সিরাজউদ্দৌলার প্রধান প্রতিবন্ধকতা কি ছিল?
A. জমিদার বিদ্রোহ
B. ইংরেজদের ষড়যন্ত্র
C. পরিবার প্রীতি
D. প্রসাদ ষড়যন্ত্র
সঠিক উত্তরঃ
D.
প্রসাদ ষড়যন্ত্র
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- সিরাজের শ্বশুরের নাম কী?
- "সিরাজউদ্দৌলা" নাটকের দৃশ্য সংখ্যা কয়টি?
- 'ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন'- কথাটি-বুঝিয়ে লেখ।
- শাহীন গ্রামে প্রতিবেশীর বাড়িতে চুরি করে ধরা পড়ে। মা-বাবা সম্মান বাঁচাতে ছেলেকে মামাবাড়ি পাঠিয়ে দেয়। সেখানে কিছুদিন থাকার পর নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। মামার ঘরের ছোট ছোট দামি জিনিসপত্র হারাতে থাকে। প্রথমত তারা কাজের মেয়েকেই সন্দেহ করে। কিন্তু মেয়ের জন্মদিনের উপহার হারিয়ে গেলে তা পাওয়া যায় শাহীনের ঘরের আলমারির মধ্যে তালাবদ্ধ অবস্থায়। তখন মুখোশ খুলে যায় শাহীনের। মামাবাড়ি থেকে সে বিতাড়িত হয়।'শাহীন কিংবা লর্ড ক্লাইভের মতো মানুষের অভাব সমাজে নেই'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- সুদূর লাহোর হইতে আমি বাংলাদেশে আসিয়াছি অর্থ উপার্জনের জন্য।' “সিরাজউদ্দৌলা” নাটকে উক্তিটি কে করেছেন?
- শোনা যায়, তিস্তাপাড়ে এখন আর ফসলি জমি নেই। এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী জমিতে মেশিন বসিয়ে উত্তোলন করে নিচ্ছে ভূগর্ভস্থ পাথর। এই অঞ্চলে ফসলের তুলনায় পাথরের মূল্য বেশি। দিনে দিনে মেশিনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিবেশের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এলাকার সচেতন জনগোষ্ঠী দেশের স্বার্থে এতে বাধা দিলে তারা সাময়িকভাবে পাথর উত্তোলন-বদ্ধ রাখে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের তিনটি মেশিন বসানোর অনুমতি নিয়ে বাস্তবে তিনশত মেশিন বসিয়ে আবার পাথর উত্তোলন করে যাচ্ছে ব্যবসায়ীরা। এতে যেমন ব্যাহত হচ্ছে খাদ্য উৎপাদন, তেমনি নষ্ট হচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্য। ব্যবসায়ীদের তাতে কিছু যায়-আসে না, অধিক মুনাফা অর্জনই যেন তাদের লক্ষ্য। এভাবে চলতে থাকলে একদিন হয়তো শোনা যাবে, মাটির নিচে তলিয়ে গেছে তিস্তাপাড়ের বিশাল জনপদ।"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপকের অসাধু ব্যবসায়ী আর 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ইংরেজ বেনিয়াদের চরিত্র অভিন্ন"- এই বিষয়ে তোমার অভিমত আলোচনা করো।
- 'আপনারা সব পারেন'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- কেউতো জানে না প্রাণের আকুতি বারেবারে সে কি চায়স্বার্থের টানে প্রিয়জন কেন দূরে সরে চলে যায়ধরণির বুকে পাশাপাশি তবু কেউ বুঝি কারো নয়।"উদ্দীপকের দ্বিতীয় লাইনটি যেন 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘসেটি বেগমকে ইঙ্গিত করছে"- মন্তব্যটি বুঝিয়ে লেখো।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট দেশি-বিদেশি চক্রান্তে একদলবিপথগামী সেনাসদস্যের সহায়তায় জাতির জনকবঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করে ক্ষমতা দখলকরে খন্দকার মোশতাক।উদ্দীপকের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুররহমান-এর সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোনচরিত্রের মিল রয়েছে?
- সিকান্দার আবু জাফরের জন্মগ্রাম কোনটি?
