বাবার কালের জীবনটা যেন রাস্তায় না যায়- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদী বৈষম্য যখন চরম আকার ধারণ করে, দেশটির কালো মানুষগুলোর অধিকার যখন ক্ষুণ্ণ হতে থাকে শ্বেতাঙ্গদের দ্বারা, ঠিক তখনই নেলসন ম্যান্ডেলা রুখে দাঁড়ান। বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের তিনি ছিলেন প্রাণপুরুষ। শাসকদের দ্বারা তিনি বিভিন্নভাবে নির্যাতিত হয়েছেন। জীবনে বেশির ভাগ সময় তাঁকে কাটাতে হয়েছে কারাগারে। কিন্তু তিনি আন্দোলন করা থেকে পিছপা হননি। সংগ্রামের মাধ্যমেই তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন কালো মানুষের অধিকার।"উদ্দীপকের অধিকার আদায় আর 'বায়ান্নর দিনগুলো" রচনায় অধিকার আদায় একই বিন্দুতে গাঁথা।"- এ যুক্তিসহ নিজের মতামত বিশ্লেষণ করো।
- 'তোমার তরে এনেছি মালা গাঁথিয়া ।' এখানে 'তরে' কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- "বাবার কালের জীবনটা যেন রাস্তায় না যায় "- বুঝিয়ে লেখো।
- বন্ধু, তোমার ছাড় উদ্বেগ, সুতীক্ষ্ণ কর চিত্তবাংলার মাটি দুর্জয় ঘাঁটি বুঝে নিক দুর্বৃত্ত।মূঢ় শত্রুকে হানো স্রোত রুখে, তন্দ্রাকে কর ছিন্ন,একাগ্র দেশে শত্রুরা এসে হয়ে যাক নিশ্চিহ্ন।ঘরে তোল ধান বিপ্লবী প্রাণ প্রস্তুত রাখো কাস্তে,গাও সারি গান, হাতিয়ারে শান দাও আজ উদয়াস্তে।উদ্দীপকটিতে 'বায়ান্নর দিনগুলো'র চেতনা সার্থকভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। মন্তব্যটি কি যথার্থ? বিশ্লেষণ কর।
- আমারে তোমার বুকে টেনে লও রাজাআমি হিন্দু না- আমি না মোছলমানযাবজ্জীবন কারাবাসসহ সাজাদেশাত্তরের খাঁটি নিষ্পাপ প্রাণ। (সত্যগুহ)উদ্দীপকে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার সমগ্রভাব ফুটে উঠেছে কি? মতামত দাও।
- নেলসন ম্যান্ডেলা ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী বিপ্লবী নেতা। তিনি সে দেশের প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি এবং প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপ্রধান। তিনি ১৯৪৩ সালে আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসে যোগ দেন। পরে তিনি সশস্ত্র সংগঠনের নেতা হিসেবে বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংগ্রহণ করেন। ১৯৬২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার তাঁকে গ্রেফতার করেন এবং অন্তর্ঘাতসহ নানা অপরাধের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেন। নেলসন ম্যান্ডেলা ২৭ বছর কারাবাস করেন। তিনি সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে সারা জীবন লড়াই করেছেন।উদ্দীপকের নেলসন ম্যান্ডেলার সাথে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কী সাদৃশ্য পাওয়া যায়? যুক্তিসহ আলোচনা কর।
- ৭ মার্চ, দিনটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে পরিচিতি লাভ করেছে এক রক্তস্নাত দিন হিসেবে। ১৯৬৫ সালের ৭ মার্চ ছিল রবিবার। বর্ণবাদের বিষবাষ্পে উত্তাল সারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এরই মধ্যে কৃষ্ণাঙ্গ নেতা মার্টিন লুথার কিং-এর অহিংস আন্দোলনে উদ্বুদ্ধ জনতা শান্তিপূর্ণ মিছিল নিয়ে সেলমা থেকে এগিয়ে চলেছে প্রাদেশিক রাজধানী মন্টোগোমারির দিকে। এমনই সময় প্রতিপক্ষ শ্বেতাঙ্গ আর পুলিশ বর্বরোচিত হামলা চালায় ওই মিছিলের উপর। রক্তে রঞ্জিত হয় রাজপথ। আর ৭ মার্চ ১৯৬৫ দিনটি পরিচিতি পায় 'ব্ল্যাডি সানডে' বা রক্তস্নাত রবিবার হিসেবে। তিনি শ্বেতাজাদের বৈষম্যমূলক আচরণ আর কৃষ্ণাজাদের উপর নির্যাতন ও বঞ্চনার কথা বলতেন। তিনি বলতেন 'আমি স্বপ্ন দেখি, একদিন এই জাতি' জাগ্রত হবে এবং মানুষের এই বিশ্বাসের মূল্যায়ন করবে, সকল মানুষ জন্মসূত্রে সমান।' উদ্দীপকের মাটিন লুথার কিং-এর সাথে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার কোন দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ তা আলোচনা করো।
- অনশন ধর্মঘটে থাকাকালে বঙ্গবন্ধু কয়টি চিঠি লিখেছিলেন?
- শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব- এর ডাক নাম কী?
- ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল জালিয়ানওয়ালাবাগের বন্ধ উদ্যানে জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে নিরস্ত্র জনতার ওপর নির্বিচার গুলি চালিয়েছিল ব্রিটিশ পুলিশ। ব্রিটিশ শাসকশ্রেণি ও তার দেশি- বিদেশি দোসরদের এ-জাতীয় অত্যাচার-নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল পরাধীন ভারতবর্ষের সাধারণ জনগণ। নির্যাতিত জনগণের মুক্তির অগ্রদূত হয়ে দেখা দিয়েছিলেন মোহনদাস করম চাঁদ গান্ধী। মহাত্মা গান্ধী নামে সমধিক পরিচিত এই রাজনীতিবিদ বর্ণবৈষম্য দূরীকরণসহ বি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেকে ভারতবাসীর কাছে অবিসংবাদিতা নেতা হিসেবে প্রমাণ করেন এবং বিভিন্ন অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েও ব্রিটিশবিরোধী 'ভারত ছাড়ো' আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। অহিংস আন্দোলনের পুরোধা হলেও দেশ ও জনগণের মুক্তির প্রশ্নে কখনোই আপস করেননি মাহাত্মা গান্ধী।'মহাত্মা গান্ধী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ শেখ মুজিবুর রহমান উভয়েই দেশ ও দেশের মানুষের মুক্তিকেই সর্বাগ্রে প্রাধান্য দিয়েছেন।'- উদ্দীপক ও 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- “রতন পোস্ট অফিসের চারিদিকে কাঁদিয়া কাঁদিয়া বেড়াইতে লাগিল।" বাক্যটি গঠন অনুসারে-
- ফরিদপুর জেল থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ক'খানা চিঠি লিখেছিলেন?
- ‘বায়ান্নর দিনগুলো’ কার লেখা?
- বন্ধু, তোমার ছাড়ো উদ্বেগ, সুতীক্ষ্ণ করো চিত্ত বাংলার মাটি দুর্জয় ঘাঁটি বুঝে নিক দূর্বৃত্ত।মূঢ় শত্রুকে হানো স্রোতে রুখে, তন্দ্রাকে করোছিন্ন, একাগ্র দেশে শত্রুরা এসে যাক নিশ্চিহ্ন। ঘরে তোলো ধান বিপ্লবী প্রাণ প্রস্তুত রাখো কাস্তে,গাও সারি গান, হাতিয়ারে শান দাও আজ উদয়ান্তে।"উদ্দীপকটিতে 'বায়ান্নর দিনগুলো'র চেতনা, সার্থকভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।"- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।
- ফরিদপুর জেল থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কয়টি চিঠি লিখেছিলেন?
- মাতৃভাষার জন্য যারা জীবন দেয়তারা কেমন মানুষআজ আমার ভীষণ জানতে ইচ্ছে করে।আমার বুকের মধ্যেসেই বাংলাদেশের জন্যএকটুখানি বাঙালি হয়ে ওঠার জন্যএকটা ভয়ংকর যন্ত্রণা টনটন করে ওঠে।উদ্দীপকের সঙ্গে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার সাদৃশ্যের অংশটুকু তুলে ধরো।
- জাতিবাচক বিশেষ্যের উদাহরণ কোনটি?
