মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

প্লাজমা কোষের কাজ কি?

A. এন্টিবডি ক্ষরণ
B. ফ্যাগােসাইটোসিস
C. বহুকোষী জীবাণু ধ্বংস
D. ম্যাক্রোফেজকে সক্রিয় করা
Poster Download
JUUnit-DSet-1জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্ররক্ত ও সঞ্চালনরক্তকণিকা (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ A. এন্টিবডি ক্ষরণ
Explanation: Option A : এন্টিবডি ক্ষরণ: সঠিক, প???লাজমা কোষ এন্টিবডি তৈরি করে, যা শরীরের রোগপ্রতিরোধে সাহায্য করে। Option B : ফ্যাগোসাইটোসিস: ভুল, এটি ম্যাক্রোফেজের কাজ, প্লাজমা কোষের নয়। Option C : বহুকোষী জীবাণু ধ্বংস: ভুল, এটি সঠিক নয়, প্লাজমা কোষের কার্যাবলী ভিন্ন। Option D : ম্যাক্রোফেজকে সক্রিয় করা: ভুল, এটি প্লাজমা কোষের কাজ নয়। নোট: প্লাজমা কোষের মূল কাজ হচ্ছে এন্টিবডি তৈরি করা, যা রোগবেক্তি থেকে শরীরকে রক্ষা করে।
Another Explanation (5):

প্লাজমা কোষ: অ্যান্টিবডি ক্ষরণের মূল কারিগর 🛡️

প্লাজমা কোষ হলো বিশেষায়িত B লিম্ফোসাইট যা অনাক্রম্যতন্ত্রের (Immune system) একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এদের প্রধান কাজ হলো অ্যান্টিবডি (Antibody) উৎপাদন ও ক্ষরণ করা। এই অ্যান্টিবডিগুলো রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু বা অ্যান্টিজেনের (Antigen) বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে শরীরকে সুরক্ষা দেয়। 🦠

প্লাজমা কোষের কার্যাবলী:

  • অ্যান্টিবডি উৎপাদন: প্লাজমা কোষ প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিবডি তৈরি করতে সক্ষম। 🏭
  • অ্যান্টিবডি ক্ষরণ: উৎপাদিত অ্যান্টিবডিগুলো রক্তরস এবং লসিকাতে (Lymph) নিঃসরণ করে। 🩸
  • নির্দিষ্ট অ্যান্টিজেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ: প্রতিটি প্লাজমা কোষ একটি নির্দিষ্ট অ্যান্টিজেনের জন্য বিশেষভাবে তৈরি অ্যান্টিবডি তৈরি করে।🎯
  • অনাক্রম্যতা তৈরি: অ্যান্টিবডিগুলো অ্যান্টিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে তাদের নিষ্ক্রিয় করে এবং রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। 🛡️➡️💪

প্লাজমা কোষ কিভাবে কাজ করে?

  1. B কোষের সক্রিয়করণ: যখন কোনো অ্যান্টিজেন B কোষের রিসেপ্টরের সাথে যুক্ত হয়, তখন B কোষ সক্রিয় হয়। 🔑
  2. প্লাজমা ক??ষে রূপান্তর: সক্রিয় B কোষ বিভাজিত হয়ে প্লাজমা কোষে রূপান্তরিত হয়। 🔄
  3. অ্যান্টিবডি উৎপাদন ও ক্ষরণ: প্লাজমা কোষগুলো অ্যান্টিবডি তৈরি এবং ক্ষরণ করতে শুরু করে। 🚀
  4. অ্যান্টিজেনের অপসারণ: অ্যান্টিবডিগুলো অ্যান্টিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে তাদের অপসারণে সাহায্য করে। 🗑️

প্লাজমা কোষের গুরুত্ব:

প্লাজমা কোষ আমাদের শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তারা সংক্রমণ এবং রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করে শরীরকে সুস্থ রাখে। 💪

প্লাজমা কোষ সম্পর্কিত কিছু তথ্য:

বৈশিষ্ট্য বর্ণনা
উৎপত্তি B লিম্ফোসাইট থেকে
অবস্থান অস্থি মজ্জা, লিম্ফ নোড এবং অন্যান্য লিম্ফয়েড টিস্যু
জীবনকাল কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ
প্রধান কাজ অ্যান্টিবডি উৎপাদন ও ক্ষরণ

আশা করি, প্লাজমা কোষ সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পেয়েছেন। 😊 আরও কিছু জানতে চান? 🤔

Option A Explanation:
  • এন্টিবডি ক্ষরণ: প্লাজমা কোষের মূল কাজ হলো শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা। এই কোষগুলো এন্টিবডি তৈরি করে যা রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
  • এন্টিবডি হলো প্রোটিন যা ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা অন্য ক্ষতিকারক উপাদানের সাথে যুক্ত হয়ে তাদের কার্যকলাপ বন্ধ করে দেয় বা ধ্বংস করে দেয়।
  • এন্টিবডি ক্ষরণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্লাজমা কোষ রক্তে ও অন্যান্য শরীরের তরলে এন্টিবডি সরবরাহ করে, যাতে শরীরের প্রতিরক্ষা শক্তি বৃদ্ধি পায়।
  • এই প্রক্রিয়াটি শরীরের সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং রোগ প্রতিরোধের জন্য অপরিহার্য।
Option B Explanation:
  • ফ্যাগােসাইটোসিস: এটি একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কোষগুলি বড় আকারের অণু, জীবাণু বা মৃত কোষগুলোকে শোষণ করে নেয়।
  • প্রক্রিয়াটিতে মূলত ফ্যাগোসাইটিক কোষগুলো (যেমন ম্যাক্রোফেজ ও নিউট্রোফিল) সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।
  • এই পদ্ধতিতে, কোষগুলো পরিবেশ থেকে অণুগুলো গ্রহন করে, যা পরে হজম বা ধ্বংস করা হয়।
  • ফ্যাগােসাইটোসিস শরীরের প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে, ব্যাকটিরিয়া ও অন্যান্য ক্ষতিকর উপাদানসমূহের বিরুদ্ধে লড়াই করে।
Option C Explanation:
  • বহুকোষী জীবাণু ধ্বংস: এটি একটি প্রক্রিয়া যেখানে দেহের শ্বেত রক্তকোষ (যেমন ম্যাক্রোফেজ ও নিউট্রোফিল) জীবাণুকে শনাক্ত করে এবং তা ধ্বংস করে।
  • প্রক্রিয়াটিতে জীবাণুর কোষের প্রোটিন ও লিপিডের উপর আঘাত করে তাদের অকার্যকর করে দেয়।
  • এটি শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।
  • ম্যাক্রোফেজ জীবাণুকে engulf করে ভেতরে নিয়ে যায় (ফ্যাগােসাইটোসিস), তারপর তাদের ভেঙে ফেলে।
Option D Explanation:
  • ম্যাক্রোফেজকে সক্রিয় করা: এটি একটি প্রক্রিয়া যেখানে অন্যান্য কোষ বা সংকেতের মাধ্যমে ম্যাক্রোফেজের কার্যকলাপ বৃদ্ধি পায়।
  • সাধারণত, এই সক্রিয়করণে সিগন্যালিং মেকানিজম কাজ করে, যেমন সাইটোকাইন বা অন্যান্য রিসেপ্টর মাধ্যমে।
  • সক্রিয় ম্যাক্রোফেজ আরও কার্যকরভাবে জীবাণু ধ্বংস, ফ্যাগােসাইটোসিস এবং প্রদাহের প্রতিক্রিয়া পরিচালনা করতে সক্ষম হয়।