোন সেনাপতি যুদ্ধে প্রথম মৃত্যুবরণ করে?
- মহাকবি বাল্মীকির 'রামায়ণ' এক অর্থে আর্য ও অনার্য সংস্কৃতির প্রতিভূ। রামায়ন্ত্রে কাহিনিকে নব আঙ্গিকে ঢেলে সাজান মাইকেল মধুসূদন দত্ত। মেঘনাদ' চরিত্রটি তাঁর এক অসাধারণ সৃষ্টি। সীমাহীন দেশপ্রেম ও অসাধারণ বীরত্ব সত্ত্বেও গৃহশত্রু বিভীষণের কারণে তাকে করুণ পরিণতি বরণ করতে হয়। মেঘনাদের পরাজয়ের মধ্য দিয়ে রাম-রাবণ যুদ্ধে বিজয় সূচিত হয় আর্যশক্তির।"উদ্দীপকের মেঘনাদ এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজ চরিত্র দেশপ্রেমের এক অনুপম প্রতীক।"- বিশ্লেষণ করো।
- রহিম গাজীর খুব কাছের লোক ছিল শিহাব উদ্দীন। সে তাকে বিশ্বাস করে তার জমিজমা দেখাশোনার ভার দেয়। কিন্তু একদিন রহিম গাজী দেখে তার সম্পত্তি শিহাব উদ্দীনের নামে হয়ে আছে। সে ভাবল এত দিন সে ভুল মানুষকে বিশ্বাস করেছে। বিশ্বাস করা ভালো, কিন্তু অন্ধবিশ্বাস কখনো কখনো মানুষকে সর্বনাশ করে ফেলে।উদ্দীপকের শিহাব উদ্দীন 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? যুক্তিসহ বুঝিয়ে লেখো।
- দীনবন্ধু মিত্রের 'নীল দর্পণ' নাটকের 'এক জীবন্ত মুসলিম চরিত্র তোরাপ। এই তোরাপ সোচ্চার হয়েছে সামাজিক নানা অসংগতির বিরুদ্ধে, সমাজপতিদের অন্যায় ও অত্যাচারের বিপক্ষে। একজন গরিব কৃষক হয়েও সে সত্যবাদী, সাহসী ও পরোকারী মানুষ। নবীন মাধবের জন্য প্রাণ উৎসর্গ করতে সে প্রস্তুত। তাই নবীন মাধবের সব ধরনের সাহসী কাজে সে তার সঙ্গী হয়। ধর্ম- বর্ণের ভেদাভেদ তার দৃষ্টিতে ছিল না বলেই তোরাপ শেষ পর্যন্ত নবীন মাধবের সাথে ছিল। এমনকি নিরীহ কৃষকদের পাশে থেকে অত্যাচারী শোষক ইংরেজ নীলকরদেরও মোকাবিলা করে গেছে সে।'উদ্দীপক ও সিরাজউদ্দৌলা নাটক উভয় ক্ষেত্রেই অন্যায়-অনাচারের বিরুদ্ধে বিশ্বস্ত ও দুঃসাহসী যোদ্ধার প্রতিবাদী সংগ্রাম উজ্জ্বল হয়ে ফুটে উঠেছে।'- উক্তিটির যথার্থতা বিচার করো।
- সিরাজউদ্দৌলার প্রধান গুপ্তচর কে?
- সবাই মিলে সত্যিই আমরা বাংলাকে বিক্রি করে দিচ্ছি না তো ?'কে কাকে এ কথা বলেছেন ?