- "ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিচ্ছে "। বাক্যে কোন ধরনের ক্রিয়া বিদ্যমান?
- 'চটপট কাজ সেরে নাও' -এখানে 'চটপট' কোন পদ?
- ফরিদপুরের ছাত্র-ছাত্রীরা স্লোগান দিচ্ছিল- পূর্ব বাংলার স্বাধীনতা চাইশেখ মুজিবের মুক্তি চাইরাজবন্দিদের মুক্তি চাইনিচের কোনটি সঠিক?
- ‘মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতে থাকে'। বাণীটি কার?
- আফ্রিকার জনমানুষের প্রিয় নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা। বর্ণবাদ, বৈষম্য আর শোষণ নিপীড়নের প্রতিবাদে ফুঁসে ওঠা দক্ষিণ আফ্রিকার কালো মানুষগুলোর দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামে নেতৃত্বের পুরোধা ছিলেন তিনি। তাঁকে সইতে হয়েছে নির্যাতন, খাটতে হয়েছে জেল, সাতাশ বছর সশ্রম কারাভোগ ও ত্যাগের বিনিময়ে আফ্রিকার মানুষদের মুক্তি তথা স্বাধীনতা অর্জিত হয়।উদ্দীপকের নেলসন ম্যান্ডেলার সাথে "বায়ান্নর দিনগুলো" রচনার লেখকের সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি তুলে ধর।
- দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদী বৈষম্য যখন চরম আকার ধারণ করে, দেশটির কালো মানুষগুলোর অধিকার যখন ক্ষুণ্ণ হতে থাকে শ্বেতাঙ্গদের দ্বারা, ঠিক তখনই নেলসন ম্যান্ডেলা রুখে দাঁড়ান। বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের তিনি ছিলেন প্রাণপুরুষ। শাসকদের দ্বারা তিনি বিভিন্নভাবে নির্যাতিত হয়েছেন। জীবনে বেশির ভাগ সময় তাঁকে কাটাতে হয়েছে কারাগারে। কিন্তু তিনি আন্দোলন করা থেকে পিছপা হননি। সংগ্রামের মাধ্যমেই তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন কালো মানুষের অধিকার।উদ্দীপকের নেলসন ম্যান্ডেলার সাথে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার চারিত্রিক সাদৃশ্য রয়েছে? তুলনামূলক আলোচনা করো। নিজের মতামত বিশ্লেষণ করো।
- "ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না” “বায়ান্নরদিনগুলো' রচনায় কে দমাতে পারবে না?
- ৭ মার্চ, দিনটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে পরিচিতি লাভ করেছে এক রক্তস্নাত দিন হিসেবে। ১৯৬৫ সালের ৭ মার্চ ছিল রবিবার। বর্ণবাদের বিষবাষ্পে উত্তাল সারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এরই মধ্যে কৃষ্ণাঙ্গ নেতা মার্টিন লুথার কিং-এর অহিংস আন্দোলনে উদ্বুদ্ধ জনতা শান্তিপূর্ণ মিছিল নিয়ে সেলমা থেকে এগিয়ে চলেছে প্রাদেশিক রাজধানী মন্টোগোমারির দিকে। এমনই সময় প্রতিপক্ষ শ্বেতাঙ্গ আর পুলিশ বর্বরোচিত হামলা চালায় ওই মিছিলের উপর। রক্তে রঞ্জিত হয় রাজপথ। আর ৭ মার্চ ১৯৬৫ দিনটি পরিচিতি পায় 'ব্ল্যাডি সানডে' বা রক্তস্নাত রবিবার হিসেবে। তিনি শ্বেতাজাদের বৈষম্যমূলক আচরণ আর কৃষ্ণাজাদের উপর নির্যাতন ও বঞ্চনার কথা বলতেন। তিনি বলতেন 'আমি স্বপ্ন দেখি, একদিন এই জাতি' জাগ্রত হবে এবং মানুষের এই বিশ্বাসের মূল্যায়ন করবে, সকল মানুষ জন্মসূত্রে সমান।' 'প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও চেতনাগত ঐক্যই মার্টিন লুথার কিং ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে একসূত্রে গেঁথেছে- উদ্দীপক ও 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- ভিক্টোরিয়া পার্কের বর্তমান নাম কী?
