মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার আজমত আলী শান্তি কমিটি গঠন করে এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে যোগ দিয়ে এই দেশের প্রচুর ক্ষয়-ক্ষতি সাধন করে। পরবর্তীকালে মানবতাবিরোধী অপরাধে তার নামে মামলা করা হয় এবং ফাঁসিও কার্যকর করা হয়। প্রত্যক্ষ মুক্তিযোদ্ধা জামিল উদ্দীন জানান ওই বিশ্বাসঘাতক আজমত 'আলীর সাহায্যেই হানাদার বাহিনী গ্রামের অনেক মুক্তিযোদ্ধাকে গুলি করে হত্যা করে এবং তাঁদের পরিবারের ওপর চালায় সীমাহীন নির্যাতন।
“প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপকের বিষয়টি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মূল বিষয়কে তুলে ধরেছে।"-মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:


Related Questions (Any University/Year)
- 'ট্রাজেডি' নাটকের অঙ্গ বিভাজন কত প্রকার?
- “সিরাজউদ্দৌলা" নাটকটি কতটি অঙ্কে রচিত?
- মনসুর, অপু, তাহেরসহ মোট বারোজন মিলে নিজেদেরউন্নতির জন্য একটি সমিতি গঠনে করে। সবাই প্রতি মাসেপাঁচশ টাকা করে তাহেরের কাছে জমা রাখে। কিছুদিন পরতাহের সব টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। উদ্দীপকের তাহের ‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোনচরিত্রের প্রতিনিধি?
- আবেদ-জাবেদ দুই ভাই কার মৃত্যুতে দানবীয় উল্লাস প্রকাশ করেছিল?
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোথায় বন্দি হন?
- উমিচাঁদ ঘসেটি বেগমকে কার স্বাক্ষরিত চিঠিদেয়?
- রাইসুল জুহালার প্রকৃত নাম কী?
- যতিন শেখ বহু বছর ধরে প্রবাসী। থাকা-খাওয়াসহ মাসিক বেতনের বিনিময়ে তার গ্রামের বাড়ি ও সম্পদ দেখাশুনা করে মোহন। প্রচন্ড অর্থলোভী মোহন যতিন শেখের সহায়-সম্পদের যথেচ্ছা ব্যবহার ও তা আত্মসাৎ করলেও যতিন শেখের কাছে সে ভীষণ বিশ্বাসভাজন। এবার দেশে এলে মোহন ডাকাত দলের সাথে মিলে যতিন শেখের বাড়ি ডাকাতি করে বিপুল অর্থ আত্মসাতের পরিকল্পনা করেছে। সে মনে করে অর্থই সব, অর্থের চেয়ে বড় আর কিছু নেই।"অর্থলোভ মানুষকে অন্যায় ও অনৈতিকতার দিকে ধাবিত করে।"- মন্তব্যটি উদ্দীপক এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।
- যিশুর খুবই কাছের সহচর ছিল জুডাস। একদিন জুডাস মাত্র ৩০. রৌপ্য মুদ্রার বিনিময়ে যিশুকে রোমান সৈন্যদের হাতে ধরিয়ে দিতে সহায়তা করে। উত্ত চরিত্রের কর্মফল ঘটে- দেশপ্রেমিকের মৃত্যু ইংরেজদের উথানগণবিক্ষোভ হয় নিচের কোনটি সঠিক?
- নবাব সিরাজ রাজধানীতে ফিরে এলেন কেন?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে ফরাসিদের অধিকৃত একমাত্র দুর্গের নাম কী?
- "ঘরের লোক অবিশ্বাসী হলে বাইরের লোকের পক্ষে সবই সম্ভব"- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ''সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে লুৎফুন্নেসা কার কন্যা?
- ক্লেটন কাদেরকে প্রাণপণে যুদ্ধ করতে বলেন?
- নবাবের কোনো ক্ষমতা নেই।'- ক্লাইভের এ কথার অর্থ কী?
