মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

ম্যালেরিয়া  পরজীবীর মশকীর দেহে সংঘটিত যৌন জননের সময়কালকে দুটি পর্যায়ে ভাগ করা যায় ; যথা-

(ক)গ্যামিটোগণি এবং 

(খ)স্পোরোগণি 

উদ্দীপকের "খ" পর্যায়ে নিচের কোন গঠনটির সৃষ্টি হয় ? 


A.

গ্যামেট

B.

জাইগোট

C.

উওকিনেট 

D.

স্পোরোজয়েট

Poster Download
জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রঅণুজীবম্যালেরিয়া পরজীবী (Topic Practice)
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ D.

স্পোরোজয়েট

Explanation:

Another Explanation (5): ```html

ম্যালেরিয়া পরজীবীর স্পোরোগণি পর্যায় 🦟

স্পোরোগণি হলো ম্যালেরিয়া পরজীবীর যৌন জননের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়, যা মশার দেহে সংঘটিত হয়। এই পর্যায়ে স্পোরোজয়েট নামক গঠন তৈরি হয়। নিচে স্পোরোগণি পর্যায়টি বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

স্পোরোগণি পর্যায় 🧬

  1. নিষেক (Fertilization): মশার পাকস্থলীতে স্ত্রী ও পুরুষ গ্যামেটের মিলন ঘটে এবং জাইগোট (Zygote) তৈরি হয়।
  2. উকিনিট (Ookinete) গঠন: জাইগোটটি লম্বাটে ও সচল উকিনিটে রূপান্তরিত হয়। এটি মশার পাকস্থলীর প্রাচীর ভেদ করে।
  3. ওওসিস্ট (Oocyst) গঠন: উকিনিট মশার পাকস্থলীর বাইরের দিকে একটি সিস্টের মতো গঠন তৈরি করে, যা ওওসিস্ট নামে পরিচিত।
  4. স্পোরোজয়েট (Sporozoite) উৎপাদন: ওওসিস্টের মধ্যে অসংখ্য স্পোরোজয়েট তৈরি হয়।
  5. স্পোরোজয়েট নির্গমন: ওওসিস্টটি ফেটে গেলে স্পোরোজয়েটগুলো মশার লালাগ্রন্থিতে (Salivary gland) ছড়িয়ে পড়ে।

স্পোরোজয়েট সম্পর্কে কিছু তথ্য 🦠

  • স্পোরোজয়েটগুলো ছোট, সুঁই-এর মতো এবং সংক্রমণক্ষম।
  • এগুলো মশার লালাগ্রন্থিতে অবস্থান করে এবং মশা যখন কোনো মানুষকে কামড়ায়, তখন লালার মাধ্যমে স্পোরোজয়েট মানবদেহে প্রবেশ করে।
  • মানবদেহে প্রবেশের পর স্পোরোজয়েটগুলো যকৃত কোষে (Liver cell) প্রবেশ করে এবং সেখানে বংশবৃদ্ধি করে।

স্পোরোগণি পর্যায় : সংক্ষিপ্ত তালিকা 📝

পর্যায় গঠন কার্যকারিতা
নিষেক জাইগোট নতুন জীবন শুরু
উকিনিট গঠন উকিনিট পাকস্থলীর প্রাচীর ভেদ
ওওসিস্ট গঠন ওওসিস্ট স্পোরোজয়েট তৈরির স্থান
স্পোরোজয়েট উৎপাদন স্পোরোজয়েট সংক্রমণক্ষম দশা
স্পোরোজয়েট নির্গমন স্পোরোজয়েট লালাগ্রন্থিতে আগমন

