একটি (+) হ্যাপ্লয়েড ঈষ্ট কোষ এবং একটি(-) হ্যাপ্লয়েড ঈষ্ট কোষের মিলনকে বলা হয়?
RUUnit-FSet-1জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রশৈবাল ও ছত্রাকছত্রাক - বৈশিষ্ট্য ও গঠন, জনন ও গুরুত্ব (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
প্লাজমোগ্যামী
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
হ্যাপ্লয়েড ঈষ্ট কোষের মিলন: প্লাজমোগ্যামি 🍄
দুটি হ্যাপ্লয়েড ঈষ্ট কোষের (+ এবং -) মিলন প্রক্রিয়াটি জীববিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এটিকে প্লাজমোগ্যামি বলা হয়। নিচে এর বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
প্লাজমোগ্যামি কী? 🤔
প্লাজমোগ্যামি হলো যৌন প্রজননের প্রথম ধাপ। এই প্রক্রিয়ায় দুটি কোষের সাইটোপ্লাজম মিলিত হয়, কিন্তু নিউক্লিয়াস তখনও আলাদা থাকে।
ঈষ্ট কোষে প্লাজমোগ্যামি 🧬
ঈষ্টের ক্ষেত্রে, দুটি ভিন্ন স্ট্রেইনের হ্যাপ্লয়েড কোষ (যেমন, + এবং -) একত্রিত হয়ে একটি ডিপ্লয়েড কোষে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয় প্লাজমোগ্যামির মাধ্যমে।
প্লাজমোগ্যামির ধাপসমূহ 👣
- কোষের কাছাকাছি আসা: প্রথমে (+) এবং (-) হ্যাপ্লয়েড কোষ একে অপরের কাছাকাছি আসে।
- সংযোগ স্থাপন: কোষ দুটি তাদের কোষ প্রাচীরের মাধ্যমে একটি সংযোগ স্থাপন করে।
- সাইটোপ্লাজমের মিলন: এরপর দুটি কোষের সাইটোপ্লাজম মিলিত হয়ে একটি একক কোষে পরিণত হয়।
- ডাইক্যারিওন গঠন: নিউক্লিয়াস তখনও আলাদা থাকায় এই অবস্থাকে ডাইক্যারিওন (dikaryon) বলে, যেখানে একটি কোষে দুটি নিউক্লিয়াস থাকে।
প্লাজমোগ্যামির তাৎপর্য 💡
- এটি যৌন প্রজননের সূচনা করে।
- генетического বৈচিত্র্য সৃষ্টিতে সাহায্য করে।
- নতুন বৈশিষ্ট্য সমন্বিত ঈষ্ট কোষ তৈরি হয়।
প্লাজমোগ্যামি: সংক্ষিপ্তসার 📊
| বৈশিষ্ট্য | বর্ণনা |
|---|---|
| নাম | প্লাজমোগ্যামি |
| সংজ্ঞা | দুটি হ্যাপ্লয়েড কোষের সাইটোপ্লাজমের মিলন |
| ফলাফল | ডাইক্যারিওন গঠন (দুটি নিউক্লিয়াস युक्त কোষ) |
অতিরিক্ত তথ্য ➕
প্লাজমোগ্যামির পর ক্যারিওগ্যামি (Karyogamy) ঘটে, যেখানে দুটি নিউক্লিয়াস মিলিত হয়ে একটি ডিপ্লয়েড নিউক্লিয়াস গঠন করে। এরপর মিয়োসিস (Meiosis) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হ্যাপ্লয়েড স্পোর তৈরি হয়। 🥳
আশা করি, প্লাজমোগ্যামি সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট হয়েছে। 📚 Happy learning! 😊
```