- সৈয়দপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিক উদ্দিন পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে নিজ এলাকায় প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তাঁর নিকটাত্মীয় মনির একজন বিশ্বাসঘাতক রাজাকার। কেউই মনিরকে বুঝিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের দলে নিতে পারেনি। মুক্তিযোদ্ধের শেষের দিকে একদিন মনির রাজাকার মুক্তিযোদ্ধা রফিক উদ্দিনকে ধরিয়ে দেয় পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে।উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নটকের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
- রতন ও রমন দুই বন্ধু বনের ভিতর দিয়ে যাচ্ছিল। তারা এই মর্মে প্রতিজ্ঞা করে যে, কোনো বিপদ এলে কেউ কাউকে ছেড়ে পালাবে না। কিছুদূর অগ্রসর হওয়ার পর তারা দেখতে পায়, একটি ভালুক তাদের দিকে এগিয়ে আসছে। দুজনই ভীত হয়। রতন হঠাৎ লাফ দিয়ে গাছের উপরে ওঠে। রমন গাছে চড়তে জানে না। তাই মৃত মানুষের মতো মাটিতে শুয়ে পড়ে। হিংস্র ভালুকটি দৌড়ে এসে মাটিতে শুয়ে থাকা রমনের দেহটিকে নিরীক্ষণ করে অবশেষে মৃতদেহ ভেবে চলে যায়। রতন গাছ থেকে নেমে রমনের কাছে গিয়ে ভালুক তার কানে কানে কী বলে গেল তা জানতে চায়। রমন গম্ভীর স্বরে উত্তর দিলো: ভালুকটি বলেছে "বিপদের সময় যারা প্রতিজ্ঞার কথা ভুলে যায়, অসহায় বন্ধুকে ত্যাগ করে, তারা কখনো ভালো মানুষ হয় না।" রতন লজ্জিত হয়। বিনম্র স্বরে বলে, " বন্ধু, বন্ধুত্ব নয়, বুদ্ধি দিয়ে তুমি জিতেছ।"উদ্দীপকের রমনের পরিণতি এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে সিরাজের পরিণতি সম্পূর্ণ ভিন্ন"- উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- দশ গ্রামের মাতব্বর আশরাদ চৌধুরী নিঃসন্তান না হলেও কোনো পুত্রসন্তান নেই। বিত্তশালী চৌধুরী সাহেব তাই সমস্ত সম্পত্তির উত্তরাধিকারী করেন ভাইপো সজলকে। এতে ক্ষিপ্ত হয় তার অন্যান্য ওয়ারিশরা। চৌধুরী সাহেব সকলকে বোঝাতে পারলেও জামাতা আসমত সাহেবকে কোনোভাবে বোঝাতে পারেনি। তিনি শ্বশুরকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেন।উদ্দীপকের আসমত সাহেব 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? আলোচনা করো।
- শহরে বড়োসড়ো এক ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল ডাকাত সরদার নিজাম ও তার দল। এ লক্ষ্যে শহরের প্রান্তে এক পরিত্যক্ত বাড়িতে তারা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংগঠিত হতে থাকে। গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে নগর পুলিশ পরিত্যক্ত বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সদলবলে নিজামকে আটক করে কারাগারে প্রেরণ করে।ডাকাত দলের প্রস্তুতির বিষয়টিকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন ঘটনার সাথে তুলনা করা যায়? ব্যাখ্যা করো।
- আকবর সাহেবের কুপুত্র তানভীরকে পারিবারিক ব্যাবসারভাগ না দিয়ে আকমল সাহেবের ছেলে ইমরানকে ব্যাবসারএকচ্ছত্র কর্ণধার করে যান দাদা আশরাফউদ্দিন। এ নিয়েইআকবর সাহেব ভ্রাতুষ্পুত্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন ।উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের যে দিকের সাথেসঙ্গতিপূর্ণ—
- ক্লেটন কাদেরকে প্রাণপণে যুদ্ধ করতে বলেন?