- দ্বিজেন্দ্র লাল রায়ের বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক 'শাজাহান।' পুত্র ঔরঙ্গজেবের হাতে দারা সুজা আর মুরাদের মৃত্যু বৃদ্ধ সম্রাট শাহজাহানকে যন্ত্রণায় ক্ষত-বিক্ষত করে তোলে। তাঁর বন্দিদশা, পিতৃহৃদয়ের হাহাকার এই নাটকটিকে শ্রেষ্ঠ ট্যাজেডি নাটকে পরিণত করেছে। সম্রাট শাহজাহানের নাম অনুসারে নাটকের নাম 'শাজাহান।'উদ্দীপকের আবেদনের আলোকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ট্র্যাজেডির স্বরূপ বিশ্লেষণ করো।
- সৈয়দপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিক উদ্দিন পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে নিজ এলাকায় প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তাঁর নিকটাত্মীয় মনির একজন বিশ্বাসঘাতক রাজাকার। কেউই মনিরকে বুঝিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের দলে নিতে পারেনি। মুক্তিযোদ্ধের শেষের দিকে একদিন মনির রাজাকার মুক্তিযোদ্ধা রফিক উদ্দিনকে ধরিয়ে দেয় পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে।'নিকটজনের দ্বারা 'বিপর্যয়ের শিকার রফিক উদ্দিন ও সিরাজউদ্দৌলা।"- মন্তব্যটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।
- মৃত্যুকালে সিরাজের মুষ্টিবদ্ধ হাত কীসের প্রতীক?
- 'চারিদিকে শুধু অবিশ্বাস আর ষড়যন্ত্র'- ব্যাখ্যা করো।
- একরাতে একদল অচেনা লোক রাহাত সাহেবের বাড়িতেআশ্রয় চায়। রাহাত সাহেব দয়াপরবশ হয়ে তাদের থাকা ওখাওয়ার ব্যবস্থা করেন। কিন্তু মধ্যরাতে সেই অচেনালোকেরা বাড়ির সবাইকে জিম্মি করে টাকা-পয়সা ও মূল্যবানজিনিসপত্র নিয়ে পালিয়ে যায় ।উদ্দীপকের আগন্তুকরা 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কাদেরসাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- 'যার অন্তরে বয়ে যায় দেশপ্রেমকোন অসম্মান তাকে পারে না ছুঁতেশত কলঙ্ক রেখা দিলে টেনেকালের পৃষ্ঠা তাকে খাঁটি করে হেমেপ্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরেতিনি বেঁচে থাকেন অন্তরে।'উদ্দীপকের দেশপ্রেম 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের মধ্যে বেশি স্পষ্ট? বর্ণনা করো।
- সিরাজউদ্দৌলা কামানের গোলায় উড়িয়ে দিতে বলেছেন-
- হলওয়েল কে? 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে তার পরিচয় দাও।
- 'ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড়ো লজ্জার কথা।'- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- সিরাজউদ্দৌলা কাকে কলকাতার দেওয়ান নিযুক্ত করেন?
- মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাশাসক, রাজনীতিবিদ ও কতিপয় বিপথগামী দোসররা জনসাধারণের ওপর নিষ্ঠুর নির্যাতন চালায় ও জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে। এ দেশের আপামর জনতা দেশপ্রেমে উদবুদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে । উদ্দীপকের প্রথম বাক্য 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোনকোন চরিত্রের কর্মকাণ্ডকে ধারণ করে?
- অটোমান সম্রাজ্যের পথপ্রদর্শক সুলতানা কোসেম। যখনই রাজপরিবার বিপদগ্রস্ত হয়েছে, তখনই সুলতানা কোসেম মুখ্য, ভূমিকা পালন করেছেন। এক সৈনিক শত্রুর সাথে হাত মেলালে প্রমাণ সাপেক্ষে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। এতে ওই সৈনিকের পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সুলতানা ঐ পরিবারের দায়ভার ও তার ছেলে হাবিবের লেখাপড়ার দায়িত্ব নেন। কিন্তু হাবিব পিতৃহত্যার কথা জানতে পেরে মনে মনে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। সুযোগ পেয়ে কোসেমকে হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করেন। এ যাত্রায় সুলতানা রক্ষা পেলে হাবিব নাবালক বলে তাকে ক্ষমা করেন এবং সংশোধনাগারে পাঠিয়ে দেন। দীর্ঘদিন সংশোধনাগারে রাখার পর হাবিবকে আবার সৈনিক হিসেবে নিয়োগ দেন। কিন্তু হাবিব সুযোগ পেয়ে সুলতানাকে হত্যা করেন।'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মোহাম্মদী বেগ চরিত্রের সঙ্গে উদ্দীপকে বর্ণিত হাবিব চরিত্রটির সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য তুলে ধরো।
- শামসুজ্জামানের বাবা অনাথ হাবিবকে লালনপালনকরেন। শামসুজ্জামানের সঙ্গে তার চাচা মোতালেবেরবিরোধ বাধলে অর্থের লোভে মোতালেবের নির্দেশে হাবিবশামসুজ্জামানকে হত্যা করে ।সাদৃশ্যের কারণ হলো, উভয়েই— কৃতঘ্নক্ষমতালোভীঅর্থলোভীনিচের কোনটি সঠিক?
