নিষেক ক্রিয়া ছাড়া পুং গ্যামেট থেকে ভ্রূণ সৃষ্টির প্রক্রিয়াকে কী ব??ে?
Agriজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রউদ্ভিদ প্রজননঅপুংজনি বা পার্থেনোজেনেসিস (Topic Practice)Agri - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
অ্যান্ড্রোজেনেসিস
Explanation:

Another Explanation (5):
অ্যান্ড্রোজেনেসিস: নিষেক ছাড়া ভ্রূণ সৃষ্টি ♂️
অ্যান্ড্রোজেনেসিস (Androgenesis) হলো একটি বিশেষ প্রকার জনন প্রক্রিয়া। এখানে, স্ত্রী গ্যামেটের (ডিম্বাণু) নিউক্লিয়াস ছাড়াই শুধুমাত্র পুং গ্যামেটের (শুক্রাণু) নিউক্লিয়াস থেকে ভ্রূণ সৃষ্টি হয়। এটি অযৌন জননের একটি রূপ 🧬।
অ্যান্ড্রোজেনেসিসের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- নিষেক ছাড়াই ভ্রূণ: এই প্রক্রিয়ায় নিষেক (Fertilization) হয় না।
- পুং গ্যামেটের প্রাধান্য: ভ্রূণের জেনেটিক উপাদান সম্পূর্ণরূপে পুরুষ родитель থেকে আসে।
- ডিম্বাণুর ভূমিকা: ডিম্বাণু এখানে শুধুমাত্র ধারক হিসেবে কাজ করে, এর নিউক্লিয়াস ভ্রূণ গঠনে অংশ নেয় না 🥚।
- বিরল ঘটনা: প্রকৃতিতে এটি খুবই কম দেখা যায়, তবে গবেষণাগারে করা সম্ভব 🧪।
অ্যান্ড্রোজেনেসিসের প্রকারভেদ:
- স্বতঃস্ফূর্ত অ্যান্ড্রোজেনেসিস: এটি প্রাকৃতিকভাবে ঘটে, যা খুবই বিরল 😲।
- কৃত্রিম অ্যান্ড্রোজেনেসিস: গবেষণাগারে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে ঘটানো হয় 👨🔬।
কৃত্রিম অ্যান্ড্রোজেনেসিসের কৌশল:
কৃত্রিম অ্যান্ড্রোজেনেসিস ঘটানোর জন্য সাধারণত নিম্নলিখিত পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করা হয়:
| পদ্ধতি | বর্ণনা |
|---|---|
| ডিম্বাণু থেকে নিউক্লিয়াস অপসারণ 🔪 | ডিম্বাণু থেকে নিউক্লিয়াস সরিয়ে ফেলা হয়, যাতে শুধুমাত্র শুক্রাণুর নিউক্লিয়াস থাকে। |
| বিকিরণ ব্যবহার ☢️ | ডিম্বাণুর নিউক্লিয়াসের ডিএনএ নিষ্ক্রিয় করার জন্য বিকিরণ ব্যবহার করা হয়। |
| রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার🧪 | কিছু রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে ডিম্বাণুর নিউক্লিয়াসকে নিষ্ক্রিয় করা হয়। |
অ্যান্ড্রোজেনেসিসের ব্যবহার:
- প্রজনন গবেষণা: প্রজনন প্রক্রিয়া ভালোভাবে বোঝার জন্য এটি ব্যবহার করা হয় 🤔।
- কৃষি ক্ষেত্রে: উন্নত জাতের ফসল উৎপাদনে এর সম্ভাবনা আছে 🌾।
- জিন প্রকৌশল: জিন প্রকৌশলের মাধ্যমে নতুন বৈশিষ্ট্য আনা সম্ভব 🧬।