এভাবেই ম্যালেরিয়া পরজীবীর জীবনচক্রে স্পোরোগণি পর্যায়টি সম্পন্ন হয়। 🩸🤒

আরও জানতে এবং ম্যালেরিয়া থেকে বাঁচতে সচেতন থাকুন। 🙏

```
Option A Explanation:
  • গ্যামেট: গ্যামেট হলো এমন কোষ যা প্রজননের জন্য প্রস্তুত। এগুলি সাধারণত শুক্রাণু বা ডিম্বাণু হিসেবে পরিচিত, যা যৌন প্রজননে অংশগ্রহণ করে এবং নতুন প্রজন্মের সূচনা করে।
  • গ্যামেট সাধারণত হ্যাপ্লয়েড হয়, অর্থাৎ এতে একটি মাত্র ক্রোমোজমের সেট থাকে, যা ডিপ্লয়েড কোষের তুলনায় অর্ধেক।
  • উদাহরণস্বরূপ, মানুষের ক্ষেত্রে পুরুষের গ্যামেট হলো শুক্রাণু, এবং মহিলার গ্যামেট হলো ডিম্বাণু।
  • গ্যামেটের উৎপত্তি মূলত গোনাডে (অঙ্গপ্রতিস্থাপন) ঘটে, যেখানে মূল কোষ বিভাজনের মাধ্যমে এগুলি তৈরি হয়।
Option B Explanation:
  • জাইগোট: জাইগোট হলো ম্যালেরিয়া পরজীবীর একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্ব, যা স্পোরোজয়েটের পরবর্তীতে গঠিত হয়। এটি মূলতঃ পরজীবীর একটি শক্তিশালী এবং স্থিতিশীল রূপ, যা পরবর্তীতে অ্যানফিলিস মশকীর দেহে বৃদ্ধি পায়।
  • গঠন: জাইগোট তৈরির জন্য, স্পোরোজয়েটগুলো অ্যানফিলিস মশকীর অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মধ্যে মিলিত হয় এবং একত্রিত হয়ে এই পর্বটি গঠন করে।
  • অবস্থান: এটি মশকীর অগ্ন্যাশয় বা গ্লান্ডে অবস্থান করে, যেখানে এটি পরবর্তী ধাপের জন্য প্রস্তুত হয়।
  • মূল ভূমিকা: জাইগোট পরবর্তীতে বিভাজিত হয়ে ম্যালেরিয়া পরজীবীর অন্য ধাপগুলোতে রূপান্তরিত হয়, যা পরিশেষে মানবদেহে প্রবেশ করে এবং রোগের কারণ হয়।
Option C Explanation:
  • উওকিনেট (Oocyst): এটি পরজীবীর জীবনচক্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় যেখানে পরজীবী ডিম্বাকৃতি আকারে পরিপক্ব হয়।
  • প্রধানত, উওকিনেটের মধ্যে পরজীবী বিভাজিত হয়ে স্পোরোজয়েট উৎপন্ন করে।
  • উওকিনেটের মাধ্যমে পরজীবীর সংক্রমণ পরবর্তীতে মানবদেহে ঘটে থাকে, বিশেষ করে ম্যালেরিয়ার ক্ষেত্রে এই পর্যায়টি গুরুত্বপূর্ণ।
  • এই পর্যায় সাধারণত পরজীবীর বন্যপ্রাণী বা পতঙ্গের মধ্যে দেখা যায়, যেখানে তারা পরিপক্ব হয়ে সংক্রমণের জন্য প্রস্তুত হয়।
Option D Explanation:
  • স্পোরোজয়েট: স্পোরোজয়েট হলো পরজীবীর জীবনচক্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ, যেখানে এটি পরিপক্ব হয়ে স্পোর বা পরাগের উৎপাদন করে।
  • এই ধাপে, পরজীবী সাধারণত পরিপক্ব হয়ে মূলত বিভিন্ন ধরণের স্পোর সৃষ্টি করে, যা পরবর্তী ধাপের জন্য প্রস্তুত হয়।
  • স্পোরোজয়েট ধাপটি মূলত পরজীবীর বৃদ্ধির ও বিস্তারের জন্য অপরিহার্য, কারণ এটি নতুন জীবাণুর জন্য প্রজননের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
  • ম্যালেরিয়া পরজীবীর জীবনচক্রে, স্পোরোজয়েট মূলত পরজীবীর পরবর্তী ধাপে প্রবেশের জন্য প্রস্তুত করে, যা মানুষের শরীরে সংক্রমণের জন্য দায়ী।