- হাজী আব্দুল গণি মিয়া তার পিতার উত্তরসূরি হিসেবে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি ছিলেন পরোপকারী এবং উদার চিত্তের মানুষ। দীন-দুঃখী মানুষকে সাহায্য করাই যেন তাঁর মূল কাজ। তাঁর সহধর্মিণীও ছিলেন একই স্বভাবের। এক রাতে একদল আগন্তুক এসে তাদের কাছে আশ্রয় চান। হাজী আব্দুল গণি মিয়া সরল মনে আগন্তুকদের থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা করেন। মধ্যরাতে সেই আগন্তুকরা বাড়ির সবাইকে জিম্মি করে সব ধন-সম্পদ লুট করে নেয়, বাধা দিতে গিয়ে হাজী আব্দুল গণি মিয়া আগন্তুকদের আঘাতে নির্মমভাবে নিহত হন।'তুমি কি মনে কর, উদ্দীপকের বিষয়বস্তুতে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মূল ঘটনা- ঘ ভিন্ন প্রেক্ষাপটে ফুটে উঠেছে?' বিশ্লেষণ ও সংশ্লেষণ করে তোমার মতামত দাও।
- তামা-তুলসী গঙ্গাজল ছুঁয়ে ঈশ্বরের নাম শপথ করছি , আমার জীবন নবাবের কল্যাণে উৎসর্গীকৃত ।'সিরাজ-উ-দ্দৌলা নাটকে এ উক্তি কে করে ?
- “আজ নবাবকে ডোবাচ্ছেন, কাল আমাদের পথে বসাবেন নাতা কি বিশ্বাস করা যায়?”- ক্লাইভের এ উক্তিতে প্রকাশপেয়েছে মীরজাফর ও তার সঙ্গীদের প্রতি—
- "আপনাকে আমরা মায়ের মত ভালবাসি।" ঘসেটি বেগমকে উদ্দেশ্য করে একথা বলেছিল-
- 'অর্থাৎ ঘুষ খেয়ে খেয়ে ঘুষ কথাটার অর্থই বদলে গেছেআপনার কাছে।'— 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে সংলাপটি কার?
- 'আমি গভর্নর ড্রেকের ধ্বংস দেখতে চাই।'—উক্তিটি কে কাকে করেছে?
- একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীআমাদের দেশে ব্যাপক নির্যাতন চালায়। অসংখ্য মানুষেরবাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়। মা-বোনদের সম্মানহানি করে এবংব্যাপক গণহত্যা চালায়।এরূপ সাদৃশ্যের অন্তর্নিহিত কারণ— কুঠিয়াল ইংরেজ কর্তৃক নিরীহ প্রজাদের ওপরঅত্যাচারলবণ বিক্রেতার বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়ানবাবের অর্থ আত্মসাৎ করানিচের কোনটি সঠিক?