অ্যান্ড্রোজেনেসিস একটি জটিল প্রক্রিয়া, যা এখনও গবেষণার পর্যায়ে রয়েছে। ভবিষ্যতে এর আরও অনেক ব্যবহার আবিষ্কারের সম্ভাবনা আছে ✨।
Option A Explanation:
অ্যাগ্যামোস্পার্মী
- অ্যাগ্যামোস্পার্মী হলো এক ধরনের প্রজনন পদ্ধতি, যেখানে নিষেক ক্রিয়া ছাড়াই পুং গ্যামেট থেকে ভ্রূণ সৃষ্টি হয়।
- এটি সাধারণত কিছু অমেরুদণ্ডী প্রাণীতে দেখা যায়, যেমন কেঁচো, কিছু কেঁচো, ও কিছু জলজ অমেরুদণ্ডী।
- অ্যাগ্যামোস্পার্মীতে গ্যামেট উৎপাদনের প্রয়োজন হয় না, কারণ ভ্রূণ গঠন হয় সরাসরি পুরুষের গুণগত উপাদান দ্বারা।
- এটি একটি স্বতন্ত্র প্রজনন পদ্ধতি, যেখানে নিষেকের জন্য পুরুষ ও মহিলার গ্যামেটের প্রয়োজন হয় না।
- অ্যাগ্যামোস্পার্মী প্রক্রিয়ায় সেল বিভাজনের মাধ্যমে দ্রুত ও স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন জীবের সৃষ্টি হয়।
Option B Explanation:
- অ্যাপোগ্যামী: এটি একটি জৈব প্রক্রিয়া যেখানে একটি অঙ্গ বা টিস্যু অন্য টিস্যু বা অঙ্গের সাথে সংযোগ বা সংযুক্ত হয়।
- অ্যাপোগ্যামী প্রক্রিয়ায় সাধারণত নতুন দেহ বা অঙ্গের গঠন ঘটে এবং এটি অনেক প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম পদ্ধতিতে হতে পারে।
- এই প্রক্রিয়ায় মূলত নির্দিষ্ট কোষ বা টিস্যু অন্য টিস্যু বা অঙ্গের সাথে সংযুক্ত হয়ে একটি নতুন গঠনের সৃষ্টি করে।
- উদাহরণস্বরূপ, কিছু অঙ্গের অস্থিরতা বা বিকাশের জন্য এই প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ।
Option C Explanation: ```html
- অ্যাপোস্পোরী (Apospory): এটি একটি উদ্ভিদ প্রজনন প্রক্রিয়া যেখানে নিষেকের প্রয়োজন ছাড়া পাতা বা অন্যান্য অংশ থেকে সরাসরি ভ্রূণ গঠিত হয়।
- এটি সাধারণত ধরণের উদ্ভিদে দেখা যায় যেখানে অজৈব বা জৈব প্রক্রিয়ায় নতুন ভ্রূণ সৃষ্টি হয়।
- এটি এক ধরনের অপ্রচলিত প্রজনন পদ্ধতি, যেখানে নিষেকের মাধ্যমে গ্যামেট তৈরি হয় না।
- অ্যাপোস্পোরী প্রক্রিয়ায় ভ্রূণ গঠনের জন্য সাধারণত জৈবিক বিকাশের প্রয়োজন হয় না, ফলে এটি দ্রুত এবং সহজে নতুন উদ্ভিদ সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়।
Option D Explanation:
- অ্যান্ড্রোজেনেসিস: এটি হলো পুরুষের যৌন হার্মোন অ্যান্ড্রোজেনের মাধ্যমে পুরুষের লিঙ্গের বিকাশ ও সংরক্ষণ প্রক্রিয়া।
- এটি মূলত পুরুষের প্রজনন ব্যবস্থা এবং লিঙ্গ নির্ধারণের সাথে সম্পর্কিত।
- অ্যান্ড্রোজেনেসিসের ফলে শুক্রাণু উৎপাদন ও পুরুষের বৈশিষ্ট্য বিকাশ ঘটে।