ধূর্ত কবিরাজ রাজীব সাধারণ মানুষের অশিক্ষা ও ধর্মান্ধতাকে কাজে লাগিয়ে সেখানে শুরু করে পানিপড়া দেওয়া এবং কবিরাজি চিকিৎসা। সে লোকজনকে ঠকিয়ে প্রচুর অর্থ উপার্জন করে। তার স্ত্রী সহজ-সরল শিলা স্বামীর প্রতি বিশ্বাস, আস্থা ও নির্ভরতায় অন্ধ।
উদ্দীপকের শিলা 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
A.
আমেনা
B.
জমিলা
C.
তানুবিবি
D.
রহিমা
সঠিক উত্তরঃ
D.
রহিমা
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- "লাল-সালু" উপন্যাসে বর্নিত গ্রামটির নাম কি?
- "শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি"- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'লালসালু' প্রথম কত সালে প্রকাশিত হয়?
- ধলা মিয়ার সঙ্গে খালেক ব্যাপারী ধমক-ধামকে কথা বলে কেন?
- নিচের কোনটি উপন্যাস নয়?
- 'একরত্তি মাইয়া কিন্তু বড়ো ভালো'- উক্তিটি কার?
- লালসালু উপন্যাসের শেষ বাক্যটি হলো-
- ‘সে যেন খাঁচায় ধরা পড়েছে'— 'লালসালু' উপন্যাসেকার ধরা পড়ার কথা বলা হয়েছে?
- দরিদ্র বালক সবুজের তিন কুলে কেউ নেই। পেটের দায়ে লঞ্চঘাটে গিয়ে পাঁচ টাকার বিনিময়ে একজনের ব্যাগ মাথায় নিতেই পুরোনো কুলিরা তাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়। সবুজ দমে না গিয়ে সেখানে শেকড় গাড়ার চেষ্টা করে। একসময় সে কুলিদের সর্দার হয়। তাতেও সে নিশ্চিন্ত হতে পারে না। বিশাল এ দুনিয়ায় সে অর্থবিত্ত অর্জনের পাশাপাশি প্রভাব, প্রতিপত্তি ও আধিপত্যের নেশায় মেতে ওঠে। পরবর্তীতে তার সব হয়। এখন আর কেউ তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিতে পারে না।"উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের মানুষের অস্তিত্ব সংকট এবং তা হতে উত্তরণের প্রয়াস পরিলক্ষিত হয়।"- বিচার কর।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ শেষে মামুন চাকরির চিন্তা বাদ রেখে এক মহৎ স্বপ্নের তাড়নায় গ্রামে ফিরে আসে। অনেক চেষ্টা ও শ্রমের ফলে সে গ্রামে সরকার অনুমোদিত একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়। গ্রামের চেয়ারম্যান ও বায়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের সহায়তায় এগিয়ে চলে মামুনের স্বপ্নের বিদ্যালয়টি। মামুন এখন গ্রামের মানুষের কাছে এক অনুকরণীয় সম্মানিত ব্যক্তি।উদ্দীপকে উল্লিখিত চেয়ারম্যান ও বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের ভূমিকা 'লালসালু' উপন্যাসের কোন ঘটনাংশের সাদৃশ্য বা বৈসাদৃশ্য? আলোচনা করো।
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সর্বশেষ কর্মস্থল কোনটি?
- রহিম উদ্দীন মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে অনেক টাকা উপার্জন করেন। এলাকায় তাঁর দানে রাস্তা, সেতু, মসজিদ, মন্দির নির্মাণ হয়েছে। কিন্তু তাঁর মনে সুখ নেই। তিনি নিঃসন্তান। অনেকেই তাঁকে দ্বিতীয় বিয়ে করার জন্য পরামর্শ দেন। কিন্তু তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেননি।উদ্দীপকে প্রতিফলিত ইতিবাচক জীব-চেতনা 'লালসালু' উপন্যাসে অনুপস্থিত।"- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- লালসালু উপন্যাসে প্রদীপের আলোর সাথে তুলনা করা হয়েছে -
- হাসুনির মাকে তার বাপ পিটিয়েছিল কেন?