- দুর্গম গিরি কান্তার মরু, দুর্বার পারাবারলঙ্গিতে হবে রাত্রি নিশীথে, যাত্রীরা হুঁশিয়ার!দুলিতেছে তরি, ফুলিতেছে জল, ভুলিতেছে মাঝি পথ,ছিঁড়িয়াছে, পাল, কে ধরিবে হাল, আছে কার হিম্মৎ?কে আছ জোয়ান হও আগুয়ান হাঁকিছে ভবিষ্যৎ।এ তুফান ভারী, দিতে হবে পাড়ি, নিতে হবে তরী পার।উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিক প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- পুরানগড়ের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে মাতামুহুরী নদী। এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী নদীতে শত শত মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করে যাচ্ছে। মেশিনের বিকট শব্দে এলাকা প্রকম্পিত। অন্যদিকে, তারা এলাকার ধানি জমিগুলোকে ইটভাটা বানিয়ে কৃষি উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে। ইট পোড়ানোর কাঠ জোগান দিতে তারা নির্বিচারে বৃক্ষনিধন যজ্ঞে লিপ্ত হয়েছে। এলাকার পরিবেশবাদী সচেতন মহল ব্যাবসার নামে এই ধরনের পরিবেশ বিপর্যয়মূলক ভয়াবহ কর্মকান্ডের বিরোধিতা করে প্রশাসনের নিকট এর প্রতিকার চায়। কিন্তু, ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের নজর এড়িয়ে নানা কৌশলে তাদের কর্মকান্ড অব্যাহত রাখে। পরিবেশবাদীরা মনে করেন, এভাবে চলতে থাকলে অচিরেই মানবিক বিপর্যয়ও ঘটে যেতে পারে। তাই ব্যবসায়ীদের সঙ্গে তাদের দ্বন্দ্ব-সংঘাত লেগেই আছে।উদ্দীপকের পরিবেশবাদীদের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের আদর্শিক মিল খুঁজে পাওয়া যায়।
- 'যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা' - বাক্যটির মর্মার্থ হলো—
- 'আল্লাহর কাছে মাফ চেয়ে নাও শয়তান।'- কে, কোন প্রসঙ্গে এ কথাটি বলেছে?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে 'স্বার্থান্ধ প্রতারকের কাপুরুষতা বীরের সংকল্প টলাতে পারেনি' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- একরাতে একদল অচেনা লোক রাহাত সাহেবের বাড়িতে'আশ্রয় চায়। রাহাত সাহেব দয়াপরবশ হয়ে তাদের থাকা ওখাওয়ার ব্যবস্থা করেন। কিন্তু মধ্যরাতে সেই অচেনালোকেরা বাড়ির সবাইকে জিম্মি করে টাকা-পয়সা ও মূল্যবানজিনিসপত্র নিয়ে পালিয়ে যায় ।'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে এরূপ সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়-বাণিজ্য করতে এসে ক্ষমতা দখলের চেষ্টানবাবের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়ামিরজাফরদের সাথে গোপনে সন্ধি করানিচের কোনটি সঠিক?
- পাকিস্তানি মিলিটারিরা একটি স্কুল ঘরে ক্যাম্প করেছিল। তাদের সাথে কিছু রাজাকারও ছিল। মুক্তিবাহিনীর কমান্ডার জাভেদের যুদ্ধের নৈপুণ্যে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানি বাহিনীর সাথে থাকা রাজাকারদের পরামর্শে তারা আত্মসমর্পণ করে প্রাণ রক্ষা করল।'নবাব সিরাজউদ্দৌলা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রেরণা, জুগিয়েছে।'- মন্তব্যটি উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রথম অঙ্কের প্রথম দৃশ্য অবলম্বনে আলোচনা করো।
- 'ভীরু প্রতারকের দল চিরকালই পালায়।'-এর তাৎপর্য বুঝিয়ে দাও।
- 'এতক্ষণে-অরিন্দম কহিলা বিষাদে-'জানিনু কেমনে আসি লক্ষ্মণ পশিলরক্ষঃপুরে। হায়, তাত, উচিত কি তবএ কাজ, নিকষা সতী তোমার জননী,সহোদর রক্ষঃশ্রেষ্ঠ? শূলিশম্ভুনিভকুম্ভকর্ণ? ভ্রাতৃপুত্র বাসববিজয়ী।নিজ গৃহপথ, তাত, দেখাও তস্করে?চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে?'উদ্দীপকের 'তাত' চরিত্রের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সমগোত্রীয় চরিত্রের সাদৃশ্য বিচার করো।
