মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

কোনো বিক্রিয়ায় বিক্রিয়ক এবং উৎপাদ যদি স্থির থাকে তবে বিক্রিয়াটি এক ধাপে ঘটুক বা একাধিক ধাপে ঘটুক না কেন, মোট তাপশক্তির পরিবর্তন সর্বদা সমান হবে। এটিকে কোন সূত্র বলে?

A. ল্যাভয়সিয়ে ল্যাপলাসের সূত্র
B. রাউল্টের সূত্র
C. ফাযানের সূত্র
D. হেস-এর তাপ সমষ্টিকরণ সূত্র
Poster Download
MEDICALরসায়ন প্রথম পত্ররাসায়নিক পরিবর্তনভর ও শক্তির নিত্যতা, বিক্রিয়া তাপ ও প্রশমন তাপ (Topic Practice)MEDICAL - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ D. হেস-এর তাপ সমষ্টিকরণ সূত্র
Explanation: ব্যাখ্যা: A. ভুল কারণ এটি ল্যাভয়সিয়ে ল্যাপলাস সূত্র নয়; B. ভুল কারণ এটি রাউল্টের সূত্র নয়; C. ভুল কারণ এটি ফাযানের সূত্র নয়; D. সঠিক কারণ হেস-এর তাপ সমষ্টিকরণ সূত্রে বিক্রিয়ার মোট তাপশক্তি অপরিবর্তনীয়। নোট: হেস-এর সূত্র বিক্রিয়ার তাপশক্তির হিসাব নির্ধারণে অত্যন্ত কার্যকর।
Another Explanation (5): ```html

হেস-এর তাপ সমষ্টিকরণ সূত্র (Hess's Law of Constant Heat Summation)

হেস-এর তাপ সমষ্টিকরণ সূত্র রসায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি। এটি তাপগতিবিদ্যার প্রথম সূত্রের একটি বিশেষ রূপ। এই সূত্রানুসারে, কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ায় বিক্রিয়ক এবং উৎপাদ যদি স্থির থাকে, তবে বিক্রিয়াটি এক ধাপে ঘটুক বা একাধিক ধাপে ঘটুক না কেন, মোট তাপশক্তির পরিবর্তন সর্বদা সমান হবে। অর্থাৎ, বিক্রিয়া পথের উপর তাপ পরিবর্তন নির্ভরশী?? নয়। 😃

সূত্রের মূল বক্তব্য:

  • প্রদত্ত বিক্রিয়ায়, বিক্রিয়ক ও উৎপাদের ভৌত অবস্থা এবং পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকলে, তাপীয় পরিবর্তন ধ্রুব থাকে।
  • তাপ পরিবর্তন শুধুমাত্র বিক্রিয়ক ও উৎপাদের অবস্থার উপর নির্ভরশীল, বিক্রিয়া পথের উপর নয়। 🤔
  • একই বিক্রিয়া বিভিন্ন পথে ঘটানো হলে, প্রতিটি পথের এনথালপি পরিবর্তন (ΔH) -এর সমষ্টি সমান হবে।

উদাহরণ:

কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2) তৈরির উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি ব্যাখ্যা করা যাক। কার্বন (C) সরাসরি অক্সিজেনের (O2) সাথে বিক্রিয়া করে CO2 তৈরি করতে পারে, অথবা প্রথমে কার্বন মনোক্সাইড (CO) তৈরি করে, পরবর্তীতে CO অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে CO2 তৈরি করতে পারে। উভয় ক্ষেত্রেই মোট তাপীয় পরিবর্তন একই থাকবে। 🔥

প্রথম পথ (সরাসরি):

C(s) + O2(g) → CO2(g) ; ΔH1 = -393.5 kJ/mol

দ্বিতীয় পথ (দুটি ধাপে):

  1. C(s) + ½O2(g) → CO(g) ; ΔH2 = -110.5 kJ/mol
  2. CO(g) + ½O2(g) → CO2(g) ; ΔH3 = -283.0 kJ/mol

এই ক্ষেত্রে, ΔH2 + ΔH3 = -110.5 kJ/mol + (-283.0 kJ/mol) = -393.5 kJ/mol = ΔH1। 🎉

সূত্রের প্রয়োগক্ষেত্র:

  • যে সকল বিক্রিয়ার এনথালপি সরাসরি নির্ণয় করা যায় না, সেগুলোর এনথালপি নির্ণয়ে এই সূত্র ব্যবহার করা হয়।
  • বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ার তাপীয় পরিবর্তন গণনা করতে এটি ব্যবহৃত হয়।
  • জ্বালানির ক্যালোরিফিক মান নির্ণয়েও এই সূত্র কাজে লাগে। ⛽

সারণী: বিভিন্ন বিক্রিয়ার এনথালপি পরিবর্তন

বিক্রিয়া ΔH (kJ/mol)
H2(g) + ½O2(g) → H2O(l) -285.8
N2(g) + O2(g) → 2NO(g) +180.6
CH4(g) + 2O2(g) → CO2(g) + 2H2O(l) -890.4

এই সূত্রটি ব্যবহার করে জটিল রাসায়নিক বিক্রিয়াগুলোর তাপীয় পরিবর্তন সহজে নির্ণয় করা যায়। 😊

আরও জানতে বিভিন্ন রসায়ন বিষয়ক ওয়েবসাইট ও বই দেখতে পারেন। 📚

হ্যাপি লার্নিং! 🧑‍🏫

```