কেপলারের সূত্র থেকে নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র প্রমান করা সম্ভব। এখানে , পৃথিবীর ভর m, সূর্যের ভর M , সূর্য ও পৃথিবীর দূরত্ব r এবং পর্যায়কাল T, সূর্য ও পৃথিবীর মহাকর্ষ বল F ।
উদ্দীপকের ক্ষেত্রে
- কেন্দ্রমুখী বলের ধারণা ব্যবহৃত হয়
- কেপলারের দ্বিতীয় সূত্র ব্যবহৃত হয়
- একটা পর্যায়ে মান পাওয়া যায়
নিচের কোনটি সঠিক?
সঠিক উত্তরঃ
A.
i ও ii
Another Explanation (5): প্রশ্নের উত্তরে বলা হয়েছে, কেপলারের সূত্র থেকে নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র প্রমাণ করা সম্ভব। এখানে পৃথিবীর ভর (m), সূর্যের ভর (M), সূর্য ও পৃথিবীর দূরত্ব (r), পর্যায়কাল (T), এবং মহাকর্ষ বল (F) উল্লেখ করা হয়েছে। উদ্দীপকের তিনটি দিক উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলি হলো:
- কেন্দ্রমুখী বলের ধারণা ব্যবহৃত হয়
- কেপলারের দ্বিতীয় সূত্র ব্যবহৃত হয়
- একটা পর্যায়ে মান পাওয়া যায়
বিশ্লেষণ:
কেপলারের সূত্রগুলো মহাকর্ষীয় বলের উপর ভিত্তি করে গঠিত। বিশেষ করে, কেপলারের দ্বিতীয় সূত্র (অর্থাৎ, একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যবর্তী কালীন আর্দ্রতা সমান) ব্যবহার করে, আমরা পৃথিবীর কক্ষপথের গতি নির্ণয় করতে পারি।
- প্রথম দিক (i): কেন্দ্রমুখী বলের ধারণা ব্যবহৃত হয় কারণ পৃথিবী সূর্যের চারপাশে তার কক্ষপথে ঘুরছে। এই বলের কারণে পৃথিবীর গতি স্থায়ী থাকে এবং কেন্দ্রমুখী বলের জন্যই পৃথিবীর কক্ষপথ স্থায়ী হয়।
- দ্বিতীয় দিক (ii): কেপলারের দ্বিতীয় সূত্র বলছে যে, সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যে যোগাযোগে আর্দ্রতা সমান সময়ের জন্য সমান ক্ষ??ত্রফল ধারণ করে। এই সূত্রটি ব্যবহার করে পৃথিবীর গতি ও তার কেন্দ্রীয় বলের সম্পর্ক বোঝা যায়।
- তৃতীয় দিক (iii): মান পাওয়া যায় বা নির্দিষ্ট মানসমূহ পাওয়া যায় এমন বিষয়টি কেপলারের সূত্র থেকে সরাসরি প্রমাণিত নয়, বরং পর্যায়কাল T, দূরত্ব r, ভর M, m এর মধ্যে সম্পর্ক দিয়ে তা নির্ণয় সম্ভব।
নির্বাচন:
অতএব, প্রশ্নে উল্লেখিত সঠিক উত্তর হলো: "i ও ii", কারণ এই দুটি দিকই কেপলারের সূত্র থেকে নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র প্রমাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।