মিয়োসিস বিভাজনের যে পর্যায়ে ক্রসিংওভার ঘটে তাকে বলা হয়-
SylaUজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রকোষ বিভাজনমায়োসিস বা হ্রাসমূলক কোষ বিভাজন (Topic Practice)SylaU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
প্যাকাইটিন
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
মিয়োসিস বিভাজনে ক্রসিংওভার: প্যাকাইটিন পর্যায় 🧬
মিয়োসিস একটি বিশেষ কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া যা জনন কোষ (শুক্রাণু ও ডিম্বাণু) উৎপাদনে ঘটে। এই বিভাজনের সময় ক্রোমোজোমের মধ্যে ক্রসিংওভার নামক একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটে। ক্রসিংওভারের মাধ্যমেই বংশগতির ধারকগুলো নতুন বৈশিষ্ট্য লাভ করে।
ক্রসিংওভারের পর্যায় مراحل
ক্রসিংওভার মূলত মিয়োসিস-১ এর প্রোফেজ-১ দশার প্যাকাইটিন উপ-পর্যায়ে ঘটে। নিচে পর্যায়গুলো উল্লেখ করা হলো:
- লেপ্টোটিন (Leptotene): ক্রোমোজোমগুলো ঘনীভূত হতে শুরু করে। 🔍
- জাইগোটিন (Zygotene): হোমোলোগাস ক্রোমোজোমগুলো জোড় বাঁধতে শুরু করে (সিনাপসিস)। 🤝
- প্যাকাইটিন (Pachytene): এই পর্যায়ে ক্রসিংওভার ঘটে। 🔄
- ডিপ্লোটিন (Diplotene): ক্রোমোজোমগুলো কিছুটা আলাদা হতে শুরু করে, কায়াজমা দেখা যায়। 👀
- ডায়াকাইনেসিস (Diakinesis): ক্রোমোজোমগুলো আরও ঘনীভূত হয় এবং নিউক্লিয়ার পর্দা বিলুপ্ত হতে শুরু করে। 💨
প্যাকাইটিন: ক্রসিংওভারের মূল ক্ষেত্র 🎯
প্যাকাইটিন পর্যায়ে হোমোলোগাস ক্রোমোজোমগুলো খুব কাছাকাছি আসে এবং নন-সিস্টার ক্রোমাটিডগুলোর মধ্যে অংশের বিনিময় ঘটে। এই বিনিময়কে ক্রসিংওভার বলে। এর ফলে নতুন জিনগত বৈশিষ্ট্য তৈরি হয়। 🥳
ক্রসিংওভারের গুরুত্ব 🌟
- বৈচিত্র্য সৃষ্টি: ক্রসিংওভারের মাধ্যমে জিনগত বৈচিত্র্য সৃষ্টি হয়। 🌈
- অভিযোজন ক্ষমতা বৃদ্ধি: এই বৈচিত্র্য জীবকে পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে সাহায্য করে। 🌱
- নতুন প্রজাতির উদ্ভব: দীর্ঘমেয়াদে ক্রসিংওভার নতুন প্রজাতির উদ্ভব ঘটাতে পারে। 🦋
ক্রসিংওভারের ঘটনা টেবিলের মাধ্যমে 📊
| পর্যায় | বৈশিষ্ট্য | গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা |
|---|---|---|
| লেপ্টোটিন | ক্রোমোজোম ঘনীভূত হওয়া শুরু | ক্রোমোজোমের সূত্রাকার গঠন |
| জাইগোটিন | হোমোলোগাস ক্রোমোজোম জোড় বাঁধা | সিনাপসিস গঠন |
| প্যাকাইটিন | ক্রসিংওভার ঘটা | জিনগত বস্তুর বিনিময় |
| ডিপ্লোটিন | ক্রোমোজোম আলাদা হতে শুরু | কায়াজমা সৃষ্টি |
| ডায়াকাইনেসিস | ক্রোমোজোম আরও ঘনীভূত | নিউক্লিয়ার পর্দার বিলুপ্তি |
সুতরাং, মিয়োসিস বিভাজনের প্যাকাইটিন পর্যায়ে ক্রসিংওভার ঘটে যা জীবজগতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 👍
```Option A Explanation:
- ডিপ্লোটিন হলো কোষের মাইটোসিসের প্রথম পর্যায় যা কনডেন্সড ক্রোমাটিন থেকে ক্রমশ খুলে যায় এবং নিউক্লিয়ার মধ্যে ক্রোমোসোমের গঠন শুরু হয়।
- এই পর্যায়ে, ক্রোমোসোমগুলি দৃশ্যমান হয় এবং তাদের মধ্যে কক্ষপথে বিভাজনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়।
- ডিপ্লোটিনে, নিউক্লিয়ার প্রাচীর ভেঙে যায় এবং ক্রোমাটিনের গঠন পরিবর্তিত হয়, ফলে ক্রোমোসোমগুলি স্পষ্টভাবে দেখা যায়।
- এটি মাইটোসিস বা মাইওসিসের প্রথম ধাপ, যেখানে ক্রোমোসোমের সংখ্যা দ্বিগুণ হয় এবং তারা বিভাজনের জন্য প্রস্তুত হয়।
Option B Explanation:
জাইগোটিন
- জাইগোটিন হলো একধরনের প্রোটিন যা সাধারণতঃ অণু বা ভ্যাকসিন তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি প্রোটিনের একটি ধরণ যা এনজাইম বা অন্যান্য প্রোটিনের সাথে যুক্ত হয়ে জৈব রিঅ্যাকশনের জন্য সাহায্য করে।
- জাইগোটিনের গঠন সাধারণতঃ গ্লাইকোপ্রোটিন বা গ্লাইকোলিপিডের মতো হয়, যেখানে কার্বোহাইড্রেট চেইনের সাথে যোগ থাকে।
- এটি জীববৈচিত্র্য ও রোগপ্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যেমনঃ ভ্যাকসিন আবিষ্কারে।
- জাইগোটিনের ব্যবহার চিকিৎসা ও গবেষণায় বিভিন্ন ধরণের অ্যান্টিজেনের বৈশিষ্ট্য নির্ণয়ে সহায়ক।
Option C Explanation:
- প্যাকাইটিন (Pachytene): এই ধাপে ক্রসিংওভার ঘটে, যেখানে হোমোলগাস ক্রোমোসোমের মধ্যে গুরুতর সমান্তরাল বিন্যাসের সাথে জেনেটিক উপাদানের বিনিময় হয়।
Option D Explanation:
- লেপ্টোটিন: লেপ্টোটিন একটি প্রোটিন যা সাধারণত শারীরিক কোষের ঝিল্লিতে অবস্থিত।
- এটি বিভিন্ন ধরনের অ্যাক্টিভেশনের জন্য দায়ী, যেমন সিগন্যাল ট্রান্সডাকশন, কোষের বৃদ্ধি, বিভাজন, ও ডিএনএ রিপ্লিকেশনের নিয়ন্ত্রণ।
- লেপ্টোটিনের ভূমিকা মূলত কোষের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক সংকেত প্রক্রিয়াকরণে গুরুত্বপূর্ণ।
- এই প্রোটিনের বিভিন্ন ধরনের আছে, যা বিভিন্ন সেল টাইপে বিভিন্ন কার্যকলাপ সম্পাদন করে।