তিতলি ও বিতলির মারাত্মক জ্বর হলো । তাদের রক্ত পরীক্ষা করে দেখা গেল যে, তিতলির জ্বরের জীবানুটিতে কোন জীবিত কোষীয় অঙ্গাণু নেই এবং বিতলির জ্বরের জীবাণুটির কোষীয় তবে কোষ প্রাচীরবিহীন। তিতলি জ্বরের জীবাণুটি হলো -
সঠিক উত্তরঃ
A.
Virus
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
তিতলি ও বিতলির জ্বর: জীবাণুর প্রকারভেদ 🌡️🤧
তিতলি ও বিতলি, দুইজনেরই মারাত্মক জ্বর হয়েছে। রক্ত পরীক্ষার পর জানা গেল তাদের জ্বরের কারণ ভিন্ন ভিন্ন জীবাণু। নিচে তাদের জীবাণুগুলোর বৈশিষ্ট্য আলোচনা করা হলো:
তিতলির জ্বরের জীবাণু 🦠
- বৈশিষ্ট্য: তিতলির জ্বরের জীবাণুতে কোনো জীবিত কোষীয় অঙ্গাণু নেই।
- শনাক্তকরণ: যেহেতু এতে কোনো কোষীয় অঙ্গাণু নেই, তাই এটি ভাইরাস (Virus)।
- ভাইরাস সম্পর্কে কিছু তথ্য:
- ভাইরাস অত্যন্ত ক্ষুদ্র এবং শুধুমাত্র জীবন্ত কোষের অভ্যন্তরেই বংশবৃদ্ধি করতে পারে।
- এদের মধ্যে নিউক্লিক অ্যাসিড (DNA বা RNA) এবং প্রোটিনের আবরণ থাকে।
- ভাইরাস বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি করতে পারে, যেমন - ইনফ্লুয়েঞ্জা 🤧, কোভিড-১৯ 🦠, পোলিও ইত্যাদি।
- উদাহরণ: ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস 🤧, করোনা ভাইরাস 🦠
বিতলির জ্বরের জীবাণু 🧪
- বৈশিষ্ট্য: বিতলির জ্বরের জীবাণু কোষীয়, কিন্তু কোষ প্রাচীর নেই।
- সম্ভাব্য জীবাণু: মাইকোপ্লাজমা (Mycoplasma) নামক ব্যাকটেরিয়া।
- মাইকোপ্লাজমা সম্পর্কে কিছু তথ্য:
- মাইকোপ্লাজমা হলো ব্যাকটেরিয়ার একটি বিশেষ প্রজাতি যাদের কোষ প্রাচীর নেই।
- এরা বিভিন্ন প্রাণীর দেহে রোগ সৃষ্টি করতে পারে।
- এরা খুবই ছোট হয় এবং এদের আকার তুলনামূলকভাবে পরিবর্তনশীল।
- রোগ: নিউমোনিয়া 🫁, ইউরোজেনিটাল সংক্রমণ 🚺
তুলনামূলক তালিকা 📊
| বৈশিষ্ট্য | ভাইরাস (তিতলি) | মাইকোপ্লাজমা (বিতলি) |
|---|---|---|
| কোষীয় অঙ্গাণু | অনুপস্থিত ❌ | উপস্থিত ✅ |
| কোষ প্রাচীর | অনুপস্থিত ❌ | অনুপস্থিত ❌ |
| প্রজনন | জীবন্ত কোষের অভ্যন্তরে 🧬 | কোষ বিভাজন ➗ |
| আকার | অত্যন্ত ক্ষুদ্র 🤏 | ক্ষুদ্র 🤏 |
ভাইরাস এবং মাইকোপ্লাজমা উভয়ই রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু, তবে তাদের গঠন এবং কার্যকারিতা ভিন্ন। সঠিক রোগ নির্ণয়ের মাধ্যমে উপযুক্ত চিকিৎসা গ্রহণ করা উচিত। 🙏
Get well soon Titli & Bitali 💖.
```Option A Explanation:
- ভাইরাস (Virus): ভাইরাস হল এক ধরণের অণুজীব যা জীবিত ও অজীবিতের মধ্যে অবস্থিত। এগুলি জীবিত কোষের বাইরে অণু হিসেবে থাকে এবং কোষে প্রবেশ করে নিজের অনুকরণ ও বিস্তার করে।
- প্রকৃতি: ভাইরাস সাধারণত ডেনড্রাইট বা গোলাকার আকারে দেখা যায়, তবে বিভিন্ন আকারে থাকতে পারে।
- উৎপত্তি: ভাইরাসের অবতার ও উৎপত্তি সম্পর্কে বিভিন্ন মতবাদ রয়েছে, তবে এগুলি জীবিত বা অজীবিত বলার ক্ষেত্রে কিছু বিতর্ক রয়েছে।
- গঠন: ভাইরাসের মূল উপাদান হলো নিউক্লিক অ্যাসিড (DNA বা RNA) এবং কভের প্রোটিন কোট।
- প্রভাব: ভাইরাস বিভিন্ন জীবের মধ্যে রোগ সৃষ্টি করে, যেমন ইনফ্লুয়েঞ্জা, কোভিড-19 ইত্যাদি।
Option B Explanation:
- প্রকার: এক্সোটিক জীভাণু
- অঙ্গপ্রতিমা: একক কোষবিশিষ্ট
- সাধারণত: বিভিন্ন পরিবেশে পাওয়া যায়, যেমন মাটিতে, পানিতে, এবং দেহের ভিতরে
- জীবনচক্র: বিভিন্ন ধরণের হতে পারে, যেমন একক বা যৌথভাবে থাকতে পারে
- বৈশিষ্ট্য: অনেক ব্যাকটেরিয়া প্লাজমিড বহন করে, যা তাদের জেনেটিক বৈচিত্র্য এবং ডিগ্রী পরিবর্তনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ
Option C Explanation:
- Fungus: ছত্রাকের একটি বৃহৎ প্রজাতি, যা সাধারণত মৃত উপাদান ভাঙ্গন ও পুনঃউৎপাদনে সহায়ক।
- প্রাকৃতিক পরিবেশে ছত্রাকের বিভিন্ন প্রজাতি পাওয়া যায়, যেমন শৈবাল, ছত্রাকের গুঁড়ি, প্যাথোজেনিক ছত্রাক ইত্যাদি।
- ছত্রাক সাধারণত উচ্চ আর্দ্রতা ও উষ্ণ পরিবেশে বৃদ্ধি পায় এবং বিভিন্ন ধরনের খাদ্য ও ঔষধে ব্যবহৃত হয়।
- এরা এককোষী বা বহু কোষী হতে পারে এবং বিভিন্ন ধরনের রূপে উপস্থিত হতে পারে।
Option D Explanation:
Plasmodium এর ব্যাখ্যা
- প্রকার: এককোষী পরজীবী (Protozoan parasite)
- পরিবার: Apicomplexa
- অস্তিত্বের ধরণ: পরিপক্ব জীবনচক্রে পরিপক্ব পর্বের অন্তর্গত
- আবাস: মূলত মানবদেহে রক্তে রক্তকণিকা (Red blood cells) এ জীবিত থাকে
- রোগ: মালেরিয়া (Malaria) সৃষ্টি করে
- জীবনচক্রের ধাপ: স্পোরোজোইট, লার্ভা (ম্যাগোইটা), গামোইটা, স্পোরোজোইট