মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

নেমাটোসিস্টের (Nematocyst) ভিতরে বিষাক্ত তরল পদার্থের নাম কী?

A. Hypnotoxin
B. Toxin
C. Hemocyanin
D. Hemozoin
Poster Download
MEDICALজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর পরিচিতিহাইড্রার গঠন (Topic Practice)MEDICAL - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ A. Hypnotoxin
Explanation: নেমাটোসিস্টের ভিতরে Hypnotoxin নামক বিষাক্ত তরল পদার্থ থাকে। সঠিক উত্তর A। B. Toxin এবং C. Hemocyanin ভুল কারণ এগুলো নির্দিষ্টভাবে নেমাটোসিস্টের বিষাক্ত পদার্থ নয়। D. Hemozoin ম্যালেরিয়ার সাথে সম্পর্কিত। নোট: Hypnotoxin শিকার বা শত্রুকে অচেতন করতে ব্যবহৃত হয়।
Another Explanation (5):

নেমাটোসিস্টের (Nematocyst) ভিতরে বিষাক্ত তরল পদার্থের নাম

নেমাটোসিস্ট হলো এক ধরণের সুঁচ বা গুঁতো দিয়ে তৈরি ক্ষুদ্র কণা, যা মূলত কিছু জৈবিক জীব যেমন মৌমাছি, মৌচাকের মৌমাছি, এবং কিছু জলজ প্রাণীর দেহে পাওয়া যায়। এই নেমাটোসিস্টের ভিতরে থাকা বিষাক্ত তরল পদার্থের নাম "Hypnotoxin"

অর্থ এবং বৈশিষ্ট্য

  • Hypnotoxin হলো এক ধরনের বিষাক্ত তরল যা নেমাটোসিস্টের মাধ্যমে শিকার বা আক্রমণকারীকে আঘাত করে।
  • এটি সাধারণত প্যাথোজেনিক বা বিষাক্ত উপাদান সমৃদ্ধ যা স্নায়ুতন্ত্র বা ত্বকে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
  • Hypnotoxin এর উপস্থিতি জীবের সুরক্ষা এবং শিকার ধরার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

নেমাটোসিস্টের গঠন ও কার্যপ্রণালী

অংশ বর্ণনা
নেমাটোসিস্ট একটি ক্ষুদ্র কণা যা বিষাক্ত তরল ধারণ করে। এটি সুঁচ বা গুঁতো দিয়ে তৈরি।
ভিতরে তরল পদার্থ Hypnotoxin, যা শিকার বা আক্রমণকারীকে আঘাত করে।
প্রভাব অ্যাম্বুলেন্স বা বিষাক্ত উপাদানের মাধ্যমে আঘাত সৃষ্টি করে, শিকার বা আক্রমণকারীকে অসুস্থ করে তোলে।

সারাংশ

সাধারণত, নেমাটোসিস্টের ভিতরে থাকা বিষাক্ত তরল বা বিষাক্ত পদার্থের নাম "Hypnotoxin"। এটি জীবের রক্ষা ও শিকার ধরার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

💉🦠🦑🗡️

Option A Explanation:
  • Hypnotoxin হলো এক ধরনের বিষাক্ত তরল পদার্থ যা সাধারণত কিছু প্রজাতির নেমাটোসিস্টে পাওয়া যায়।
  • এটি মূলত শিকার বা আক্রমণের সময় প্রতিপক্ষের উপর আঘাত হানার জন্য ব্যবহার হয়।
  • Hypnotoxin এর কার্যকরী উপাদানগুলো শারীরিক ক্ষতি এবং বিষক্রিয়া সৃষ্টি করতে সক্ষম।
  • এটি সাধারণত জেলি বা তরল আকারে থাকে এবং দ্রুত শিকার বা আক্রমণের সময় শরীরের মধ্যে প্রবেশ করে।
Option B Explanation:
  • Toxin: টক্সিন হলো এক ধরনের বিষাক্ত পদার্থ যা জীবজন্তু বা উদ্ভিদ দ্বারা তৈরি হয় এবং অন্য জীবের দেহে ক্ষতি বা ক্ষত সৃষ্টি করতে সক্ষম।
  • এটি সাধারণত জীবের স্নায়ুতন্ত্র, কোষ বা অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে ক্ষতিগ্রস্ত করে বস্তুগত ক্ষতি করে।
  • টক্সিন বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, যেমন প্রোটিন বা পলিস্যাকারাইড, এবং এর প্রভাব বিভিন্ন হতে পারে—আদ্র, জৈবিক বা বিষাক্ত।
  • নেমাটোসিস্টের ভিতরে থাকা বিষাক্ত তরল পদার্থের নাম টক্সিন, যা শিকারকে আঘাত বা ক্ষতি করতে ব্যবহৃত হয়।
Option C Explanation:
  • Hemocyanin হল একটি রঞ্জক প্রোটিন যা কিছু আর্চিনিড (উদাহরণস্বরূপ, কচ্ছপ, মাছ, ও কিছু অঙ্গপ্রতঙ্গ) প্রাণীর রক্তে অক্সিজেন পরিবাহণে ব্যবহৃত হয়।
  • এটি আয়োডিনের উপস্থিতির জন্য নীল রঙের রঞ্জক হিসেবে কার্যকর হয়।
  • এই প্রোটিনটি লোহিত রক্তকণিকার মধ্যে নয়, বরং কিছু অকলংবের মধ্যে পাওয়া যায়, যেখানে এটি অক্সিজেন পরিবাহণে সহায়তা করে।
  • Hemocyanin সাধারণত রক্তে প্রবাহিত হয়, যা প্রাণীর জীবন্ত অবস্থা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Option D Explanation:
  • Hemozoin হলো একটি প্রাকৃতিক রঞ্জক বা ক্রিস্টালিন পদার্থ যা ম্যালেরিয়া পরজীবি দ্বারা রক্তের লোহিত কণিকাগুলি ধ্বংসের ফলে উৎপন্ন হয়।
  • এটি পরজীবির দ্বারা লোহিত রক্তকণিকা ভেঙে যাওয়ার সময় ফারমেন্টেশন প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়।
  • Hemozoin রক্তে উপস্থিত থাকলে সেটি পরজীবির উপস্থিতির সূচক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
  • এটি পরজীবির পেপটাইড বা প্রোটিন ধ্বংসের ফলে উৎপন্ন ক্ষুদ্র কণিকা হিসেবে কাজ করে।
  • অক্সিজেন বহনের জন্য দায়ী হিমোগ্লোবিনের অংশ নয়, বরং এটি পরজীবির দ্বারা রক্তের ধ্বংসপ্রক্রিয়ার ফলাফল।