- “শিক্ষকদের শ্রদ্ধা করা উচিত' এটা কোন ধরনের বাক্য?
- ১৯৬১ সালে আলজেরিয়ায় যখন স্বাধীনতা সংগ্রামের ঢেউ তুঙ্গে, তখন রাজপথে • প্রতিবাদকারীদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ফরাসি পুলিশ- চালিয়েছিল নির্মম গণহত্যা। প্রায়ই জঙ্গলে, নদীতে, খালেবিলে পাওয়া যেত প্রতিবাদকারীদের লাশ। পনেরো বছরের কিশোরী ফাতিমা বেদার ওই সংগ্রামে জীবন দিয়ে ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন। ফাতিমাকে হত্যা করায় আন্দোলন আরো তীব্র হয়। দলে দলে নারী ও শিশুরা জড়ো হয় প্রতিবাদ সমাবেশে। ফাতিমা বেদারদের রক্তের বিনিময়ে আলজেরিয়া ফ্রান্সের ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্ত হয়।উদ্দীপকের ফাতিমা বেদার-এর সঙ্গে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় বাঙালি তরুণদের রক্ত দেওয়ার সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি তুলে ধরো।
- ’ভয় নাই হবে জয়।’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
- রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই এই দাবিতে ধর্মঘটবরকত সালামের খুনে লাল ঢাকা রাজপথ।স্মৃতিসৌধ ভাঙিয়াছ জেগেছে পাষাণের প্রাণমোরা কি ভুলিতে পারি খুনে রাঙা জয় নিশান।উদ্দীপকের ঘটনার আলোকে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার মূলভাব বিশ্লেষণ করো।
- প্লুরিসিস শব্দের অর্থ কী?
- শেখ মুজিবুর রহমানের 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্রন্থে বর্ণিত ঘটনাবলি কত সাল পর্যন্ত বিস্তৃত ?
- শেখ মুজিবুর রহমানের 'কারাগারের রোজনামচা' গ্রন্থটির নাম দেন কে?
- নেলসন ম্যান্ডেল একজন দেশপ্রেমিক নেতা। দেশের জন্য, মানুষের মুক্তির জন্য তিনি আজীবন সংগ্রাম করেছেন। জীবনের দীর্ঘ সময়, জেল খেটেছেন। কিন্তু কখনো তিন্নি কারো কাছে মাথা নত করেননি। উদ্দীপকের নেলসন ম্যান্ডেলার সাথে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনাংশের কোন চরিত্রের মিল আছে?
- এই দেশের স্বাধীনতার পিছনে রয়েছে বহুকালের সংগ্রামী ইতিহাস। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের দিনগুলো আমাদের জাতীয় আন্দোলন সংগ্রামের আত্মমর্যাদার চেতনার বীজ পত্তন করেছে। এ দেশকে ভালোবেসে বহু প্রতিবাদী মানুষ জীবন বিসর্জন দিয়েছেন, ইতিহাসে তাঁরা অমর।উদ্দীপকের মর্মার্থ 'বায়ান্নার দিনগুলো' রচনার চেতনার আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- ‘বায়ান্নর দিনগুলো’য় কারাবন্দি শেখ মুজিবুর রহমান জেল থেকে ছাড়া পেয়ে কয়দিন পর বাড়ি পৌছেছিলেন?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান 'জুলিও কুরি' পদক পান কত সালে?
- 'এসব হলো পাকিস্তানের ইনটার্নাল অ্যাফেয়ার।'- কে বলেছে?
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানেরজন্মশতবার্ষিকী উদযাপিত হয়-
- ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না। বাংলা ভাষাকেরাষ্ট্রভাষা না করে উপায় নাই। এই আন্দোলনে দেশের লোকসাড়া দিয়েছে ও এগিয়ে এসেছে।... জনমত সৃষ্টি হয়েছে,জনমতের বিরুদ্ধে যেতে শোষকরাও ভয় পায়।উক্ত জনমত গঠনে ব্যর্থতার মূল কারণ কোনটি ছিল?