- কদম আলি একসময় 'মাল্টিপারপাস জনকল্যাণ ফাউন্ডেশন' নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলে। চটকদার বিজ্ঞাপন আর লোভাতুর প্রচারণায় অল্প সময়ে সে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। অধিক মুনাফা লাভেল আশায় এলাকার অশিক্ষিত-অল্পশিক্ষিত খেটে খাওয়া মানুষ তার প্রতিষ্ঠানে অর্থলগ্নি করতে থাকে বছরের পর বছর যায়; কিন্তু জমাকারীরা লাভের মুখ দেখে না। নিকট অতীতে কদম আলির আর্থিক অবস্থা ভালো না থাকলেও এখন সে প্রচুর ধন-সম্পদের মালিক। এলাকার এক শিক্ষিত তরুণ সাগর এক যুগ পর গ্রামে এসে দেখে কদম আলি সহজ- সরল মানুষকে কীভাবে প্রতারিত করে যাচ্ছে। সে দেরি না করে এলাকার উদীয়মান তরুণদের সুসংগঠিত করে কদম আলির প্রচারণা বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনে। প্রশাসন তদন্ত সাপেক্ষে টাকা আত্মসাৎ ও প্রতারণার দায়ে' কদম আলিকে জেল হাজতে প্রেরণ করে।উদ্দীপকের সাগরের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাসের সাদৃশ্য দেখাও।
- 'এখন সে ঝড়ের মুখে উড়ে চলা পাতা নয়'- কে?
- খুলনা জেলার চুকনগরে রুথিত পির বাবার নাম আঃ লতিফ। চুকনগর হাইস্কুল রোডের একটি ঘরে তার আস্তানা। প্রতিদিন শত শত ভক্ত ও রোগী পানি, তেল, কলার মোচা পড়াসহ নানা তদবির নিতে আসে পির বাবার সান্নিধ্যে। তার আস্তানায় গিয়ে দেখা যায় টেবিলের উপর পানি, তেল ও দুধের বোতল, কলার মোচা, মাটি মাদুনিসহ নানা তদবিরের সামগ্রী। আর বাইরে অসংখ্যা মহিলাদের লাইন। সবার হাতে পানি ও তেলের বোতল। একেক জনকে একেকভাবে চিকিৎসা করছেন তিনি। তার আস্তানায় ৪টি সাইনবোর্ড আছে। যার একটিতে লেখা শিক্ষাগত যোগ্যতা, একটিতে রোগের চিকিৎসা ফি। সাপে কাটা ফি ৫০০ টাকা, কুকুরে কামড়ানো ফি ২৫০ টাকা, বিড়ালে কামড়ানো ফি ১৫০ টাকা, অর্শরোগী ২০০ টাকা, জিনে ধরা ফি ৩০০ টাকা, প্রয়োজনে বারণ ফি ১০০ টাকা, বাড়ি বন্ধ করা ফি ৩০০ টাকা। বহু রোগী তাদের রোগ নিরাময়ের জন্য হুজুরের দরবারে আসে। আশপাশের অনেকেই যুজুরের পানি পড়াতে সুস্থ হয়ে গেছে এই গুজব শুনে এসেছে তারা।উদ্দীপকের চুকনগরের সমাজবাস্তবতার সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগরের সমাজবাস্তবতার সাদৃশ্য দেখাও।
- আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত যুবক এমদাদ। ধর্ম-খোদা-রসুল কিছুই বিশ্বাস করে না। খেলাফত আন্দোলনে যোগ দিয়ে একেবারে বদলে গেল। পীরের মুরিদ হয়েছে এবং নিয়মিত নামাজ পড়ছে। পীরের ভণ্ডামি ও লোলুপ দৃষ্টি এমদাদের কাছে ধরা পড়ল। মুরিদের সুন্দরী বউ কলিমনকে জোরপূর্বক তালাক পড়িয়ে নিজে বিয়ে করেছে। এমদাদ এতে ক্রুদ্ধ হয়ে পীরের মেহেদি রঞ্জিত দাড়ি ধরে হেঁচকা টানে মাটিতে ফেলে দিল।উদ্দীপকের এমদাদ 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা কর।
- মজিদ জমিলাকে মাজারে বেঁধে রেখেছিল- মনে খোদার ভীতি জাগানোর জন্যশাস্তি দেওয়ার জন্যতার বিদ্রোহী চেতনাকে বিনাশ করার জন্যনিচের কোনটি সঠিক?
- 'লালসালু' উপন্যাস প্রথম প্রকাশিত হয় কত সালে?