মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

প্রতিটি গ্রহের আবর্তনকালের বর্গ সূর্য থেকে তার গড় দূরত্বের ঘনফলের সমানুপাতিক- এটি কোন সূত্র? 

A. নিউটনের ১ম সূত্র
B. আপেক্ষিকতার ১ম স্বীকার্য
C. কেপলারের ৩য় সূত্র
D. কেপলারের ১ম সূত্র
Poster Download
RUUnit-CSet-3পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রমহাকর্ষ ও অভিকর্ষকেপলারের সূত্র (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ C. কেপলারের ৩য় সূত্র
Explanation:

Another Explanation (5):

কেপলারের তৃতীয় সূত্র: আবর্তনকালের বর্গ ও দূরত্বের সম্পর্ক 🪐☀️

কেপলারের তৃতীয় সূত্র জ্যোতির্বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার। এটি গ্রহগুলোর সূর্যকে কেন্দ্র করে আবর্তনের সময় এবং সূর্য থেকে তাদের দূরত্বের মধ্যে একটি সুন্দর সম্পর্ক স্থাপন করে। এটি "গ্রহের গতির সূত্রাবলী" নামে পরিচিত কেপলারের তিনটি সূত্রের মধ্যে অন্যতম।

সূত্রের মূল বক্তব্য 📝

এই সূত্রানুসারে, প্রতিটি গ্রহের আবর্তনকালের বর্গ (T2) সূর্য থেকে তার গড় দূরত্বের ঘনফলের (R3) সমানুপাতিক। গাণিতিকভাবে প্রকাশ করলে:

T2 ∝ R3

এখানে:

  • T = গ্রহের আবর্তনকাল (সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে যে সময় লাগে)
  • R = সূর্য থেকে গ্রহের গড় দূরত্ব

সূত্রের ব্যাখ্যা ও তাৎপর্য 💡

এই ???ূত্রটি আমাদের জানায় যে, সূর্য থেকে কোনো গ্রহ যত দূরে অবস্থিত, তার আবর্তনকাল তত বেশি হবে। অর্থাৎ, দূরের গ্রহগুলো ধীরে ধীরে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে।

এই সূত্রের কিছু তাৎপর্য নিচে উল্লেখ করা হলো:

  1. এটি সৌরজগতের গঠন এবং গ্রহগুলোর মধ্যেকার সম্পর্ক বুঝতে সাহায্য করে।
  2. অন্যান্য নক্ষত্রের চারপাশে ঘূর্ণায়মান গ্রহদের (Exoplanets) সম্পর্কে ধারণা পেতে সহায়ক।
  3. গ্রহের কক্ষপথ এবং গতিবিধি সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী করতে কাজে লাগে।

উদাহরণস্বরূপ 🔭

বিভিন্ন গ্রহের আবর্তনকাল এবং সূর্য থেকে তাদের দূরত্বের একটি উদাহরণ নিচে দেওয়া হলো:

গ্রহের নাম আবর্তনকাল (বছর) সূর্য থেকে গড় দূরত্ব (AU) T2 (বছর2) R3 (AU3)
বুধ ☿ 0.24 0.39 0.0576 0.0593
শুক্র ♀ 0.62 0.72 0.3844 0.3732
পৃথিবী 🌍 1.00 1.00 1.00 1.00
মঙ্গল ♂ 1.88 1.52 3.5344 3.5118
বৃহস্পতি ♃ 11.86 5.20 140.6596 140.608

এখানে, AU হলো অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিট (Astronomical Unit), যা পৃথিবী থেকে সূর্যের গড় দূরত্ব।

সীমাবদ্ধতা ⚠️

কেপলারের এই সূত্রটি কিছু সীমাবদ্ধতার মধ্যে আবদ্ধ। যেমন:

  • এটি শুধুমাত্র দুটি বস্তুর মধ্যে মহাকর্ষীয় আকর্ষণ বিবেচনা করে।
  • গ্রহের ভরকে নগণ্য হিসেবে ধরা হয়, যা সবসময় সঠিক নয়।
  • আপেক্ষিকতা (Relativity) প্রভাবকে উপেক্ষা করা হয়।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য ➕

  • কেপলারের এই সূত্র নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র আবিষ্কারের পথ খুলে দিয়েছিল।
  • এটি জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার।
  • এই সূত্র ব্যবহার করে সৌরজগতের বাইরে অন্য গ্রহদের সম্পর্কেও অনেক তথ্য জানা যায়।

উপসংহার ✅

কেপলারের তৃতীয় সূত্র জ্যোতির্বিজ্ঞানের একটি মাইলফলক। এটি গ্রহ এবং নক্ষত্রের মধ্যেকার সম্পর্ককে বুঝতে আমাদের সাহায্য করে এবং মহাবিশ্বের রহস্য উন্মোচনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ✨🔭🌌

আশা করি, এই আলোচনা থেকে কেপলারের তৃতীয় সূত্র সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পেয়েছেন। 😊