- 'আমার নালিশ আজ আমার নিজের বিরুদ্ধে'সিরাজউদ্দৌলার এই উক্তিটিতে প্রকাশ পেয়েছে—
- ধর্মপথগামী, হে রাক্ষসরাজানুজ, বিখ্যাত জগতেতুমি; কোন ধর্মমতে, কহ দাসে, শুনি,জ্ঞাতিত্ব, ভ্রাতৃত্ব, জাতি, এ সকল দিলাজলাজালি? শাস্ত্রে বলে, গুণবান যদি পরজন,গুণহীন-স্বজন, তথাপি নির্গুণ স্বজন শ্রেয়ঃ পরঃপরঃ সদা।উদ্দীপকের জ্ঞাতিত্ব, ভ্রাতৃত্ব, জতি- এ সকল দিলা জলাঞ্জলি লাইনটিতে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মর্মার্থই প্রতিধ্বনিত হয়েছে- মূল্যায়ন কর।
- শোনা যায়, তিস্তাপাড়ে এখন আর ফসলি জমি নেই। এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী জমিতে মেশিন বসিয়ে উত্তোলন করে নিচ্ছে ভূগর্ভস্থ পাথর। এই অঞ্চলে ফসলের তুলনায় পাথরের মূল্য বেশি। দিনে দিনে মেশিনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিবেশের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এলাকার সচেতন জনগোষ্ঠী দেশের স্বার্থে এতে বাধা দিলে তারা সাময়িকভাবে পাথর উত্তোলন-বদ্ধ রাখে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের তিনটি মেশিন বসানোর অনুমতি নিয়ে বাস্তবে তিনশত মেশিন বসিয়ে আবার পাথর উত্তোলন করে যাচ্ছে ব্যবসায়ীরা। এতে যেমন ব্যাহত হচ্ছে খাদ্য উৎপাদন, তেমনি নষ্ট হচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্য। ব্যবসায়ীদের তাতে কিছু যায়-আসে না, অধিক মুনাফা অর্জনই যেন তাদের লক্ষ্য। এভাবে চলতে থাকলে একদিন হয়তো শোনা যাবে, মাটির নিচে তলিয়ে গেছে তিস্তাপাড়ের বিশাল জনপদ।উদ্দীপকের সচেতন জনগোষ্ঠী 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? কীভাবে?
- 'নবাবের কোনো ক্ষমতা নেই।"- ক্লাইভের এ কথার অর্থ কী?
- চরম ব্যবসায়িক বিপর্যয়ের সময় স্বার্থের কারণে রশিদ সাহেবেরপ্রতি স্ত্রী-সন্তানরাও মুখ ফিরিয়ে নেয়; অথচ জীবনের শেষ দিনপর্যন্ত রশিদ সাহেবকে সেবা করার শপথ নেয় ভৃত্য করিম।উদ্দীপকের ভৃত্য করিম 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোনচরিত্রের অনুরূপ?
- সালভেদর আলেন্দে ছিলেন চিলির নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট। ১৯৭৩ সালে দেশের সেনাবাহিনী তাকে হত্যা করে ক্ষমতা গ্রহণ করে আলেন্দে কর্তৃকই নিয়োগপ্রাপ্ত জেনারেল পিনোচেট। উভয় চরিত্রের সাদৃশ্যগত বৈশিষ্ট্য-ক্ষমতালিপ্সাবিশ্বাসঘাতকতাকাপুরুষতানিচের কোনটি সঠিক?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে অঙ্ক সংখ্যা কত?
