'ঐহিক' শব্দের বিপরতি শব্দ হলো:
A. বিষণ্ন
B. বিবাদ
C. বৈরাগী
D. পারত্রিকৎ
সঠিক উত্তরঃ
D.
পারত্রিকৎ
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- কোনটি রবীন্দ্রনাথের রচনা নয় ?
- জ্বালিয়ে রেখেছি মনের প্রদীপআমার ডুলেডরা বাগানেতোমার ছোঁয়ায় ফুটুক ফুল,সান্ত্বনার আঙুলে দেখো পরগাছা আমারে ।উদ্দীপকে 'অপরিচিতা' গল্পের ন্যায় প্রকাশিত হয়েছে— অনুশোচনাঅহমিকাঅনুনয়নিচের কোনটি সঠিক?
- 'অপরিচিতা' গল্পে শম্ভুনাথ চরিত্রের জন্য প্রযোজ্য- চুলকাচা, গোঁফপাকা, সুপুরুষচুপচাপ, চুলকাঁচা, ভাষাআঁটসুপুরুষ, চুপচাপ, চুল পাকানিচের কোনটি সঠিক?
- “সংস্কৃতির কথা” গ্রন্থের লেখক কে?
- চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত পুঁথি সংগ্রাহক কে?
- ’রাশি রাশি ভারা ভারা’ কোন পদের দৃষ্টান্ত?
- রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্পগুলো বেশির ভাগ কোথায় রচিত?
- প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত 'সবুজপত্র পত্রিকা কত সালে প্রথম প্রকাশিত হয়?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন গ্রন্থটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেন?
- 'অপরিচিতা' গল্পে কল্যাণীকে আশীর্বাদ করতে যায় কে?
- রবীন্দ্রনাথের সর্বশেষ গল্পের নাম কী?
- 'অপরিচিতা' গল্পে কল্যাণীর বিয়ে না করার সিদ্ধান্তেরকারণ কী ছিল?
- স্বাতী সুশিক্ষিত ও আত্মনির্ভরশীল নারী। বিয়ের পর শ্বশুরও শাশুড়ির চাপে চাকরি ছাড়তে বাধ্য হয়। শ্বশুর-শাশুড়িরধারণা চাকরিজীবী বউ অহংকারী হয়। তারা সংসারের প্রতিদায়িত্বশীল নয় ।'অপরিচিতা' গল্পের সঙ্গে উদ্দীপকের স্বাতীর বৈসাদৃশ্যকোথায়?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'স্ত্রীর পত্র' গল্পের মেজো বউ পুরুষতান্ত্রিক সমাজের বিরুদ্ধে নীরব প্রতিবাদ জানিয়ে সমাজে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন। সে সমাজের শৃঙ্খল ও সংসারের জাল ছিন্ন করেছে। মেজো বউয়ের শেষ কথা ছিল'- তোমাদের গালিকে 'আমি আর ভয় করিনে। আমার সম্মুখে আজ নীল সমুদ্র, আমার মাথার উপরে আষাঢ়ের মেঘপুঞ্জ।উদ্দীপকের মেজো বউ 'অপরিচিতা' গল্পের যে দিকটি তুলে ধরেছে তা ব্যাখ্যা করো।
- আসর জমাতে অদ্বিতীয় কে?
- গোলাপফুল’ শব্দটি কোন সমাস?
- ‘শেষের কবিতা’ কোন ধরনের রচনা?
- 'মন্দ নয় হে। খাঁটি সোনা বটে'- ব্যাখ্যা করো।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় ঋতুরাজকে উপেক্ষা করে কবি কী দেয়?
- পড়াশোনা শেষ করে সবিতা এখন গ্রামের একটি সরকারি প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষকতা করেন। বছর কয়েক আগে শহরের এক ধনী ব্যবসায়ীর ছেলের সঙ্গে তার বিবাহ স্থির হয়। পাত্রপক্ষ বিয়েতে মোটা অঙ্কের যৌতুক দাবি করলে তার আত্মসম্মানে আঘাত লাগে। সবিতা নিজেই যৌতুককে প্রত্যাখ্যান করে বিয়ে না করার সিদ্ধান্তে অটল থাকেন। পিতা-মাতা ও সহকর্মীদের অনেক অনুরোধ সত্ত্বেও তিনি তার চিন্তা-চেতনায় কোনো পরিবর্তন আনেননি। তিনি, ছাত্র-ছাত্রীর প্রাণ। মায়ের মতো ভালোবাসা দিয়ে আগলে রাখেন সবাইকে। তিনি বলেন, 'দেশকে মাতৃজ্ঞানে সেবা করা, দেশকে ভালোবাসা প্রত্যেকের কর্তব্য।' পরহিতে জীবন উৎসর্গ করাই তার ধর্ম।"সবিতার দেশপ্রেম কল্যাণীর মাতৃআজ্ঞার সাথে একই সূত্রে গাঁথা।"- উক্তিটির যথার্থতা বিচার করো।