মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

সালফারযুক্ত অ্যামাইনো এসিড নেই?

A. গ্লাইসিন
B. সিরিন
C.  সিসটিন
D. এলানিন
E. গ্লূটামিক এসিড
Poster Download
CUUnit-Fজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রকোষ রসায়নপ্রোটিন বা আমিষ (Topic Practice)CU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ C.  সিসটিন
Explanation:

Another Explanation (5): ```html

সালফারযুক্ত অ্যামাইনো এসিড: সিসটিন 🧐

প্রশ্নটি ছিল: সালফারযুক্ত অ্যামাইনো এসিড নয় কোনটি? উত্তরে বলা হয়েছে "সিসটিন"। এই যুক্তির একটি একাডেমিক ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো:

সালফারযুক্ত অ্যামাইনো এসিডসমূহ 🧪

প্রথমে, আমাদের জানতে হবে কোন অ্যামাইনো এসিডগুলোতে সালফার বিদ্যমান। প্রধান সালফারযুক্ত অ্যামাইনো এসিডগুলো হলো:

  • মেথিওনিন (Methionine): এটি একটি অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড। এর R গ্রুপে একটি থিওইথার (thioether) মূলক (-S-) থাকে।
  • সিস্টেইন (Cysteine): এর R গ্রুপে একটি থায়োল (-SH) মূলক থাকে।

সিসটিন কি? 🤔

সিসটিন (Cystine) কোনো স্বতন্ত্র অ্যামাইনো এসিড নয়। এটি দুটি সিস্টেইন অ্যামাইনো এসিডের সমন্বয়ে গঠিত একটি ডাইসালফাইড বন্ডযুক্ত যৌগ। যখন দুটি সিস্টেইন অণু তাদের থায়োল (-SH) মূলকের মাধ্যমে একটি ডাইসালফাইড বন্ধন (-S-S-) গঠন করে, তখন সিসটিন তৈরি হয়। এই প্রক্রিয়াটিকে অক্সিডেশনও বলা যায়। 💫

বিষয়টি একটি টেবিলের মাধ্যমে আরও স্পষ্ট করা যাক:

অ্যামাইনো এসিড সালফার (S) গঠন বিশেষত্ব
মেথিওনিন হ্যাঁ ✅ থিওইথার (-S-) অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড
সিস্টেইন হ্যাঁ ✅ থায়োল (-SH) সিসটিনের Building block
সিসটিন হ্যাঁ ✅ (ডাইসালফাইড বন্ড -S-S-) দুটি সিস্টেইন অণুর সমন্বয়ে গঠিত সিস্টেইনের অক্সিডাইজড রূপ

তাহলে উত্তরটি কেন সঠিক নয়? ❌

প্রশ্নটি যদি এমন হতো যে "কোন অ্যামাইনো এসিডটি সরাসরি সালফারযুক্ত নয়, কিন্তু দুটি সালফারযুক্ত অ্যামাইনো এসিডের সমন্বয়ে গঠিত?", তাহলে সিসটিন উত্তরটি সঠিক হতে পারত। যেহেতু প্রশ্নে সরাসরি সালফার "নেই" বলা হয়েছে, তাই সিসটিনে সালফার বিদ্যমান (দুটি সিস্টেইন অণুর ডাইসালফাইড বন্ডে)। 💡

অতএব, সিসটিন নিজেই সালফারযুক্ত। প্রশ্নটি সম্ভবত অন্য কোনো অ্যামাইনো এসিডের কথা জানতে চাওয়া হয়েছে যাতে সালফার নেই। 🤔


আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি বোধগম্য হয়েছে। 😊

```
Option A Explanation:
  • গ্লাইসিন: এটি একটি সাধারণ অ্যামিনো অ্যাসিড যা প্রাকৃতিকভাবে প্রোটিনে পাওয়া যায়।
  • গ্লাইসিনের রাসায়নিক গঠন মূলত দুটি কার্বন পরমাণু, দুটি হাইড্রোজেন, একটি অ্যামিনো গ্রুপ এবং একটি কার্বক্সিল গ্রুপ নিয়ে গঠিত।
  • এটি একটি প্যারামেটিক অ্যামিনো অ্যাসিড, অর্থাৎ এর রেসিপি সাধারণত শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
Option B Explanation:
  • সিরিন: সিরিন একটি অ্যামাইনো অ্যাসিড যা পুষ্টি ও জীববিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ।
  • এটি একটি অপ্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড, অর্থাৎ শরীর নিজে এটি তৈরি করতে পারে।
  • সিরিনের রাসায়নিক গঠনটি হলো একটি হাইড্রক্সিল গ্রুপ (–OH) যুক্ত অ্যামাইনো অ্যাসিড।
  • এটি সাধারণত বিভিন্ন প্রোটিনে পাওয়া যায় এবং বিভিন্ন বায়োকেমিক্যাল প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়।
  • সিরিনের সিস্টেমে সালফারযুক্ত গ্রুপ বা সালফার যুক্ত থাকে না।
Option C Explanation:

সিসটিন (Cysteine) এর ব্যাখ্যা:

  • সিসটিন একটি সাধারণ অ্যামাইনো অ্যাসিড যা প্রোটিনের গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • এটি একটি অ-আসন্ন অ্যামাইনো অ্যাসিড, অর্থাৎ শরীর নিজে এটি তৈরি করতে পারে।
  • সিসটিনের মধ্যে একটি সালফার গ্রুপ থাকে, যা এটি বিভিন্ন প্রোটিনের স্থিতিস্থাপকতা ও কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।
  • এটি মূলত অ্যালানিন ও সিস্টাইন থেকে গঠিত হয়।
  • সিসটিনের উপস্থিতি অনেক প্রোটিনে থাকে এবং এটি শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে।
Option D Explanation:

এলানিন (Alanine)

  • এলানিন একটি অপরিহার্য অ্যামাইনো এসিড নয়, অর্থাৎ আমাদের দেহে এটি তৈরি করতে পারে।
  • এটি প্রাথমিকভাবে প্রোটিনের গঠন উপাদান হিসেবে কাজ করে এবং বিভিন্ন শারীরিক প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়।
  • এলানিন সাধারণতঃ পুষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং শক্তির উৎস হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।
  • এটি একটি প্যারামিট্রিক অ্যামাইনো এসিড, যার রাসায়নিক গঠন হ'ল একটি অ্যামাইনো গ্রুপ, কার্বক্সিল গ্রুপ, হাইড্রোজেন, এবং রোধক চেইন।
Option E Explanation:
  • গ্লূটামিক এসিড হলো একটি প্রাথমিক অ্যামাইনো অ্যাসিড যা সাধারণত প্রোটিনে পাওয়া যায়।
  • এটি একটি অপ্রধান অ্যামাইনো অ্যাসিড, যার নির্যাস প্রোটিনের গঠন ও কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
  • অ্যামাইনো গ্রুপের সাথে কার্বক্সিল গ্রুপ থাকায় এটি একটি অ্যামাইনো অ্যাসিড হিসেবে পরিচিত।
  • প্রাকৃতিকভাবে এটি সাধারণত উদ্ভিদ ও প্রাণীজগতে পাওয়া যায় এবং বিভিন্ন বিপাকীয় প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়।
  • এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নিউরোট্রান্সমিটার হিসেবেও কাজ করে, বিশেষ করে গ্লুটামেট হিসেবে।