কোন পঙক্তিটি ‘চিত্রকল্প' বা 'ইমেজ'-এর প্রকৃষ্ট
উদাহরণ?
A.
তাহারেই পড়ে মনে, ভুলিতে পারি না কোনো মতে
B.
মানুষ তবুও ঋণী পৃথিবীরই কাছে
C.
কর্ষিত জমির প্রতিটি শস্যদানা কবিতা
D.
আবার ফুটেছে দ্যাখো কৃষ্ণচূড়া থরে থরে শহরের
পথে—
সঠিক উত্তরঃ
C.
কর্ষিত জমির প্রতিটি শস্যদানা কবিতা
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- তোমার রাইফেল থেকে বেরিয়ে আসছে-জীবন তুমি দাও থরোথরো দীপ্ত প্রাণ বেয়নেটে নিহত লাশকে তোমার আগমনে প্রাণ পায় মরা গাছ পোড়া প্রজাপতি তোমার পায়ের শব্দে বাংলাদেশে ঘনায় ফাল্গুন ৫৬,০০০ বর্গমাইলের এই বিধ্বস্ত বাগানে এক সুরে গান গেয়ে ওঠে সাত কোটি বিপন্ন কোকিল। [মুক্তিবাহিনীর জন্য- হুমায়ুন আজাদ] 'বাঙালির সংগ্রাম ছিল ধ্বংসের বিরুদ্ধে মানবতার লড়াই।' মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- 'সারা দেশ ঘাতকের অশুভ আস্তানা'- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ফেব্রুয়ারি একুশ তারিখ দুপুর বেলার অন্তবৃষ্টি নামে, বৃষ্টি কোথায় বরকতেরই রক্ত।হাজার যুগের সূর্যতাপে জ্বলবে এমন লাল যে,সেই লোহিতেই লাল হয়েছে কৃষ্ণচূড়ার ডাল যে।প্রভাতফেরির মিছিল যাবে ছড়াও ফুলের বন্যা,বিষাদ গীতি গাইছে পথে তিতুমীরের কন্যা।"উদ্দীপকটি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার সমগ্র চেতনাকে ধারণ করেনি।"- বিশ্লেষণ করো।
- ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় সালামের হাত থেকে নক্ষত্রের মতো কী ঝরে?
- ‘পাহাড়তলী’ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন-
- বাঙালি চেতনার বীজ অঙ্কুরিত হয়েছিল ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। বাঙালির স্বাধিকার অর্জনের পরবর্তী সব আন্দোলন ও চেতনা থেকে প্রেরণা পেয়েছে।উদ্দীপকে বর্ণিত ভাষা আন্দোলন 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় বর্ণিত কোন আন্দোলনকে প্রেরণা জুগিয়েছিল?
- ‘সাম্যবাদী’, ‘এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' ও ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতাগুলো যথাক্রমে কোন কোন ছন্দে রচিত?
- অপমানে তুমি জ্বলে উঠেছিলে সেদিন বর্ণমালা সেই থেকে শুরু দিন বদলের পালা।উদ্দীপকের উক্ত দিকটির ক্ষেত্রে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার নির্দেশনা-পরিবর্তনমুখী চেতনাদেশানুরাগসম্মিলিত প্রয়াসনিচের কোনটি সঠিক?
- পরিচয়ে আমি বাঙালি, আমার আছে ইতিহাস গর্বের-কখনোই ভয় করিনিকো আমি উদ্যত কোন খড়গের!শত্রুর সাথে লড়াই করেছি, স্বপ্নের সাথে বাস;অস্ত্রেও শান দিয়েছি যেমন শস্য করেছি চাষ;একই হাসি মুখে বাজিয়েছি বাঁশি গলায় পরেছি ফাঁসআপস করিনি কখনোই আমি- এই হলো ইতিহাস।উদ্দীপকের ইতিহাস প্রসঙ্গ এবং 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার ঐতিহ্য চেতনার সাদৃশ্য নির্ণয় করো।
- 'কপালে কজিতে লাল সালু বেঁধেএই মাঠে ছুটে এসেছিল কারখানা থেকে লোহার শ্রমিক,লাঙল জোয়াল কাঁধে এসেছিল ঝাঁক বেঁধে উলঙ্গ কৃষকহাতের মুঠোয় মৃত্যু চোখে স্বপ্ন নিয়ে এসেছিল মধ্যবিত্ত,নিম্নবিত্ত, করুণ কেরানি, নারী, বৃদ্ধ, ভরঘুরেআর তোমাদের মতো শিশু পাতা কুড়ানির দল বেঁধে।'উদ্দীপকের বক্তব্যের সাথে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার বক্তব্যের সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা করো।
- “ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯" কবিতায় 'রক্তের বুদ্বুদ' বলতে বোঝানো হয়েছে-
- "ওরা কারা বুনোদল ঢোকেঅস্ত্র হাতে নামে সান্ত্রী কাপুরুষকোটি মানুষের সমবায়ী সভ্যতার ভাষা এরা রদ করবেভাবে?”উদ্দীপকে ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার যে ভাবেরপ্রতিফলন ঘটেছে—পাকিস্তানিদের অপশাসনহানাদারদের বর্বরতাভাষার কণ্ঠরোধে বাঙালিদমননিচের কোনটি সঠিক?
- 'সেই অস্ত্র' কবিতার প্রথম চরণ কোনটি ?
- "দুঃখিনী মাতার অশ্রুজলে ফোটে ফুল"- বলতে কী বুঝানো হয়েছে?
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- 'যখন শকুন নেমে আসে এই সোনার বাংলায়' -চরণটিতে বাংলার কোন সংগ্রামের চেতনাকে উন্মোচনকরা হয়েছে?
- ' উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ' কাব্যগ্রন্থটি কার রচন?
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কয়জন ভাষা শহীদের নাম এসেছে?
- সুন্দর সকাল। কূজনে মুখরিত চারপাশ। আকাশটা যেন আজ ধুপছায়া শাড়িতে নিজেকে জড়িয়েছে। এমনি মনোরম নৈসর্গিক নান্দনিকতা ভেদ করে চিৎকার করে উঠল ভিনদেশি যন্ত্রদানব। ছুটল গুলি! ঝরল রক্ত! বিনিময়ে বায়ান্নতে আমরা পেলাম কথা বলবার অধিকার। চুয়ান্ন, ছেষট্টি, 'উনসত্তর পেরিয়ে একান্তরে আমরা পেলাম লাল-সবুজের পতাকা, পবিত্র মানচিত্র আর প্রিয় স্বদেশ।উদ্দীপকটি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার সঙ্গে কোন কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ- তুলে ধরো।
- প্রেরণাদায়ী চরণটি হলো-