- ১২০৪ সালে তুর্কি বীর ইখতিয়ার উদ্দীন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজি মাত্র ১৭/১৮ জন সৈন্য নিয়ে নদীয়ার শাসক লক্ষ্মণ সেনের রাজ্য আক্রমণ করেন। বখতিয়ার খিলজির শৃঙ্খলিত ও বিশ্বস্ত সেনবাহিনীর কাছে অল্প সময়ের মধ্যেই লক্ষ্মণ সেনের সেনাবাহিনী যুদ্ধ না করে জীবন বাঁচাতে পলায়ন করে। সেই সাথে লক্ষ্মণ সেনও সেদিন পলায়ন করেন। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই বখতিয়ার খিলজি বিজয় পতাকা উত্তোলন করেন। আসলে সেদিন সেখানে যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে যুদ্ধের অভিনয়।উদ্দীপকের প্রতিফলিত দিকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যাখ্যা কর।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত মেঘনাদবধ কাব্য অনুসারে রাম-রাবণের যুদ্ধে বিভীষণ স্বপক্ষ-ত্যাগী বিশ্বাসঘাতক, দেশদ্রোহী, অকৃতজ্ঞ ও স্বজনবিমুখ হিসেবে চিহ্নিত। অপরদিকে বীরবাহু, কুম্ভকর্ণ ও মেঘনাদ দেশপ্রেমিক। নিজ দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাঁরা জীবন উৎসর্গকারী। যদিও বিভীষণের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে মেঘনাদ যুদ্ধ করার সুযোগ পায়নি। আজও বাঙালি সমাজে প্রবাদ হয়ে আছে-'ঘরের শত্রু বিভীষণ'।উদ্দীপকের বিভীষণের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য আছে? আলোচনা করো।
- ‘আমার নালিশ আজ আমার নিজের বিরুদ্ধে' বলতেনবাব বোঝাতে চেয়েছেন—
- গোলকচন্দ্র বসু ও তাঁর রাইয়ত সাধুচরণের আলাপ-চারিতায় ফুটে ওঠে ইংরেজ কর্তৃক সাধারণ চাষিদের নীল চাষে বাধ্য করা, নীল চাষে অস্বীকৃতি জানালে জেল-জুলুম, নিরীহ বৌ-ঝির সম্ভ্রমহানি প্রভৃতি দৈনন্দিন কর্মকান্ডের অংশ। প্রজা পীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য গোলক বসুর পুত্র নবীন মাধব প্রতিবাদী হয়ে ওঠে এবং নীলকর সাহেবদের বিরুদ্ধে মামলা করে। একবার এক নীলকরকে বাগে পেয়েও চারিত্রিক ঔদার্যের কারণে সেই নীলকরকে কঠিন শাস্তি না দিয়ে ছেড়ে দেয়। অথচ পরবর্তী সময়ে সেই নীলকরদের লাঠিয়াল বাহিনীর নির্মম প্রহারে নবীন মাধব মৃত্যুবরণ করে। 'অবস্থানগত ভিন্নতা পরিলক্ষিত হলেও নবীন মাধব এবং সিরাজউদ্দৌলার জীবন একই সূত্রে গাঁথা।'- মতামতসহ তোমার অবস্থান তুলে ধরো।
- সিকান্দার আবু জাফর রচিত 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের রাইসুল জুহালা কেমন চরিত্র?
- রাইসুল জুহালার প্রকৃত নাম কী?
- মসনদে একটি মাত্র দিনের জন্য মাথা উঁচু করে বসার ইচ্ছা ছিল কার?
- কে আল্লাহর কালাম ছুঁয়ে ওয়াদা করেছিল?
- সিরাজউদ্দৌলার মায়ের নাম কী?
- পত্র মারফত শওকতজঙ্গকে কে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছিলেন?
- রফিক স্পষ্টভাবেই তার চাওয়াটা সকলকে জানিয়ে দিয়ে গেছে। সে সহ-সভাপতির পদ চায়। এও বলেছে যে, যদি সোহেলদের দল জিতবে নিশ্চয়তা থাকে তাহলেই কেবল রফিক তাদের দলে আসবে, পরাজয়ের আশঙ্কা থাকলে সে তার বর্তমান দল ত্যাগ করবে নাউদ্দীপকের ঘটনাপ্রবাহের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন সংলাপটি স্মরণযেগ্য?
- 'ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড়ো লজ্জার কথা।'– উক্তিটি কে করেছিল?
- সিরাজউদ্দৌলার প্রধান প্রতিবন্ধকতা কি ছিল?
- ব্যস্ত শহরের তিনমাথায় হঠাৎ করে একজন লোককে লক্ষ করা যায়। সে নানা ধরনের রঙিন পাথর নিয়ে বসে আছে। তাঁর ভাষ্যমতে, এগুলো সে স্বপ্নে পেয়েছে। এ সব পাথর শরীরে ধারণ করলে সকলের সমস্ত রোগ ভালো হয়ে যাবে। শহরের অনেকেই সরল বিশ্বাসে সেগুলো টাকা দিয়ে কিনে নিয়ে যাচ্ছে। আর এদিকে লোকটার আয়ও দিনে দিনে বেড়ে যেতে থাকে। লোকজন এখন তাকে পাথরবাবা বলে ডাকে।"উদ্দীপকের পাথরবাবা ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ"- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- সুদূর লাহোর হইতে আমি বাংলাদেশে আসিয়াছি অর্থ উপার্জনের জন্য।' “সিরাজউদ্দৌলা” নাটকে উক্তিটি কে করেছেন?
- শহরে বড়োসড়ো এক ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল ডাকাত সরদার নিজাম ও তার দল। এ লক্ষ্যে শহরের প্রান্তে এক পরিত্যক্ত বাড়িতে তারা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংগঠিত হতে থাকে। গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে নগর পুলিশ পরিত্যক্ত বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সদলবলে নিজামকে আটক করে কারাগারে প্রেরণ করে।'ইংরেজদের পরিণতির উদ্দীপকের নিজামদের মতো হলে এ দেশের ইতিহাস পালটে যেতো।'- উক্তিটির যথার্থতা নির্ণয় করো।