- মধুমতি নদীতে জেগে উঠেছে চান্দের চর। পলিময় উর্বর সে ভূমি। দেখলে যে কারোরই চোখ টাটায়। মন্তু মিয়াও এর বাইরে নয়। কিন্তু এলাকার প্রবল প্রতাপশালী জমিদারের সঙ্গে লড়বে কে? মঞ্জু মিয়া তাই গোপনে হাত মেলায় জমিদারের জ্ঞাতি ভাই গজনবী চৌধুরীর সঙ্গে। তার সহায়তায় মঞ্জু মিয়া এবং তার লাঠিয়াল বাহিনী চরটি দখল করে নেয়। এবার মঞ্জু মিয়ার নতুন চরের দায়িত্ব নেওয়ার পালা। সে গজনবী চৌধুরীর উপস্থিতি ও দোয়া ছাড়া চান্দের চরের দায়িত্ব গ্রহণ করতে অপারগতা প্রকাশ করে। এভাবেই নদীর বুকে জেগে ওঠা নতুন চর চিরকালের জন্য জমিদারের হাতছাড়া হয়ে যায়।"উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের বেদনাবহ পরিণতি খন্ড চিত্র।"- আলোচনা কর।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার আজমত আলী শান্তি কমিটি গঠন করে এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে যোগ দিয়ে এই দেশের প্রচুর ক্ষয়-ক্ষতি সাধন করে। পরবর্তীকালে মানবতাবিরোধী অপরাধে তার নামে মামলা করা হয় এবং ফাঁসিও কার্যকর করা হয়। প্রত্যক্ষ মুক্তিযোদ্ধা জামিল উদ্দীন জানান ওই বিশ্বাসঘাতক আজমত 'আলীর সাহায্যেই হানাদার বাহিনী গ্রামের অনেক মুক্তিযোদ্ধাকে গুলি করে হত্যা করে এবং তাঁদের পরিবারের ওপর চালায় সীমাহীন নির্যাতন।“প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপকের বিষয়টি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মূল বিষয়কে তুলে ধরেছে।"-মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশ সরকার দীর্ঘকাল ঔপনিবেশিক ভারতবর্ষে শাসনের নামে চালিয়েছে শোষণের স্টিমরোলার। এ সময় ভারতে স্বাধীনতার দাবিতে দানা বেঁধে ওঠে স্বদেশি আন্দোলন। ভারতবর্ষ জুড়ে তীব্র আন্দোলনে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ভিত কেঁপে ওঠে। ফলে এ আন্দোলনকে চিরতরে স্তব্ধ করে দেওয়ার জন্য সাম্রাজ্যবাদী সরকার ভারতের অগণিত তরুণ-যুবাকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝোলায়। মৃত্যু অবধারিত জেনেও মুক্ত স্বদেশের স্বপ্নে বিভোর আন্দোলনকারীরা পিছপা হননি। স্বদেশিদের দুর্বার এ সংগ্রামে তেত্রিশ কোটি ভারতবাসীর ছিল অকুণ্ঠ সমর্থন।"সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মূল উপজীব্য দেশপ্রেম, যা উদ্দীপকে বিদ্যমান?”- তোমার উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।
- দ্বিজেন্দ্র লাল রায়ের বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক 'শাজাহান।' পুত্র ঔরঙ্গজেবের হাতে দারা সুজা আর মুরাদের মৃত্যু বৃদ্ধ সম্রাট শাহজাহানকে যন্ত্রণায় ক্ষত-বিক্ষত করে তোলে। তাঁর বন্দিদশা, পিতৃহৃদয়ের হাহাকার এই নাটকটিকে শ্রেষ্ঠ ট্যাজেডি নাটকে পরিণত করেছে। সম্রাট শাহজাহানের নাম অনুসারে নাটকের নাম 'শাজাহান।'উদ্দীপকের আবেদনের আলোকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ট্র্যাজেডির স্বরূপ বিশ্লেষণ করো।
- 'ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড়ো লজ্জার কথা।'– উক্তিটি কে করেছিল?
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে তাঁর ধানমন্ডির বাসায় জাতীয়- আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে হত্যা করা হয়। যারা এ হীন কাজে জড়িত ছিল তাদের সবাই বঙ্গবন্ধুর নিজ হাতে গড়া সেনাবাহিনীর বিপথগামী সদস্য। বঙ্গবন্ধু বিশ্বাস করতে পারেননি যে তাঁকে কেউ মারতে পারে।উক্ত চরিত্রের মধ্যে প্রতিফলিত হয়েছে-নিষ্ঠুর??াকৃতজ্ঞতাবিশ্বাসঘাতকতানিচের কোনটি সঠিক?
- ধণাঢ্য ব্যাসায়ী ফিরোজ আহমেদ ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে একেবারে নিঃস্ব হয়ে গেছেন। শুধু তা-ই নয় প্রাণ হারানোর ভয়ে তিনি স্ত্রী ও সন্তানদের দিয়ে বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। ফিরোজ আহমেদের স্ত্রী সায়মা স্বামীর এই দুরবস্থার কারণে সব সময় সঙ্গে সঙ্গে থাকেন। শোকে যন্ত্রণায় কাতর ফিরোজ বছর দুই পরেই মৃত্যুবরণ করে। স্বামীর মৃত্যুর পরে সায়মা তার স্মৃতি নিয়ে একাকী জীবন কাটান। ফিরোজ আহমেদর চাচাতো ভাই ফরিদ সায়মাকে বিয়ে করার অনেক চেষ্টা করেও বিফল হয়।উদ্দীপকের সায়মা, সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে তা আলোচনা করো।
- "এদেশে থেকে এ দেশকে ভালোবেসেছি"-সংলাপটি কার?