- সুজন মিয়া এতিম আলীকে আদর, ভালোবাসা দিয়ে বড়ো করে তোলেন। তাকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করেন। বিশ্বাস করে হাটবাজারে পাঠান বিভিন্ন জিনিস কেনাকাটা করার জন্য। প্রতিবেশীরা সুজন মিয়াকে প্রায়ই বলেন, আলীকে এত বিশ্বাস না করতে। ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে সুজন মিয়া মুক্তিবাহিনীতে যোগদান করলে আলী গোপনে তার সব খবর। পাকিস্তানি সেনাদের কাছে পৌঁছে দেয়।, পরবর্তীকালে রাজাকার আর পাকিস্তানি সেনাদের কাছে সুজন মিয়াকে ধরিয়ে দেয়।উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
- সবাই মিলে সত্যিই আমরা বাংলাকে বিক্রি করে দিচ্ছিনা তো?— উক্তিটি কার?
- 'বর্গি এস খাজনা নিতেমারল মানুষ কত।পুড়ল শহর, পুড়ল শ্যামলগ্রাম যে শত শত।হানাদারের সজো জোরেলড়ে মুক্তি সেনা,তাদের কথা দেশের মানুষকখনো ভুলবে না।'উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটিকে নির্দেশ করে? আলোচনা করো।
- কে আল্লাহর কালাম ছুঁয়ে ওয়াদা করেছিল?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের তৃতীয় অঙ্কে দৃশ্য সংখ্যা কত?
- ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড় লজ্জার কথা। উক্তিটি বুঝিয়ে লেখ।
- 'দশদিকের দশটি হাত ভর্তি করতে হিমশিম খেয়েযাচ্ছে ইংরেজ, ডাচ আর ফরাসিরা।'- এ কথারমধ্যে কোন তথ্য রয়েছে?
- রুনু ও ঝুনু দু'বোন। রুনুর দুই সন্তান। ঝুনুর কোনো সন্তান নেই। তাই ঝুনু রুনুর সন্তানদের মাতৃস্নেহে বড় করে। কিন্তু এ স্নেহ বেশিদিন স্থায়ী লাভ করে না। কারণ রুনু-ঝুনুর বাবা তাঁর সমস্ত সম্পত্তি রুনুর দুই সন্তানকে উইল করে দেন। এতে ঝুনু মনঃকষ্ট নিয়ে বলে, আগে জানলে রুনুর সন্তানদের ছোটবেলায় মেরে ফেলতাম।"উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আংশিক চিত্র মাত্র"- বিশ্লেষণ করো।
- অবিসংবাদিত নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর নেতৃত্বে দেশের জনমানুষ সুসংহত হতে থাকে। সকলে পরাশক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার শপথ নেয়। এ সময় কিছু রাষ্ট্রদ্রোহী ব্যক্তিবর্গ প্রতিপক্ষের সাথে শলাপরামর্শ করে স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য। অথচ দেশবিরোধীরা ধর্মগ্রন্থ নিয়ে শপথ করে যে তারা দেশের স্বার্থে ও নেতার পক্ষে কাজ করবে। তাদের মধ্যে আবার কেউ বলে, বাইবেলের কসম আমার জীবন দেশের কল্যাণে উৎসর্গকৃত।'দেশের স্বার্থ তারা জলাঞ্জলি দিয়ে নিজের স্বার্থ হাসিল করতে চায়'- মন্তব্যটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে শেষ সংলাপ কার?
- হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আপাদমস্তক একজন দেশপ্রেমিক। যুগ যুগ ধরে শোষিত নিপীড়িত বাঙালিকে তিনিই মুক্তির স্বাদ দিতে পেরেছিলেন। দেশ ও দেশের মানুষকে ভালোবেসে 'বহুবার কারাবরণ করেছেন তিনি। নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন সাধারণ মানুষের কল্যাণে। অথচ নিজ ঘরের দরজায় পরিচিত কয়েকজনকে হন্তারকের ভূমিকায় দেখে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলেন জাতির পিতা।'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলার শেষ নবাব সিরাজউদ্দৌলার মতোই দেশপ্রেমিক ছিলেন।'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে দ্বিতীয় অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যের সময়কাল কত?