- হউক সে মহাজ্ঞানী মহা ধনবানঅসীম ক্ষমতা তার অতুল সম্মান,কিন্তু যে সাধেনি কভু জন্মভূমির হিতস্বজাতির সেবা যেবা করেনি কিঞ্চিৎজানাও সে নরাধমে জানাও সতুরঅতীব ঘৃণিত সেই পাষন্ড বর্বর।উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে দেশবৈরিতার যে ঘৃণিত রূপ প্রকাশিত হয়েছে তার সাদৃশ্য দেখাও।
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ, পাকিস্তানি বাহিনী গণহত্যা শুরু করলে অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। তখন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর ছিলেন মোনায়েম খাঁ। বাঙালি হয়েও তিনি স্বদেশ ও স্বজাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেন। তার সাথে নানা অপতৎপরতায় যুক্ত হয় এ দেশের কিছু দালাল-দোসর। মোনায়েম খাঁ ও তার সহযোগী কুলাঙ্গারদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতায় হানাদার বাহিনী লাখ লাখ দেশপ্রেমিক বাঙালিকে হত্যা করে।উদ্দীপকের মোনায়েম খাঁ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রের কথা মনে করিয়ে দেয়। চরিত্রটি কার এবং কেন? ব্যাখ্যা কর।
- ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ আক্রমণের প্রাক্কালে ইংরেজবাহিনী সাদা নিশান উড়ায় কেন?
- ইতিহাসের এক বীর চরিত্র মহীশূরের টিপু সুলতান। ইংরেজদের বিরুদ্ধে টিপু যুদ্ধ করে প্রাণ দিয়েছেন। চতুর ইংরেজ টিপুর দরবারের এক উচ্চাভিলাষী সেনাপতিকে হাত করেছিল। এই সেনাপতি গোপনে টিপুর সব খবর ইংরেজদের কাছে পৌঁছে দিত। যুদ্ধের এক পর্যায়ে সে দুর্গের দরজা খুলে দিলে ইংরেজরা দুর্গে প্রবেশ করে। নিজ লোকের বিশ্বাসঘাতকতায় টিপু প্রাণ হারান।উদ্দীপকের সেনাপতির সঙ্গে তোমার পঠিত নাটকের কোন চরিত্রের মিল রয়েছে? আলোচনা করো।
- "ওর কাছে সব কিছুই যেন বড় রকেরম জুয়ো খেলা'- কার কাছে, কেন?
- ইংরেজরা পরাজিত হয়ে কোন জাহাজে আশ্রয় নেয়?
- ’কেউ এক চুল নড়লে প্রাণ যাবে।’ সংলাপটি কার?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে চতুর্থ অঙ্কের প্রথম দৃশ্যের স্থানিক পট কোথায়?
- অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। গণতন্ত্র রক্ষার স্বার্থে স্বৈরাচারী পাকিস্তান শাসকের বিরুদ্ধে আজীবন লড়াই করেছেন। ১৯৫২, ১৯৬৯ এবং শেষ পর্যন্ত উনিশ শত একাত্তর সনে এসে তাঁরই নেতৃত্বে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ নামের রাষ্ট্রের জন্ম হয়। কিন্তু পাকিস্তানি ষড়যন্ত্রকারী দালালরা থেমে থাকেনি। তাঁর উদারতার সুযোগে তারা এদেশে আবার শিকড় গেড়ে বসে। শুরু হয় নতুন ষড়যন্ত্র। তারই চরম পরিণতি হয় ১৯৭৫ সালের পনেরই আগস্ট।উদ্দীপকের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং নাটকের সিরাজউদ্দৌলা উভয়ে আপনজনের ষড়যন্ত্রের শিকার হলেও উদ্দীপকের সাথে নাটকের বৈসাদৃশ্য রয়েছে আলোচনা কর।